প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বর্ষার পড়ন্ত বিকেলের সময় শেরপুর জেলার বিভিন্ন স্থানে দেখা মিলছে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের তুরা পাহাড়। এটি যেন এক স্বপ্নীল ছোঁয়া, এবং মুগ্ধতায় ছড়িয়ে পড়েছে জেলার পুরো উত্তর সীমান্ত অঞ্চল।
ভারতের মেঘালয় রাজ্যের সীমান্ত ঘেঁষা বাংলাদেশের উত্তরের সীমান্ত জেলা শেরপুর। গারো পাহাড় মেঘালয় রাজ্যের প্রায় ৪২ কিলোমিটার দূরত্বের সীমান্ত জুড়ে রয়েছে। যদিও মূল গারো পাহাড়টি মেঘালয় রাজ্যে অবস্থিত, কিন্তু গারো পাহাড়ের কিছু অংশ বৃহত্তর ময়মনসিংহের শেরপুর জেলায় পড়েছে প্রায় পুরোটা।
শেরপুর সীমান্ত থেকে মেঘালয় রাজ্যের তুরা শহরের দূরত্ব মাত্র ৫৫ কিলোমিটার। শেরপুর সীমান্ত সড়কের বিভিন্ন স্থান থেকে বর্ষার পড়ন্ত বিকেলে যদি আকাশ পরিষ্কার থাকে তবে তুরা পাহাড়ের দেখা মেলে। সীমান্ত থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে শেরপুর জেলা শহরের ছয় থেকে সাত তলা ভবনের ছাদে উঠলেও কৃষ্ণ পাহাড়ের দর্শন লাভ করা যায়। তুরা পাহাড়ের উচ্চতা মূলত সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় তিন হাজার ফুট। এজন্য শেরপুর জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে, বিশেষ করে খোলা মাঠ বা প্রান্ত থেকে বর্ষার বিকেলে পরিষ্কার আকাশে তুরা পাহাড় সুস্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে। গত কয়েকদিন ধরে শেরপুর জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে বিশেষ করে সীমান্তের ঝিনাইগাতি-বগাডুবি সড়ক, তিনানি-নালিতাবাড়ী সড়ক, মধুটিলা, গজনি, নাকুগাঁও এবং পানিহাতা স্থান থেকে স্পষ্টভাবে তুরা পাহাড় দেখা যাচ্ছে।
এটি ভ্রমণপ্রেমীদের মধ্যে আনন্দের উন্মাদনা সৃষ্টি করেছে, যারা পাহাড়ের ছবি তুলে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিচ্ছেন। যেমন পঞ্চগড় থেকে শীতকালে হিমালয় পাহাড় দেখা যায়, ঠিক তেমনি শেরপুর সীমান্ত থেকে তুরা পাহাড়ের চমৎকার মনোমুগ্ধকর দৃশ্য দেখার জন্য প্রতিদিনই ভ্রমণ বিলাসী বাইকাররা ছুটে যাচ্ছে সীমান্ত এলাকায়। তাঁরা মোবাইল এবং ক্যামেরায় ছবি তুলে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করছেন। এই বিষয়টি এখন নেটদুনিয়ায় বেশ ভাইরাল হয়ে গেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন