ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

লাভ বেশি, খরচ কম আখ চাষে ঝুঁকছেন কৃষক


লাভ বেশি, খরচ কম আখ চাষে ঝুঁকছেন কৃষক

 

কিছু কৃষক আখের পরিচর্যা করছেন, আবার কেউ পরিপক্ব আখ কেটে পাইকারদের কাছে বিক্রি করছেন। সকলেই ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।

 

আরও পড়ুন: চুয়াডাঙ্গায় দেয়ালে ‘জয় বাংলা’সহ বিভিন্ন স্লোগান লিখলেন নারী শিক্ষার্থীরা, ভিডিও ভাইরাল

তবে তাদের মুখে তৃপ্তির ছাপ স্পষ্ট।

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার বিভিন্ন আখক্ষেত ঘুরে এমন দৃশ্য দেখা যায়।

কৃষকরা জানান, কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় এই উপজেলায় আখ চাষ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ভালো ফলন ও বাজারের চাহিদার কারণে প্রতিবছরই তারা এই ফসল চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।

 

আরও পড়ুন: সুনামগঞ্জে নতুন কুঁড়ির ভার্চুয়াল উদ্বোধনে অংশ নিলেন নূরুল ইসলাম এমপি

আট মাস পর বিক্রির উপযোগী হয়ে ওঠা আখের ফলন চলতি মৌসুমেও সন্তোষজনক। ফলে আখ চাষি ও ব্যবসায়ীরা উভয়েই খুশি।

উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, গঙ্গাচড়ায় এ বছর ১০ হেক্টর জমিতে আখ চাষ হয়েছে। এর মধ্যে আলদাদপুর এলাকায় সবচেয়ে বেশি আখ চাষ হয়েছে।

 

রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে বেতগাড়ী ইউনিয়নের আলদাদপুর এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সেখানকার আখক্ষেতে কৃষকরা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।

আরও পড়ুন: মদনে বাছুরকে বাঁচাতে গিয়ে অটোরিকশা উল্টে প্রাণ গেল বৃদ্ধার

৪০ শতক জমিতে আখ চাষ করেছেন আলদাদপুরের কৃষক মন্টু দাস। তার ক্ষেতের আখ এখন বিক্রির জন্য প্রস্তুত। পাইকাররা সরাসরি ক্ষেত থেকে আখ তুলে নিয়ে যাচ্ছেন। একেকটি আখ ১৫ থেকে ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

 

মন্টু দাস বলেন, "আখ চাষে খরচ তুলনামূলক কম। প্রায় আট মাস পর আখ বিক্রি করা যায়। ক্ষেত থেকেই পাইকাররা আখ কিনে নিয়ে যান। তাই বাজারে নিয়ে বিক্রির ঝামেলা নেই। এবারের ফলনও ভালো হয়েছে।"

আখচাষি মহন্ত রায় জানান, "প্রতিবিঘা জমিতে ৩৫ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা খরচ করে আখ চাষ করা যায়। ভালো ফলন হলে এক লাখ ১২ হাজার থেকে দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা সম্ভব। ন্যায্য দাম পেলে আগামীতে আরো বেশি জমিতে আখ চাষ করব।"

আরও পড়ুন: নড়াইল জেলা জাপার নবগঠিত কমিটিকে অবৈধ ঘোষণা করে প্রতিবাদ সভা

অন্য এক চাষি রতন চন্দ্র বলেন, নিয়মিত পরিচর্যা করলে আখের ফলন ভালো হয়। পাইকাররা ক্ষেত থেকে আখ কিনে নেওয়ায় পরিবহন খরচও লাগে না। অন্যান্য ফসলের তুলনায় আখ চাষে লাভ ভালো হওয়ায় তিনি এই চাষে আগ্রহী।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রুবেল হুসেন বলেন, গঙ্গাচড়ার মাটি ও আবহাওয়া আখ চাষের জন্য উপযোগী। উৎপাদন বাড়াতে আধুনিক প্রযুক্তি ও চাষাবাদ বিষয়ে কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। সঠিক নির্দেশনা ও ন্যায্য দাম নিশ্চিত করা গেলে আখ চাষ কৃষকদের লাভবান করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্গম পাহাড়ে আত্মনির্ভরতার স্বপ্ন দেখাচ্ছে দীঘিনালা জোন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ লোকমান হোসেন, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি,

রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২৫ পি.এম


দুর্গম পাহাড়ে আত্মনির্ভরতার স্বপ্ন দেখাচ্ছে দীঘিনালা জোন

দুর্গম পাহাড়ি এলাকার সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে দক্ষ ও আত্মনির্ভরশীল করে তুলতে বিনামূল্যে ধাত্রীবিদ্যা/নার্সিং ও কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দীঘিনালা জোন।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় দীঘিনালা জোনের আওতাধীন দুর্গম বরাদম, বাবুছড়া ও জারুলছড়ি আর্মি ক্যাম্পে এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়। দীঘিনালা জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আল-আমিন, এসইউপি, পিএসসির নির্দেশনায় উপজেলা থেকে বাছাই করা পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর ২০ জন নারীকে ধাত্রীবিদ্যা/নার্সিং এবং ৪৭ জনকে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

সেনাবাহিনী সূত্রে জানা যায়, দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলের পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর কর্মদক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি তাদের জীবিকা অর্জনের সুযোগ তৈরি করাই এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের অন্যতম লক্ষ্য। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের হাতে বাস্তবভিত্তিক দক্ষতা তুলে দিয়ে ভবিষ্যতে তাদের আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিনামূল্যে এমন প্রশিক্ষণের সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন প্রশিক্ষণার্থীরা। তারা বলেন, দুর্গম এলাকায় বসবাস করায় বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা থেকে অনেক সময় তারা বঞ্চিত হন। সেনাবাহিনীর এ উদ্যোগ তাদের নতুন দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি ভবিষ্যতে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে সহায়ক হবে।

প্রশিক্ষণার্থীরা এমন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ গ্রহণের জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দীঘিনালা জোনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পূর্ব জার্মানির গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য নির্বাচনে ভোট শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২৫ পি.এম


পূর্ব জার্মানির গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য নির্বাচনে ভোট শুরু

ঢাকা, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : পূর্ব জার্মানির স্যাক্সনি-আনহাল্ট রাজ্যে রোববার স্থানীয় সময় সকাল ৮টায়  ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। 

এ নির্বাচনে কট্টর ডানপন্থী এএফডি স্পষ্টভাবে এগিয়ে রয়েছে। দলটি প্রথমবারের মতো কোনো রাজ্য সরকার গঠন করতে পারে।

জার্মানির ম্যাগডেবার্গ থেকে বার্ত সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

১৭ লক্ষাধিক ভোটার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রাজ্য আইনপ্রণেতা নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন। ক্রমেই জনসমর্থন হারাতে থাকা চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ মের্ৎসের নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় জোট সরকারের জন্য এ নির্বাচনকে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সবুজ সুনামগঞ্জ গড়ার প্রত্যয়ে বৃক্ষমেলা উদ্বোধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোহাম্মদ নুর ‎স্টাফ রিপোর্টার

রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২৬ পি.এম


সবুজ সুনামগঞ্জ গড়ার প্রত্যয়ে বৃক্ষমেলা উদ্বোধন

‎‎‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জে শুরু হয়েছে বৃক্ষরোপণ অভিযান ও জেলা বৃক্ষমেলা-২০২৬। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জেলার সবুজায়ন বৃদ্ধি, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরতে এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে।
‎
‎রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে সুনামগঞ্জ শহরের সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের বালুর মাঠে জেলা বৃক্ষমেলা-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
‎
‎অনুষ্ঠানের শুরুতে শহরে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিতে সরকারি কর্মকর্তা, বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টরা অংশ নেন। র‌্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে মেলা প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়।
‎
‎পরে সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের বালুর মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান। র‌্যালি শেষে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে জেলা বৃক্ষমেলা-২০২৬-এর উদ্বোধন করেন।
‎
‎অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুর রহমান ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজন সরকার। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মতিউর রহমানসহ জেলা প্রশাসন, বন বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।
‎
‎আয়োজকরা জানান, হাওর অধ্যুষিত সুনামগঞ্জে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় পরিকল্পিত বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব অপরিসীম। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব, অতিরিক্ত তাপমাত্রা, মাটির ক্ষয়, জীববৈচিত্র্যের সংকটসহ পরিবেশগত নানা ঝুঁকি মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণ কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে বৃক্ষ মানুষের খাদ্য, কাঠ, ফল, ঔষধিসহ নানা প্রয়োজন মেটানোর পাশাপাশি প্রাকৃতিক পরিবেশকে সুরক্ষিত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
‎
‎বক্তারা বলেন, শুধু একটি নির্দিষ্ট সময়ে বৃক্ষরোপণ করলেই পরিবেশ রক্ষার লক্ষ্য পূরণ হবে না। বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি লাগানো গাছের নিয়মিত পরিচর্যা ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে বাড়ির আঙিনা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের খালি জায়গা, রাস্তার দুই পাশ, পতিত জমি, নদী ও খালপাড়সহ উপযুক্ত স্থানে পরিকল্পিতভাবে বৃক্ষরোপণ করা প্রয়োজন।
‎
‎তারা আরও বলেন, সুনামগঞ্জের বিস্তীর্ণ হাওরাঞ্চলের প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য দেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় স্বতন্ত্র। হাওর ও জলাভূমির পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি বসতবাড়ি, শহর ও গ্রামীণ এলাকায় পরিকল্পিত সবুজ বেষ্টনী গড়ে তোলা গেলে জেলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও পরিবেশগত ভারসাম্য আরও সমৃদ্ধ হবে।
‎
‎বৃক্ষরোপণ অভিযান ও জেলা বৃক্ষমেলার মাধ্যমে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে ধারণা দেওয়ার পাশাপাশি ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছ রোপণে উৎসাহিত করা হচ্ছে। মেলায় আগত দর্শনার্থীরা বিভিন্ন প্রজাতির চারা সম্পর্কে জানতে এবং নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী চারা সংগ্রহের সুযোগ পাচ্ছেন।
‎
‎আয়োজকরা মনে করেন, পরিবেশ রক্ষার দায়িত্ব শুধু সরকারের একার নয়; এ কাজে সমাজের প্রতিটি মানুষকে সম্পৃক্ত হতে হবে। প্রত্যেক নাগরিক নিজ নিজ অবস্থান থেকে অন্তত একটি করে গাছ লাগানো এবং তা পরিচর্যা করলে সম্মিলিতভাবে একটি সবুজ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
‎
‎বৃক্ষরোপণ অভিযানকে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করার আহ্বান জানিয়ে সংশ্লিষ্টরা বলেন, বর্তমান প্রজন্মের পরিবেশ সুরক্ষার উদ্যোগই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও বাসযোগ্য পৃথিবী নিশ্চিত করতে পারে। তাই সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি ব্যক্তি, পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনকে পরিকল্পিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে আরও সক্রিয়ভাবে এগিয়ে আসতে হবে।
‎

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাউন্টিতে হাসানের ৭ উইকেটের ম্যাচে জিতল কেন্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২৭ পি.এম


কাউন্টিতে হাসানের ৭ উইকেটের ম্যাচে জিতল কেন্ট

ঢাকা, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশ পেসার হাসান মাহমুদের দুর্দান্ত বোলিং নৈপুণ্যে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপ ডিভিশন-২এর ৪২তম ম্যাচে উস্টারশায়ারকে ৮৪ রানে হারিয়েছে কেন্ট। ম্যাচে ১১৯ রানে ৭ উইকেট নেন হাসান।

ক্যান্টারবারির সেন্ট লরেন্স গ্রাউন্ডে টস হেরে প্রথম ব্যাট করে প্রথম দিনই ২৩৮ রানে অলআউট হয় কেন্ট। জবাবে ২১৭ রানে গুটিয়ে যায় উস্টারশায়ার। এতে প্রথম ইনিংস থেকে ২১ রানের লিড পায় কেন্ট। ১৮ ওভার বল করে ৬৮ রানে ৪ উইকেট নেন হাসান।

দ্বিতীয় ইনিংসে স্যাম নর্থেস্টের সেঞ্চুরিতে সব উইকেট হারিয়ে ৩৫৮ রানে করে কেন্ট। উস্টারশায়ারকে জয়ের জন্য ৩৮০ রানের লক্ষ্য ছুঁড়ে দিতে পারে কেন্ট। ১৩২ রানের দারুণ ইনিংস খেলেন নর্থেস্ট।

জবাব দিতে নেমে অধিনায়ক ব্রেট ডি’অলিভেইরা সেঞ্চুরি সত্বেও ২৯৫ রানে গুটিয়ে যায় উস্টারশায়ার। ১০৩ রানে অপরাজিত থাকেন ডি’অলিভেইরা। এই ইনিংসে ২০ ওভারে ৫১ রানে ৩ উইকেট নেন হাসান। এছাড়া কেন্টের হয়ে ৩টি করে উইকেট নেন ম্যাট মিলনেস ও কিথ ডাজন।

গত জুনে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে কেন্টের হয়ে দুই ম্যাচ খেলে ১২ উইকেট শিকার করেছিলেন হাসান। কাউন্টিতে অভিষেকে প্রথম ম্যাচে ৯ ও পরের ম্যাচে ৩ উইকেট নেন তিনি।

গত মাসে অস্ট্রেলিয়া সফরে সিরিজের প্রথম টেস্টে ডারউইনে ৯ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়ে বড় অবদান রাখেন হাসান। বাংলাদেশের ৯ উইকেটে জয়ের ম্যাচে সেরা খেলোয়াড়ের স্বীকৃতি পান তিনি।

অস্ট্রেলিয়া সিরিজ শেষে আবারও কাউন্টিতে ফিরে বল হাতে পারফরমেন্সের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখে কেন্টের জয়ে অবদান রাখলেন ডান-হাতি হাসান।

এই জয়ে ১১ ম্যাচে ১৭০ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে উঠল কেন্ট। সমান ম্যাচে ২১০ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে ডারহাম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%