প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) আমন মৌসুমের বীজ ধান কর্তন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। রোববার (৮ নভেম্বর) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের খামার ব্যবস্থাপনা শাখার উদ্যোগে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার।
প্রধান খামার তত্ত্বাবধায়ক মো. জিয়াউর রহমানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মাসুম আহমাদ, ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা ও প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলীম, রেজিস্ট্রার মো. হেলাল উদ্দীন, কোষাধ্যক্ষের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা অধ্যাপক ড. মো. মোজাম্মেল হক, প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মুহ. এনামুল হক, জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ তৌফিকুল ইসলাম এবং ক্রীড়া প্রশিক্ষণ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মো. আসাদুল হক। এ ছাড়া খামার ব্যবস্থাপনা শাখার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার বলেন, "বছরের এ সময়ে ধান কাটা বাংলার গ্রামীণ ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি শুধু কৃষিকাজ নয়, বরং গ্রামীণ জীবনের এক উৎসব। নতুন ধানের চাল দিয়ে তৈরি পিঠাপুলি আমাদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ।"
তিনি আরও বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয়ের খামারে উৎপাদিত বীজ বিক্রির মাধ্যমে একদিকে বিশ্ববিদ্যালয় আর্থিকভাবে উপকৃত হচ্ছে, অন্যদিকে এসব বীজ কৃষকের জন্য কতটা উপযোগী, তা মাঠপর্যায়ে যাচাইয়ের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষিজমির পরিমাণ ধীরে ধীরে কমে এলেও কৃষিভিত্তিক এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।"
দেশের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাকৃবির গবেষকদের নিরলস প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করে উপাচার্য বলেন, "কৃষি ও কৃষকের কল্যাণে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এ ধরনের ঐতিহ্যবাহী আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত খামারের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তিনি আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।"
প্রসঙ্গত, খামার ব্যবস্থাপনা শাখায় বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি), বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় বিভিন্ন জাতের ধান, গম ও তৈলবীজ উৎপাদন করা হয়। এসব বীজ কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে দেশের খাদ্যনিরাপত্তায় অবদান রাখছে বিশ্ববিদ্যালয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন