ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিয়ের আশ্বাসে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, এসআইকে প্রত্যাহার


বিয়ের আশ্বাসে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, এসআইকে প্রত্যাহার

বগুড়ার শিবগঞ্জের মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এক উপপরিদর্শক (এসআই) বিরুদ্ধে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক তরুণীর সঙ্গে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার প্রাথমিক অনুসন্ধানে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার কথা জানিয়ে ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।

সোমবার রাতে মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র থেকে অভিযুক্ত এসআই মো. আনছার আলী জেলা পুলিশ লাইনসে যোগদান করেন। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক মো. আলমাস আলী।

জানা গেছে, গত বছরের নভেম্বর মাসে ওই তরুণীর স্বামীর দায়ের করা একটি অভিযোগের তদন্ত করতে এসআই আনছার আলী তার বাড়িতে যান। এরপর তাদের মধ্যে মুঠোফোনে যোগাযোগ ও সখ্য গড়ে ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে ওই তরুণীর সঙ্গে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নলকূপ খননের স্থান থেকে গ্যাসের আগুন, বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে

পরবর্তীতে তরুণী তাকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে তিনি এড়িয়ে চলতে শুরু করেন এবং যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। কোনো উপায় না পেয়ে গত ৮ অক্টোবর জেলা পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন ওই তরুণী।

অভিযোগের তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে শিবগঞ্জ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম জানান, গত শনিবার (২৪ অক্টোবর) অভিযোগকারী তরুণীর বিস্তারিত জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে। এ সময় তিনি প্রমাণ হিসেবে কিছু ভিডিও ও কথোপকথনের স্ক্রিনশট জমা দিয়েছেন। এ ছাড়া প্রাথমিক অনুসন্ধানে মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে ওই তরুণীর নিয়মিত যাতায়াত বা উপস্থিতির তথ্যও পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় বিভাগীয় ও আইনি পরবর্তী পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আরও পড়ুন: কুমিল্লায় রাজস্ব কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যা মামলায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুমিল্লার আদালতে মহিলা আ.লীগ নেত্রীর বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ, আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৩৮ এম


কুমিল্লার আদালতে মহিলা আ.লীগ নেত্রীর বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ, আটক

কুমিল্লার একটি আদালত প্রাঙ্গণে মামলার বাদী হিসেবে উপস্থিত থাকা এক নারীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী মহিলা লীগের এক নেত্রীর বিরুদ্ধে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে বিচারক আবিদা সুলতানা মলির নির্দেশে অভিযুক্ত শাহনাজ আক্তার সুমনাকে আটক করে আদালতের হাজতখানায় পাঠানো হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের ১ নম্বর আমলি আদালতে এই ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত শাহনাজ আক্তার সুমনা কুমিল্লার দাউদকান্দি পৌরসভার নূরপুর এলাকার ১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী মহিলা লীগের সভাপতি।

জানা গেছে, হাজিরা দিতে আদালতে উপস্থিত ছিলেন সুমনা। হাজিরা শেষে আদালত থেকে বের হওয়ার পর বিচারক আবিদা সুলতানা মলির এজলাসের সামনে মামলার বাদী সালমা আক্তারের সঙ্গে তার দেখা হয়। এ সময় সালমাকে চড়-থাপ্পড় মারার অভিযোগ ওঠে সুমনার বিরুদ্ধে। এতে সালমা আক্তার আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। পরে বিচারকের নির্দেশে পুলিশ সুমনাকে আটক করে আদালতের হাজতখানায় (কোর্ট লকআপ) পাঠায়।

ঘটনার পর আদালতে উপস্থিত আইনজীবীরা সুমনার জামিন বাতিলের আবেদন করেন। শুনানিতে তারা আদালতকে জানান, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আরো তিনটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে তার জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানোর আবেদন জানান আইনজীবীরা।

ভুক্তভোগী সালমা আক্তারের দাবি, আদালত প্রাঙ্গণে হামলার ঘটনা ঘটলেও অভিযুক্তের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ঘটনার প্রকৃত চিত্র জানতে আদালতের সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করারও দাবি জানান তিনি।

কুমিল্লা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাহবুব বলেন, আদালত হচ্ছে বিচার পাওয়ার জায়গা। বিচার চলাকালে আদালতের এজলাসে এ ধরনের ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

তিনি আরো বলেন, মানুষ ন্যায়বিচারের আশায় আদালতে আসে। এমন ঘটনার সুষ্ঠু বিচার হওয়া উচিত। ন্যায়বিচারের স্বার্থে অভিযুক্তকে কারাগারে পাঠানো প্রয়োজন।

এআরবি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের সঙ্গে ‘দাদা ভাই বাহিনী’র বন্দুকযুদ্ধে ৫ জেলে উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৪০ এম


সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের সঙ্গে ‘দাদা ভাই বাহিনী’র বন্দুকযুদ্ধে ৫ জেলে উদ্ধার

সুন্দরবনের notorious বনদস্যু ‘দাদা ভাই বাহিনী’র সঙ্গে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। এই সংঘর্ষের সময় দস্যুদের দ্বারা জিম্মি করে রাখা পাঁচ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

ঘটনাস্থল থেকে একটি একনলা বন্দুক, ছয় রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ এবং তিনটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে। তবে কোস্ট গার্ডের অভিযানের মুখে দস্যুরা জিম্মিদের ফেলে সুন্দরবনের গভীরে পালিয়ে যাওয়ায় তাদের কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

মঙ্গলবার বিকেলে কোস্ট গার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানান।

কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা গেছে, সুন্দরবনের সক্রিয় বনদস্যু বাহিনীগুলো নির্মূল এবং উপকূলীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের নেতৃত্বে ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ ও ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে দুটি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।

মঙ্গলবার মধ্যরাতে কোস্ট গার্ড স্টেশন কয়রা ও দোবেকী যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে দস্যুরা অতর্কিতভাবে সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি চালাতে শুরু করে। এ সময় আত্মরক্ষার্থে কোস্ট গার্ড সদস্যরাও পাল্টা গুলি চালান। উভয় পক্ষের গোলাগুলির এক পর্যায়ে দস্যুরা জিম্মি জেলেদের ফেলে সুন্দরবনের গহীনে পালিয়ে যায়।

পরে ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে একটি একনলা বন্দুক, ছয় রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ এবং তিনটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র জব্দ করা হয়।

উদ্ধার হওয়া জেলেরা হলেন—সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার রবিউল ইসলাম (৩৫) ও বিল্লাল হোসেন (২৬) এবং খুলনার কয়রা উপজেলার আলাউল ইসলাম (৩২), নওশেন মোড়ল (৪১) ও শাহিনুর রহমান (২৮)।

কোস্ট গার্ড জানায়, জব্দ করা অস্ত্র ও কার্তুজের বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। উদ্ধার হওয়া জেলেদের তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রমও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

অভিযান সম্পর্কে ব্রিফিং করেন বিসিজিএস সোনার বাংলার নির্বাহী কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট ওয়াসিফ কবীর শামিত।

এমই

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাঈদীর মামলার বাদীকে দাফনে বাধা দেয়ার ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন জামায়াতের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৪১ এম


সাঈদীর মামলার বাদীকে দাফনে বাধা দেয়ার ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন জামায়াতের

পিরোজপুরে জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মামলার বাদী বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর মরদেহ দাফনে বাধা দেয়ার ঘটনার তদন্তের জন্য জামায়াতে ইসলামী একটি দুই সদস্যের কমিটি গঠন করেছে। এই তদন্ত কমিটি আগামী তিন দিনের মধ্যে তাদের প্রতিবেদন জমা দেবে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় মগবাজারের জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের বিশেষ বৈঠকে এই কমিটি গঠন করা হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের আমির ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

কমিটির সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন এবং সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম বুলবুল। জামায়াতের সূত্র থেকে জানা যায়, বৈঠকে পিরোজপুরে ঘটে যাওয়া সাম্প্রতিক ঘটনাবলী নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। গঠিত কমিটি ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করবে এবং সংগঠনের কেউ এতে জড়িত কিনা তা খতিয়ে দেখবে। তদন্ত কমিটিকে সার্বিক সহায়তা প্রদানের জন্য স্থানীয় নেতাদের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

মানিক পশারী (৮৭) পিরোজপুর সদরের শংকরপাশা ইউনিয়নের চিতলিয়া গ্রামের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি গেজেটভুক্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা। মানিক পশারী জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালের মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দায়ের করা মামলার বাদী এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষের অন্যতম সাক্ষী। ২০০৯ সালের ১২ আগস্ট মানিক পশারী পিরোজপুর থানায় দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন অপরাধের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে এই অভিযোগটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মূল মামলার সঙ্গে যুক্ত করা হয়।

এছাড়া আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাঈদীর বিরুদ্ধে বিচার চলাকালীন মানিক পশারী রাষ্ট্রপক্ষের ৬ নম্বর সাক্ষী হিসেবে ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হয়ে সাঈদীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেন। তিনি নিজেকে ওই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে দাবি করেছিলেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে মানিক পশারী পলাতক ছিলেন। পরে তিনি টুঙ্গিপাড়ায় মেয়ের জামাতার কাছে চলে যান। দুই মাস ধরে তিনি শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন। গত ২৪ অক্টোবর সকাল ১০টার দিকে মেয়ের বাড়িতেই মানিক পশারীর মৃত্যু ঘটে। দুপুর ১২টার দিকে তার পরিবারের সদস্যরা মরদেহ পিরোজপুরে নিয়ে যান। তবে তার মরদেহ দাফনে বাধা দেয়ার অভিযোগ স্থানীয় জামায়াতের বিরুদ্ধে উঠেছে।

তার স্বজনদের অভিযোগ, জামায়াত নেতাদের বাধার কারণে তাকে প্রকাশ্যে গার্ড অব অনার দেয়া সম্ভব হয়নি। পরে শনিবার বিকেল ৫টার দিকে পুলিশ লাইনসের ভেতরে গোপনে গার্ড অব অনার দিয়ে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে প্রশাসন। মরদেহ দাফনের জন্য প্রথমে খোঁড়া কবর একদল ব্যক্তি ভরাট করে ফেলে। পরে মানিক পশারীর মেয়ে তার ফুফুদের নিয়ে নতুন করে বাড়িতেই কবর খুঁড়ে মরদেহ দাফন করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আদাবরে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে মারাত্মকভাবে জখম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৪১ এম


আদাবরে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে মারাত্মকভাবে জখম

রাজধানীর আদাবরে যুবদলের এক নেতা আব্দুল আহাদ মুন্না (৩৫) কে মারাত্মকভাবে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে আদাবর ১৩ নম্বর রোডের ইয়ার উদ্দিন খলিফা ফ্যাশনের সামনে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

মুন্নার স্বজনদের বক্তব্য অনুযায়ী, যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের পর সন্ধ্যার সময় মুন্না ওই সড়কের একটি চায়ের দোকানে বসেছিলেন। হঠাৎ করে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে একাধিক ব্যক্তি তার ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা মুন্নার হাত এবং মাথায় কুপিয়ে মারাত্মকভাবে জখম করে।

হামলার পূর্বাভাস হিসেবে মুন্না গত সোমবার ফেসবুকে লাইভে এসে কিছু কথা বলেছিলেন। হামলার সময় হামলাকারীরা সেই কথাগুলি উল্লেখ করে অভিযোগ তোলে।

মুন্নার বোন ইয়াসমিন আক্তার জানান, এর আগে সেপ্টেম্বর মাসের শেষ দিকে মুন্নার ওপর হামলা হয়েছিল। সেই ঘটনার পর আদাবর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছিল। আসামি গ্রেফতার হলেও জামিনে বের হয়ে আজ আবারও হামলা চালানো হয়েছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ৩০ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সদস্য আব্দুল আহাদ মুন্নাকে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে একই ওয়ার্ডের আরেক সদস্য রিপন ওরফে বাচ্চা রিপন এবং তার সহযোগীরা চাপাতি দিয়ে আঘাত করে। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে প্রথমে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি রয়েছেন।

আহত মুন্না এবং অভিযুক্ত রিপন ওরফে বাচ্চা রিপন উভয়ই আদাবর থানার ওয়ার্ড যুবদলের সদস্য এবং দুজনেই যুবদল নেতা সজীব আহম্মেদ রানার সঙ্গে বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত।

আদাবর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুর রহমান সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, এলাকায় সিকিউরিটি গার্ডের টাকা উত্তোলন এবং একটি খালি কক্ষে যুবদলের অফিস বানানোর বিষয়টি নিয়ে বিরোধ ছিল। এই ঘটনার জেরে হামলা হয়েছে। অভিযুক্তকে আটক করার প্রক্রিয়া চলছে এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%