বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:২৭ পি.এম
চাঁদপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে চাঁদপুর সদর উপজেলা মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই ক্রীড়া আয়োজনের উদ্বোধন করেন চাঁদপুর-৩ (সদর ও হাইমচর) আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান, পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান, জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সলিম উল্লাহ সেলিম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) একরামুল ছিদ্দিক, জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ নূর আলম দ্বীন, চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএমএন জামিউল হিকমা এবং চাঁদপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি সোহেল রুশদী।
জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কয়েক শত শিক্ষার্থী স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই আয়োজনে অংশগ্রহণ করে। শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত উপস্থিতি ও উৎসাহ-উদ্দীপনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের এই আয়োজন শিশু-কিশোরদের খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করে তোলার পাশাপাশি তাদের সুপ্ত ক্রীড়া প্রতিভার বিকাশ এবং ভবিষ্যতে দক্ষ খেলোয়াড় গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এদিকে, সারা দেশে একযোগে শুরু হওয়া এই ক্রীড়া আয়োজনে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ পড়াশোনার পাশাপাশি তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন শিক্ষক ও অভিভাবকেরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও প্রযুক্তি আধুনিক যুদ্ধের রূপ পরিবর্তন করছে। ইউক্রেন, রুশ আগ্রাসনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে, মার্কিন প্রযুক্তি জায়ান্ট ‘পালান্টির’ (Palantir)-এর উন্নত সফটওয়্যার এবং যুদ্ধক্ষেত্রের বুদ্ধিমত্তা বা ব্যাটলফিল্ড ইন্টেলিজেন্স ব্যাপকভাবে ব্যবহার করে আসছে। তবে, এর পেছনে একটি কঠিন ও অস্বস্তিকর প্রশ্ন উঠেছে—ইউক্রেন কি তাদের চরম রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের বিনিময়ে বহুজাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোকে এআই ও আধুনিক যুদ্ধের অমূল্য ডেটা বা উপাত্ত প্রদান করছে?
আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ কেবল ধ্বংসযজ্ঞ সৃষ্টি করছে না, বরং এটি একবিংশ শতাব্দীর আধুনিক যুদ্ধের ওপর অত্যন্ত মূল্যবান এবং বিশাল পরিমাণ প্রায়োগিক তথ্য বা ডেটা তৈরি করছে। ড্রোন উড্ডয়ন, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার, ক্ষেপণাস্ত্র ইন্টারসেপশন, রুশ গ্লাইড বোমা হামলা এবং রিকনেসান্স মিশনের কোটি কোটি পর্যবেক্ষণ একত্রিত হয়ে এআই মেশিনকে যুদ্ধ পরিচালনার নতুন পাঠ দিচ্ছে।
যুদ্ধের শুরু থেকেই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এবং দেশটির ডিজিটাল রূপান্তর মন্ত্রণালয় পশ্চিমা প্রযুক্তি জায়ান্টদের সাথে নিবিড় সহযোগিতা করে আসছে। পালান্টিরের প্রধান নির্বাহী অ্যালেক্স কার্প কিয়েভ সফর করে ইউক্রেনকে ‘ডিজিটাল ফ্রন্টলাইনে’ সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন। পালান্টিরের ‘গথাম’ (Gotham) এবং অন্যান্য প্ল্যাটফর্মগুলো ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনীকে শত্রুসেনার গতিবিধি ট্র্যাক করতে, উপগ্রহ চিত্র ও ড্রোন ডেটা বিশ্লেষণ করতে এবং অপারেশন পরিকল্পনা করতে সহায়তা করছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইউক্রেনের এই সংকটকালীন পরিস্থিতিতে প্রযুক্তিগত সহায়তা অত্যন্ত জরুরি হলেও, দীর্ঘমেয়াদে এর বাণিজ্যিক ও কৌশলগত মূল্য কোথায় গিয়ে ঠেকছে তা নিয়ে প্রশ্ন সৃষ্টি হয়েছে। যুদ্ধের ভয়াবহ মানবিক মূল্য এবং ইউক্রেনীয়দের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই কৌশলগত ডেটার সার্বভৌমত্ব শেষ পর্যন্ত কার হাতে থাকবে—এই প্রশ্নই এখন আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি ও ভূ-রাজনীতির মহলে জোরালোভাবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। সূত্র: আল-জাজিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চুয়াডাঙ্গা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে একটি গলির বসতবাড়ির দেয়ালে ‘জয় বাংলা’, ‘জয় বঙ্গবন্ধু’সহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন স্লোগান লেখার ঘটনায় আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, বিদ্যালয়ের কিছু ছাত্রী এই স্লোগানগুলো লিখেছেন। পুলিশ ইতোমধ্যে এ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। তবে, দেয়াল লিখনের একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে স্থানীয় বাসিন্দারা কালো রঙের স্প্রে দিয়ে লেখা বিভিন্ন স্লোগান দেয়ালে দেখতে পান। স্লোগানগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘জয় বাংলা’, ‘জয় হাসিনা’, ‘মুজিব সেনা’, ‘উই আর মুজিব সেনা’ এবং ‘ফিরছি আবার ডিসেম্বর’। পরে স্কুল কর্তৃপক্ষ দেয়ালের লেখাগুলো মুছে ফেলার কাজ শুরু করে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত একটি সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের ইউনিফর্ম পরা ছয় শিক্ষার্থী সামনের একটি গলিতে স্প্রে রং দিয়ে বিভিন্ন দেয়ালে স্লোগান লিখছেন। তাদের মধ্যে দুজন সরাসরি দেয়াল লিখনে অংশ নিচ্ছিলেন, অন্যরা পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন।
স্থানীয়দের দাবি, বুধবার দিনের বেলায় বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী এসব স্লোগান লেখেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক ব্যবসায়ী জানান, দিনের বেলায় স্কুলের শিক্ষার্থীরা দেয়ালে স্লোগান লিখেছেন। পরদিন বিষয়টি জানাজানি হলে পুলিশসহ বিভিন্ন লোকজন ঘটনাস্থলে আসেন।
চুয়াডাঙ্গা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেখ রেজাউল করিম বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা এসব স্লোগান লিখেছেন। পরে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে স্কুল কর্তৃপক্ষ দেয়ালের লেখাগুলো মুছে ফেলেছে। কারা এ ঘটনায় জড়িত, তা শনাক্ত করে তাদের অভিভাবকদের ডেকে বিদ্যালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এদিকে, খবর পেয়ে সদর থানা পুলিশ দেয়ালটি পরিদর্শন করেছে। সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হিমেল রানা জানান, ঘটনার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। শিক্ষার্থীরা কার নির্দেশে এসব স্লোগান লিখেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা চলছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশব্যাপী সাংগঠনিক কার্যক্রম সম্প্রসারণ ও নতুন সদস্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে ৫৬ দিনব্যাপী দাওয়াতি অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ। আগামী শুক্রবার (৬ নভেম্বর) থেকে শুরু হয়ে এই অভিযান ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাজধানীর পল্টনে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের চতুর্থ সাধারণ সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি রিদওয়ান মাযহারীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সাআদ বিন জাকিরের সঞ্চালনায় দুপুর আড়াইটায় সভার কার্যক্রম শুরু হয়। সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত করা হয়।
সভায় সভাপতি রিদওয়ান মাযহারী উল্লেখ করেন, ছাত্রসমাজের মধ্যে নৈতিকতা, আদর্শিক মূল্যবোধ ও দেশপ্রেম জাগ্রত করতে ছাত্র জমিয়ত কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, সংগঠনের কার্যক্রম দেশের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছে দিতে এই দাওয়াতি ও সদস্য সংগ্রহ অভিযান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। কর্মসূচির সফলতা নিশ্চিত করতে কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত সব পর্যায়ের দায়িত্বশীলদের সক্রিয়ভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
সাধারণ সম্পাদক সাআদ বিন জাকির বলেন, সংগঠনের সাংগঠনিক ভিত্তি আরও মজবুত করতে তৃণমূল পর্যায়ে কার্যক্রম সম্প্রসারণ অপরিহার্য। তিনি জানান, এই অভিযানের মাধ্যমে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তির পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের কাছে সংগঠনের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও কার্যক্রম তুলে ধরা হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিকল্পিতভাবে কর্মসূচি বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।
সভায় সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। নেতারা তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে নতুন ইউনিট গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সহসভাপতি মুহাম্মদ নুর হোসাইন, কাউসার আহমাদ (ঢাকা) ও কাওছার আহমদ (সিলেট), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুইনুল ইসলাম, সহসাধারণ সম্পাদক মারুফ বিল্লাহ, হাসান মাহমুদ, আবু সুফিয়ান মানসুর ও বায়জিদ আহমাদ সিরাজ, সাংগঠনিক সম্পাদক ইনআমুল হাসান নাইম, সহসাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন (ঢাকা বিভাগ), ফোরকান আলী (চট্টগ্রাম বিভাগ) ও ফাহিম আহমদ (সিলেট বিভাগ)।
এছাড়া কেন্দ্রীয় অর্থ সম্পাদক হোসাইন আহমাদ, প্রচার সম্পাদক আহমাদ আল গাজি, দপ্তর সম্পাদক জুবায়ের হোসেন, প্রশিক্ষণ সম্পাদক কাজী শামসুল আরেফীন, সাহিত্য সম্পাদক উবাইদুল্লাহ খুরশিদ, বিশ্ববিদ্যালয়বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুল হাসানসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতারা সভায় অংশ নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্তে পরিবর্তন এসেছে। বাংলাদেশের অধিনায়ক হিসেবে জামাল ভূঁইয়াই দায়িত্ব পালন করবেন। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম ম্যাচে তপু বর্মণের অধীনে খেলার পরিকল্পনা ছিল বাংলাদেশের।
কিন্তু মাঠে নামার পূর্বে টিম ম্যানেজমেন্ট তপুকে একাদশের বাইরে রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। চূড়ান্ত অনুশীলনের সময় এই ডিফেন্ডার চোট পেয়ে গেছেন। তার পরিবর্তে সৈয়দ কাজেম শাহকে দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
ঘরের মাঠে অনুষ্ঠিত সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে ভুটানের বিরুদ্ধে আজ চমক হিসেবে বিশ্বনাথ ঘোষ মাঠে নামবেন। তাকে স্ট্রাইকারের ভূমিকায় খেলাচ্ছেন টমাস ডুলি।
অন্যদিকে গোলবারের ‘চীনের প্রচীর’ হিসেবে মেহেদী হাসান শ্রাবণ আজও থাকবেন। রক্ষণভাগে জিদান ইফসুফ, সাদ উদ্দিন, তারিক কাজী ও জায়ান আহমেদ অবস্থান করবেন। আক্রমণে রাকিব হোসেন, ফয়সাল আহমেদ ফাহিমরা থাকবেন। জামালের সঙ্গে মাঝমাঠে জুটি গড়বেন শমিত সোম।
বাংলাদেশ একাদশ:
মেহেদী হাসান শ্রাবণ (গোলরক্ষক), জিদান ইফসুফ, সৈয়দ কাজেম শাহ, বিশ্বনাথ ঘোষ, সাদ উদ্দিন, জামাল ভূঁইয়া, জায়ান আহমেদ, তারিক কাজী, শমিত সোম, রাকিব হোসেন, ফয়সাল আহমেদ ফাহিম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ