১২:৪১ এম
রাজধানীর আদাবরে যুবদলের এক নেতা আব্দুল আহাদ মুন্না (৩৫) কে মারাত্মকভাবে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে আদাবর ১৩ নম্বর রোডের ইয়ার উদ্দিন খলিফা ফ্যাশনের সামনে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
মুন্নার স্বজনদের বক্তব্য অনুযায়ী, যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের পর সন্ধ্যার সময় মুন্না ওই সড়কের একটি চায়ের দোকানে বসেছিলেন। হঠাৎ করে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে একাধিক ব্যক্তি তার ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা মুন্নার হাত এবং মাথায় কুপিয়ে মারাত্মকভাবে জখম করে।
আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু
হামলার পূর্বাভাস হিসেবে মুন্না গত সোমবার ফেসবুকে লাইভে এসে কিছু কথা বলেছিলেন। হামলার সময় হামলাকারীরা সেই কথাগুলি উল্লেখ করে অভিযোগ তোলে।
মুন্নার বোন ইয়াসমিন আক্তার জানান, এর আগে সেপ্টেম্বর মাসের শেষ দিকে মুন্নার ওপর হামলা হয়েছিল। সেই ঘটনার পর আদাবর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছিল। আসামি গ্রেফতার হলেও জামিনে বের হয়ে আজ আবারও হামলা চালানো হয়েছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ৩০ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সদস্য আব্দুল আহাদ মুন্নাকে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে একই ওয়ার্ডের আরেক সদস্য রিপন ওরফে বাচ্চা রিপন এবং তার সহযোগীরা চাপাতি দিয়ে আঘাত করে। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে প্রথমে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি রয়েছেন।
আহত মুন্না এবং অভিযুক্ত রিপন ওরফে বাচ্চা রিপন উভয়ই আদাবর থানার ওয়ার্ড যুবদলের সদস্য এবং দুজনেই যুবদল নেতা সজীব আহম্মেদ রানার সঙ্গে বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত।
আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৯ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা প্রত্যাহার, নতুন কর্মকর্তাদের নিয়োগ
আদাবর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুর রহমান সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, এলাকায় সিকিউরিটি গার্ডের টাকা উত্তোলন এবং একটি খালি কক্ষে যুবদলের অফিস বানানোর বিষয়টি নিয়ে বিরোধ ছিল। এই ঘটনার জেরে হামলা হয়েছে। অভিযুক্তকে আটক করার প্রক্রিয়া চলছে এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন