প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) অধীনে যাওয়ার দাবি জানিয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ ১৪ শিক্ষক এবং ৬-৭ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভ করছেন। তারা কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনতা থেকে মুক্তি চাচ্ছেন। রোববার রাত ৯টা পর্যন্ত তাদের অবরোধ অব্যাহত ছিল।
কলেজের দায়িত্বপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. আসাদুজ্জামান এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শিক্ষার্থীরা শাবিপ্রবির অধীনে যাওয়ার দাবি নিয়ে আন্দোলন করছেন। শিক্ষকদের অবরুদ্ধ করে রাখার বিষয়টি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
২০০৭ সালে প্রতিষ্ঠিত সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক, পুরকৌশল এবং কম্পিউটারবিজ্ঞান ও প্রকৌশল—এই তিনটি বিভাগে প্রায় ১ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে।
শিক্ষার্থীরা জানান, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে থাকার কারণে তাদের বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রির মান ও স্বকীয়তা ক্ষুণ্ন হচ্ছে। তাই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত পরীক্ষা, ল্যাব ও ক্লাসসহ সব একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে। তারা পুরো ক্যাম্পাস শাটডাউন রাখার ঘোষণা দিয়েছেন।
এদিকে, আন্দোলন চলাকালে রোববার বিকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের উপসচিব সাজ্জাদ হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে কলেজের দায়িত্বপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সহযোগী অধ্যাপক মো. আসাদুজ্জামানকে ফরিদপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে বদলি করা হয়। একই আদেশে ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মো. সাহিদ ইকবালকে সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের নতুন অধ্যক্ষ হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
আন্দোলনরত চতুর্থ বর্ষের এক শিক্ষার্থী জানান, তারা এই বদলির আদেশ প্রত্যাখ্যান করেছেন। মূল দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত বদলিকৃত অধ্যক্ষকে কলেজ থেকে বের হতে দেওয়া হবে না এবং নতুন অধ্যক্ষকেও ক্যাম্পাসে ঢুকতে দেওয়া হবে না বলে তিনি জানান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন