ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

তাহিরপুরে প্রবাসীর স্ত্রী ও পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে উধাও নাজমুল, পরিবার উদ্বিগ্ন


তাহিরপুরে প্রবাসীর স্ত্রী ও পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে উধাও নাজমুল, পরিবার উদ্বিগ্ন

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে এক যুবক প্রবাসী মো. সোহেল মিয়ার স্ত্রী ও পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে উধাও হয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকালে এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।

অভিযোগের ভিত্তিতে, তাহিরপুর উপজেলার আমবাড়ী এলাকার এরশাদ মিয়ার ছেলে নাজমুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি প্রবাসী সোহেল মিয়ার স্ত্রী আতাবুন নেছাকে নিয়ে চলে গেছেন। একই সঙ্গে, পরিবারের সদস্যরা দাবি করেছেন যে, সোহেলের কষ্টার্জিত পাঁচ লাখ টাকা তিনি নিয়ে গেছেন।

আরও পড়ুন: উখিয়ায় ১৫ ঘণ্টা পরও জ্বলছে গ্যাসের আগুন, ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ

প্রবাসে থেকে উপার্জিত টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠায় ভুক্তভোগী পরিবার উদ্বেগের মধ্যে রয়েছে।

প্রবাসী মো. সোহেল মিয়া জানান, মঙ্গলবার সকালে তিনি জানতে পারেন যে, তার স্ত্রী নাজমুলের সঙ্গে চলে গেছেন। তিনি দাবি করেছেন, স্ত্রীর কাছে তার কষ্টে উপার্জন করা পাঁচ লাখ টাকা ছিল, যা তিনি নিয়ে গেছেন।

সোহেল মিয়ার ভাই ও মালদ্বীপপ্রবাসী জুয়েল মিয়াও একই অভিযোগ করেছেন। তিনি জানান, মঙ্গলবার সকালে তারা জানতে পারেন যে, তার ভাইয়ের স্ত্রী গ্রামের নাজমুল নামে এক যুবকের সঙ্গে চলে গেছেন। পরে তারা জানতে পারেন, যাওয়ার সময় তিনি জমানো পাঁচ লাখ টাকাও সঙ্গে নিয়ে গেছেন।

পরিবারের সূত্রে জানা যায়, গত চার বছর ধরে সোহেল মিয়া প্রবাসে থাকায় তার স্ত্রী বাবার বাড়িতে ছিলেন। তবে প্রায় দুই মাস আগে তিনি স্বামীর বাড়িতে ফিরে আসেন।

আরও পড়ুন: সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের সঙ্গে ‘দাদা ভাই বাহিনী’র বন্দুকযুদ্ধে ৫ জেলে উদ্ধার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চুয়েটে ৩৬ দিন পর বুধবার থেকে ক্লাস শুরু, বিভাগের প্রধানরা নিশ্চিত নন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:১৯ এম


চুয়েটে ৩৬ দিন পর বুধবার থেকে ক্লাস শুরু, বিভাগের প্রধানরা নিশ্চিত নন

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) উপাচার্য পুনর্বহালের দাবিতে চলমান অচলাবস্থা ৩৬ দিনে প্রবাহিত হয়েছে। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা গত রোববার (২৫ অক্টোবর) রাতে এক বিবৃতির মাধ্যমে জানিয়েছেন যে, বুধবার থেকে একাডেমিক কার্যক্রমে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে, অধিকাংশ বিভাগের বিভাগীয় প্রধানরা একাডেমিক কার্যক্রম শুরুর বিষয়ে এখনও নিশ্চিত নন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় অনুষ্ঠিত শিক্ষক সমিতির সাধারণ সভায় শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরার আহ্বান জানানো হয়। সভা শেষে শিক্ষক সমিতির যুগ্ম সম্পাদক সামিউন বাসির জানান, ক্লাস শুরুর তারিখ সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো নিজেদের মতো করে নির্ধারণ করবে। তবে, বুধবার (২৮ অক্টোবর) থেকে একাডেমিক কার্যক্রম শুরুর বিষয়ে অধিকাংশ বিভাগের বিভাগীয় প্রধানরা এখনও নিশ্চিত নন।

চুয়েটের স্নাতক পর্যায়ের ১২ বিভাগের মধ্যে ১১টি বিভাগের প্রধানদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। অন্যদিকে, ১টি বিভাগের বিভাগীয় প্রধানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

কম্পিউটার বিজ্ঞান ও কৌশল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. প্রণব কুমার ধর জানান, তিনি এখনও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো আবেদন পাননি। শিক্ষার্থীরা কোর্স সমন্বয়কের মাধ্যমে আবেদন করলে তা বিবেচনা করে ক্লাস শুরুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. তোফায়েল আহমেদ বলেন, "আমাদের বিভাগ ক্লাস নেওয়ার জন্য শতভাগ প্রস্তুত আছে। চতুর্থ বর্ষ কাল থেকে ক্লাস শুরু করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। অন্যান্য বর্ষের শিক্ষার্থীরা রবিবার থেকে ক্লাস শুরু করার ব্যাপারে আমাদের সাথে যোগাযোগ করেছে।"

যন্ত্রকৌশল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল ভূঁইয়া জানান, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে বুধবার থেকে ক্লাস শুরুর পরিকল্পনা করেছেন তারা। তিনি বলেন, "অনেকে দূর-দূরান্তে আছে, তাই তাদের আসার জন্য সময় দিতে হচ্ছে। আমি বলেছি, তোমরা মঙ্গলবার আসো, আমরা বুধবার থেকে শুরু করতে চাই। দুই-একজনের কিছুটা দ্বিধা থাকলেও অধিকাংশই বুধবার থেকে ক্লাসে অংশ নেওয়ার কথা জানিয়েছে। আমরা এমনিতেই পিছিয়ে পড়েছি, তাই আপাতত ক্লাস শুরু করতে চাই।"

পুরকৌশল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. রিয়াজ আকতার মল্লিক জানান, ক্লাস করার জন্য শিক্ষার্থীদের ডাকা হয়েছে। তারা উপস্থিত হলে ক্লাস নেওয়া হবে। ২০২৪-২৫ ও ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা ই-মেইলের মাধ্যমে আগামী ১ নভেম্বর থেকে ক্লাস শুরুর কথা জানিয়েছে। তবে অন্যান্য ব্যাচগুলোর পক্ষ থেকে এখনো কিছু জানানো হয়নি।

ইলেকট্রনিক এন্ড টেলিকমিউনিকেশন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. জাহেদুল ইসলাম বলেন, "আমি গত দুই দিন ধরে ছুটিতে আছি তাই এই মুহূর্তে নিশ্চিতভাবে জানাতে পারছি না। শিক্ষার্থীরা জানিয়েছে, তারা রবিবার থেকে ক্লাস শুরু করবে। তবে শিক্ষার্থীরা উপস্থিত হলে আগামীকাল থেকেই ক্লাস শুরু করার জন্য প্রস্তুতি আছে।"

পেট্রোলিয়াম এন্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম জানান, ক্লাস শুরুর ব্যাপারে বিভাগের প্রস্তুতি রয়েছে।

বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. নিপু কুমার দাশ বলেন, "আমাদের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীরা বুধবার থেকে ক্লাস শুরু করবে। তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষা, তারা আগামী সপ্তাহে পরীক্ষা দিতে চায়। অন্যান্য বর্ষের শিক্ষার্থীরা রবিবার থেকে ক্লাস শুরু করবে। ক্লাস-পরীক্ষা নেয়ার জন্য বিভাগের যথাযথ প্রস্তুতি রয়েছে।"

মেকাট্রনিক্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. প্রসেনজিৎ দাশ জানান, তাদের বিভাগে ২২ ব্যাচের একটি গ্রুপ বুধবার থেকে ক্লাস শুরুর আবেদন করেছে। অন্যদিকে প্রথম বর্ষের ২৫ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা আগামী রবিবার থেকে ক্লাসে ফেরার কথা জানিয়েছে। এ ছাড়া ২১ ব্যাচের পরীক্ষা চলছিল।

বস্তু ও ধাতব কৌশল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. মামুনুর রশিদ জানান, এই বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা রয়েছে। অন্য ব্যাচগুলো আগামী রোববার থেকে ক্লাস শুরুর বিষয়ে আবেদনপত্রের মাধ্যমে জানিয়েছে।

নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. ফৌজিয়া গুলশানা রশিদ লোপা জানান, বুধবার থেকে সকল বর্ষের শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু হবে।

স্থাপত্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. সজল চৌধুরী জানান, তিনি ছুটিতে রয়েছেন। তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয় যে সিদ্ধান্ত নেবে, তাদের বিভাগ সেটিই অনুসরণ করবে। বুধবার থেকে ক্লাস শুরুর বিষয়ে এখনও কোনো তথ্য পাননি তিনি। তবে সকল বিভাগ ক্লাস শুরু করলে স্থাপত্য বিভাগও ক্লাস শুরু করবে।

এ বিষয়ে পানিসম্পদ কৌশল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মোছাঃ ফারজানা রহমান জুথীর সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সাড়া মেলেনি।

প্রসঙ্গত, চুয়েটের চলমান সংকট সমাধানের লক্ষ্যে আগামীকাল বুধবার (২৮ অক্টোবর) ইউজিসির গঠিত পরামর্শক কমিটি চুয়েটের সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাবিতে মুক্তিযোদ্ধা মানিকের স্মরণে শিক্ষার্থীদের মোমবাতি প্রজ্বালন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:০৯ এম


জাবিতে মুক্তিযোদ্ধা মানিকের স্মরণে শিক্ষার্থীদের মোমবাতি প্রজ্বালন

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মোমবাতি প্রজ্বালন করেছেন। মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াতে ইসলামীর নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য এই শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের ৫৩তম ব্যাচের শিক্ষার্থী দুর্বার আদি জানিয়েছেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মানিকের মরদেহ দাফনে বাধা দেওয়ার অভিযোগের প্রতিবাদে এ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়।

সন্ধ্যা পৌনে ৮টার দিকে ‘জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ’-এর ব্যানারে শহীদ মিনারে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে শিক্ষার্থীরা মুরাদ চত্বরে জড়ো হয়ে মিছিল নিয়ে শহীদ মিনারে গিয়ে মোমবাতি জ্বালিয়ে মানিক পশারীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

দুর্বার আদি বলেন, "সাঈদীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার কারণে একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার মরদেহ দাফনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ নিন্দনীয়।" তিনি প্রশ্ন করেন, "একজন মুক্তিযোদ্ধাকে নিজের জন্মভূমিতে দাফন করতেও বাধার মুখে পড়তে হবে কেন?"

কর্মসূচিতে বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী জাবি শাখার সংগঠক সোমা ডুমরী মন্তব্য করেন, মানিক পশারীর দাফনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উদ্বেগজনক। আইনি প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্য দেওয়ার কারণে কারো দাফনে বাধা দেওয়া তার অধিকার ক্ষুণ্ন করার শামিল।

মানিক পশারীর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে তারা মোমবাতি জ্বালিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জয়ের বাবার সঙ্গে স্পিকারের পুরোনো ছবি, ভক্তদের মন্তব্য ‘এবার জমি নিশ্চিত’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:১১ এম


জয়ের বাবার সঙ্গে স্পিকারের পুরোনো ছবি, ভক্তদের মন্তব্য ‘এবার জমি নিশ্চিত’

জনপ্রিয় অভিনেতা ও উপস্থাপক শাহরিয়ার নাজিম জয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পুরোনো ছবি শেয়ার করেছেন শেয়ার করেছেন । ছবিতে দেখা যাচ্ছে, তার বাবার সঙ্গে বর্তমান জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রয়েছেন। জয় বাবাকে নিয়ে স্মৃতিচারণা করেছেন ছবিটির মাধ্যমে। তবে তার এই পোস্টের পর ভক্তদের মন্তব্যে জমি পাওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে।

জয় পোস্টে উল্লেখ করেন, তার বাবা একসময় বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) প্রধান প্রকৌশলী ছিলেন। অন্যদিকে, হাফিজ উদ্দিন আহমদ তখন পরিবেশ ও বনমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। সরকারি সফরের অংশ হিসেবে দুজন একসঙ্গে নেদারল্যান্ডস ও লন্ডনে গিয়েছিলেন। দুই সপ্তাহের ওই সফরে মন্ত্রীর একমাত্র সফরসঙ্গী ছিলেন জয়-এর বাবা।

জয় জানান, বাবার কাছ থেকে তিনি ওই সময় মন্ত্রীর অনেক ভালো কথা শুনেছিলেন। ছয় বছর ধরে বাবা নেই, অথচ সেই মন্ত্রী আজ আরও বড় দায়িত্বে অধিষ্ঠিত হয়ে স্পিকার হয়েছেন- এ বিষয়টি তুলে ধরেছেন তিনি।

বাবার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে জয় লেখেন, ‘বর্তমান স্পিকার এবং আমার বাবা। বাবা তখন বিএডিসির প্রধান প্রকৌশলী ছিলেন। আর বর্তমান স্পিকার ছিলেন পরিবেশ এবং বনমন্ত্রী। সরকারি সফরে একসাথে নেদারল্যান্ড এবং লন্ডন গিয়েছিলেন দুই সপ্তাহের জন্য। মন্ত্রীর একজনই সফর সঙ্গী। তিনি আমার বাবা।’

তিনি আরও লেখেন, ‘ওই সময় বাবার কাছে মন্ত্রীর অনেক সুনাম শুনেছিলাম। আজ আমার বাবা নেই ছয় বছর। অথচ সেই মন্ত্রী আরও বড় হয়ে স্পিকার হয়ে গেছেন। কে জানে দুই সপ্তাহের ইউরোপ সফরের সঙ্গী আমার বাবাকে তিনি মনে রেখেছেন কিনা? না রাখলেও কিছু যায় আসে না। বড় বড় মানুষদের জীবনে কত মানুষ আসে যায়। ছোটরা স্মৃতি আঁকড়ে ধরে রাখে। বড়দের স্মৃতিতে বসবাস করার সময় হয় না।’

পোস্টের শেষে জয় স্পষ্ট করে দেন, এটি কোনো রাজনৈতিক পোস্ট নয়, বরং বাবাকে নিয়ে তার ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণ। তার ভাষায়, ‘এই পোস্টটি শুধুমাত্র বাবার স্মৃতিচারণ। ইহা কোন রাজনৈতিক পোস্ট না।’

এদিকে, জয়ের এই পোস্টের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা মন্তব্য করছেন অনুরাগীরা। একজন মন্তব্য করেছেন, ‘এবার জমি পাবে নিশ্চিত।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘কতো কাঠা জমি দরকার ভাইয়া?’

তবে ভক্তদের এসব মন্তব্যে জমির প্রসঙ্গ কেন এসেছে, তা নিয়ে পোস্টে বিস্তারিত কিছু জানাননি জয়। তার মূল বক্তব্যজুড়ে ছিল প্রয়াত বাবার স্মৃতি এবং একসময় বাবার সফরসঙ্গী থাকা ব্যক্তির বর্তমান অবস্থান নিয়ে ব্যক্তিগত অনুভূতি।

বাবার সঙ্গে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের পুরোনো ছবিটি শেয়ার করে জয় মূলত স্মৃতির পাতায় ফিরে গেছেন। আর সেই পোস্ট ঘিরেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হয়েছে নানা আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উখিয়ায় ১৫ ঘণ্টা পরও জ্বলছে গ্যাসের আগুন, ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:১৩ এম


উখিয়ায় ১৫ ঘণ্টা পরও জ্বলছে গ্যাসের আগুন, ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ

কক্সবাজারের উখিয়ায় গভীর নলকূপ খননের সময় ভূগর্ভ থেকে বেরিয়ে আসা গ্যাসের আগুন ১৫ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও নিভানো সম্ভব হয়নি। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিকেলের দিকে আগুনের শিখা বৃদ্ধি পাওয়ায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। রাতে আগুনের দৃশ্য দেখতে ইনানী মেরিন ড্রাইভের ছোট ব্রিজ এলাকায় উৎসুক মানুষের ভিড় জমে যায়। দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমানোর জন্য ঘটনাস্থলের চারপাশে নিরাপত্তাবলয় গড়ে তোলা হয়েছে। পাশাপাশি প্রায় ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে জালিয়াপালং ইউনিয়নের ইনানী মেরিন ড্রাইভের ছোট ব্রিজসংলগ্ন মোস্তফা সিকদারের বাড়ির আঙিনায় নলকূপ খননের স্থান থেকে আগুন বেরিয়ে আসে। খবর পেয়ে উখিয়া ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা শুরু করে। পরে কক্সবাজার শহর থেকেও একটি ইউনিট সেখানে যোগ দেয়। কিন্তু দীর্ঘ সময় চেষ্টা চালিয়েও আগুন নেভানো সম্ভব হয়নি।

আগুনের তীব্রতা বাড়তে থাকায় বিকেল ৩টার দিকে ঘটনাস্থলের কাছাকাছি থাকা লোকজনকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেওয়া হয়। সন্ধ্যার পরও আগুন জ্বলতে থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কক্সবাজারের সিনিয়র স্টেশন কর্মকর্তা দোলন আচার্য্য জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণে না আসায় আশপাশের লোকজনকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে রয়েছে। ভূগর্ভে গ্যাসের উপস্থিতি ও এর প্রকৃতি সম্পর্কে জানতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেডকে (বাপেক্স) অবহিত করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান বলেন, নলকূপ খননের সময় প্রাকৃতিক গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় ঘটনাস্থলে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বিষয়টি বাপেক্সকে জানানো হয়েছে। ঢাকা থেকে সংস্থাটির দুই সদস্যের একটি দল সন্ধ্যার পর বিমানে কক্সবাজারে পৌঁছেছে। রাতে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের কাজ শুরু করার কথা।

এদিকে গ্যাসের আগুন বিদ্যুতের তারে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ। উখিয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এক কর্মকর্তা জানান, ৩৩ কেভি লাইনের মনখালী থেকে পাটুয়ারটেক পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার এলাকায় সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে। আগুনের কাছাকাছি এলাকায় একাধিক বিদ্যুতের খুঁটি থাকায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

উখিয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন কর্মকর্তা সাইদুল ইসলাম বলেন, বাড়ির আঙিনায় গভীর নলকূপ খননের সময় ভূগর্ভ থেকে গ্যাস বেরিয়ে এসে আগুনের সৃষ্টি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ওই এলাকায় কোনো গ্যাসের পাইপলাইন নেই। ঘটনাস্থল থেকে কক্সবাজার শহরের দূরত্ব প্রায় ২৫ কিলোমিটার।

স্থানীয় জালিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য শামশুল আলম জানান, ঢাকার এক ব্যক্তি মোস্তফা সিকদারের বাড়ির কিছু জমি কিনেছেন। সেখানে ১০ থেকে ১৫ দিন আগে একটি গভীর নলকূপ খনন করা হয়। প্রায় ৬০০ থেকে ৭০০ ফুট গভীর পর্যন্ত খনন করেও পানি পাওয়া যায়নি। পরে সোমবার পাশের আরেকটি স্থানে নতুন করে খননকাজ শুরু করেন শ্রমিকেরা। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সেখান থেকেই আগুন বেরিয়ে আসে।

শামশুল আলমের ভাষ্য, প্রথমে স্থানীয় লোকজন বালু ও পানি দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে কাজ শুরু করেন। তবে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি। আগুনের শিখা বাড়তে থাকায় আশপাশের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। যদিও ঘটনাস্থলের কাছে বসতবাড়ি কিংবা আবাসিক হোটেল-রিসোর্ট না থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের প্রাণহানির ঝুঁকি তুলনামূলক কম বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%