ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

কচুয়ায় হাসপাতালে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় ৪ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা


কচুয়ায় হাসপাতালে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় ৪ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

চাঁদপুর, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ইসলামীয়া হাসপাতালে হামলা, মারধর, ভাঙচুর, নগদ টাকা চুরি এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে দায়ের করা নালিশি মামলায় চার আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।

আজ রোববার চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নাজির ফখরুদ্দিন স্বপন এই তথ্য নিশ্চিত করেন। গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামিরা হলেন, কচুয়া থানার করইশ গ্রামের তরিকুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম, শরীফুল ইসলাম এবং গাজী গোলাম মোস্তফা।

আদালতে দাখিল করা অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, কচুয়া বাজারস্থ ইসলামীয়া হাসপাতালের তৃতীয় তলার অফিস কক্ষে অবস্থানকালে আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে দলবদ্ধ হয়ে সেখানে প্রবেশ করেন। এ সময় বাদীকে হাসপাতাল থেকে সরিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে তার সঙ্গে অশালীন আচরণ, গালিগালাজ এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়।

আরও পড়ুন: সুনামগঞ্জে নতুন কুঁড়ির ভার্চুয়াল উদ্বোধনে অংশ নিলেন নূরুল ইসলাম এমপি

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, একপর্যায়ে কয়েকজন আসামি লোহার রড ও কাঠের আদল দিয়ে বাদীর মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। এতে বাদী গুরুতর আহত হন এবং অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তার ডান বুকের পাঁজরের হাড় ভেঙে যায়।

এছাড়া, আসামিরা হাসপাতালের ক্যাশবাক্স ভেঙে ১৫ লাখ টাকা নিয়ে যান এবং হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও রোগীদের মারধর করে বের করে দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে হাসপাতালের মূল ফটকে তালা লাগিয়ে দেওয়া হয় বলেও উল্লেখ রয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, আহত বাদী চিকিৎসার জন্য কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেলে আসামিরা সেখানে গিয়েও তাকে ও তার স্বজনদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। মামলার ক্ষেত্রে বাদী ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।

বাদী ওমর ফারুক মজুমদার জানান, ঘটনার পর থানায় মামলা নিতে বিলম্ব হওয়ায় তিনি আদালতের আশ্রয় নেন। আদালত অভিযোগের বিষয়ে তিনজন সাক্ষীর জবানবন্দী পরীক্ষা করেন। একই সঙ্গে বাদীর দাখিল করা জখমের সনদ পর্যালোচনা করেন আদালত।

আরও পড়ুন: মদনে বাছুরকে বাঁচাতে গিয়ে অটোরিকশা উল্টে প্রাণ গেল বৃদ্ধার

সাক্ষীদের জবানবন্দী ও জখমী সনদসহ উপস্থাপিত কাগজপত্র পর্যালোচনা শেষে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুজাহিদুর রহমান চার আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আশুলিয়ায় মাদ্রাসা ট্রাস্টের নিয়ন্ত্রণে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:১২ পি.এম


আশুলিয়ায় মাদ্রাসা ট্রাস্টের নিয়ন্ত্রণে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ

আশুলিয়ার শ্রীপুরে মাদ্রাসা ট্রাস্টের নিয়ন্ত্রণ ও মার্কেট দখল করার উদ্দেশ্যে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। দুর্বৃত্তরা এ সময় মাদ্রাসায় থাকা নগদ অর্থ লুট করে এবং সিসিটিভি কন্ট্রোলার নিয়ে যায়।রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আশুলিয়ার শ্রীপুর এলাকার তাহফিজুল কুরআনিল কারিম ফাজিল (স্নাতক) মাদ্রাসা এবং আশিয়া আশরাফ মহিলা মাদ্রাসায় হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম।প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, বিকেলের সময় প্রধান ফটক দিয়ে শতাধিক ব্যক্তি হেলমেট পরে দেশীয় অস্ত্র ও লাঠি হাতে মাদ্রাসায় প্রবেশ করে। তারা বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুর করে। এ সময় খবর দেওয়ার পর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে আসলে দুর্বৃত্তরা টাকা ও মূল্যবান মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়।প্রতিষ্ঠানটির সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা দাবিদার লিটন গাজী জানিয়েছেন, ট্রাস্টের নিয়ন্ত্রণ নিতে একটি গ্রুপ হামলা চালিয়েছে। হামলার সময় ক্যাশে থাকা নগদ অর্থ, সিসিটিভি ক্যামেরার কন্ট্রোলার, মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ নিয়ে যায়। এছাড়া বিভিন্ন কক্ষ, আসবাবপত্র, কম্পিউটার ও গ্লাস ভাঙচুর করা হয়।তিনি আরও বলেন, হাসান, হুমায়ুন এবং জাকির পুরো মাদ্রাসায় হামলা ও লুটপাট চালিয়েছে। ট্রাস্টি বোর্ডের বিষয়ে কোনো ঝামেলা নেই, কারণ সেটিতে আদালতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। পুলিশকে দিয়ে ভুয়া বা মিথ্যা মামলা করিয়ে এই অপকর্ম ও হামলা ঘটানো হয়েছে।মাদ্রাসাটির উপ-পরিচালক সৈয়দ সানজিদ জানান, সন্ত্রাসীরা তাদের মাদ্রাসায় হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে এবং তারা সন্ত্রাসীদের কঠোর শাস্তির দাবি করেছেন।আশুলিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, তিনি বর্তমানে ঢাকায় একটি মিটিংয়ে আছেন। তিনি খবর পেয়েছেন যে দারুল ইহসান ট্রাস্টের আওতাধীন মাদ্রাসায় একটি ঝামেলা বা সংঘর্ষ চলছে। তবে তিনি উল্লেখ করেছেন যে ট্রাস্টি বোর্ড নিয়ে এই ঝামেলা হতে পারে, কিন্তু গুলির মতো কোনো ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি শুনেননি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পটুয়াখালীর বাউফলের আলোচিত রানী বেগম হত্যা মামলায় স্বামী-স্ত্রী দণ্ডিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:১৩ পি.এম


পটুয়াখালীর বাউফলের আলোচিত রানী বেগম হত্যা মামলায় স্বামী-স্ত্রী দণ্ডিত

বাউফল উপজেলার কেশবপুরে ঘটে যাওয়া রানী বেগম হত্যা মামলায় আসামি মো. হালিম রাড়িকে (৪৮) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড এবং পুষ্প বেগমকে (৪৫) দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারায় ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৩ মাসের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

এই আদেশটি পটুয়াখালী জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক মো. শহিদুল্লাহ রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দেন। প্রধান আসামি মো. হালিম রাড়ি আদালতে উপস্থিত ছিলেন, তবে অপর আসামি তাঁর স্ত্রী পুষ্প বেগম পলাতক রয়েছেন।

মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২০ সালের ১১ ডিসেম্বর বিকেলে লাগাছের গোড়ায় মাটি দেওয়াকে কেন্দ্র করে বাদী মো. আবুল কাশেম রাড়ির সঙ্গে হালিম রাড়ির বিরোধ সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে ১২ ডিসেম্বর ভোর আনুমানিক সাড়ে ৬টার দিকে বাউফল উপজেলার কেশবপুর এলাকায় বাদী মো. আবুল কাশেম রাড়ির স্ত্রী মোসা. রানী বেগমকে হত্যার উদ্দেশ্যে দা দিয়ে আঘাত করা হয়, যা তাঁর মৃত্যুর কারণ হয়। নিহত রানী বেগমের স্বামী আবুল কাশেম রাড়ি পরে হালিম ও পুষ্প দম্পতির বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ ২০২২ সালের ৪ এপ্রিল আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। মামলায় মোট ২২ জন সাক্ষীর মধ্যে বাদী, তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ডাক্তারসহ ১৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এই রায় প্রদান করে।

পটুয়াখালী জেলা জজ আদালতের বিজ্ঞ পিপি অ্যাডভোকেট মো. মজিবুর রহমান টোটন এই রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে মন্তব্য করেন, “বিচারহীনতার প্রক্রিয়া থেকে বের হয়ে এ ধরনের রায় আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার পথকে সুগম করবে।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহীর জনপদ বিভাগের রাস্তাটি এখন খানাখন্দে চরম দুর্ভোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:১৩ পি.এম


রাজশাহীর জনপদ বিভাগের রাস্তাটি এখন খানাখন্দে চরম দুর্ভোগ

রাজশাহীর তানোর-মোহনপুর সংযোগ সড়কটি বর্তমানে সম্পূর্ণরূপে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে উঠেছে। তানোর থেকে মোহনপুর পর্যন্ত মাত্র ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটি, যা জনপদ বিভাগের একমাত্র রাস্তা, দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ার কারণে এবং অপরিকল্পিত পরিস্থিতির জন্য এখন এটি স্থানীয় বাসিন্দা ও চলাচলকারীদের জন্য একপ্রকার ‘মরণফাঁদে’ পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে কাশেম বাজার থেকে মোহনপুর থানার গেট পর্যন্ত এই অবস্থার প্রকটতা দেখা যাচ্ছে। এর মধ্যে মোহনপুর উপজেলার পোল্লাকুড়ি গ্রামের মসজিদ থেকে পূর্ব দিকে রাস্তার অংশের অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয় হয়ে পড়েছে।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গত ১ বছর ধরে তানোর-বায়া সড়কের নির্মাণকাজ চলমান থাকায় এই সংযোগ সড়কে অতিরিক্ত যানবাহন ও ভারী গাড়ির চাপ বহুগুণ বেড়ে গেছে। কিন্তু সড়কটির আশপাশের বাড়িঘর রাস্তা থেকে উঁচুতে অবস্থিত এবং দুইপাশে কোনো ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তায় পানি জমে যায়। এর ফলে দীর্ঘমেয়াদি জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। পানির নিচে সড়কের বড় বড় গর্ত ঢাকা থাকায় চালক ও পথচারীরা প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। বিশেষ করে রিকশা, ভ্যান, বাইসাইকেল এবং মোটরসাইকেল আরোহীদের জন্য এই পথ দিয়ে চলাচল করা এখন মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্থানীয় ভুক্তভোগী ও বিভিন্ন যানবাহনের চালকরা জানান, দীর্ঘদিন আগে নির্মিত ১২ ফিটের এই সড়কটি এখনও প্রসস্থ করা হয়নি। বিকল্প কোনো ভালো রাস্তা না থাকায় বাধ্য হয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ঝুঁকি নিয়ে এই ভাঙাচোরা ও জলমগ্ন সড়ক দিয়েই যাতায়াত করছেন। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, রোগী ও বয়োবৃদ্ধদের চলাচলের সময় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ভারী যানবাহনের চাপে রাস্তার কার্পেটিং ও ইট-সুরকি উঠে গিয়ে খানাখন্দের আকার দিন দিন আরও বড় হচ্ছে। এই রাস্তা প্রসস্থ করে দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী, পথচারী ও যানবাহনের চালকরা। এলাকাবাসীর প্রাণের দাবি হলো, জনদুর্ভোগ কমাতে এবং বড় ধরনের প্রাণহানি এড়াতে এই সংযোগ সড়কটি দ্রুত সংস্কার করা অত্যন্ত জরুরি। জনস্বার্থে মোহনপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এবং সংশ্লিষ্ট সড়ক ও জনপথ বিভাগ বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষ অতি দ্রুত সরেজমিন পরিদর্শন করে রাস্তাটির পুনর্র্নিমাণ ও কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থার মাধ্যমে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান করবেন, এমনটাই জোরালো দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।

এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে সড়ক ও জনপদ বিভাগের রাজশাহী নির্বাহী প্রকৌশলী সানজিদা আফরিন ঝিনুক বলেন, "এবিষয়ে কেউ আমাকে অবহিত করেনি। খোঁজ নিয়ে রাস্তাটি সংস্কারের ব্যবস্থা করা হবে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ১৪ শিক্ষককে অবরুদ্ধ করলেন শিক্ষার্থীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:১৩ পি.এম


সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ১৪ শিক্ষককে অবরুদ্ধ করলেন শিক্ষার্থীরা

সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) অধীনে যাওয়ার দাবি জানিয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ ১৪ শিক্ষক এবং ৬-৭ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভ করছেন। তারা কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনতা থেকে মুক্তি চাচ্ছেন। রোববার রাত ৯টা পর্যন্ত তাদের অবরোধ অব্যাহত ছিল।

কলেজের দায়িত্বপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. আসাদুজ্জামান এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শিক্ষার্থীরা শাবিপ্রবির অধীনে যাওয়ার দাবি নিয়ে আন্দোলন করছেন। শিক্ষকদের অবরুদ্ধ করে রাখার বিষয়টি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

২০০৭ সালে প্রতিষ্ঠিত সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক, পুরকৌশল এবং কম্পিউটারবিজ্ঞান ও প্রকৌশল—এই তিনটি বিভাগে প্রায় ১ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে।

শিক্ষার্থীরা জানান, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে থাকার কারণে তাদের বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রির মান ও স্বকীয়তা ক্ষুণ্ন হচ্ছে। তাই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত পরীক্ষা, ল্যাব ও ক্লাসসহ সব একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে। তারা পুরো ক্যাম্পাস শাটডাউন রাখার ঘোষণা দিয়েছেন।

এদিকে, আন্দোলন চলাকালে রোববার বিকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের উপসচিব সাজ্জাদ হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে কলেজের দায়িত্বপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সহযোগী অধ্যাপক মো. আসাদুজ্জামানকে ফরিদপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে বদলি করা হয়। একই আদেশে ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মো. সাহিদ ইকবালকে সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের নতুন অধ্যক্ষ হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

আন্দোলনরত চতুর্থ বর্ষের এক শিক্ষার্থী জানান, তারা এই বদলির আদেশ প্রত্যাখ্যান করেছেন। মূল দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত বদলিকৃত অধ্যক্ষকে কলেজ থেকে বের হতে দেওয়া হবে না এবং নতুন অধ্যক্ষকেও ক্যাম্পাসে ঢুকতে দেওয়া হবে না বলে তিনি জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%