ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং
শেরপুরে

আট দশক ধরে চলছে কালো পাথর দিয়ে সাপে কাটার চিকিৎসা


আট দশক ধরে চলছে কালো পাথর দিয়ে সাপে কাটার চিকিৎসা

প্রাচীন যুগ থেকে সাপে কাটা রোগীদের সারিয়ে তুলতে বিভিন্ন উপায় অবলম্বনের গল্প শোনা যায়।

সর্বাধিক প্রচলিত যে পদ্ধতি নিয়ে জানা যায়, তা হলো কবিরাজ বা ওঝার মাধ্যমে ওঝাগিরি করা। কিন্তু ইনডিজিনাস নলেজ (কোনো জনগোষ্ঠীর মাধ্যমে বিকশিত ও সংরক্ষিত জ্ঞান, দক্ষতা বা দর্শন) ব্যবহার করে অনেক অঞ্চলে ‘সফল’ চিকিৎসা পদ্ধতি প্রয়োগ এখনও চলছে। যেমন শেরপুরে রয়েছে সাপে কাটার চিকিৎসায় ‘পাথর রহস্য’, যা প্রায় আট দশক ধরে চলমান আছে।

এই পদ্ধতির যাত্রা শুরু হয়েছিল দেশভাগের আগে, ১৯৪৬ সালে একজন খ্রিষ্টান ধর্মীয় ব্রতধারী নারীর মাধ্যমে। সিস্টার ইম্মানুয়েল নামক ওই নারী শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলায় গড়ে তোলেন ‘আওয়ার লেডি অব লর্ডস ডিসপেনসারি’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান।

আরও পড়ুন: ময়মনসিংহে সেলুনে ঢুকে নরসুন্দরকে ছুরিকাঘাতে হত্যা, স্ত্রী অভিযুক্ত

দাতব্য চিকিৎসালয়টি ভারতের মেঘালয় রাজ্যঘেঁষা সীমান্তবর্তী পাহাড়ি বারোমারী এলাকায় অবস্থিত। প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখানে সাপে কাটা রোগীদের চিকিৎসায় একটি বিশেষ কালো পাথর ব্যবহারের দাবি করা হচ্ছে। স্থানীয়ভাবে প্রচলিত রয়েছে যে, এই পাথর দিয়ে সাপে কাটা রোগীর শরীরের বিষ শুষে নেওয়া হয়।

ডিসপেনসারির ইনচার্জ সিস্টার বাপ্তিস্তা রেমা জানান, পাথরটি কোথা থেকে আনা হয়েছে সে সম্পর্কে সঠিক তথ্য তাদের কাছে নেই। ধারণা করা হচ্ছে, বেলজিয়াম বা ফ্রান্স থেকে এই বিশেষ পাথরটি আনা হয়েছিল।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, একটি পাথরকে বিশেষ কৌশলে ছোট অংশে ভাগ করে বিশেষ পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। সম্প্রতি সাপে কাটা অবস্থায় এখানে চিকিৎসা নেন রফিকুল ইসলাম নামের একজন রোগী। তিনি এশিয়া পোস্টকে বলেন, ‘আমার পায়ে সাপে কামড় দিছিল। পাথর দেওয়ার কিছুক্ষণ পর দেখি ব্যথা, শরীর খারাপ একটু একটু করে কমে গেছে। পরে আমি আস্তে আস্তে ভালো হয়ে যাই। এখন আমি একদম সুস্থ আছি।’

আরেক রোগীর স্বজন মর্জিনা বেগম বলেন, ‘আমার ছেলেকে সাপে কামড় দেয়। আমরা খুব ভয় পাইছিলাম। পরে খোঁজখবর নিয়ে এখানে আনার পর চিকিৎসার পর ধীরে ধীরে সে ভালো হইছে। মূলত আমার ছেলেকে একটা পাথর লাগায় রাখছিল, কিছুক্ষণ পর সেই পাথরটা নিজে নিজেই পড়ে যায় আর আমার ছেলে সুস্থ হয়ে যায়।’

আরও পড়ুন: বাংলা একাডেমিতে বৌদ্ধ ঐতিহ্য বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

দাতব্য চিকিৎসালয়টির কর্তৃপক্ষ জানায়, সাপে কাটা রোগীর ক্ষতস্থানে বিশেষ কালো রংয়ের পাথরটি রাখা হলে তা শরীরে বিষ থাকা অবস্থায় ক্ষতস্থানে আটকে থাকে। বিষ শোষিত হয়ে গেলে নিজে থেকেই পড়ে যায়। তারা বলেন, আগে বিনামূল্যে সেবা দেওয়া হলেও বর্তমানে প্রতিটি রোগীর কাছ থেকে ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে। তাদের দাবি, এভাবে রোগী সুস্থ হয়ে ওঠেন।

এ পদ্ধতিতে এখন পর্যন্ত কোনো রোগীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। গত কয়েক বছরে শত শত রোগী চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়েছেন। গত সাত বছরে এ পদ্ধতিতে ১ হাজার ৮৫ জন সাপে কাটা রোগীকে চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ করা হয়েছে। ওই এলাকার বাসিন্দা হাবিবুর রহমান বলেন, ‘এইটা অনেক বছর ধরেই চলতাছে। কেউ বলে পাথরে ভালো হয়, আবার কেউ বলে এইটা ঠিক না।’

আরেক স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুস সালাম বলেন, ‘অনেক সময় দেখা যায়, সাধারণ সাপে কামড় দিলে এখানে আনলে মানুষ ভালোও হয়। কিন্তু বিষাক্ত সাপ হলে আবার অবস্থা একেক রকম থাকে, সবাই একভাবে সেরে উঠে না। তাই এইটা নিয়ে নিশ্চিত কিছু বলা যায় না।’ স্থানীয় বাসিন্দা খালেদা আক্তার বলেন, ‘এটা অনেক পুরান একটা বিশ্বাস। কেউ বিশ্বাস করে, কেউ আবার বলে হাসপাতালে নেওয়া ভালো। কিন্তু অনেক বছর ধরেই মানুষ এখানে আইসা-যাইতাছে।’ এ বিষয়ে শেরপুরের সিভিল সার্জন ডা. মুহাম্মদ শাহীন বলেন, ‘এ ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতি কোনোভাবেই বিজ্ঞানসম্মত নয়। সাপে কাটলে রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে অ্যান্টিভেনম প্রয়োগ করাই একমাত্র কার্যকর চিকিৎসা। যদি তা না করা হয়, তাহলে রোগীর বড় ধরনের জীবনঝুঁকি তৈরি হতে পারে।’

আরও পড়ুন: পূর্বধলায় মেয়েকে অপহরণের অভিযোগ, প্রতিবাদে বাবা-চাচার সংবাদ সম্মেলন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেরপুর সীমান্ত থেকে খালি চোখে দেখা মিলছে তুরা পাহাড়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:২৪ এম


শেরপুর সীমান্ত থেকে খালি চোখে দেখা মিলছে তুরা পাহাড়

বর্ষার পড়ন্ত বিকেলের সময় শেরপুর জেলার বিভিন্ন স্থানে দেখা মিলছে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের তুরা পাহাড়। এটি যেন এক স্বপ্নীল ছোঁয়া, এবং মুগ্ধতায় ছড়িয়ে পড়েছে জেলার পুরো উত্তর সীমান্ত অঞ্চল।

ভারতের মেঘালয় রাজ্যের সীমান্ত ঘেঁষা বাংলাদেশের উত্তরের সীমান্ত জেলা শেরপুর। গারো পাহাড় মেঘালয় রাজ্যের প্রায় ৪২ কিলোমিটার দূরত্বের সীমান্ত জুড়ে রয়েছে। যদিও মূল গারো পাহাড়টি মেঘালয় রাজ্যে অবস্থিত, কিন্তু গারো পাহাড়ের কিছু অংশ বৃহত্তর ময়মনসিংহের শেরপুর জেলায় পড়েছে প্রায় পুরোটা।

শেরপুর সীমান্ত থেকে মেঘালয় রাজ্যের তুরা শহরের দূরত্ব মাত্র ৫৫ কিলোমিটার। শেরপুর সীমান্ত সড়কের বিভিন্ন স্থান থেকে বর্ষার পড়ন্ত বিকেলে যদি আকাশ পরিষ্কার থাকে তবে তুরা পাহাড়ের দেখা মেলে। সীমান্ত থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে শেরপুর জেলা শহরের ছয় থেকে সাত তলা ভবনের ছাদে উঠলেও কৃষ্ণ পাহাড়ের দর্শন লাভ করা যায়। তুরা পাহাড়ের উচ্চতা মূলত সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় তিন হাজার ফুট। এজন্য শেরপুর জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে, বিশেষ করে খোলা মাঠ বা প্রান্ত থেকে বর্ষার বিকেলে পরিষ্কার আকাশে তুরা পাহাড় সুস্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে। গত কয়েকদিন ধরে শেরপুর জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে বিশেষ করে সীমান্তের ঝিনাইগাতি-বগাডুবি সড়ক, তিনানি-নালিতাবাড়ী সড়ক, মধুটিলা, গজনি, নাকুগাঁও এবং পানিহাতা স্থান থেকে স্পষ্টভাবে তুরা পাহাড় দেখা যাচ্ছে।

এটি ভ্রমণপ্রেমীদের মধ্যে আনন্দের উন্মাদনা সৃষ্টি করেছে, যারা পাহাড়ের ছবি তুলে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিচ্ছেন। যেমন পঞ্চগড় থেকে শীতকালে হিমালয় পাহাড় দেখা যায়, ঠিক তেমনি শেরপুর সীমান্ত থেকে তুরা পাহাড়ের চমৎকার মনোমুগ্ধকর দৃশ্য দেখার জন্য প্রতিদিনই ভ্রমণ বিলাসী বাইকাররা ছুটে যাচ্ছে সীমান্ত এলাকায়। তাঁরা মোবাইল এবং ক্যামেরায় ছবি তুলে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করছেন। এই বিষয়টি এখন নেটদুনিয়ায় বেশ ভাইরাল হয়ে গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেরপুরে চেল্লাখালি নদীর মোহনা অংশ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:২৮ এম


শেরপুরে চেল্লাখালি নদীর মোহনা অংশ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার কলসপাড় ইউনিয়নের গুল্লারপাড়া এলাকার চেল্লাখালি নদীর মোহনা অংশ পরিদর্শন করেছেন শেরপুর জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন। ৯ জুলাই, বৃহস্পতিবার পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক নদীর পানির প্রবাহ বিপদসীমার অনেক ওপরে রয়েছে বলে লক্ষ্য করেন। এই অবস্থায় জেলা প্রশাসক তাৎক্ষণিকভাবে শেরপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করার জন্য ব্যবস্থা নেন।

সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে নদীর পানি আকস্মিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। জেলা প্রশাসক নির্দেশনা প্রদান করেন যে, পানি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এলে সম্ভাব্য নদীভাঙন ও প্লাবনের ঝুঁকি থেকে সড়ক রক্ষায় প্রয়োজনীয় স্থানে বাঁধ নির্মাণ এবং জিও ব্যাগ স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। সংশ্লিষ্টদের এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয়া হয়।

এ সময় নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার, উপজেলা প্রকৌশলী (অ.দা.), নালিতাবাড়ী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) এবং শেরপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, বর্তমানে উক্ত নদীর পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক অবস্থায় রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেলান্দহ রিপোর্টার্স ইউনিটির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে গুণিজন সংবর্ধনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৩১ এম


মেলান্দহ রিপোর্টার্স ইউনিটির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে গুণিজন সংবর্ধনা

জামালপুরের মেলান্দহ রিপোর্টার্স ইউনিটির (এমআরইউ) ১৩ বছর পূর্তি উপলক্ষে জমকালো আয়োজনের মধ্যে আলোচনা সভা ও গুণিজন সংবর্ধনা ৮ জুলাই বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত হয়। এ অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিন্নাতুল আরা প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন।

এই ইউনিটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং ইত্তেফাকের সংবাদদাতা শাহ জামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার আলহাজ কারি হামিদুল হক বিএবিএড, ৭১’র গেরিলা আবুল হোসেন, অফিসার ইনচার্জ ওবায়দুর রহমান, মেলান্দহ বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল কবির, ক্যামব্রিয়ান স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক আবুল কাশেম আকাশ, সানন্দবাড়ি প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও চারণ সাংবাদিক আব্দুস সালাম শিকদার, কবি ও পর্বতারোহী ডা. ধ্রুবজ্যোতি ঘোষ মুকুল, দোস্ত কহিনুর ইসলাম, বকুলতলা মানবিক সোসাইটির চেয়াম্যান হেলাল আকন্দ, কালচারাল ইউনিটির সভাপতি বাউল শিল্পী বিপ্লব মন্ডল, স্বরকলার সম্পাদক একেএম জাকিরুল হক মিন্টু, জালাল উদ্দিন কল্যাণ ট্রাস্টের সভাপতি আব্দুল হাকিম প্রমুখ।

এই অনুষ্ঠানে সমাজে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে কয়েকজন সম্মাননা প্রদান করা হয়। সম্মাননা গ্রহণকারীদের মধ্যে রয়েছে মেলান্দহের ইতিহাসে ভাষা ও স্বাধীনতা সংগ্রামী আবদুর রহমান সিদ্দিকী, যিনি মরণোত্তর সম্মাননা পেয়েছেন। তাসির মোক্তার, আলী আসাদ এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও ভাষা সংগ্রামী ডা. নূরুল ইসলাম, যিনি মরণোত্তর সম্মাননা গ্রহণ করেছেন। আরও রয়েছে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার কারি হামিদুল হক মুক্তিযুদ্ধ, আবুল হোসেন ৭১’র গেরিলা, প্রথম সংবাদপত্রের সম্পাদক-প্রকাশক আব্দুল হামিদ কবিরত্ন মরণোত্তর, ছড়াকার আশরাফুল মান্নান মরণোত্তর, শিক্ষায় কম্পিউটার ও সফটওয়ার বিজ্ঞানী প্রফেসর ড. মাহফুজুল ইসলাম বুয়েট।

এছাড়া, উমির উদ্দিন তালুকদার মরণোত্তর শিক্ষায়, মেলান্দহ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান এবং মোহনতালুকদার শিক্ষায়, আব্দুস সালাম শিকদার চারণ সাংবাদিক, একেএম জাকিরুল হক মিন্টু বাচিক শিল্পী, কবি শেখ ফজল, বেতার-বিটিভির কণ্ঠশিল্পী শেখ আবু তালেব, বাউল বিপ্লব মন্ডল, চিশতী রহমতুল্লাহ সাফিন মন্ডল।

এমআরইউ’র বিনামূল্যে মাসব্যাপী চারুকলা প্রশিক্ষণ প্রকল্পের প্রধান পৃষ্ঠপোষকতায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং পৃষ্ঠপোষক মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, প্রশিক্ষক প্রধান আবুল কাশেম আকাশ, প্রশিক্ষক কবি ও পর্বতারোহী ডা. ধ্রুবজ্যোতি ঘোষ মুকুল, প্রশিক্ষক আব্দুর রউফ হীরা মরণোত্তর, প্রশিক্ষক গোলাম ছরোয়ার রিপন, একক স্বেচ্ছাশ্রমে টুপকারচর-৪নং চর পর্যন্ত ৭কি.মি. রাস্তা নির্মাণে দিনমজুর আব্দুল জলিল।

এই মানবসেবায় অবদানে সম্মাননা পেয়েছেন দোস্ত এইড বাংলাদেশ সোসাইটি, আপউস, জালাল উদ্দিন ট্রাস্ট, মেলান্দহ ফাউন্ডেশন, বকুলতলা মানবিক সোসাইটি, মুক্ত স্কাউট এবং জাবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতি। ব্লাড ব্যাংক শাকিল রক্তদান, মোরশেদুল আলম স্কাউটস, সরকার জাকিরুল ইসলাম মানসেবা, আবু হাসান মাহমুদ বৃক্ষ ও প্রকৃতি প্রেমিক, শায় খায়রুল বাশার চিশতী মরণোত্তর সমাজসেবা, কিসমত পাশা সমাজসেবা, অফিসার ইনচার্জ ওবায়দুর রহমান মাদক ও অপরাধ দমন, সাকিব আলহাসান নাহিদ এনটিভি তরুণ সাংবাদিকসহ বহু ব্যক্তিকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুমার দিনে মাইসাহেবা জামে মসজিদ চত্বরে ঈদের আমেজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৩৫ এম


জুমার দিনে মাইসাহেবা জামে মসজিদ চত্বরে ঈদের আমেজ

শুক্রবার জুমার দিন এলেই যেন ঈদের আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয় শেরপুর জেলা শহরের ঐতিহ্যবাহী মাইসাহেবা জামে মসজিদ চত্বর এলাকায়। জুমার নামাজকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই মসজিদ চত্বর ও আশপাশের এলাকা প্রাণবন্ত মিলনমেলায় পরিণত হয়। নামাজের আগে এবং পরে মসজিদের সামনের সড়কে অস্থায়ী দোকানিরা সারিবদ্ধভাবে বসেন। তাদের দোকানে থাকে বিভিন্ন ধরনের বাহারি খাবার- জিলাপি, ছোলা, হালিম, বেলপুলি, মৌসুমি ফল, বিভিন্ন রকমের শরবত, বিভিন্ন প্রজাতির ছোট-বড় মাছ সহ নানান মুখরোচক খাবার। শিশু-কিশোর এবং মুসল্লিরা এসব খাবারের স্বাদ নিতে ভিড় করেন, একইসঙ্গে পরিবারের জন্য বাসায় নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে অনেককে কেনাকাটা করতে দেখা যায়। জুমার নামাজ শেষে কয়েক হাজার মুসল্লি একসঙ্গে বের হলে মুহূর্তেই পুরো এলাকা জমে ওঠে। ছোট-বড় সবার পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে মসজিদের সামনের সড়ক। কেউ প্রিয় খাবারের স্বাদ নিচ্ছেন, আবার কেউ পরিবারের সদস্যদের জন্য পছন্দের খাবার কিনে নিয়ে যাচ্ছেন।

স্থানীয় মৌসুমী ব্যবসায়ীরা জানান, শুক্রবার তাদের বিক্রি সপ্তাহের অন্যান্য দিনের তুলনায় কয়েক গুণ বেড়ে যায়। তাই তারা এই দিনের অপেক্ষায় থাকেন। পথচারীর কাছেও শুক্রবারের এই প্রাণচঞ্চল পরিবেশ শেরপুরের বিশেষ ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে। শেরপুর সদর উপজেলার বাজিতখিলার কুমরী মুদিপাড়া থেকে জুমার নামাজ পড়তে আসা সাংবাদিক উমর ফারুক সেলিম জানিয়েছেন, তিনি সময় পেলেই চেষ্টা করেন শেরপুরের ঐতিহ্যবাহী মাইসাহেবা মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করতে। কারণ ঈদের জামাতের মতো এখানে জুমার নামাজ বৃহৎ পরিসরে অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি এখানে নামাজ আদায় করলে তার ভেতরে অন্যরকম একটা অনুভূতি কাজ করে। মসজিদ চত্বর ও পাশের সড়কে মুখরোচক খাবারসহ বিভিন্ন ধরনের পসরা সাজিয়ে নিয়ে বসেন দোকানীরা। জুমার নামাজের পর চারদিকে শিশু-কিশোর ও মুসল্লিদের কোলাহল যেন ঈদের আমেজ মনে করিয়ে দেয়। ধর্মীয় আবহ, মানুষের মিলনমেলা এবং বাহারি খাবারের সমাহার সব মিলিয়ে প্রতি শুক্রবার শেরপুরের ঐতিহ্যবাহী মাইসাহেবা জামে মসজিদ চত্বর যেন উৎসবের শহরে পরিণত হয়, যেখানে আগত মুসল্লি ও সাধারণ মানুষ ঈদের আনন্দের ছোঁয়া অনুভব করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%