বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৩০ পি.এম
চুয়াডাঙ্গা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে একটি গলির বসতবাড়ির দেয়ালে ‘জয় বাংলা’, ‘জয় বঙ্গবন্ধু’সহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন স্লোগান লেখার ঘটনায় আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, বিদ্যালয়ের কিছু ছাত্রী এই স্লোগানগুলো লিখেছেন। পুলিশ ইতোমধ্যে এ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। তবে, দেয়াল লিখনের একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে স্থানীয় বাসিন্দারা কালো রঙের স্প্রে দিয়ে লেখা বিভিন্ন স্লোগান দেয়ালে দেখতে পান। স্লোগানগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘জয় বাংলা’, ‘জয় হাসিনা’, ‘মুজিব সেনা’, ‘উই আর মুজিব সেনা’ এবং ‘ফিরছি আবার ডিসেম্বর’। পরে স্কুল কর্তৃপক্ষ দেয়ালের লেখাগুলো মুছে ফেলার কাজ শুরু করে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত একটি সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের ইউনিফর্ম পরা ছয় শিক্ষার্থী সামনের একটি গলিতে স্প্রে রং দিয়ে বিভিন্ন দেয়ালে স্লোগান লিখছেন। তাদের মধ্যে দুজন সরাসরি দেয়াল লিখনে অংশ নিচ্ছিলেন, অন্যরা পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন।
স্থানীয়দের দাবি, বুধবার দিনের বেলায় বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী এসব স্লোগান লেখেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক ব্যবসায়ী জানান, দিনের বেলায় স্কুলের শিক্ষার্থীরা দেয়ালে স্লোগান লিখেছেন। পরদিন বিষয়টি জানাজানি হলে পুলিশসহ বিভিন্ন লোকজন ঘটনাস্থলে আসেন।
চুয়াডাঙ্গা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেখ রেজাউল করিম বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা এসব স্লোগান লিখেছেন। পরে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে স্কুল কর্তৃপক্ষ দেয়ালের লেখাগুলো মুছে ফেলেছে। কারা এ ঘটনায় জড়িত, তা শনাক্ত করে তাদের অভিভাবকদের ডেকে বিদ্যালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এদিকে, খবর পেয়ে সদর থানা পুলিশ দেয়ালটি পরিদর্শন করেছে। সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হিমেল রানা জানান, ঘটনার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। শিক্ষার্থীরা কার নির্দেশে এসব স্লোগান লিখেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা চলছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশব্যাপী সাংগঠনিক কার্যক্রম সম্প্রসারণ ও নতুন সদস্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে ৫৬ দিনব্যাপী দাওয়াতি অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ। আগামী শুক্রবার (৬ নভেম্বর) থেকে শুরু হয়ে এই অভিযান ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাজধানীর পল্টনে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের চতুর্থ সাধারণ সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি রিদওয়ান মাযহারীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সাআদ বিন জাকিরের সঞ্চালনায় দুপুর আড়াইটায় সভার কার্যক্রম শুরু হয়। সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত করা হয়।
সভায় সভাপতি রিদওয়ান মাযহারী উল্লেখ করেন, ছাত্রসমাজের মধ্যে নৈতিকতা, আদর্শিক মূল্যবোধ ও দেশপ্রেম জাগ্রত করতে ছাত্র জমিয়ত কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, সংগঠনের কার্যক্রম দেশের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছে দিতে এই দাওয়াতি ও সদস্য সংগ্রহ অভিযান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। কর্মসূচির সফলতা নিশ্চিত করতে কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত সব পর্যায়ের দায়িত্বশীলদের সক্রিয়ভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
সাধারণ সম্পাদক সাআদ বিন জাকির বলেন, সংগঠনের সাংগঠনিক ভিত্তি আরও মজবুত করতে তৃণমূল পর্যায়ে কার্যক্রম সম্প্রসারণ অপরিহার্য। তিনি জানান, এই অভিযানের মাধ্যমে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তির পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের কাছে সংগঠনের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও কার্যক্রম তুলে ধরা হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিকল্পিতভাবে কর্মসূচি বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।
সভায় সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। নেতারা তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে নতুন ইউনিট গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সহসভাপতি মুহাম্মদ নুর হোসাইন, কাউসার আহমাদ (ঢাকা) ও কাওছার আহমদ (সিলেট), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুইনুল ইসলাম, সহসাধারণ সম্পাদক মারুফ বিল্লাহ, হাসান মাহমুদ, আবু সুফিয়ান মানসুর ও বায়জিদ আহমাদ সিরাজ, সাংগঠনিক সম্পাদক ইনআমুল হাসান নাইম, সহসাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন (ঢাকা বিভাগ), ফোরকান আলী (চট্টগ্রাম বিভাগ) ও ফাহিম আহমদ (সিলেট বিভাগ)।
এছাড়া কেন্দ্রীয় অর্থ সম্পাদক হোসাইন আহমাদ, প্রচার সম্পাদক আহমাদ আল গাজি, দপ্তর সম্পাদক জুবায়ের হোসেন, প্রশিক্ষণ সম্পাদক কাজী শামসুল আরেফীন, সাহিত্য সম্পাদক উবাইদুল্লাহ খুরশিদ, বিশ্ববিদ্যালয়বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুল হাসানসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতারা সভায় অংশ নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্তে পরিবর্তন এসেছে। বাংলাদেশের অধিনায়ক হিসেবে জামাল ভূঁইয়াই দায়িত্ব পালন করবেন। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম ম্যাচে তপু বর্মণের অধীনে খেলার পরিকল্পনা ছিল বাংলাদেশের।
কিন্তু মাঠে নামার পূর্বে টিম ম্যানেজমেন্ট তপুকে একাদশের বাইরে রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। চূড়ান্ত অনুশীলনের সময় এই ডিফেন্ডার চোট পেয়ে গেছেন। তার পরিবর্তে সৈয়দ কাজেম শাহকে দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
ঘরের মাঠে অনুষ্ঠিত সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে ভুটানের বিরুদ্ধে আজ চমক হিসেবে বিশ্বনাথ ঘোষ মাঠে নামবেন। তাকে স্ট্রাইকারের ভূমিকায় খেলাচ্ছেন টমাস ডুলি।
অন্যদিকে গোলবারের ‘চীনের প্রচীর’ হিসেবে মেহেদী হাসান শ্রাবণ আজও থাকবেন। রক্ষণভাগে জিদান ইফসুফ, সাদ উদ্দিন, তারিক কাজী ও জায়ান আহমেদ অবস্থান করবেন। আক্রমণে রাকিব হোসেন, ফয়সাল আহমেদ ফাহিমরা থাকবেন। জামালের সঙ্গে মাঝমাঠে জুটি গড়বেন শমিত সোম।
বাংলাদেশ একাদশ:
মেহেদী হাসান শ্রাবণ (গোলরক্ষক), জিদান ইফসুফ, সৈয়দ কাজেম শাহ, বিশ্বনাথ ঘোষ, সাদ উদ্দিন, জামাল ভূঁইয়া, জায়ান আহমেদ, তারিক কাজী, শমিত সোম, রাকিব হোসেন, ফয়সাল আহমেদ ফাহিম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৫ নভেম্বর, ২০২৬ : সরকারের ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ কর্মসূচির আওতায় উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘আন্তঃকলেজ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৬’-এর ময়মনসিংহ বিভাগীয় পর্ব।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা সরকারি শারীরিক শিক্ষা কলেজ মাঠে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও বেলুন উড়িয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয় এ প্রতিযোগিতার।
তিন দিনব্যাপী চলমান এই প্রতিযোগিতায় ময়মনসিংহ বিভাগের চার জেলার ১৫টি কলেজের ৫১৯ জন ক্রীড়াবিদ অংশগ্রহণ করছেন। শিক্ষার্থীরা মোট ৫৭টি ইভেন্টে নিজেদের ক্রীড়া নৈপুণ্য প্রদর্শন করবেন।
আগামী ৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান, যা বিভাগীয় পর্বের সমাপ্তি নির্দেশ করবে এবং বিজয়ীরা জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ উল্লেখ করেন, খেলাধুলা একজন শিক্ষার্থীর শারীরিক ও মানসিক বিকাশের পাশাপাশি নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা, সহমর্মিতা ও দলগত মানসিকতা গড়ে তোলে।
তিনি আরও জানান, খেলাধুলার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেশের জন্য উজ্জ্বল ও স্মরণীয় অর্জন বয়ে আনা সম্ভব এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খেলাধুলার প্রতি অত্যন্ত আগ্রহী, যা এ খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলু।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক দপ্তরের পরিচালক মোহাম্মদ শফিউল করিমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা দপ্তরের পরিচালক মো. জসিম উদ্দিন, মুক্তাগাছার শহীদ স্মৃতি সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. ছফির উদ্দিন, ময়মনসিংহ আনন্দ মোহন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর এ কে এম শামসুজ্জামান, মুক্তাগাছার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কৃষ্ণচন্দ্র, মুক্তাগাছা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. হাবিবুর রহমান খান।
এছাড়া অনুষ্ঠানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রটোকল ভেঙে সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশে হাত মেলালেন প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার দুপুরে খুলনায় প্রবেশের সময় রূপসা উপজেলার তিলক কুদির বটতলায় পথসভাস্থলে গাড়ি থেকে নেমেই তিনি সরাসরি অপেক্ষমাণ মানুষের কাছে চলে যান।
দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে হাত মেলানো এবং কুশল বিনিময়ের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে দেন পুরো পথসভাস্থলে। প্রধানমন্ত্রীর এই আচরণে উপস্থিত সকলের মধ্যে আনন্দের সঞ্চার ঘটে।
বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের খুলনা সফর উপলক্ষে রূপসা উপজেলার তিলক কুদির বটতলায় পথসভার আয়োজন করা হয়। তাকে অভ্যর্থনা জানাতে মঞ্চে নিয়ে যাওয়ার জন্য তিন সদস্যের একটি দল প্রস্তুত ছিল।
প্রধানমন্ত্রীর পৌঁছানোর আগেই তারা মঞ্চের সামনে অপেক্ষা করছিলেন। দুপুর ২টা ১৬ মিনিটে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ লেখা বাসটি পথসভা মঞ্চের পাশে এসে থামে। তবে অভ্যর্থনার দায়িত্বে থাকা নেতাদের কাছে পৌঁছানোর আগেই প্রধানমন্ত্রী গাড়ি থেকে নেমে সাধারণ মানুষের ভিড়ে চলে যান।
এ সময় তিনি কোনো আনুষ্ঠানিকতা বা প্রটোকলের তোয়াক্কা না করে উপস্থিত মানুষের সঙ্গে হাত মেলাতে থাকেন। প্রধানমন্ত্রীর এই স্বতঃস্ফূর্ত আচরণে দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ আনন্দে উদ্বেলিত হন। উপস্থিত অনেককে বলতে শোনা যায়, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এমন দৃশ্য বিরল। প্রধানমন্ত্রী হয়েও মঞ্চে ওঠার আগে সাধারণ মানুষের কাছে গিয়ে তাদের সঙ্গে হাত মেলানো এবং কুশল বিনিময় করার বিষয়টি উপস্থিত মানুষের মধ্যে বাড়তি উচ্ছ্বাস তৈরি করে।
এরপর তিনি মঞ্চে উঠে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন। পরে রূপসা ব্রিজ পার হয়ে খুলনা শহরে প্রবেশ করেন। শহরের কেন্দ্রস্থল ডাকবাংলো মোড়ের মঞ্চে অনির্ধারিত পথসভায় বক্তব্য রাখেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, "আমরা বাংলাদেশকে নতুন করে গড়ে তুলতে চাই। আমি আজ খুলনায় এসেছি নতুন কুঁড়ি উদ্বোধন করতে। আমরা খেলাধুলার মাধ্যমে প্রতিটি স্তরে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে চাই।" তিনি দেশের গণতন্ত্র ও অর্থনীতি ধ্বংসের ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে জনগণের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ