ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সান্তোসকে ফিফার নিষেধাজ্ঞা থেকে বাঁচালেন নেইমার


সান্তোসকে ফিফার নিষেধাজ্ঞা থেকে বাঁচালেন নেইমার

নেইমার জুনিয়র প্রতিদিন মাঠে লড়াই করে সান্তোসের অবনমন ঠেকানোর চেষ্টা করছেন। এবার তিনি মাঠের বাইরেও সান্তোসের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছেন। সম্প্রতি, নেইমারের পরিবার সান্তোসকে ফিফার সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞা থেকে রক্ষা করেছে।

নেইমারের পরিবারের এজেন্সি এনআর স্পোর্টসের দ্বারা প্রদত্ত গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক সহায়তার ফলে সান্তোসের ওপর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ফিফার দলবদল নিষেধাজ্ঞা উঠে গেছে।

এই অর্থ সহায়তার মাধ্যমে ব্রাজিলের ক্লাবটি জ্যঁ লুকাসের জন্য মোনাকোর ১৭ লাখ পাউন্ডের (২৩ লাখ ডলার) ঋণ পরিশোধ করেছে। এর ফলে, তারা অবনমন-ঝুঁকি এড়ানোর লড়াইয়ে নতুন খেলোয়াড় নিবন্ধনের সুযোগ পুনরায় লাভ করেছে।

আরও পড়ুন: কুমিল্লায় হাসপাতাল পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ

বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) সান্তোস ক্লাবটি এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। মিডফিল্ডার জ্যঁ লুকাসের জন্য মোনাকোর কাছে থাকা ১ কোটি ২০ লাখ ব্রাজিলিয়ান রিয়াল ঋণ পরিশোধের পর ফিফার ট্রান্সফার নিষেধাজ্ঞা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তি পায় সান্তোস। জুলাই মাস থেকে ক্লাবটির খেলোয়াড় নিবন্ধন ও ট্রান্সফার কার্যক্রম ওই নিষেধাজ্ঞার কারণে আটকে ছিল।

এনআর স্পোর্টসের দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ মূলধন সহায়তার পর নিষেধাজ্ঞাটি প্রত্যাহার করা হয়েছে। এর বিনিময়ে সান্তোস এবং নেইমারের পরিবারের এজেন্সি যৌথভাবে ক্লাবটির জার্সিতে এখনও বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহৃত না হওয়া স্পনসরশিপের জায়গা নিয়ে আলোচনা ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

ফিফার নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ায় সান্তোস জুভেন্তাসের সাবেক মিডফিল্ডার আর্থার মেলোকে দলে ভেড়ানোর পথে এগোতে পারবে। দারিও স্পোর্তের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আর্থারই ক্লাবটির প্রধান লক্ষ্য। ব্রাজিলিয়ান এই প্লেমেকারকে দলে পেলে অবনমন-ঝুঁকি থেকে বেরিয়ে আসার লড়াইয়ে সান্তোস তাৎক্ষণিকভাবে শক্তি বাড়াতে সক্ষম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: বৃষ্টি বলয়ের দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্কুলে অভিবাসী শিশুর সংখ্যা বেঁধে দিতে চায় ইতালি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২৮শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৪২ পি.এম


স্কুলে অভিবাসী শিশুর সংখ্যা বেঁধে দিতে চায় ইতালি

ইতালির সরকার, প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির নেতৃত্বে, স্কুলগুলোর শ্রেণীকক্ষে অভিবাসী শিশুদের সংখ্যা সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশে সীমাবদ্ধ রাখার একটি প্রস্তাব করেছে। একই সঙ্গে, দেশটির শিক্ষামন্ত্রী জুসেপ্পে ভালদিতারা স্কুলে মেয়ে শিক্ষার্থীদের বোরখা পরার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পরিকল্পনাও করেছেন।

এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হলো অভিবাসীদের সমাজের মূলধারার সঙ্গে যুক্ত করা এবং সাংস্কৃতিক বিচ্ছিন্নতা প্রতিরোধ করা। সরকারের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে অভিবাসী শিশুদের মা-বাবার জন্য ইতালিয়ান ভাষা শেখা বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

নতুন নীতির আওতায়, সন্তানদের স্কুলে না পাঠালে অভিভাবকদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হবে এবং দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের শাস্তি হতে পারে। শিক্ষামন্ত্রী জুসেপ্পে ভালদিতারা এ বিষয়ে মন্তব্য করে বলেন, "শ্রেণীকক্ষে বিদেশি শিশুদের অনুপাত মাত্রাতিরিক্ত না হওয়া জরুরি।" তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, অভিবাসী শিশুদের সংখ্যা বেশি হলে তাদের জন্য ইতালীয় ভাষা এবং সমাজের মূল্যবোধ শেখা কঠিন হয়ে পড়ে।

তিনি জানান, ইতালিয়ান শিশুদের স্কুলে অনুপস্থিতির হার ৬ শতাংশ হলেও, অভিবাসী শিশুদের ক্ষেত্রে এই হার ২৬ শতাংশ। আগামী শরতে শিক্ষক, শ্রমিক ইউনিয়ন এবং রাজনীতিবিদদের নিয়ে আয়োজিত সম্মেলনে এসব প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।

বর্তমানে ইতালির স্কুলগুলোতে প্রায় ৯ লাখ ৩০ হাজার অ-ইতালীয় শিশু পড়াশোনা করছে, যা মোট শিক্ষার্থীর প্রায় ১২ শতাংশ। এর মধ্যে এক-পঞ্চমাংশ বাংলাদেশসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকে এসেছে। তবে, সন্তানদের স্কুলে না পাঠালে অভিভাবকদের কারাদণ্ড দেওয়ার প্রস্তাবটিকে শিক্ষকদের ইউনিয়ন এফএলসি-সিজিআইএল ‘অদূরদর্শী’ আখ্যা দিয়েছে।

ইউনিয়নটি বলেছে, অভিবাসী শিশুদের অভিভাবকদের জন্য ইতালীয় ভাষা শেখা বাধ্যতামূলক করা সমাজে একীভূতকরণের পদক্ষেপ নয়। এটি আদেশের মাধ্যমে চাপিয়ে দেওয়া এক ধরনের শাস্তি, যা বিপরীত পরিণতি ডেকে আনার ঝুঁকি তৈরি করে।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমিরাতের প্রথম নারী ট্রেনিং ক্যাপ্টেন হলেন পাইলট হুদা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২৮শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৪৪ পি.এম


আমিরাতের প্রথম নারী ট্রেনিং ক্যাপ্টেন হলেন পাইলট হুদা

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা ইতিহাদ এয়ারওয়েজের ক্যাপ্টেন হুদা আল মুসাল্লামি আমিরাতের প্রথম নারী পাইলট হিসেবে ট্রেনিং ক্যাপ্টেনের যোগ্যতা অর্জন করেছেন। বর্তমানে তিনি বিভিন্ন দেশের এবং বিভিন্ন অভিজ্ঞতার পাইলটদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন ট্রেনিং ক্যাপ্টেন হিসেবে। এই দায়িত্ব পালনকে তিনি পেশাগত কর্তব্যের পাশাপাশি একটি জাতীয় দায়িত্ব হিসেবে বিবেচনা করছেন।

ইতিহাদ এয়ারওয়েজের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের প্রতিষ্ঠানে কর্মরত মোট আমিরাতি নাগরিকদের মধ্যে ৭৫ শতাংশ নারী। এই নারীরা ফ্লাইট ডেক থেকে শুরু করে শীর্ষ নেতৃত্বের দায়িত্ব পর্যন্ত বিভিন্ন পদে কাজ করছেন। ইতিহাদ নারীদের স্বপ্নকে বাস্তবায়নে সহায়তা করে। হুদার এই সাফল্য পরবর্তী প্রজন্মের জন্য নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।

২০০৩ সালে এভিয়েশন শিল্পে প্রবেশ করেন হুদা। ২০১৪ সালে তিনি ইতিহাদ এয়ারওয়েজে যোগদান করেন। ২০২৩ সালে তিনি ক্যাপ্টেন হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং ২০২৬ সালে টাইপ রেটিং ইন্সট্রাক্টর হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেন। বর্তমানে বোয়িং ৭৮৭ উড়োজাহাজ চালানোর অধিকারপ্রাপ্ত হুদার আকাশপথে ১০ হাজার ঘণ্টারও বেশি উড়ানের অভিজ্ঞতা রয়েছে। এর আগে তিনি এয়ারবাস এ৩৩০, এ৩৪০ এবং বোয়িং ৭৭৭ উড়োজাহাজ চালনা করেছেন। তার রয়েছে এভিয়েশন ম্যানেজমেন্টে স্নাতক এবং বিজনেস ম্যানেজমেন্ট ও ইনফরমেশন সিস্টেমে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি।

সূত্র: গালফ নিউজ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্ধ থাকার পর আবারও উদ্ধার অভিযান, নেপালে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪৮৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২৮শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৫০ পি.এম


বন্ধ থাকার পর আবারও উদ্ধার অভিযান, নেপালে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪৮৯

নেপালে আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধার অভিযান আবার শুরু হয়েছে, যা কিছু সময় বন্ধ থাকার পর পুনরায় কার্যকর হয়েছে। দেশটির এক সেনা মুখপাত্র রয়টার্সকে জানিয়েছেন যে নতুন করে বন্যার আশঙ্কা থাকায় উদ্ধার কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত ছিল।

চীনও একই কারণে উদ্ধার অভিযান পুনরায় শুরু করেছে, যা কিছু সময়ের জন্য বন্ধ ছিল। চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমের উদ্ধৃতি দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে যে, ভাটির দিকে উদ্ধার কার্যক্রম আবার শুরু হয়েছে।

একটি হ্রদের পানি উপচে পড়ার কারণে এবং নতুন বন্যার আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় উদ্ধার অভিযান সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছিল। তবে চীন ও নেপালের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হ্রদের পানির স্তর কমতে শুরু করায় তাৎক্ষণিক ঝুঁকি অনেকটাই কমে গেছে।

এদিকে, বুধবারের ভয়াবহ বন্যায় নেপালে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৮৯ জনে পৌঁছেছে। দেশটির পুলিশ জানিয়েছে, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত রাসুয়া ও নুয়াকোট জেলা থেকে অধিকাংশ মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। চিতওয়ান জেলাতেও মরদেহ পাওয়া গেছে।

ত্রিশূলী নদী সেতি গণ্ডকী নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে, যা ওই এলাকায় বন্যার পরিস্থিতি আরও জটিল করেছে।

চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, বুধবারের বন্যায় তিব্বতে পাঁচজন নিহত হয়েছেন এবং এখনও ৫৫৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন।

চীন সতর্ক করে বলেছে যে, ভূমিধসের ফলে তৈরি হওয়া একটি হ্রদের বাঁধ ভেঙে গেলে ভাটির দিকে নতুন করে বন্যা হতে পারে। সিসিটিভি জানিয়েছে, শুক্রবার পর্যন্ত নেপাল-তিব্বত সীমান্তের কাছে হ্রদটিতে প্রায় ২৫ লাখ ঘনমিটার পানি জমেছে।

ভূমিধসের ধ্বংসাবশেষ নদীর পথ আটকে গেলে এ ধরনের হ্রদ তৈরি হয়। চীনের পানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার থেকেই হ্রদটি উপচে পড়তে শুরু করেছে। কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন যে, বৃহস্পতিবার থেকে সপ্তাহান্তের মধ্যে আরো প্রায় ৩০ লাখ ঘনমিটার পানি হ্রদটিতে জমতে পারে, যা নতুন বন্যার ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলছে।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সার সংকটে হুমকির মুখে আমন চাষ, ঝিনাইদহে ডিলারের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন কৃষকরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৮শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৫১ পি.এম


সার সংকটে হুমকির মুখে আমন চাষ, ঝিনাইদহে ডিলারের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন কৃষকরা

ঝিনাইদহে সার সংকটের কারণে চরম বিপাকে পড়েছেন আমন চাষিরা। পর্যাপ্ত সার না পেয়ে কালিগঞ্জ উপজেলার ডিলারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন কৃষকরা। গোডাউনে পর্যাপ্ত সার মজুত থাকা সত্ত্বেও ডিলাররা তা দিচ্ছেন না—এমন অভিযোগে ক্ষোভ ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে এলাকায়। সময়মতো সার না পেলে এ বছর আমন উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।

জেলার কালিগঞ্জ শহরের নিমতলা বাস স্ট্যান্ড এলাকার বিসিআইসি অনুমোদিত মেসার্স সাগর ট্রেডার্সের সামনে গিয়ে দেখা যায়, সার সংগ্রহের জন্য অর্ধশতাধিক কৃষক ভিড় করেছেন কিন্তু সার না পেয়ে তারা চরম হতাশা প্রকাশ করেন। কালিগঞ্জ উপজেলার ১১ টি ইউনিয়নেও একই চিত্র। সরকারি বাফার সার গোডাউন গিয়ে দেখা গেছে তালাবন্ধ। সার না পেয়ে হতাশ কষকরা। 

কৃষকদের অভিযোগ, ডিলারদের কাছে সার চাইতে গেলে তাদের আজ বা কাল আসার কথা বলে বারবার ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

হতাশ কৃষক রফিক মিয়া আক্ষেপ করে বলেন, আমরা ভিক্ষা চাইলেও ভিক্ষা পাই, কিন্তু সার পাচ্ছি না। আমাদের ১৫ বস্তা সারের প্রয়োজন, অথচ দেওয়া হচ্ছে মাত্র ২ বস্তা। এই সামান্য সার দিয়ে আমরা কী করব? আর এখনই সার না পেলে আমরা উৎপাদন করব কী করে? আমাদের তো সব শেষ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে।

চাষি ইব্রাহিম অভিযোগ করেন, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নিয়ে লাইনে দাঁড়িয়েও সার মিলছে না। বৃহস্পতিবার (২৭ জুলাই) আসতে বলেছে কিন্তু এসে পেলাম না। আজ আসতে বলেছে এসে দেখি দোকানের শাটার ঝুলছে তালা। ইউরিয়া ও ফসফেটসহ কোনো সারই চাহিদামতো পাওয়া যাচ্ছে না। সামান্য যেটুকু দেওয়া হচ্ছে, তা প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত অপ্রতুল। কৃষকদের অভিযোগ, ডিলাররা ইচ্ছা করে সার সংকট তৈরি করে কৃষকদের চরম হয়রানি করছেন।

দুর্ভোগের এই সময়ে কোনো জনপ্রতিনিধি বা রাজনৈতিক নেতা কৃষকদের পাশে দাঁড়াননি বলে অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগী কৃষক মিলন হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এখন আমাদের বেঁচে থাকার লড়াই চলছে, আমরা শুধু সার চাচ্ছি। কিন্তু এই দুর্দিনে আমাদের পাশে দাঁড়ানোর কেউ নেই।

সার না পেয়ে শেষ পর্যন্ত অনেক কৃষক ডিলারের দোকানের সামনে অবস্থান নেন এবং দাবি আদায় না করে বাড়ি ফিরবেন না বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন কষকরা। 

সময়মতো সার সরবরাহ নিশ্চিত করা না গেলে উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে, যার নেতিবাচক প্রভাব পড়বে সামগ্রিক খাদ্য নিরাপত্তার ওপর। দ্রুত এই সংকট নিরসনে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী কৃষকরা। 

বিসিআইসি সার ডিলার দাউদ হোসেন বলেন, চাহিদা মোতাবেক আমরা ইউরিয়া সার পাচ্ছি না, যেটা দিচ্ছে চাহিদা পূরণ হচ্ছে না।

ঝিনাইদহ কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেজওয়ানা নাহিদ বলেন, সার সংকট এটা আমি বলতে পারবো না বিষয়টা, এরকম অভিযোগ আমার কাছে আসে নাই। যেমনটা পেয়েছি কৃত্রিম মজুদার বা অবৈধ মজুত সেগুলা তাৎক্ষনিক ব‌্যবস্হা নিয়ে এর আগে আমি দুই তিনটা মোবাইল কোর্ট করেছি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%