ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জয়ের বাবার সঙ্গে স্পিকারের পুরোনো ছবি, ভক্তদের মন্তব্য ‘এবার জমি নিশ্চিত’


জয়ের বাবার সঙ্গে স্পিকারের পুরোনো ছবি, ভক্তদের মন্তব্য ‘এবার জমি নিশ্চিত’

জনপ্রিয় অভিনেতা ও উপস্থাপক শাহরিয়ার নাজিম জয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পুরোনো ছবি শেয়ার করেছেন শেয়ার করেছেন । ছবিতে দেখা যাচ্ছে, তার বাবার সঙ্গে বর্তমান জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রয়েছেন। জয় বাবাকে নিয়ে স্মৃতিচারণা করেছেন ছবিটির মাধ্যমে। তবে তার এই পোস্টের পর ভক্তদের মন্তব্যে জমি পাওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে।

জয় পোস্টে উল্লেখ করেন, তার বাবা একসময় বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) প্রধান প্রকৌশলী ছিলেন। অন্যদিকে, হাফিজ উদ্দিন আহমদ তখন পরিবেশ ও বনমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। সরকারি সফরের অংশ হিসেবে দুজন একসঙ্গে নেদারল্যান্ডস ও লন্ডনে গিয়েছিলেন। দুই সপ্তাহের ওই সফরে মন্ত্রীর একমাত্র সফরসঙ্গী ছিলেন জয়-এর বাবা।

জয় জানান, বাবার কাছ থেকে তিনি ওই সময় মন্ত্রীর অনেক ভালো কথা শুনেছিলেন। ছয় বছর ধরে বাবা নেই, অথচ সেই মন্ত্রী আজ আরও বড় দায়িত্বে অধিষ্ঠিত হয়ে স্পিকার হয়েছেন- এ বিষয়টি তুলে ধরেছেন তিনি।

আরও পড়ুন: আব্বাসউদ্দীনের ভাওয়াইয়া গান নিয়ে উৎসবের আয়োজন করবে সরকার: সংস্কৃতিমন্ত্রী

বাবার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে জয় লেখেন, ‘বর্তমান স্পিকার এবং আমার বাবা। বাবা তখন বিএডিসির প্রধান প্রকৌশলী ছিলেন। আর বর্তমান স্পিকার ছিলেন পরিবেশ এবং বনমন্ত্রী। সরকারি সফরে একসাথে নেদারল্যান্ড এবং লন্ডন গিয়েছিলেন দুই সপ্তাহের জন্য। মন্ত্রীর একজনই সফর সঙ্গী। তিনি আমার বাবা।’

তিনি আরও লেখেন, ‘ওই সময় বাবার কাছে মন্ত্রীর অনেক সুনাম শুনেছিলাম। আজ আমার বাবা নেই ছয় বছর। অথচ সেই মন্ত্রী আরও বড় হয়ে স্পিকার হয়ে গেছেন। কে জানে দুই সপ্তাহের ইউরোপ সফরের সঙ্গী আমার বাবাকে তিনি মনে রেখেছেন কিনা? না রাখলেও কিছু যায় আসে না। বড় বড় মানুষদের জীবনে কত মানুষ আসে যায়। ছোটরা স্মৃতি আঁকড়ে ধরে রাখে। বড়দের স্মৃতিতে বসবাস করার সময় হয় না।’

পোস্টের শেষে জয় স্পষ্ট করে দেন, এটি কোনো রাজনৈতিক পোস্ট নয়, বরং বাবাকে নিয়ে তার ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণ। তার ভাষায়, ‘এই পোস্টটি শুধুমাত্র বাবার স্মৃতিচারণ। ইহা কোন রাজনৈতিক পোস্ট না।’

এদিকে, জয়ের এই পোস্টের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা মন্তব্য করছেন অনুরাগীরা। একজন মন্তব্য করেছেন, ‘এবার জমি পাবে নিশ্চিত।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘কতো কাঠা জমি দরকার ভাইয়া?’

আরও পড়ুন: তানজিন তিশার ক্ষোভ, ফ্যাশন ডিজাইনারের বিরুদ্ধে মামলার প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন তুললেন

তবে ভক্তদের এসব মন্তব্যে জমির প্রসঙ্গ কেন এসেছে, তা নিয়ে পোস্টে বিস্তারিত কিছু জানাননি জয়। তার মূল বক্তব্যজুড়ে ছিল প্রয়াত বাবার স্মৃতি এবং একসময় বাবার সফরসঙ্গী থাকা ব্যক্তির বর্তমান অবস্থান নিয়ে ব্যক্তিগত অনুভূতি।

বাবার সঙ্গে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের পুরোনো ছবিটি শেয়ার করে জয় মূলত স্মৃতির পাতায় ফিরে গেছেন। আর সেই পোস্ট ঘিরেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হয়েছে নানা আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উখিয়ায় ১৫ ঘণ্টা পরও জ্বলছে গ্যাসের আগুন, ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:১৩ এম


উখিয়ায় ১৫ ঘণ্টা পরও জ্বলছে গ্যাসের আগুন, ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ

কক্সবাজারের উখিয়ায় গভীর নলকূপ খননের সময় ভূগর্ভ থেকে বেরিয়ে আসা গ্যাসের আগুন ১৫ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও নিভানো সম্ভব হয়নি। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিকেলের দিকে আগুনের শিখা বৃদ্ধি পাওয়ায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। রাতে আগুনের দৃশ্য দেখতে ইনানী মেরিন ড্রাইভের ছোট ব্রিজ এলাকায় উৎসুক মানুষের ভিড় জমে যায়। দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমানোর জন্য ঘটনাস্থলের চারপাশে নিরাপত্তাবলয় গড়ে তোলা হয়েছে। পাশাপাশি প্রায় ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে জালিয়াপালং ইউনিয়নের ইনানী মেরিন ড্রাইভের ছোট ব্রিজসংলগ্ন মোস্তফা সিকদারের বাড়ির আঙিনায় নলকূপ খননের স্থান থেকে আগুন বেরিয়ে আসে। খবর পেয়ে উখিয়া ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা শুরু করে। পরে কক্সবাজার শহর থেকেও একটি ইউনিট সেখানে যোগ দেয়। কিন্তু দীর্ঘ সময় চেষ্টা চালিয়েও আগুন নেভানো সম্ভব হয়নি।

আগুনের তীব্রতা বাড়তে থাকায় বিকেল ৩টার দিকে ঘটনাস্থলের কাছাকাছি থাকা লোকজনকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেওয়া হয়। সন্ধ্যার পরও আগুন জ্বলতে থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কক্সবাজারের সিনিয়র স্টেশন কর্মকর্তা দোলন আচার্য্য জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণে না আসায় আশপাশের লোকজনকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে রয়েছে। ভূগর্ভে গ্যাসের উপস্থিতি ও এর প্রকৃতি সম্পর্কে জানতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেডকে (বাপেক্স) অবহিত করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান বলেন, নলকূপ খননের সময় প্রাকৃতিক গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় ঘটনাস্থলে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বিষয়টি বাপেক্সকে জানানো হয়েছে। ঢাকা থেকে সংস্থাটির দুই সদস্যের একটি দল সন্ধ্যার পর বিমানে কক্সবাজারে পৌঁছেছে। রাতে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের কাজ শুরু করার কথা।

এদিকে গ্যাসের আগুন বিদ্যুতের তারে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ। উখিয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এক কর্মকর্তা জানান, ৩৩ কেভি লাইনের মনখালী থেকে পাটুয়ারটেক পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার এলাকায় সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে। আগুনের কাছাকাছি এলাকায় একাধিক বিদ্যুতের খুঁটি থাকায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

উখিয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন কর্মকর্তা সাইদুল ইসলাম বলেন, বাড়ির আঙিনায় গভীর নলকূপ খননের সময় ভূগর্ভ থেকে গ্যাস বেরিয়ে এসে আগুনের সৃষ্টি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ওই এলাকায় কোনো গ্যাসের পাইপলাইন নেই। ঘটনাস্থল থেকে কক্সবাজার শহরের দূরত্ব প্রায় ২৫ কিলোমিটার।

স্থানীয় জালিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য শামশুল আলম জানান, ঢাকার এক ব্যক্তি মোস্তফা সিকদারের বাড়ির কিছু জমি কিনেছেন। সেখানে ১০ থেকে ১৫ দিন আগে একটি গভীর নলকূপ খনন করা হয়। প্রায় ৬০০ থেকে ৭০০ ফুট গভীর পর্যন্ত খনন করেও পানি পাওয়া যায়নি। পরে সোমবার পাশের আরেকটি স্থানে নতুন করে খননকাজ শুরু করেন শ্রমিকেরা। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সেখান থেকেই আগুন বেরিয়ে আসে।

শামশুল আলমের ভাষ্য, প্রথমে স্থানীয় লোকজন বালু ও পানি দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে কাজ শুরু করেন। তবে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি। আগুনের শিখা বাড়তে থাকায় আশপাশের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। যদিও ঘটনাস্থলের কাছে বসতবাড়ি কিংবা আবাসিক হোটেল-রিসোর্ট না থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের প্রাণহানির ঝুঁকি তুলনামূলক কম বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুড়িগ্রামে দুই কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে চার খাদ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৪২ এম


কুড়িগ্রামে দুই কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে চার খাদ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

কুড়িগ্রাম সদর খাদ্য গুদামে সরকারি চাল ও ধান মজুতে অনিয়ম করে দুই কোটি টাকার অধিক মূল্যের খাদ্যশস্য আত্মসাতের অভিযোগে জেলার চার খাদ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মামলাটি মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) কুড়িগ্রামের উপসহকারী পরিচালক মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী বাদী হয়ে কুড়িগ্রাম সিনিয়র জেলা জজ আদালতে দায়ের করেন।

মামলার আসামির তালিকায় রয়েছেন কুড়িগ্রাম সদর খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শরীফ আহমেদ, লালমনিরহাটের পাটগ্রাম এলএসডির সহকারী উপখাদ্য পরিদর্শক মো. হেলাল উদ্দিন, কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. হালিমুর রহমান এবং কুড়িগ্রামের ভারপ্রাপ্ত জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ হামিদুল হক।

দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, কুড়িগ্রাম সদর খাদ্য গুদামে অভিযানে বড় ধরনের অনিয়মের তথ্য পাওয়া গেলে কমিশনের কাছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলা করার সুপারিশ পাঠানো হয়। কমিশনের অনুমতি সাপেক্ষে মঙ্গলবার মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে যে, ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে সরকারি খাদ্যশস্যের মজুত ও সংগ্রহের নথি পর্যালোচনা করার সময় বিভিন্ন অসংগতি পাওয়া যায়। এর মধ্যে নথিতে থাকা চালের সঙ্গে বাস্তব মজুতের ঘাটতি, সংগ্রহ করা ধানের হিসাবের অসংগতি এবং বিল পরিশোধের পরও গুদামে না পাওয়া ধানের বিষয় রয়েছে।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়, চলতি বছরের ১১ জানুয়ারি দুদকের একটি এনফোর্সমেন্ট দল কুড়িগ্রাম সদর খাদ্য গুদামের শিশু নিকেতন ও খলিলগঞ্জ ব্লকে অভিযান চালায়। অভিযানের সময় খামাল কার্ড, গুদাম রেজিস্টার, সেন্ট্রাল লেজার ও গুদাম লেজারের তথ্যের সঙ্গে বাস্তব মজুত মিলিয়ে দেখা হয়। এতে নথিভুক্ত মজুতের তুলনায় ৪২ দশমিক ২০৫ মেট্রিক টন চাল কম পাওয়া যায়। প্রতি মেট্রিক টন চালের মূল্য ৫৮ হাজার ৩১৮ টাকা ৯৮ পয়সা হিসাবে এর মূল্য দাঁড়ায় ২৪ লাখ ৬১ হাজার ৩৫২ টাকা।

এছাড়া খলিলগঞ্জ ব্লকের টিএফএস-৭ নম্বর গুদামে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে ৭১১ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহের তথ্য নথিতে পাওয়া যায়। এর মধ্যে ২৪০ মেট্রিক টন ধানের বিল পরিশোধের তথ্য ছিল। যাচাইয়ে ১৯০ মেট্রিক টন ধান গুদামে পাওয়া গেলেও বাকি ৫০ মেট্রিক টনের সন্ধান মেলেনি।

ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দাবি করেন, ধানগুলো ছাঁটাইয়ের জন্য মেসার্স এলাহী অটো রাইস মিলে পাঠানো হয়েছিল। তবে তদন্ত কমিটি সরেজমিনে ওই মিল পরিদর্শন করলে মালিক মো. মুকুল সরকার জানান, তার মিলে কোনো ধান পাঠানো হয়নি। একই গুদামের নথিতে থাকা আরও ৪৭১ মেট্রিক টন ধানের বাস্তব মজুত বা সংগ্রহের পক্ষে সমর্থনকারী তথ্য পাওয়া যায়নি বলে দুদকের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতি মেট্রিক টন ধানের মূল্য ৩৪ হাজার টাকা হিসাবে এসব ধানের মূল্য এক কোটি ৬০ লাখ ১৪ হাজার টাকা।

চাল ও ধানের মজুত সংক্রান্ত এসব অসংগতির কারণে মোট ২ কোটি ১ লাখ ৭৫ হাজার ৩৫২ টাকা মূল্যের সরকারি খাদ্যশস্য আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। এছাড়া শিশু নিকেতন ব্লকের এসএফ-৩ নম্বর গুদামের পশ্চিম গেটসংলগ্ন স্থানে নথি-বহির্ভূতভাবে ১১৯ মেট্রিক টন চালের মজুত পাওয়া যায়। এ চালের সংগ্রহ, ওজন, মান, মজুত ও পরিবহন সংক্রান্ত বৈধ নথি দেখাতে পারেননি গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শরীফ আহমেদ। প্রতি মেট্রিক টন চালের মূল্য হিসাবে এর দাম ৬৯ লাখ ৩৯ হাজার ৯৫৯ টাকা। গত ১২ জানুয়ারি চালগুলো জব্দ করে জিম্মায় দেয়া হয়।

দুদকের অভিযোগ, চার কর্মকর্তা পরস্পর যোগসাজশে সরকারি খাদ্যশস্যের মজুত ও সংগ্রহ সংক্রান্ত রেকর্ডে অসংগতি সৃষ্টি ও ব্যবহার করে খাদ্যশস্য আত্মসাৎ করেছেন। এ অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪২০, ৪০৯ ও ১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় মামলা করা হয়েছে। পাশাপাশি নথিবহির্ভূত চাল মজুতের ঘটনায় শরীফ আহমেদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১২০(খ) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘নেতানিয়াহু সরকারের প্রতি আস্থার অভাব’, বুথফেরত জরিপে মন্তব্য আইজেনকোটের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৪২ এম


‘নেতানিয়াহু সরকারের প্রতি আস্থার অভাব’, বুথফেরত জরিপে মন্তব্য আইজেনকোটের

বিরোধী জোটের ইয়াশার পার্টির নেতা গাদি আইজেনকোট মন্তব্য করেছেন যে, ইসরাইলের প্রাথমিক এক্সিট পোলের বা বুথফেরত জরিপের ফলাফল প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং তার সরকারের প্রতি আস্থার চরম অভাব প্রকাশ করছে।

আইজেনকোট এ প্রতিক্রিয়া জানান, যখন প্রাথমিক এক্সিট পোলে দেখা যায় যে, নেতানিয়াহুর জোট এবং বিরোধী জোট- কোন পক্ষই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারছে না।

ইসরাইলের চ্যানেল ১২-এ প্রচারিত এক মন্তব্যে আইজেনকোট বলেন, “যদি এটাই চূড়ান্ত ফলাফল হয়, তবে তা ইসরাইলের মূলধারার জায়নবাদী সংখ্যাগরিষ্ঠের বিজয়।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, জনগণের ইচ্ছা পূরণ করতে, নেতানিয়াহু সরকারকে প্রতিস্থাপন করতে এবং যত দ্রুত সম্ভব জাতীয় সংহতির ভিত্তিতে একটি জায়নবাদী সরকার গঠনে অবিলম্বে পদক্ষেপ নিতে হবে।

আইজেনকোটের মতে, এক্সিট পোলের এই ফলাফল নেতানিয়াহু এবং ‘৭ই অক্টোবরের সরকারের’ প্রতি আস্থার চরম অভাব নির্দেশ করে।

ইসরাইলের সাধারণ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। প্রাথমিক এক্সিট পোলের পূর্বাভাস অনুযায়ী, নির্বাচনে কোনো পক্ষই স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাচ্ছে না। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জোট কিংবা বিরোধী জোট-কেউই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬১টি আসন পাওয়ার সম্ভাবনা নেই।

ইসরাইলের চ্যানেল ১২-এর এক্সিট পোল অনুযায়ী, বিরোধী জোট ৫২টি আসন পেতে পারে। অন্যদিকে, নেতানিয়াহুর জোট পেতে পারে ৫০টি আসন। আরব দলগুলো সম্মিলিতভাবে ১৮টি আসন পেতে পারে বলে পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, চ্যানেল ১৩-এর দ্বিতীয় এক্সিট পোলেও কোনো পক্ষের স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতার ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। এ পূর্বাভাস অনুযায়ী, বিরোধী জোট ৫৩টি আসন পেতে পারে। নেতানিয়াহুর জোটের আসনসংখ্যা হতে পারে ৫০টি। আরব দলগুলো পেতে পারে ১৭টি আসন।

ইসরাইলের পার্লামেন্ট নেসেটে মোট আসন ১২০টি। সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন অন্তত ৬১টি আসন। প্রাথমিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, কোনো জোটই এককভাবে সেই সংখ্যায় পৌঁছাতে পারছে না।

আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে প্রাথমিক ফলাফল পাওয়া যেতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে এক্সিট পোলের পূর্বাভাস চূড়ান্ত ফলাফল নয়। আনুষ্ঠানিক ফলাফল প্রকাশের পরই নির্বাচনে দল ও জোটগুলোর প্রকৃত অবস্থান স্পষ্ট হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কেন্দুয়ায় পাচারের সময় ৩২ বস্তা সার জব্দ, চালক পালিয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৩ এম


কেন্দুয়ায় পাচারের সময় ৩২ বস্তা সার জব্দ, চালক পালিয়েছে

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলা থেকে পার্শ্ববর্তী তাড়াইল উপজেলায় পাচারের সময় পুলিশ ৩২ বস্তা ডিএপি সার জব্দ করেছে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরের পর, উপজেলার চিরাং-তাড়াইল সড়কের মোজাফরপুর সীমান্ত এলাকা থেকে স্থানীয়দের সন্দেহের কারণে একটি টমটম গাড়িতে থাকা এসব সার আটক করা হয়। স্থানীয়রা পুলিশকে অবহিত করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে সারগুলো জব্দ করে। এ সময় চালক গাড়ি ফেলে পালিয়ে যায়।

স্থানীয় কৃষকরা অভিযোগ করেছেন যে, তারা প্রয়োজন অনুযায়ী সার পাচ্ছেন না। অনেক সময় অতিরিক্ত দাম দিয়েও সার সংগ্রহ করতে হচ্ছে। অথচ, কিছু ডিলার কৃষকদের জন্য বরাদ্দকৃত সার পার্শ্ববর্তী উপজেলায় বিক্রি করে দিচ্ছেন। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে স্থানীয়রা জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

মোজাফরপুর ইউনিয়নের কৃষক মজিবুর রহমান অভিযোগ করেন যে, মোজাফরপুর বাজারের হোসাইন নামের এক ডিলার এসব সার পাচারের সঙ্গে জড়িত। তবে, সংশ্লিষ্ট ডিলারের বক্তব্য পাওয়া যায়নি এই অভিযোগের বিষয়ে।

কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানান, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে পেমই তদন্তকেন্দ্রের পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ৩২ বস্তা ডিএপি সার জব্দ করেছে। তবে, কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%