প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাউফল উপজেলার কেশবপুরে ঘটে যাওয়া রানী বেগম হত্যা মামলায় আসামি মো. হালিম রাড়িকে (৪৮) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড এবং পুষ্প বেগমকে (৪৫) দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারায় ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৩ মাসের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
এই আদেশটি পটুয়াখালী জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক মো. শহিদুল্লাহ রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দেন। প্রধান আসামি মো. হালিম রাড়ি আদালতে উপস্থিত ছিলেন, তবে অপর আসামি তাঁর স্ত্রী পুষ্প বেগম পলাতক রয়েছেন।
মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২০ সালের ১১ ডিসেম্বর বিকেলে লাগাছের গোড়ায় মাটি দেওয়াকে কেন্দ্র করে বাদী মো. আবুল কাশেম রাড়ির সঙ্গে হালিম রাড়ির বিরোধ সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে ১২ ডিসেম্বর ভোর আনুমানিক সাড়ে ৬টার দিকে বাউফল উপজেলার কেশবপুর এলাকায় বাদী মো. আবুল কাশেম রাড়ির স্ত্রী মোসা. রানী বেগমকে হত্যার উদ্দেশ্যে দা দিয়ে আঘাত করা হয়, যা তাঁর মৃত্যুর কারণ হয়। নিহত রানী বেগমের স্বামী আবুল কাশেম রাড়ি পরে হালিম ও পুষ্প দম্পতির বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ ২০২২ সালের ৪ এপ্রিল আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। মামলায় মোট ২২ জন সাক্ষীর মধ্যে বাদী, তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ডাক্তারসহ ১৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এই রায় প্রদান করে।
পটুয়াখালী জেলা জজ আদালতের বিজ্ঞ পিপি অ্যাডভোকেট মো. মজিবুর রহমান টোটন এই রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে মন্তব্য করেন, “বিচারহীনতার প্রক্রিয়া থেকে বের হয়ে এ ধরনের রায় আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার পথকে সুগম করবে।”
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন