০৯:৫২ পি.এম
পঞ্চগড়ে বিদ্যালয়ের টিফিনে মাঠে ফুটবল খেলার সময় পাশের একটি বাড়িতে বল যাওয়ার কারণে প্রাথমিকের তিন শিশু শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত পেয়ে চিকিৎসা নিতে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুরে পঞ্চগড় পৌরসভার জালাসী এলাকার শাপলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের টিফিনের সময় শিক্ষার্থীরা মাঠে ফুটবল খেলছিল। একপর্যায়ে বলটি বিদ্যালয় সংলগ্ন একটি বাড়িতে গিয়ে পড়লে বাড়ির মালিক জয়তুন বেগম ক্ষিপ্ত হয়ে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে লাঠি দিয়ে মারধর করেন। অভিযোগ ওঠে যে, এ সময় শিশুদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেলও নিক্ষেপ করা হয়।
আরও পড়ুন: সুনামগঞ্জে নতুন কুঁড়ির ভার্চুয়াল উদ্বোধনে অংশ নিলেন নূরুল ইসলাম এমপি
পঞ্চম শ্রেণির দুই শিক্ষার্থী রেজওয়ান খান অপূর্ব ও মিম হোসেন এবং চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী তাওহীদ হাসান আশিক আহত হয়। তারা পরে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়।
শাপলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাজেদা জান্নাতুল পারভীন বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন টিফিন সময় মাঠে খেলাধুলা করে। বলটি পাশের বাড়িতে যাওয়ার পর ওই মহিলা কয়েকজন শিক্ষার্থীকে মারধর করেছেন বলে তারা আমাকে জানায়। শিক্ষার্থীদের কান্নাকাটির দৃশ্যের সাথে তাদের শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। পরে দ্রুত তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আমরা এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।’
শিক্ষার্থী তাওহীদ হাসান আশিকের ভাই আবির মন্তব্য করেন, ‘প্রতিবেশীরা যদি শিশুদের সঙ্গে এমন আচরণ করে, তাহলে শিক্ষার্থীরা স্কুলে আসতে ভয় পাবে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
এদিকে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত জয়তুন বেগমের স্বামী হাচান আলী গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, রান্নাঘরে ফুটবল গিয়ে পড়ায় রাগের মাথায় তার স্ত্রী ভুলক্রমে এ ঘটনাটি ঘটিয়ে ফেলেছে।
আরও পড়ুন: মদনে বাছুরকে বাঁচাতে গিয়ে অটোরিকশা উল্টে প্রাণ গেল বৃদ্ধার
পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় এখনো কোন লিখিত অভিযোগ পায়নি পুলিশ। তবে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন