প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
একটি মঞ্চে বিভিন্ন ধরনের পরিবেশনা উপস্থাপন করা হলো। কখনও রবীন্দ্র সংগীতের সুর, কখনও লোকগানের ছন্দ, আবার কখনও নৃত্যের মুদ্রায় শিল্পীদের সৃজনশীলতা প্রকাশিত হলো। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিল্পীরা গান, নাচ ও আবৃত্তির মাধ্যমে নিজেদের প্রতিভা তুলে ধরলেন। তাদের অংশগ্রহণে সাজানো এই আয়োজনটি প্রমাণ করলো যে, শিল্পের জগতে প্রতিভা প্রকাশের জন্য শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতার কোনো নির্দিষ্ট ছক নেই।
‘বিস্ময়ের অভিযাত্রী, কাননের কোকিল’ শিরোনামে গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি এমন একটি সাংস্কৃতিক আয়োজনের আয়োজন করে। সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের শিল্পীরা অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানের সভাপতি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ও যুগ্মসচিব হারুন-অর-রশীদ আয়োজনে এর তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, ‘সাংস্কৃতিক অধিকার সবার জন্য সমান। শারীরিক কিংবা মানসিক অবস্থার ভিত্তিতে কাউকে এই অধিকার থেকে আলাদা করে দেখার সুযোগ নেই।’
বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) আহ্বায়ক হেলাল খান। মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন সরকারি সংগীত কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আলেয়া পারভীন। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন শিল্পকলা একাডেমির পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ, অতিরিক্ত দায়িত্ব) সাইফুর রহমান (খোকন মাহমুদ)।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন