ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

গাংনীতে ফ্রি ফায়ার গেম নিয়ে বিরোধে হত্যা, ২ কিশোরের কারাদণ্ড


গাংনীতে ফ্রি ফায়ার গেম নিয়ে বিরোধে হত্যা, ২ কিশোরের কারাদণ্ড

মেহেরপুরের গাংনীতে মোবাইল গেম ফ্রি ফায়ার/পাবজি খেলাকে কেন্দ্র করে বিরোধের ফলস্বরূপ পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী রেজোয়ান আল আবির (১২) হত্যা মামলায় আদালত দুই কিশোরকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন। একই সাথে দেশের স্মার্টফোন থেকে ফ্রি ফায়ার ও পাবজি গেম দ্রুত অপসারণের জন্য বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)-কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার দুপুরে, মেহেরপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আলী মাসুদ শেখ এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ের মধ্যে মিনাপাড়া গ্রামের মিরাজুল ইসলামের ছেলে মোস্তফা আল মুজাহিদ (১৫)-কে ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং মিনাপাড়া গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য নুহু নবীর ছেলে মো. জুনাইদ ইসলাম হামিম (১৪)-কে ৭ বছরের কারাদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

নিহত আবিরের মা রোজিনা খাতুন জানিয়েছেন যে, তাঁর স্বামী মো. আসাদুজ্জামান মালয়েশিয়া প্রবাসী। তাঁদের গ্রামের বাড়ি চুয়াডাঙ্গার শরিষাডালা এলাকায় হলেও তিনি সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়ি গাংনী উপজেলার মিনাপাড়া গ্রামে বসবাস করতেন।

মামলা অনুযায়ী, ২০২১ সালের ২৬ জুন মোস্তফা আল মুজাহিদ ও জুনাইদ ইসলাম হামিম রেজোয়ান আল আবিরকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় মিনাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে। পরবর্তী সময়ে ফ্রি ফায়ার/পাবজি গেম খেলা নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে, তারা আবিরের বাবার কাছে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে এবং টাকা না দিলে হত্যার হুমকি দেয়। অবশেষে, চাঁদা না পেয়ে আবিরকে একটি ধানক্ষেতে নিয়ে হত্যা করা হয় বলে মামলায় অভিযোগ প্রাপ্ত হয়েছে। এই ঘটনায়, রোজিনা খাতুন বাদী হয়ে ২০২১ সালের ২৭ জুন গাংনী থানায় হত্যা মামলাটি (মামলা নং-২৩) দায়ের করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন জানান, দণ্ডপ্রাপ্তরা ঘটনার সময় শিশু হওয়া সত্ত্বেও শিশু আইনের আওতায় সর্বোচ্চ সাজা প্রদান করেছে আদালত। পাশাপাশি, আদালত ফ্রি ফায়ার ও পাবজি গেম দ্রুত দেশের স্মার্টফোন থেকে অপসারণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বিটিআরসিকে নির্দেশ দিয়েছে। রায়ের মধ্যে, দণ্ডপ্রাপ্তদের পরিবারের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে অর্থদণ্ড আদায় সাপেক্ষে সেই অর্থ নিহতের পরিবারকে প্রদান করার জন্য জেলা প্রশাসককে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন সিনিয়র আইনজীবী খন্দকার আব্দুল মতিন।

আরও পড়ুন: সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের সঙ্গে ‘দাদা ভাই বাহিনী’র বন্দুকযুদ্ধে ৫ জেলে উদ্ধার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
মোরেলগঞ্জে

জাহিদুল হত্যা ঘটনার সাথে জড়িতদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৫৪ এম


জাহিদুল হত্যা ঘটনার সাথে জড়িতদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন

বাগেরহাটের সরকারি সিরাজ উদ্দিন মেমোরিয়াল কলেজের দ্বাদশ (২য়) বর্ষের ছাত্র জাহিদুল ইসলাম হাওলাদার (২০)কে পরিকল্পিতভাবে হত্যার ঘটনায় বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় হোগলাবুনিয়া ইউনিয়নের ছোটবাদুরা গ্রামের স্থানীয় গ্রামবাসীরা এ ঘটনার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন। নিহত ছাত্র জাহিদুল ইসলামের পিতা মনিরুল ইসলাম এবং মাতা আছিয়া বেগম বলেন, জাহিদুল ইসলাম চট্টগ্রামে দীর্ঘদিন ধরে একটি হোটেলে ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন বাড়িতে আসেননি এবং পরিবারের সাথে মোবাইল ফোনে মাঝে মধ্যে কথা বলতেন। কিন্তু হঠাৎ ৪দিন ধরে তার সাথে কোনো যোগাযোগ নেই। শনিবার (১ আগস্ট) সকালে বাড়ির অধূরে স্থানীয়রা দেখতে পেয়ে আমাদের খবর দেয়, এসে দেখে গাছের সাথে ফাঁস লাগানো মুখে বিষ ঝুলন্ত অবস্থায় ছেলের লাশ ঝুলছে। এরপর পুলিশকে খবর দিলে তারা এসে লাশ উদ্ধার করে। জানা গেছে, জাহিদুল পার্শ্ববর্তী জিয়ানগর (ইন্দুরকানি) উপজেলার কালাইয়া গ্রামের এক বিবাহিত নারী টিকটকারের সাথে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন। কয়েকদিন পূর্বে তিনি তার বড় ছেলের স্ত্রীকে মোবাইল ফোনে হুমকি দিয়েছিলেন যে জাহিদুলের লাশও পাওয়া যাবে না। আমার ছেলেকে এভাবে হত্যা করা হয়েছে? আমি চাই না, আমার মত আর কোন মায়ের বুক খালি হোক। মানববন্ধনে নিহতের ভাই আসাদুল হাওলাদার, সাইফুল হাওলাদার, চাচা জামাল হাওলাদার, কলেজ সহপাঠি আসিফ শেখ, পল্লী চিকিৎসক জাহিদুল ইসলাম, সেন্টু হাওলাদার, আমেরুল বেগম, মরিয়ম বেগমসহ একাধিক স্থানীয় গ্রামবাসীরা জানান, ছাত্র জাহিদুল ইসলাম কখনও নেশার সাথে জড়িত ছিলো না। অথচ তার লাশ উদ্ধারের সময় পকেটে সিগারেট, গ্যাসলাইট এবং পকেটে চিরকুট পাওয়া গেছে, মুখে বিষ এবং গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। এটি আত্মহত্যা নয়, বলেই তারা দাবি করছেন যে তাকে হত্যা করা হয়েছে। তারা চান, এই ঘটনার সঠিক তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনার ক্লু-উদঘাটন করে জড়িতদের ফাঁসি দেওয়া হোক। এ বিষয়ে মোরেলগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাহমুদুর রহমান জানান, জাহিদুলের মৃত্যুকে ঘিরে নানা ধরনের তথ্য ও গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। আমরা ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছি এবং লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলেই তার মৃত্যুর আসল রহস্য উন্মোচিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদকের সাথে জড়িত ব্যাক্তিদের কোন প্রকার ছাড় নেই: পুলিশ সুপার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৫৯ এম


মাদকের সাথে জড়িত ব্যাক্তিদের কোন প্রকার ছাড় নেই: পুলিশ সুপার

মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, খুলনা জেলা পুলিশ সুপার, বলেছেন যে খুলনা জেলা পুলিশ মাদক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। তিনি জানান, তাই সমাজের সকল মানুষের কাছে আহ্বান রয়েছে যেন তারা পুলিশকে সহযোগিতা করে। বিশেষ করে অনলাইন জুয়াড়ীদের বিরুদ্ধে কোনভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। যারা আইন শৃঙ্খলা বিরোধী কর্মকান্ডে জড়িত থাকবেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নেওয়া হবে। বনদস্যু নির্মূল এবং কয়রার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষার লক্ষ্যে পুলিশ আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, যদি স্থানীয়রা অপরাধীদের তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করেন, তবে সকল অপরাধ নির্মূল করা সম্ভব হবে। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বেলা ১১ টায়, কয়রা থানায় আয়োজিত সুধী সমাবেশ ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব বলেন।

মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসানুজ্জামান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সহকারী পুলিশ সুপার ডি-সার্কেল মোঃ আমির হামজা। মতবিনিময় সভাটি পরিচালনা করেন কয়রা থানার এস আই মোঃ সোহাইল। সভায় আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব নুরুল আমিন বাবুল, উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মিজানুর রহমান, খুলনা জেলা বিএনপির সদস্য এম এ হাসান, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার জিএম মাওলা বকস, সাংবাদিক মোঃ শরিফুল আলম, শেখ হারুন অর রশিদ, মোহাঃ হুমায়ুন কবির, মোঃ রিয়াছাদ আলী, শেখ মনিরুজ্জামান মনু, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী মাওলানা শেখ সাইফুল্লাহ আজাদ, কপোতাক্ষ কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ ওলিউল্যাহ, বিএনপি নেতা এফ এম মনিরুজ্জামান মনি, শেখ সিরাজুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান, নাজমুল হুদা, আঃ গফফার, জামায়াত নেতা মাওলানা আবু তাহের, মোঃ মিজানুর রহমান, মোঃ সালাউদ্দিন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ডিএম হেলাল উদ্দিন, পুজা উদযাপন পরিষদ নেতা দিলিপ কুমার বৈরাগী, ব্যবসায়ী মোঃ রবিউল ইসলাম প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উরুগুয়ের কোচ হলেন ২০১০ বিশ্বকাপের গোল্ডেন বল জয়ী ফোরলান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:০৪ এম


উরুগুয়ের কোচ হলেন ২০১০ বিশ্বকাপের গোল্ডেন বল জয়ী ফোরলান

উরুগুয়ে জাতীয় ফুটবল দলের নতুন প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন দেশটির কিংবদন্তি ফরোয়ার্ড দিয়েগো ফোরলান। তিনি একই সাথে অনূর্ধ্ব-২০ দলও পরিচালনা করবেন। ২০১০ বিশ্বকাপের গোল্ডেন বলজয়ী এই সাবেক ফুটবলার এই নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।

বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে উরুগুয়ে ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এইউএফ) ফোরলানের নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করে। ৪৭ বছর বয়সী এই কোচ অবিলম্বে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন এবং প্রথমে অনূর্ধ্ব-২০ দলের কার্যক্রম শুরু করবেন।

বিবৃতিতে এইউএফ জানায়, ফোরলান এখন এমন এক জায়গায় ফিরেছেন, যেখানে তিনি খেলোয়াড় হিসেবে অবিস্মরণীয় অবদান রেখেছেন। ২০১০ বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে তার অভিজ্ঞতা, নেতৃত্ব এবং আন্তর্জাতিক ফুটবলের জ্ঞান এবার জাতীয় দলের নতুন অধ্যায়ে ভূমিকা রাখবে।

মার্সেলো বিয়েলসার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন ফোরলান। ২০২৬ বিশ্বকাপে উরুগুয়ের হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর আর্জেন্টাইন এই কোচ চুক্তির মেয়াদ শেষে দায়িত্ব ছাড়েন। জাতীয় দলের পুনর্গঠনের অংশ হিসেবেই ফোরলানের হাতে দায়িত্ব তুলে দিয়েছে এইউএফ।

উরুগুয়ের ইতিহাসের অন্যতম সেরা ফুটবলার ফোরলান জাতীয় দলের হয়ে ১১২টি ম্যাচ খেলেছেন। তিনি ২০১১ সালের কোপা আমেরিকা জয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এবং ২০১০ বিশ্বকাপে পাঁচ গোল করে টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের স্বীকৃতি হিসেবে গোল্ডেন বল জিতেছিলেন।

ক্লাব ফুটবলে ফোরলান ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, আতলেতিকো মাদ্রিদ ও ইন্টার মিলানের মতো ইউরোপের শীর্ষ ক্লাবগুলোর হয়ে খেলেছেন। ২০১৯ সালে খেলোয়াড়ি জীবনের ইতি টানার পর কোচিংয়ে পা রাখেন।

কোচ হিসেবে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উরুগুয়ের ক্লাব পেনিয়ারোল ও আতেনাসের দায়িত্ব পালন করেছিলেন ফোরলান। এবার তিনি প্রথমবারের মতো দেশের জাতীয় দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব পেলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাফল্যের উচ্ছ্বাস পেরিয়ে নতুন চ্যালেঞ্জে শর্বরী! ‘তারকা’ নয়, মনে রাখতে চান তাঁর চরিত্রগুলোকেই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:০৬ এম


সাফল্যের উচ্ছ্বাস পেরিয়ে নতুন  চ্যালেঞ্জে শর্বরী! ‘তারকা’ নয়, মনে  রাখতে চান তাঁর চরিত্রগুলোকেই

শর্বরীর কথায়, এই সময়ে দাঁড়িয়ে কোনও ছবি টানা এত দিন প্রেক্ষাগৃহে দর্শক টানবে, তা আগে থেকে আন্দাজ করা প্রায় অসম্ভব। তাঁর মতে, ছবির সাফল্যের আসল শক্তি ছিল দর্শকের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়া প্রশংসা।

ছবির সাফল্যের রেশ তখনও কাটেনি, এরই মধ্যেই নতুন ছবির শুটিংয়ে ব্যস্ত শর্বরী। আলি আব্বাস জাফরের পরিচালনায় অহন পাণ্ডের বিপরীতে নতুন কাজের ফাঁকেই ফিরে দেখলেন সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ম্যায় ওয়াপস আউঙ্গা’-এর সাফল্য। মুক্তির কয়েক সপ্তাহ পরেও প্রেক্ষাগৃহে ছবির দাপট দেখে এখনও যেন বিশ্বাস করতে পারছেন না অভিনেত্রী।

শর্বরীর কথায়, এই সময়ে দাঁড়িয়ে কোনও ছবি টানা এত দিন প্রেক্ষাগৃহে দর্শক টানবে, তা আগে থেকে আন্দাজ করা প্রায় অসম্ভব। তাঁর মতে, ছবির সাফল্যের আসল শক্তি ছিল দর্শকের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়া প্রশংসা। প্রচার নয়, দর্শকের ভালবাসাই ছবিকে এই জায়গায় পৌঁছে দিয়েছে। তাই এই সাফল্য তাঁর কাছে আরও বেশি মূল্যবান।

তবে মুক্তির প্রথম কয়েক দিন মোটেই নিশ্চিন্ত ছিলেন না তিনি। দীর্ঘদিনের পরিশ্রমের ফল কী হবে, সেই উদ্বেগ ছিল গোটা টিমের মধ্যেই। কিন্তু শর্বরী বরাবরই আশাবাদী। তাঁর বিশ্বাস ছিল, ছবি একসময়-না-একসময় দর্শকের নজর কাড়বেই। মুক্তির ঠিক দু’দিন পরেই ছিল তাঁর জন্মদিন। সেই সময় থেকেই মনে হয়েছিল, হয়তো ভাগ্য তাঁর সঙ্গে রয়েছে। এখন সেই বিশ্বাসই যেন সত্যি হয়েছে। অনেক দর্শক তাঁকে তাঁর নিজের নামে নয়, ছবির চরিত্র ‘জিয়া’ নামে চিনতে শুরু করেছেন। এক জন অভিনেতার কাছে এর চেয়ে বড় স্বীকৃতি আর কীই-বা হতে পারে!

অভিনয়ের পাশাপাশি শর্বরীর ফ্যাশন-সচেতনতাও সময়ের সঙ্গে পাল্টেছে। তাঁর কথায়, আগে নতুন কিছু পরতে বা করতে দ্বিধা থাকলেও এখন সেই সংকোচ নেই। পরীক্ষানিরীক্ষা করতে ভাল লাগে, তবে নিজের স্বকীয়তা বজায় রেখেই। তাঁর বিশ্বাস, ফ্যাশন কখনও মুখোশ নয়, বরং ব্যক্তিত্বেরই স্বাভাবিক প্রকাশ।

মজার বিষয়, ছোটবেলায় সাজগোজে তাঁর আগ্রহ ছিল না বললেই চলে। বরং খেলাধুলাতেই বেশি মন ছিল। বড় দিদি কস্তুরীই তাঁকে ধীরে ধীরে ফ্যাশনের জগতে টেনে আনেন। দিদির পোশাক, গয়না, কানের দুল চুরি করে পরার অভ্যাস নিয়ে দুই বোনের মধ্যে কম ঝগড়াও হয়নি। সেই স্মৃতি এখনও হাসিমুখে মনে করেন শর্বরী।

পর পর সফল ছবি উপহার দিলেও নিরাপদ পথে হাঁটতে রাজি নন অভিনেত্রী। বরং নিজেকে বারবার নতুন ভাবে আবিষ্কার করাই তাঁর লক্ষ্য। বিভিন্ন ধরনের চরিত্রে অভিনয় করে নতুন দক্ষতা অর্জন করতে চান তিনি। শর্বরীর বিশ্বাস, অভিনয়ে বৈচিত্রই একজন শিল্পীর সবচেয়ে বড় পরিচয়। এতে পরিচালক-প্রযোজকদের কাছে নতুন চরিত্রে তাঁকে ভাবার সুযোগ তৈরি হয়।

বক্স অফিসের অঙ্ক নয়, দর্শকের মনে জায়গা করে নেওয়াকেই নিজের সাফল্যের মাপকাঠি বলে মনে করেন শর্বরী। তাঁর ইচ্ছে, মানুষ যেন ছবির আয় নয়, তাঁর অভিনীত চরিত্রগুলোকেই মনে রাখে। কারণ তাঁর কাছে অভিনেত্রী হিসাবে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি সেখানেই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%