ঢাকা শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

হত্যা মামলায় গ্রেফতার হলেন ইকবাল সোবহান, মুক্তি পেলেন রাজীব


হত্যা মামলায় গ্রেফতার হলেন ইকবাল সোবহান, মুক্তি পেলেন রাজীব

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য উপদেষ্টা ও সাংবাদিক ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে গ্রেফতার করেছে। বুধবার (৪ অক্টোবর) রাতে ডিবি কর্তৃপক্ষ তার গ্রেফতারের খবর প্রকাশ করে।

এর আগে, একইদিন দুপুরে রাজধানীর মহাখালীতে অবস্থিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ডিবিসির অফিস থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে তাকে মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। একই সময়ে ডিবিসির বিশেষ প্রতিনিধি রাজীব ঘোষকেও ডিবি পুলিশ আটক করে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ডিবিসিতে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির উদ্ভব হওয়ায় ইকবাল সোবহানসহ দুজনকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: বিএনপি নেতার প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে পিবিআই তদন্ত

তবে রাত সাড়ে ১২টায় শফিকুল ইসলাম জানান, ইকবাল সোবহান চৌধুরীর বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ী থানায় ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের হত্যা মামলার অভিযোগ রয়েছে। এই মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

শফিকুল ইসলাম আরও বলেন, রাজীব ঘোষের বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে মুচলেকা নিয়ে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের কনিষ্ঠ সদস্য হিসেবে জেন-জিদের উত্থান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৮ এম


মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের কনিষ্ঠ সদস্য হিসেবে জেন-জিদের উত্থান

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে নির্বাচিত হয়েছেন দুইজন বিশ বছর বয়সী রাজনীতিবিদ, যারা কংগ্রেসের ইতিহাসে অন্যতম কনিষ্ঠ সদস্য হিসেবে পরিচিত। তাদের এই বিজয় জাতীয় রাজনীতিতে নতুন প্রজন্মের কণ্ঠস্বরকে তুলে ধরেছে।

উইসকনসিনের সপ্তম কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্টে রিপাবলিকান দলের ২৬ বছর বয়সী মাইকেল আলফোনসো ডেমোক্র্যাট প্রার্থী ফ্রেড ক্লার্ককে পরাজিত করেছেন। এই বিজয়ের মাধ্যমে তিনি প্রতিনিধি পরিষদের (হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) সর্বকনিষ্ঠ সদস্য এবং ২০০০-এর দশকে জন্মগ্রহণকারী প্রথম ব্যক্তি হিসেবে কংগ্রেসে প্রবেশের নজির স্থাপন করেছেন।

রাজনীতির নতুন মুখ হিসেবে পরিচিত আলফোনসো, যিনি পরিবহন সচিব শন ডাফির জামাতা, নির্বাচনে ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ (আমেরিকা সবার আগে) এজেন্ডা নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শক্তিশালী সমর্থক হিসেবে পরিচিত। তার নির্বাচনি প্রচারণায় শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের মতো রক্ষণশীল অগ্রাধিকারগুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, কলোরাডোর প্রথম কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্টে ২৯ বছর বয়সী ডেমোক্র্যাট প্রার্থী মেলাত কিরোস জয়ী হয়েছেন। ইথিওপিয়ায় জন্মগ্রহণকারী এই আইনজীবী ও গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্রী (ডেমোক্র্যাটিক সোশালিস্ট) কংগ্রেসের প্রথম ‘জেন জেড’ নারী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পূর্বে দলীয় প্রাইমারি নির্বাচনে দীর্ঘদিনের ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি ডায়ানা ডিগেটকে পরাজিত করেছিলেন।

কিরোস, যিনি গাজা উপত্যকায় ইসরাইলের সামরিক অভিযানের কঠোর সমালোচক, ইসরাইলের ওপর অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন; তিনি গাজার যুদ্ধকে ‘গণহত্যা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। এছাড়াও, তিনি সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা এবং সর্বজনীন শিশুযত্ন ব্যবস্থার সমর্থক।

আলফোনসো ও কিরোসের আগে, ফ্লোরিডার ডেমোক্র্যাট নেতা ২৯ বছর বয়সী ম্যাক্সওয়েল ফ্রস্ট ২০২২ সালে নির্বাচিত হয়ে কংগ্রেসের প্রথম ‘জেন জেড’ সদস্য হিসেবে পরিচিত হন। ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের সমর্থক ফ্রস্ট ২০২৬ সালের নির্বাচনে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী ছাড়াই পুনরায় জয়ী হয়েছেন।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
আল-জাজিরার মতামত

যুক্তরাষ্ট্র দুই বছরের সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক তীব্র সংকটের মুখোমুখি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৮ এম


যুক্তরাষ্ট্র দুই বছরের সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক তীব্র সংকটের মুখোমুখি

মার্কিন কংগ্রেসের উভয় কক্ষে ডেমোক্র্যাটদের জয়লাভের পর ওয়াশিংটনে একটি অভূতপূর্ব রাজনৈতিক পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে চলেছে। সাধারণত মার্কিন রাজনীতিতে প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের নিয়ন্ত্রণ হারালে অচলাবস্থা সৃষ্টি হওয়ার যে ধারণা রয়েছে, তা ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নাও হতে পারে। ট্রাম্প প্রথাগত রক্ষণশীল আদর্শের পরিবর্তে লেনদেনমূলক রাজনীতির প্রতি আগ্রহী। ফলে, আগামী দুই বছর যুক্তরাষ্ট্রে ঐতিহ্যগত রাজনৈতিক স্তব্ধতা দেখা যাবে না; বরং রাষ্ট্রপতি ও আইনসভার মধ্যে একটি ধারাবাহিক ও তীব্র সাংবিধানিক লড়াই শুরু হবে।

রিপাবলিকান পার্টির ঐতিহ্যগত মুক্তবাজারের ধারণাকে ট্রাম্প বহু আগেই ভেঙে দিয়েছেন। অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সুরক্ষাবাদী বাণিজ্য নীতি এবং দেশীয় শিল্প রক্ষায় সরকারি হস্তক্ষেপের বিষয়ে ট্রাম্পের দৃষ্টিভঙ্গি ডেমোক্র্যাটদের প্রগতিশীল ধারার সাথে অনেকটাই মিলে যায়। ফলে, ট্রাম্প অনেক ক্ষেত্রে ডেমোক্র্যাটিক সংখ্যাগরিষ্ঠতার সাথে সরাসরি সংঘাত না করে বিষয়ভিত্তিক ও অস্থায়ী সমঝোতায় পৌঁছাতে সক্ষম হবেন। যেখানে সমঝোতা সম্ভব হবে না, সেখানে ট্রাম্প কংগ্রেসকে তোয়াক্কা না করে প্রেসিডেন্টের বিশেষ ‘নির্বাহী ক্ষমতা’ ও জরুরি অবস্থা জারির মাধ্যমে তার সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবেন। আদালতের দীর্ঘসূত্রিতা ট্রাম্পের কাছে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে কাজ করবে, যা তিনি ডেমোক্র্যাটদের আইনি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ব্যবহার করবেন।

পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় সংঘাত সৃষ্টি হবে, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য ও ইরান ইস্যুতে। সংবিধানে রাষ্ট্রপতিকে পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে ব্যাপক স্বাধীনতা দেওয়া হলেও, যুদ্ধ ক্ষমতা সংক্রান্ত আইন ও বাজেটের নিয়ন্ত্রণে ডেমোক্র্যাটিক কংগ্রেস ট্রাম্পের সামরিক পদক্ষেপ ও একতরফা সিদ্ধান্ত আটকানোর চেষ্টা করবে। অন্যদিকে, ট্রাম্প সংবিধানের দ্বিতীয় অনুচ্ছেদের দোহাই দিয়ে আইনগত বাধ্যবাধকতা উপেক্ষা করে একতরফা সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে অটল থাকবেন।

এদিকে, ডেমোক্র্যাটদের নিয়ন্ত্রণে থাকা কংগ্রেস ট্রাম্প প্রশাসনকে কাবু করতে অভিশংসন ও নিয়মিত তদন্তের অস্ত্র ব্যবহার করতে এক মুহূর্তও দ্বিধা করবে না। কংগ্রেসের কমিটিগুলো তার মন্ত্রিসভার সদস্য ও পররাষ্ট্রনীতির সিদ্ধান্তগুলো নিয়ে লাগাতার সমন ও অনুসন্ধান চালাতে পারে। তবে, ট্রাম্প কখনোই প্রাতিষ্ঠানিক এই যুদ্ধে ভয় পান না; বরং তিনি এই তদন্ত ও অভিশংসনের প্রক্রিয়াকে তার ভোটারদের কাছে প্রতিপক্ষের একটি ষড়যন্ত্রমূলক ও অন্যায্য চক্রান্ত হিসেবে তুলে ধরে নিজের জনপ্রিয়তাকে আরও চাঙ্গা করবেন। সিনেটে তাকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য দুই-তৃতীয়াংশ ভোট পাওয়া প্রায় অসম্ভব হওয়ায়, অভিশংসনের মতো প্রক্রিয়াগুলো কেবল সাংবিধানিক উত্তেজনা বৃদ্ধি করবে।

সব মিলিয়ে, আগামী দুই বছর ওয়াশিংটনে নিষ্ক্রিয় সময় কাটবে না; বরং শাসনব্যবস্থা একের পর এক সাংবিধানিক সংকটের মধ্য দিয়ে পরিচালিত হবে। ট্রাম্পের একক নির্বাহী ক্ষমতার ব্যবহার এবং কংগ্রেসের কঠোর অবস্থানের ফলে মার্কিন রাজনৈতিক কাঠামোর যে চরম পরীক্ষা হতে যাচ্ছে, তা বিশ্বে আগে কখনো দেখা যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্মরণসভায় মির্জা আব্বাস / রাজপথের খাঁটি যোদ্ধা ছিলেন সাদেক হোসেন খোকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৯ এম


স্মরণসভায় মির্জা আব্বাস / রাজপথের খাঁটি যোদ্ধা ছিলেন সাদেক হোসেন খোকা

সাদেক হোসেন খোকা ছিলেন রাজপথের একজন খাঁটি যোদ্ধা। তিনি হাসি কম দিতেন, কিন্তু তার কথাবার্তা ও আন্তরিকতা দিয়ে সহজেই মানুষকে কাছে টেনে নিতেন। তিনি ছিলেন অত্যন্ত সহজ-সরল ও বড় মনের অধিকারী।

সাবেক মেয়র এবং বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকার সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় এসব মন্তব্য করেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস। গতকাল বুধবার রাজধানীর গোপীবাগে সাদেক হোসেন খোকা কমিউনিটি সেন্টারে এই স্মরণসভা, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম এবং ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও খোকাপুত্র ইশরাক হোসেন বক্তব্য প্রদান করেন।

নিজেদের শৈশব, কৈশোর এবং রাজনৈতিক জীবনের নানা স্মৃতি তুলে ধরে মির্জা আব্বাস জানান, তিনি শাহজাহানপুরের এবং খোকা গোপীবাগের বাসিন্দা ছিলেন। পাশাপাশি, তারা কখন যে একে অপরের সঙ্গী ও রাজনৈতিক সহযোদ্ধা হয়ে উঠেছেন, তা বুঝতে পারেননি। মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলো থেকে শুরু করে জনপ্রতিনিধি হিসেবে কাজ করার প্রতিটি ক্ষেত্রে তারা একসঙ্গে ছিলেন।

তিনি বলেন, "খোকা এবং আমার জীবনের নানা ঘটনা নিয়ে যদি লিখতে বসি, তবে আস্ত একটি বই হয়ে যাবে। রাজনীতিতে আমাদের মতপার্থক্য কিংবা ঝগড়াও হতো, কিন্তু দিনশেষে আমরা বিএনপির আদর্শ ও মানুষের জন্য একসঙ্গে কাজ করেছি।"

আবদুস সালাম বলেন, সাদেক হোসেন খোকা শুধু ঢাকা মহানগরী নয়, সারা বাংলাদেশের রাজনীতিতে একজন অবিসংবাদিত নেতা ছিলেন। তিনি দেশের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেছেন। মুক্তিযোদ্ধাদের অবদানের মাধ্যমে পাওয়া স্বাধীন দেশে ঢাকার অন্যতম মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন।

দোয়া মাহফিলে আরও উপস্থিত ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয়, সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব, বিএনপির স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্যসচিব তানভীর আহমেদ রবিন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নবীউল্লাহ নবী, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক গোলাম মাওলা শাহীন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেলসহ স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাটদের জয়, মার্কিন শেয়ারবাজারে চাঙা; কমল তেলের দাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৯ এম


কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাটদের জয়, মার্কিন শেয়ারবাজারে চাঙা; কমল তেলের দাম

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের নিরঙ্কুশ জয় লাভের পর দেশটির শেয়ারবাজার চাঙা হয়ে উঠেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ব্যাপকভাবে কমে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতির ফলে বুধবার দেশের প্রধান শেয়ারবাজার সূচকগুলোতে বড় ধরনের উত্থান ঘটেছে। ডাও জোন্স সূচকটি ২০২৫ সালের এপ্রিলের পর একদিনে সর্বোচ্চ উত্থানের রেকর্ড গড়েছে।

বুধবার ডাও জোন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাভারেজ ১ হাজার ৫৬৯ দশমিক ৪০ পয়েন্ট বা ৩ দশমিক ০৩ শতাংশ বেড়ে ৫৩ হাজার ৩৫৬ দশমিক ১২ পয়েন্টে পৌঁছেছে। গত ৮ সেপ্টেম্বরের পর প্রথমবারের মতো সূচকটি ৫৩ হাজারের ঘর অতিক্রম করেছে।

এদিন এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচক ১১৯ দশমিক ৭০ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৫৮ শতাংশ বেড়ে ৭ হাজার ৬৮৮ দশমিক ৬২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে, নাসডাক কম্পোজিট সূচক বেড়ে ৩৬৪ দশমিক ৫০ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৪৪ শতাংশ হয়েছে। দিন শেষে সূচকটি ২৫ হাজার ৭৩৬ দশমিক ৫১ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত মধ্যবর্তী নির্বাচনে সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদ—কংগ্রেসের উভয় কক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে ডেমোক্র্যাটরা। এর ফলে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে রিপাবলিকানরা। এই পরিবর্তনের ফলে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের বাকি সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে বিভক্ত সরকারব্যবস্থা কার্যকর হতে যাচ্ছে।

গভর্নর নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গরাজ্যে জয়ী হয়েছেন। টেক্সাসে রিপাবলিকান গভর্নর গ্রেগ অ্যাবটকে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন জিনা হিনোজোসা। এর মাধ্যমে অঙ্গরাজ্যটির গভর্নর পদে তিন দশকের বেশি সময়ের রিপাবলিকান আধিপত্যের অবসান ঘটেছে।

ট্রাম্প নির্বাচনের ফল মেনে নেওয়ার কথা জানিয়েছেন এবং ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহও প্রকাশ করেছেন। এই অবস্থায় নির্বাচন-পরবর্তী দীর্ঘ রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার আশঙ্কা কিছুটা কমেছে।

বিনিয়োগকারীরা মনে করছেন, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে যাওয়ায় ট্রাম্পের বাণিজ্য, রাজস্ব ও পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে নতুন সীমাবদ্ধতা তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যুদ্ধের কারণে অর্থনৈতিক চাপ বাড়তে থাকায় এই পরিস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

নির্বাচনের ফলাফলের পর ওয়াশিংটনের ওপর যুদ্ধের কূটনৈতিক সমাধান খুঁজে বের করার চাপ বাড়তে পারে—এমন প্রত্যাশায় জ্বালানি তেলের বাজারেও বড় দরপতন ঘটেছে।

আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৮ শতাংশের বেশি কমে প্রতি ব্যারেল প্রায় ৯৪ দশমিক ৬০ ডলারে নেমেছে। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দাম কমে প্রায় ৮৮ দশমিক ৬০ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

তবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) অবকাঠামো খাতের কিছু প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম কমেছে। কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে যাওয়ায় তথ্যকেন্দ্র (ডেটা সেন্টার) নির্মাণ ও পরিবেশের ওপর এর প্রভাব নিয়ে কঠোর নজরদারি বাড়তে পারে—এমন আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এদিকে, শেয়ারবাজারের অস্থিরতা পরিমাপের সূচক হিসেবে পরিচিত ‘ওয়াল স্ট্রিট ফিয়ার গেজ’ বা সিবিওই ভোলাটিলিটি ইনডেক্স (ভিআইএক্স) ২০ দশমিক ২৬ শতাংশ কমে ১৬ দশমিক ৬১ পয়েন্টে নেমেছে।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৭ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%