০৯:০১ এম
একটি মঞ্চে বিভিন্ন ধরনের পরিবেশনা উপস্থাপন করা হলো। কখনও রবীন্দ্র সংগীতের সুর, কখনও লোকগানের ছন্দ, আবার কখনও নৃত্যের মুদ্রায় শিল্পীদের সৃজনশীলতা প্রকাশিত হলো। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিল্পীরা গান, নাচ ও আবৃত্তির মাধ্যমে নিজেদের প্রতিভা তুলে ধরলেন। তাদের অংশগ্রহণে সাজানো এই আয়োজনটি প্রমাণ করলো যে, শিল্পের জগতে প্রতিভা প্রকাশের জন্য শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতার কোনো নির্দিষ্ট ছক নেই।
‘বিস্ময়ের অভিযাত্রী, কাননের কোকিল’ শিরোনামে গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি এমন একটি সাংস্কৃতিক আয়োজনের আয়োজন করে। সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের শিল্পীরা অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানের সভাপতি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ও যুগ্মসচিব হারুন-অর-রশীদ আয়োজনে এর তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, ‘সাংস্কৃতিক অধিকার সবার জন্য সমান। শারীরিক কিংবা মানসিক অবস্থার ভিত্তিতে কাউকে এই অধিকার থেকে আলাদা করে দেখার সুযোগ নেই।’
আরও পড়ুন: থাইল্যান্ডে স্বামীর সঙ্গে সুন্দর মুহূর্তের ছবি পোস্ট করলেন মিম
বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) আহ্বায়ক হেলাল খান। মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন সরকারি সংগীত কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আলেয়া পারভীন। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন শিল্পকলা একাডেমির পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ, অতিরিক্ত দায়িত্ব) সাইফুর রহমান (খোকন মাহমুদ)।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন