প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নেপালে আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধার অভিযান আবার শুরু হয়েছে, যা কিছু সময় বন্ধ থাকার পর পুনরায় কার্যকর হয়েছে। দেশটির এক সেনা মুখপাত্র রয়টার্সকে জানিয়েছেন যে নতুন করে বন্যার আশঙ্কা থাকায় উদ্ধার কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত ছিল।
চীনও একই কারণে উদ্ধার অভিযান পুনরায় শুরু করেছে, যা কিছু সময়ের জন্য বন্ধ ছিল। চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমের উদ্ধৃতি দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে যে, ভাটির দিকে উদ্ধার কার্যক্রম আবার শুরু হয়েছে।
একটি হ্রদের পানি উপচে পড়ার কারণে এবং নতুন বন্যার আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় উদ্ধার অভিযান সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছিল। তবে চীন ও নেপালের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হ্রদের পানির স্তর কমতে শুরু করায় তাৎক্ষণিক ঝুঁকি অনেকটাই কমে গেছে।
এদিকে, বুধবারের ভয়াবহ বন্যায় নেপালে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৮৯ জনে পৌঁছেছে। দেশটির পুলিশ জানিয়েছে, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত রাসুয়া ও নুয়াকোট জেলা থেকে অধিকাংশ মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। চিতওয়ান জেলাতেও মরদেহ পাওয়া গেছে।
ত্রিশূলী নদী সেতি গণ্ডকী নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে, যা ওই এলাকায় বন্যার পরিস্থিতি আরও জটিল করেছে।
চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, বুধবারের বন্যায় তিব্বতে পাঁচজন নিহত হয়েছেন এবং এখনও ৫৫৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন।
চীন সতর্ক করে বলেছে যে, ভূমিধসের ফলে তৈরি হওয়া একটি হ্রদের বাঁধ ভেঙে গেলে ভাটির দিকে নতুন করে বন্যা হতে পারে। সিসিটিভি জানিয়েছে, শুক্রবার পর্যন্ত নেপাল-তিব্বত সীমান্তের কাছে হ্রদটিতে প্রায় ২৫ লাখ ঘনমিটার পানি জমেছে।
ভূমিধসের ধ্বংসাবশেষ নদীর পথ আটকে গেলে এ ধরনের হ্রদ তৈরি হয়। চীনের পানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার থেকেই হ্রদটি উপচে পড়তে শুরু করেছে। কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন যে, বৃহস্পতিবার থেকে সপ্তাহান্তের মধ্যে আরো প্রায় ৩০ লাখ ঘনমিটার পানি হ্রদটিতে জমতে পারে, যা নতুন বন্যার ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন