বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:৩৮ এম
নওগাঁয় জাল টাকার কারবারের অভিযোগে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ আব্দুল জব্বার (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে। তার হেফাজতে ২৫টি জাল নোট উদ্ধার করা হয়, যার মূল্য এক হাজার টাকার মোট ২৫ হাজার টাকা।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে নওগাঁ সদর উপজেলার চকবাড়িয়া দক্ষিণপাড়া এলাকার একটি ভাড়া বাসায় অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ।
গ্রেপ্তার হওয়া আব্দুল জব্বার আলেক শিকদারের পুত্র। তিনি ওই এলাকার রুহুল আমিনের বাসায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছিলেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চকবাড়িয়া দক্ষিণপাড়া এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় জাল নোট বাজারজাতের প্রস্তুতি নেওয়ার গোপন তথ্য জেলা গোয়েন্দা পুলিশ পায়। এই তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ সুপারের নির্দেশে বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল অভিযানে যায়। অভিযানে আব্দুল জব্বারকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং উপস্থিত লোকজনের সামনে তার হেফাজত থেকে এক হাজার টাকার ২৫টি জাল নোট উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারের বিষয়টি রাত ১০টার দিকে নিশ্চিত করেন নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম। তিনি জানান, জেলা গোয়েন্দা পুলিশের বিশেষ অভিযান চলাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আব্দুল জব্বারকে জাল নোটের কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে নওগাঁ সদর থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ সুপার আরও জানান, জাল নোটসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে জেলা পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে নিহত হয়েছেন তানভীর হাওলাদার (২৫), যিনি ইতালি প্রবাসী ছিলেন। বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের সদর উপজেলার মস্তফাপুর এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। বিয়ের মাত্র ১৫ দিন পর তার মৃত্যুতে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
নিহত তানভীর সদর উপজেলার ঘটমাঝি ইউনিয়নের ঝিকরহাটি গ্রামের দেলোয়ার হাওলাদারের ছেলে।
স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার রাতে তানভীর মোটরসাইকেল চালিয়ে মস্তফাপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে চলাকালীন একটি ট্রাকের সঙ্গে তার মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ ঘটে। এতে তিনি মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে যান এবং ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
পরিবারের সূত্রে জানা যায়, তানভীর মাত্র ১৫ দিন আগে বিয়ে করেছিলেন। নতুন জীবনের শুরুতেই ঘটে যাওয়া এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় তার পরিবারে শোকের মাতম নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে।
মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় এক প্রবাসীর মৃত্যুর খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে।
বঙ্গভবনে বুধবার (২৮ অক্টোবর) এই সাক্ষাৎটি অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতিনিধিদলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মো. আনিছুর রহমান, শিক্ষার্থী কল্যাণ ও পরামর্শদান কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক ড. ফজলুল করিম এবং উপাচার্যের একান্ত সচিব (পিএস) ও উপ-রেজিস্ট্রার মো. আমজাদ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) রাজনৈতিক পর্ষদের সদস্য ও যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদ মন্তব্য করেছেন যে, গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী বিএনপি সরকার একলা চলো নীতি গ্রহণ করছে। তিনি বলেন, জনগণের গণরায় উপেক্ষা করে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করে সংবিধান সংশোধন কমিটির নামে সরকার নাটক ও তালবাহানা করছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, "গণভোটের গণরায় না মানলে তারেক রহমানেরও ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই।"
বুধবার রাজধানীর বাড্ডা-লিংক রোড এলাকায় আয়োজিত একটি বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
আলী আহসান জুনায়েদ অভিযোগ করেন, সরকার জনগণের অধিকার ক্ষুণ্ণ করছে এবং জনগণের নিরাপত্তার বিষয়ে উদাসীন। তিনি বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছে। গ্যাসের দাম নির্ধারণ নিয়ে গণশুনানির কথা থাকলেও সরকার এখন আর সেটিকে গুরুত্ব দিচ্ছে না। তিনি বলেন, "যখন যা ইচ্ছা, দাম বাড়িয়ে জনগণের ওপর উচ্চমূল্যের খড়্গ চাপিয়ে দিচ্ছে।"
তিনি আরও জানান, যে সরকার মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে চায় না, এনসিপিও সেই সরকারকে সহযোগিতা করবে না। তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সরকারকে সহযোগিতা করে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা ছিল তাদের। কিন্তু সরকার গণরায় উপেক্ষা করে দেশের মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে যাচ্ছে।
এদিন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি, নিত্যপণ্যের লাগামহীন দাম বৃদ্ধি এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণের প্রতিবাদে লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ করেন এনসিপির নেতারা।
কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব ও ঢাকা উত্তরের মেয়র পদপ্রার্থী আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া, রাজনৈতিক পর্ষদের সদস্য ও যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল আমিন এমপি, সালেহ উদ্দিন সিফাত এবং যুগ্ম সদস্যসচিব ফরিদুল হকসহ মহানগরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
এআরবি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ থামানোর আশা এখন আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। কাতার কর্তৃক প্রদত্ত শান্তি প্রস্তাবটি ইরান নাকচ করেছে। তেহরানের বক্তব্য, প্রস্তাবটি ‘গ্রহণযোগ্য নয়’। ইরান এও জানিয়েছে, তারা পরমাণু কর্মসূচির বিষয়ে কোনো ধরনের ছাড় দিতে প্রস্তুত নয়।
বুধবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সের কাছে এক জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে রোববার কাতার ইরানের আলোচকদের কাছে একটি খসড়া চুক্তি উপস্থাপন করেছিল। আট মাস ধরে চলমান সংঘাত বন্ধ করার উদ্দেশ্যেই এই প্রস্তাবটি দেওয়া হয়েছিল।
তবে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইল হামলা পুনরায় শুরু করতে পারে বলে আশঙ্কা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
পরমাণু ইস্যুতে অনড় তেহরান
যুদ্ধ বন্ধের শর্ত হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পরমাণু কর্মসূচি সীমিত করার দাবি জানিয়েছে। চলতি মাসের শুরুতে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছেন, যুদ্ধ শেষ করতে হলে ইরানকে পরমাণু সমৃদ্ধকরণ কমাতে হবে।
এদিকে, ইরান বারবার উল্লেখ করেছে যে, তাদের পরমাণু কর্মসূচি সামরিক উদ্দেশ্যে নয়। দেশটির দাবি, এই কর্মসূচি সম্পূর্ণরূপে দেশের বেসামরিক প্রয়োজন মেটানোর জন্য।
এই বিরোধের কারণে শান্তি আলোচনা আরও জটিল হয়ে উঠেছে। পরমাণু কর্মসূচিতে ছাড় না দিলে সমঝোতার পথ কতটা এগোবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
ইরানকে নিয়ে কঠোর অবস্থানে নেতানিয়াহু
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইরানের বিরুদ্ধে নতুন হামলার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে আসছেন। তিনি দেশটির সংসদ নির্বাচনে আবারও জয়ের চেষ্টা করছেন।
এখন পর্যন্ত ৭৭ শতাংশ ভোট গণনা সম্পন্ন হয়েছে। এতে নেতানিয়াহুর জোট ইসরাইলের সংসদে সবচেয়ে বড় অবস্থানে রয়েছে।
বুধবার নতুন সরকার গঠনের আলোচনা শুরুর সময় নেতানিয়াহু জানান, ইরানের হুমকি দূর করতে তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কাজ করবেন।
তিনি ইরানকে ‘অস্তিত্বের জন্য হুমকি’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। নেতানিয়াহুর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকটও ইরানের ওপর হামলার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তিনি সামরিক পদক্ষেপের পাশাপাশি অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোরও সমর্থন করেছেন।
যুদ্ধের প্রভাবে বাড়ছে বিশ্ববাজারের ঝুঁকি
ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। জ্বালানির দামও বৃদ্ধি পেয়েছে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বুধবার সতর্ক করে বলেন, উপসাগরীয় অঞ্চলে ইসরাইলের উসকানিতে নতুন হামলা হলে বিশ্ববাজারে ‘ভয়াবহ প্রভাব’ পড়তে পারে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, ‘পার্সি উপসাগরীয় অঞ্চলে ইসরাইলের উসকানিতে কোনো সামরিক দুঃসাহসিক পদক্ষেপের ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে যে ভয়াবহ প্রভাব পড়তে পারে, তা গ্যাস সরবরাহকারী ও ভোক্তা—উভয়ের জন্যই বড় উদ্বেগের বিষয়।’
এই সতর্কবার্তা জ্বালানি বাজার নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। উপসাগরীয় অঞ্চলে আবার সংঘাত শুরু হলে তেল ও গ্যাসের সরবরাহে চাপ পড়তে পারে। এর ফলে বিভিন্ন দেশের অর্থনীতি এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ে প্রভাব পড়তে পারে।
ইয়েমেনেও বাড়ছে সংঘাত
উপসাগরীয় অঞ্চলে নতুন করে যুদ্ধ শুরু হলে ইয়েমেনের চলমান সংঘাত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। সৌদি আরবের সমর্থনপুষ্ট বাহিনী এবং ইরানপন্থী হুথিদের মধ্যে লড়াই চলছে।
বুধবার হুথিরা দক্ষিণ ইয়েমেনের এডেন বিমানবন্দর খালি করার আহ্বান জানায়। এই শহর সৌদি সমর্থিত সরকারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।
হুথিদের আনুষ্ঠানিক নাম আনসার আল্লাহ। সংগঠনটির মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে বলেন, ‘আমাদের সশস্ত্র বাহিনী এডেন বিমানবন্দরে অবস্থানরত সবাইকে অবিলম্বে এলাকা ছেড়ে যাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে। সেখানে একটি সৌদি সামরিক কার্গো বিমান রয়েছে। বিমানটিতে ইয়েমেনের জনগণকে হত্যার উদ্দেশ্যে অস্ত্র বহন করা হচ্ছে।’
তবে এই অভিযোগের স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
এদিকে সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে এএফপি জানিয়েছে, সোমবার থেকে ইয়েমেনে হুথি ও সৌদি সমর্থিত বাহিনীর লড়াইয়ে প্রায় ১০০ যোদ্ধা নিহত হয়েছেন।
নিহতদের মধ্যে অন্তত ৬৩ জন হুথি যোদ্ধা। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারের সঙ্গে যুক্ত বাহিনীর ৩৪ জন সদস্যও নিহত হয়েছেন। অধিকাংশ প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে বাব আল-মানদেব প্রণালির কাছে।
সামনে কী হতে পারে?
ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ, ইসরাইলের নতুন হামলার হুমকি এবং ইয়েমেনের সংঘাত—এই সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে।
কাতারের শান্তি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পর আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ইরান যদি তার অবস্থান থেকে সরে না আসে, তবে সমঝোতা কঠিন হয়ে পড়তে পারে।
অন্যদিকে, নতুন সামরিক হামলা শুরু হলে তার প্রভাব শুধুমাত্র মধ্যপ্রাচ্যে সীমাবদ্ধ থাকার সম্ভাবনা নেই। জ্বালানির দাম, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বিশ্ব অর্থনীতিও নতুন চাপের মুখে পড়তে পারে।
সূত্র- মিডল ইস্ট আই
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ