ঢাকা রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

মাদরাসাশিক্ষার্থীদের জন্য আইসিটি ও ভাষা শিক্ষা কোর্স শুরু হচ্ছে: ড. মামুন


মাদরাসাশিক্ষার্থীদের জন্য আইসিটি ও ভাষা শিক্ষা কোর্স শুরু হচ্ছে: ড. মামুন

মাদরাসার শিক্ষার্থীদের আধুনিক বিশ্বের উপযোগী দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে ভাষা শিক্ষা ও তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) প্রশিক্ষণ কোর্স আগামী জানুয়ারির মধ্যে চালু করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন।

রবিবার (৮ নভেম্বর) রংপুরে ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজনে ‘দক্ষতাভিত্তিক মাদরাসা শিক্ষা ও কর্মসংস্থান : আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে সরকারের ভাবনা’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ বিষয়ে বক্তব্য রাখেন।

ড. মামুন উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে গুরুত্ব আরোপ করেছেন। তিনি বলেন, "এ জন্য শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাই যথেষ্ট নয়; শিক্ষার্থীদের কর্মজীবনে প্রবেশের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে হবে।" বিশেষ করে মাদরাসার শিক্ষার্থীদের জন্য ভাষা শিক্ষা ও আইসিটি প্রশিক্ষণের সুযোগ তৈরি করা অত্যন্ত জরুরি। এর মাধ্যমে তারা দেশীয় ও আন্তর্জাতিক কর্মবাজারে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণের পাশাপাশি উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ গ্রহণ করতে পারবেন। এ লক্ষ্য সামনে রেখে আগামী জানুয়ারির মধ্যে ভাষা শিক্ষা ও আইসিটি প্রশিক্ষণ কোর্স চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন: পীরগাছায় কিশোর কণ্ঠ শিক্ষা মেধাবৃত্তি পরীক্ষায় ১ হাজার ৬০০ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ

তিনি আরও বলেন, মাদরাসাশিক্ষাকে সময়োপযোগী ও কর্মমুখী করার জন্য প্রচলিত শিক্ষার পাশাপাশি দক্ষতাভিত্তিক প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। শিক্ষার্থীদের ভাষাগত দক্ষতা, প্রযুক্তিগত জ্ঞান, যোগাযোগের সক্ষমতা এবং বাস্তব কর্মক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করতে হবে। এতে মাদরাসার শিক্ষার্থীরা নিজেদের যোগ্যতা ও দক্ষতার ভিত্তিতে কর্মসংস্থানের পাশাপাশি উদ্যোক্তা হিসেবেও গড়ে ওঠার সুযোগ পাবেন।

তিনি জানান, ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে দেশের আটটি বিভাগে আটটি প্রশিক্ষণকেন্দ্র স্থাপন করে এসব কোর্স পরিচালনা করা হবে। ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মাদরাসার শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ বিভাগে স্থাপিত প্রশিক্ষণকেন্দ্র থেকে ভাষা শিক্ষা ও আইসিটি প্রশিক্ষণ গ্রহণের সুযোগ পাবেন। এর ফলে মাদরাসার শিক্ষার্থীদের জন্য দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ আরো সহজলভ্য ও বিস্তৃত হবে।

ইউজিসি সদস্য বলেন, আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে সব ধারার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সমানভাবে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, "শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের মধ্যে কার্যকর সংযোগ তৈরি করা গেলে শিক্ষার্থীরা শুধু চাকরিপ্রার্থী নয়, বরং দক্ষ জনশক্তি ও উদ্যোক্তা হিসেবে দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারবেন।" এ ক্ষেত্রে মাদরাসার শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক প্রযুক্তি ও পেশাগত দক্ষতা অর্জনের সুযোগ সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের লক্ষ্য একটি জ্ঞানভিত্তিক ও প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতি গড়ে তোলা। এ লক্ষ্য অর্জনে অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি), সাইবার নিরাপত্তা, রোবোটিকস, অটোমেশন এবং ডেটা সায়েন্সের মতো আধুনিক প্রযুক্তিতে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করতে হবে। একই সঙ্গে গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে দেশীয় সমস্যার প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান বের করতে হবে।

আরও পড়ুন: ইবিতে ৫ম সমাবর্তনের অনলাইন পোর্টাল উদ্বোধন, আবেদন ১০ নভেম্বর থেকে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশের পর্যটনে তুরস্কের বিনিয়োগ ও পর্যটক আকর্ষণে আলোচনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৫৬ পি.এম


বাংলাদেশের পর্যটনে তুরস্কের বিনিয়োগ ও পর্যটক আকর্ষণে আলোচনা

বাংলাদেশের পর্যটন খাতে তুরস্কের বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং দেশটি থেকে পর্যটকদের আকর্ষণ করার জন্য পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই উদ্দেশ্যে পর্যটন অবকাঠামো, হোটেল-রিসোর্ট নির্মাণ এবং বাংলাদেশের পর্যটন গন্তব্যগুলো তুরস্কের মানুষের কাছে তুলে ধরার সম্ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় করেছেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা।

রোববার (৮ নভেম্বর) বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের (বিটিবি) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ব্যারিস্টার মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও বৈঠক করেন তুরস্কের কোনিয়া অঞ্চলে বাংলাদেশের অনারারি কনসাল ডেনিজ বুলকুর। বিটিবি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশের পর্যটন খাতের বর্তমান অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সমুদ্রসৈকত, পাহাড়, বনাঞ্চল, ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনসহ বৈচিত্র্যময় পর্যটন সম্পদ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে পর্যটন খাতে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা বাড়ানোর বিভিন্ন দিক নিয়েও আলোচনা করেন তারা।

তুরস্কের কোনিয়ায় বাংলাদেশের অনারারি কনসাল ডেনিজ বুলকুর বাংলাদেশের পর্যটন খাতের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বাংলাদেশে তুরস্কের পর্যটকদের ভ্রমণে উৎসাহিত করার বিষয়ে আশাবাদ জানিয়ে বলেন, "বাংলাদেশের পর্যটন সম্ভাবনা ও আকর্ষণীয় গন্তব্যগুলো তুরস্কের মানুষের কাছে আরও কার্যকরভাবে তুলে ধরার সুযোগ রয়েছে।"

বৈঠকে বাংলাদেশের পর্যটন খাতে তুরস্কের বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়। বিশেষ করে পর্যটন অবকাঠামো, হোটেল-রিসোর্ট এবং এ খাতের সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন উদ্যোগে তুর্কি বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণের সুযোগ নিয়ে মতবিনিময় করেন দুই পক্ষ।

বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ব্যারিস্টার মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকী বলেন, "বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতের নির্দেশক্রমে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।" তিনি আরও জানান, পর্যটনমন্ত্রী ও সচিবের পরামর্শ এবং নির্দেশনায় দেশের পর্যটন খাতকে এগিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, "দেশের পর্যটন সম্ভাবনাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও কার্যকরভাবে তুলে ধরা, বিদেশি পর্যটক আকর্ষণ এবং পর্যটন খাতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড কাজ করছে।" বাংলাদেশের পর্যটন খাতের উন্নয়নে আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিভিন্ন দেশের সঙ্গে পর্যটন সম্পর্ক জোরদার হলে বিদেশি পর্যটক আকর্ষণের পাশাপাশি নতুন বিনিয়োগের সম্ভাবনাও তৈরি হবে।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও তুরস্কের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ধারাবাহিকতায় পর্যটন খাতেও পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। দুই পক্ষ বাংলাদেশকে তুরস্কের পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরার এবং দেশের পর্যটন শিল্পে তুর্কি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে ভবিষ্যতেও যোগাযোগ অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাবরি মসজিদ ধ্বংসের দৃশ্য দেখে কেঁদেছিলেন সোনিয়া, বিজেপির কটাক্ষ ‘দিল মে বাবর’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৫৮ পি.এম


বাবরি মসজিদ ধ্বংসের দৃশ্য দেখে কেঁদেছিলেন সোনিয়া, বিজেপির কটাক্ষ ‘দিল মে বাবর’

ভারতের অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ ধ্বংসের দৃশ্য টেলিভিশনে দেখে কেঁদে ফেলেছিলেন কংগ্রেসের সংসদীয় দলের চেয়ারপারসন সোনিয়া গান্ধী। ১৯৯২ সালের ওই ঘটনার ফলে তার মনে হয়েছে, ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্র রক্ষায় একটি দীর্ঘ লড়াইয়ের প্রয়োজন রয়েছে। সম্প্রতি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি অতীতের সেই স্মৃতি নিয়ে আলোচনা করেছেন।

নিজের আত্মজীবনী প্রকাশের আগে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সোনিয়া গান্ধী উল্লেখ করেন, মহাত্মা গান্ধী, জওহরলাল নেহরু এবং তাদের সহযোদ্ধারা যে ধর্মনিরপেক্ষ ভারতের স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেটিকে ধরে রাখতে দীর্ঘ সংগ্রামের প্রয়োজন হবে। বাবরি মসজিদ ধ্বংসের সময় তার মধ্যে এই উপলব্ধি জন্মেছিল।

সাক্ষাৎকারে কংগ্রেসের রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়েও আত্মসমালোচনা করেন সোনিয়া। তার মতে, বিজেপির উত্থানের পেছনে কংগ্রেসের নিজেদের ব্যর্থতারও একটি ভূমিকা ছিল। তিনি মন্তব্য করেন, দলটি অনেক ক্ষেত্রেই আত্মতুষ্টিতে ভুগেছে এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় যথেষ্ট সক্রিয় ছিল না।

সোনিয়ার এই বক্তব্য ঘিরে ভারতের রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। তার মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতা ও সংসদ সদস্য সুধাংশু ত্রিবেদী।

ত্রিবেদী অভিযোগ করেন, সোনিয়ার বক্তব্যে প্রমাণিত হয় যে, বাবর সম্পর্কে কংগ্রেসের যে সহানুভূতি আগে ছিল, তা এখনও রয়েছে। তিনি বলেন, “তখন কংগ্রেসের হৃদয়ে বাবর ছিলেন, এখনো আছেন।” ত্রিবেদী দাবি করেন, কংগ্রেস মহাত্মা গান্ধীর ‘রামরাজ্য’-এর ধারণা থেকে সরে গিয়ে ‘বাবর রাজ’-এর দিকে ঝুঁকেছে।

এছাড়া, বাবরি মসজিদ ধ্বংসের দৃশ্য সোনিয়া কখন এবং কোন টেলিভিশন চ্যানেলে দেখেছিলেন, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিজেপির এই নেতা। ত্রিবেদী বলেন, ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিসে ঘটনাটি নিয়ে সংবাদ প্রচার হয়েছিল। তবে সেদিন কোন ভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেলে সোনিয়া ধ্বংসের দৃশ্য দেখেছিলেন, তা জানতে চান তিনি।

১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর অযোধ্যায় করসেবকদের একটি বিশাল দল বাবরি মসজিদ ভেঙে ফেলে। ঘটনাটি ভারতের রাজনীতি ও সাম্প্রদায়িক সম্পর্কের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে বিবেচিত হয়। মসজিদটি ঘিরে দীর্ঘদিনের বিরোধের পর ২০১৯ সালে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বিতর্কিত জমিতে রামমন্দির নির্মাণের পক্ষে রায় দেন এবং মসজিদ নির্মাণের জন্য বিকল্প পাঁচ একর জমি বরাদ্দের নির্দেশ দেন।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

এআরবি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরগুনায় ইঞ্জিন অয়েল প্যাকেজিং প্রতিষ্ঠানে অভিযান, ৭০ হাজার টাকা জরিমানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৫৮ পি.এম


বরগুনায় ইঞ্জিন অয়েল প্যাকেজিং প্রতিষ্ঠানে অভিযান, ৭০ হাজার টাকা জরিমানা

বরগুনা শহরের বিসিক শিল্পনগরীতে একটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন। অভিযোগ রয়েছে যে, প্রতিষ্ঠানটি অনুমোদন ও প্রয়োজনীয় নিবন্ধন ছাড়াই ইঞ্জিন অয়েল প্যাকেজিং এবং বাজারজাত করছে। অভিযানের ফলস্বরূপ, প্রতিষ্ঠানটিকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পাশাপাশি, আনুমানিক ৩ লাখ ৪১ হাজার ১০০ টাকা মূল্যের বিভিন্ন ধরনের খালি ক্যান, বোতল, ব্যারেল ও অন্যান্য মালামাল জব্দ করা হয়েছে।

রোববার (৮ নভেম্বর) জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বরগুনা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এই অভিযান পরিচালিত হয়।

বরগুনা জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বরগুনা সদর উপজেলার বিসিক শিল্পনগরীতে অবস্থিত ‘গেইন সুপার’ নামে একটি ইঞ্জিন অয়েল প্যাকেজিং প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়। অভিযানের নেতৃত্ব দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর তাজওয়ার। প্রসিকিউটর হিসেবে বরগুনা বিএসটিআইয়ের পরিদর্শক আশিকুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। অভিযানের সময় বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোড়ক ও প্যাকেজিং সামগ্রী ব্যবহার করে ইঞ্জিন অয়েল ও মবিল মোড়কজাত করার বিষয়টি ধরা পড়ে।

অভিযানে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটি যথাযথ নিবন্ধন গ্রহণ না করেই বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোড়কে ইঞ্জিন অয়েল ও মবিল বাজারজাত করছে। জেলা প্রশাসন জানায়, এসব মোড়কে পণ্যের মূল্য, উৎপাদনের তারিখ, মেয়াদ এবং উৎপাদনস্থলসহ প্রয়োজনীয় তথ্যের উল্লেখ ছিল না।

অভিযানকালে প্রতিষ্ঠানটি থেকে ৮৪ কার্টন খালি কালো ক্যান, ৬০ কার্টন খালি কমলা ক্যান, ১৩০টি খালি ব্যারেল, ৬৫টি পাঁচ লিটারের মবিলের বোতল, ১৮টি এক লিটারের মবিলের বোতল এবং ১৫০টি খালি বালতিসহ বিভিন্ন মালামাল জব্দ করা হয়। জব্দ করা এসব মালামালের আনুমানিক বাজারমূল্য ৩ লাখ ৪১ হাজার ১০০ টাকা।

ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন, ২০১৮ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটিকে ৭০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। জরিমানার অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, ভোক্তা অধিকার নিশ্চিতকরণ এবং পণ্যের গুণগত মান ও সঠিক পরিমাপ বজায় রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশনায় পরিচালিত অভিযানে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাকৃবিতে আমন বীজ ধান কর্তন কার্যক্রম উদ্বোধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৫৯ পি.এম


বাকৃবিতে আমন বীজ ধান কর্তন কার্যক্রম উদ্বোধন

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) আমন মৌসুমের বীজ ধান কর্তন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। রোববার (৮ নভেম্বর) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের খামার ব্যবস্থাপনা শাখার উদ্যোগে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার।

প্রধান খামার তত্ত্বাবধায়ক মো. জিয়াউর রহমানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মাসুম আহমাদ, ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা ও প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলীম, রেজিস্ট্রার মো. হেলাল উদ্দীন, কোষাধ্যক্ষের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা অধ্যাপক ড. মো. মোজাম্মেল হক, প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মুহ. এনামুল হক, জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ তৌফিকুল ইসলাম এবং ক্রীড়া প্রশিক্ষণ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মো. আসাদুল হক। এ ছাড়া খামার ব্যবস্থাপনা শাখার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার বলেন, "বছরের এ সময়ে ধান কাটা বাংলার গ্রামীণ ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি শুধু কৃষিকাজ নয়, বরং গ্রামীণ জীবনের এক উৎসব। নতুন ধানের চাল দিয়ে তৈরি পিঠাপুলি আমাদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ।"

তিনি আরও বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয়ের খামারে উৎপাদিত বীজ বিক্রির মাধ্যমে একদিকে বিশ্ববিদ্যালয় আর্থিকভাবে উপকৃত হচ্ছে, অন্যদিকে এসব বীজ কৃষকের জন্য কতটা উপযোগী, তা মাঠপর্যায়ে যাচাইয়ের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষিজমির পরিমাণ ধীরে ধীরে কমে এলেও কৃষিভিত্তিক এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।"

দেশের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাকৃবির গবেষকদের নিরলস প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করে উপাচার্য বলেন, "কৃষি ও কৃষকের কল্যাণে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এ ধরনের ঐতিহ্যবাহী আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত খামারের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তিনি আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।"

প্রসঙ্গত, খামার ব্যবস্থাপনা শাখায় বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি), বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় বিভিন্ন জাতের ধান, গম ও তৈলবীজ উৎপাদন করা হয়। এসব বীজ কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে দেশের খাদ্যনিরাপত্তায় অবদান রাখছে বিশ্ববিদ্যালয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%