প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজশাহীর তানোর-মোহনপুর সংযোগ সড়কটি বর্তমানে সম্পূর্ণরূপে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে উঠেছে। তানোর থেকে মোহনপুর পর্যন্ত মাত্র ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটি, যা জনপদ বিভাগের একমাত্র রাস্তা, দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ার কারণে এবং অপরিকল্পিত পরিস্থিতির জন্য এখন এটি স্থানীয় বাসিন্দা ও চলাচলকারীদের জন্য একপ্রকার ‘মরণফাঁদে’ পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে কাশেম বাজার থেকে মোহনপুর থানার গেট পর্যন্ত এই অবস্থার প্রকটতা দেখা যাচ্ছে। এর মধ্যে মোহনপুর উপজেলার পোল্লাকুড়ি গ্রামের মসজিদ থেকে পূর্ব দিকে রাস্তার অংশের অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয় হয়ে পড়েছে।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গত ১ বছর ধরে তানোর-বায়া সড়কের নির্মাণকাজ চলমান থাকায় এই সংযোগ সড়কে অতিরিক্ত যানবাহন ও ভারী গাড়ির চাপ বহুগুণ বেড়ে গেছে। কিন্তু সড়কটির আশপাশের বাড়িঘর রাস্তা থেকে উঁচুতে অবস্থিত এবং দুইপাশে কোনো ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তায় পানি জমে যায়। এর ফলে দীর্ঘমেয়াদি জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। পানির নিচে সড়কের বড় বড় গর্ত ঢাকা থাকায় চালক ও পথচারীরা প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। বিশেষ করে রিকশা, ভ্যান, বাইসাইকেল এবং মোটরসাইকেল আরোহীদের জন্য এই পথ দিয়ে চলাচল করা এখন মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
স্থানীয় ভুক্তভোগী ও বিভিন্ন যানবাহনের চালকরা জানান, দীর্ঘদিন আগে নির্মিত ১২ ফিটের এই সড়কটি এখনও প্রসস্থ করা হয়নি। বিকল্প কোনো ভালো রাস্তা না থাকায় বাধ্য হয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ঝুঁকি নিয়ে এই ভাঙাচোরা ও জলমগ্ন সড়ক দিয়েই যাতায়াত করছেন। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, রোগী ও বয়োবৃদ্ধদের চলাচলের সময় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ভারী যানবাহনের চাপে রাস্তার কার্পেটিং ও ইট-সুরকি উঠে গিয়ে খানাখন্দের আকার দিন দিন আরও বড় হচ্ছে। এই রাস্তা প্রসস্থ করে দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী, পথচারী ও যানবাহনের চালকরা। এলাকাবাসীর প্রাণের দাবি হলো, জনদুর্ভোগ কমাতে এবং বড় ধরনের প্রাণহানি এড়াতে এই সংযোগ সড়কটি দ্রুত সংস্কার করা অত্যন্ত জরুরি। জনস্বার্থে মোহনপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এবং সংশ্লিষ্ট সড়ক ও জনপথ বিভাগ বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষ অতি দ্রুত সরেজমিন পরিদর্শন করে রাস্তাটির পুনর্র্নিমাণ ও কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থার মাধ্যমে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান করবেন, এমনটাই জোরালো দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।
এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে সড়ক ও জনপদ বিভাগের রাজশাহী নির্বাহী প্রকৌশলী সানজিদা আফরিন ঝিনুক বলেন, "এবিষয়ে কেউ আমাকে অবহিত করেনি। খোঁজ নিয়ে রাস্তাটি সংস্কারের ব্যবস্থা করা হবে।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন