ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কালীগঞ্জে ডোপ টেস্টে মাদক সেবনের প্রমাণ, ৫ জনের কারাদণ্ড


কালীগঞ্জে ডোপ টেস্টে মাদক সেবনের প্রমাণ, ৫ জনের কারাদণ্ড

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে আটক পাঁচজনের ডোপ টেস্টে মাদক সেবনের প্রমাণ পাওয়ার পর আদালত তাদেরকে বিভিন্ন মেয়াদে সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড প্রদান করেছে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) কালীগঞ্জ থানার এসআই রানা প্রতাপ ঘোষ ও এসআই মো. মারুফ হাসান তাদের সঙ্গীয় ফোর্সসহ মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে পাঁচজনকে আটক করেন। পরে তাদের ডোপ টেস্টে মাদক সেবনের প্রমাণ পাওয়া গেলে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

আদালত সামারি ট্রায়ালের মাধ্যমে তাদেরকে বিভিন্ন মেয়াদে সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করে।

আরও পড়ুন: সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের সঙ্গে ‘দাদা ভাই বাহিনী’র বন্দুকযুদ্ধে ৫ জেলে উদ্ধার

দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন— কালীগঞ্জ উপজেলার ষাটবাড়ীয়া গ্রামের জুয়েল মন্ডল (৩৫), যাকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের সম্রাট মির্জা (১৯) এবং ঈশ্বরবা গ্রামের সম্রাট বিশ্বাসকে (২০) ১০ মাস করে সশ্রম কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।

এছাড়া, বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের মাহিন ইসলাম (২০) ও ইমন মির্জা (২৮) সাত মাস করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০০ টাকা করে জরিমানা করা হয়। আদালত জরিমানা অনাদায়ে জুয়েল মন্ডলকে অতিরিক্ত ১৫ দিন, সম্রাট মির্জা ও সম্রাট বিশ্বাসকে ১৪ দিন করে এবং মাহিন ইসলাম ও ইমন মির্জাকে সাত দিন করে সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন।

এ ব্যাপারে কালীগঞ্জ থানার ওসি জুলফিকার আলী বলেন, "মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় এ দণ্ড প্রদান করা হয়।" বিচারিক কার্যক্রম শেষে আদালত দণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচজনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আরও পড়ুন: কুমিল্লার আদালতে মহিলা আ.লীগ নেত্রীর বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ, আটক

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ক্যাবের সিলিন্ডার গ্যাসের দাম না বাড়ানোর দাবি, বিইআরসির গণশুনানি বৃহস্পতিবার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৫৯ পি.এম


ক্যাবের সিলিন্ডার গ্যাসের দাম না বাড়ানোর দাবি, বিইআরসির গণশুনানি বৃহস্পতিবার

কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) আশা প্রকাশ করেছে যে, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) ভোক্তাপর্যায়ে সিলিন্ডার বিক্রির জন্য নির্ধারিত মূল্যে এলপিজির মূল্য ও সংশ্লিষ্ট চার্জ বৃদ্ধি না করার সিদ্ধান্ত নেবে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সরকারি ও বেসরকারি এলপিজির মূল্যহার পরিবর্তনসংক্রান্ত গণশুনানির পূর্বে কমিশনের কাছে এই দাবি উত্থাপন করা হয়।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) ক্যাব একটি লিখিত মতামতে বিইআরসির কাছে এই আহ্বান জানায়। সংগঠনটির মতে, বর্তমানে নির্ধারিত মূল্য কার্যকরভাবে বাজারে বাস্তবায়িত হচ্ছে না। নতুন করে মূল্য ও চার্জ বৃদ্ধি করা হলে সাধারণ ভোক্তাদের ওপর আর্থিক চাপ বাড়বে।

ক্যাবের লিখিত মতামতে উল্লেখ করা হয়, গত ৪ অক্টোবর ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, অনেক ভোক্তাকে নির্ধারিত দামের চেয়ে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা বেশি দিয়ে সিলিন্ডার ক্রয় করতে হচ্ছে। কিছু ক্ষেত্রে বাসায় পৌঁছে দেওয়ার খরচ যুক্ত হলেও সিলিন্ডারের দাম ও পরিবহন খরচের পৃথক হিসাব স্পষ্ট করা হচ্ছে না।

সংগঠনটি বলছে, এই পরিস্থিতি নির্ধারিত মূল্য বাস্তবায়নে দুর্বলতা এবং সরবরাহব্যবস্থায় জবাবদিহির ঘাটতির ইঙ্গিত করে। তাই মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাব বিবেচনার পূর্বে বাজারে বিদ্যমান মূল্য কার্যকর করা এবং অতিরিক্ত দাম আদায় বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

ক্যাবের মতে, পাইপলাইনের গ্যাস সুবিধাবঞ্চিত পরিবারগুলোর জন্য এলপিজি রান্নার অপরিহার্য জ্বালানি। খাদ্য, বাসাভাড়া, চিকিৎসা, শিক্ষা ও যাতায়াতের ব্যয় মেটানোর পর নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের পক্ষে জ্বালানির অতিরিক্ত খরচ বহন করা কঠিন। ফলে নতুন করে মূল্যবৃদ্ধি হলে তাদের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়বে।

লিখিত মতামতে ক্যাব উল্লেখ করেছে যে, সরবরাহের ঘাটতির অজুহাতে সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধ রাখা, মজুত থাকা সত্ত্বেও সরবরাহ না করা এবং বাজারে পণ্য সরবরাহ সীমিত করে অতিরিক্ত মূল্য আদায়ের অভিযোগ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। এই ক্ষেত্রে খুচরা বিক্রেতা ছাড়াও সংশ্লিষ্ট অপারেটর ও পরিবেশকদের ভূমিকাও তদন্তের আওতায় আনার সুপারিশ করেছে সংগঠনটি।

আমদানিকারকদের পক্ষ থেকে জাহাজভাড়া, ডলারের বিনিময় হার ও অন্যান্য ব্যয় বৃদ্ধির যুক্তি তুলে ধরার বিষয়টিও ক্যাব উল্লেখ করেছে। সংগঠনটির দাবি, এসব ব্যয় প্রকৃত লেনদেনের দলিল, নিরীক্ষিত হিসাব ও নিরপেক্ষ কারিগরি মূল্যায়নের মাধ্যমে যাচাই করা উচিত। একই ব্যয় একাধিকবার অন্তর্ভুক্ত করা, অযৌক্তিক ব্যয় ভোক্তার ওপর চাপানো কিংবা অতিরিক্ত মুনাফার সুযোগ রাখা যাবে না। আন্তর্জাতিক বাজারে আমদানি ব্যয় কমলে তার সুফলও যথাসময়ে ভোক্তাদের দিতে হবে।

এ ছাড়া মজুতকরণ, বোতলজাতকরণ, ডিস্ট্রিবিউটর ও রিটেইলার চার্জ নির্ধারণে প্রকৃত পরিচালন ব্যয়, পরিবহন, সংরক্ষণ এবং বিক্রয়ের পরিমাণ বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে ক্যাব। সরকারি এলপিজির উৎপাদন বা ক্রয়ব্যয় ও বিতরণ ব্যয় পৃথকভাবে মূল্যায়ন এবং স্বচ্ছ বরাদ্দ ও সরবরাহব্যবস্থা নিশ্চিত করার সুপারিশও করেছে সংগঠনটি।

ক্যাবের সাত দফা সুপারিশের মধ্যে রয়েছে—এলপিজির মূল্য ও সংশ্লিষ্ট চার্জ বৃদ্ধির প্রস্তাব অনুমোদন না করা, নির্ধারিত মূল্যে সিলিন্ডার বিক্রি নিশ্চিত করা, কৃত্রিম সংকট ও অতিরিক্ত মূল্য আদায়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া, চার্জ ও কমিশন বৃদ্ধির যৌক্তিকতা যাচাই, আমদানি ও বিতরণ ব্যয়ের পৃথক হিসাব প্রকাশ, প্রতিটি বিক্রয়কেন্দ্রে মূল্যতালিকা প্রদর্শন এবং রসিদ প্রদান নিশ্চিত করা।

অতিরিক্ত মূল্য আদায়, সিলিন্ডার না পাওয়া, কম ওজন ও নিরাপত্তাসংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণের সহজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রতিকার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

গণশুনানিতে আবেদনকারীদের প্রস্তাবের পাশাপাশি ভোক্তাদের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ক্যাব। চূড়ান্ত মূল্যহার নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোন ব্যয় গ্রহণ বা বর্জন করা হয়েছে এবং উত্থাপিত আপত্তিগুলো কীভাবে নিষ্পত্তি করা হয়েছে, সে বিষয়ে কমিশনের সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা চেয়েছে সংগঠনটি।

ক্যাবের প্রত্যাশা, সাধারণ ভোক্তাদের স্বার্থ ও ক্রয়ক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে বিইআরসি এলপিজির মূল্য ও সংশ্লিষ্ট চার্জ বৃদ্ধির প্রস্তাব অনুমোদন না করে নির্ধারিত মূল্যে সরবরাহ নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুদানে স্বর্ণের খোঁজে শ্রমিকেরা জীবন ঝুঁকিতে, খনিতে প্রাণ হারাচ্ছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:০০ এম


সুদানে স্বর্ণের খোঁজে শ্রমিকেরা জীবন ঝুঁকিতে, খনিতে প্রাণ হারাচ্ছেন

সুদানের গৃহযুদ্ধ মানুষের জীবিকা ধ্বংস করে দিচ্ছে। কাজের অভাবে হাজার হাজার মানুষ ঝুঁকিপূর্ণ ক্ষুদ্র স্বর্ণের খনিতে কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন। ১৬ বছর বয়সী আলতায়েব আলহাদি একটি খনিতে কাজ করতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছে। তার মৃত্যুতে সামনে এসেছে নিরাপত্তাহীন পরিবেশে কাজ করা শিশু ও তরুণ খনি শ্রমিকদের ভয়াবহ বাস্তবতা।

আলতায়েবের বয়স যখন মাত্র ছয় বছর, তখন দক্ষিণ-মধ্য সুদানের হোয়াইট নাইল রাজ্যের তার গ্রামের একটি কুয়ো ধসে মারা যান তার বাবা। এর দুই মাস পর মারা যান মা-ও। এতিম হয়ে পড়ে পরিবারের পাঁচ ভাইবোন। সবার বড় হওয়ায় ছোট ভাইবোনদের ভরণপোষণের দায়িত্ব এসে পড়ে আলতায়েবের কাঁধে।

১৪ বছর বয়সে ভাইবোনদের খাবার ও পড়াশোনার খরচ জোগাতে কাজের সন্ধানে বাড়ি ছাড়ে সে। নিজের গাল্লি গ্রাম থেকে শত শত কিলোমিটার উত্তরে পাড়ি জমায় আলতায়েব। ওই অঞ্চলে বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে স্বর্ণের খনি।

আলতায়েবের চাচা আলহাদি হামিদ আল জাজিরাকে বলেন, "আমরা তাকে খনির বিপদ সম্পর্কে সতর্ক করেছিলাম। তবে আলতায়েব ছিল উচ্চাকাঙ্ক্ষী। তার কয়েকজন আত্মীয় আগে থেকেই ওই এলাকায় কাজ করতেন। যদিও তারা ভূগর্ভস্থ খনিতে নয়, রেস্তোরাঁ ও অন্যান্য সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন।"

শুরুতে পরিবহনসহ বিভিন্ন ধরনের কাজ করত আলতায়েব। পরে স্থানীয় খনি শ্রমিকদের কাছ থেকে স্বর্ণ তুলে ভালো আয় করার গল্প শুনে আশপাশের পাহাড়ে স্বর্ণের সন্ধান শুরু করে সে।

সুদানের লোহিত সাগর অঞ্চলের জাবাল আল-আইগদাতের কাছে একটি স্বর্ণের খনিতে মিশরীয় সেনাবাহিনীর বিমান হামলায় নিহত হয় আলতায়েব। ওই হামলায় অন্তত ৭২ জন খনি শ্রমিক প্রাণ হারান। খনিটিতে কাজ শুরু করার কয়েক মাসের মধ্যেই এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

আলতায়েবের এক সহকর্মী খনি শ্রমিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে আল জাজিরাকে বলেন, "আমাদের আলাদা হওয়ার ৩০ মিনিটও পার হয়নি। এর মধ্যেই আলতায়েব তাকে জানিয়েছিল, সে খনিতে যাচ্ছে। হঠাৎ বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শুনে তারা ছুটে যান ঘটনাস্থলে। পরিস্থিতি ছিল ভয়াবহ বিশৃঙ্খল। লোকজন চারদিকে ছোটাছুটি করছিল। কয়েক মিনিটের মধ্যে একের পর এক হামলা চলছিল।"

সহকর্মীটি জানান, তারা আলতায়েবকে খুঁজে পান গুরুতর আহত অবস্থায়। বিস্ফোরণে তার হাত-পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল এবং পেটে ছিল মারাত্মক ক্ষত। তারা তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করেন এবং পাহাড়ের কাছে একটি নিরাপদ স্থানে নিয়ে যান। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মারা যায় সে। এত দ্রুত সবকিছু ঘটে যাবে, তা তারা বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না।

আলতায়েব প্রায় ১৫ জন তরুণ ও শিশুর সঙ্গে সাধারণ যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে পাথর থেকে স্বর্ণ উত্তোলন করত। শ্রমিকেরা দিনরাত খনিতে কাজ করতেন। পরে উত্তোলিত পাথর ও অন্যান্য উপাদান প্রক্রিয়াজাত করতে সেগুলো কাছের কারখানায় নিয়ে যাওয়া হতো।

স্বর্ণ বিক্রির আয় শ্রমিকদের মধ্যে ভাগ করে দেয়া হতো। তবে প্রত্যেকের আয় নির্ভর করত কতটুকু স্বর্ণ পাওয়া গেল এবং ব্যক্তিগত চুক্তির শর্ত কী ছিল, তার ওপর। খনির মালিকের ভাষ্য অনুযায়ী, ভালো দিনে পুরো দল ১০০ ডলারের বেশি আয় করতে পারত।

আলতায়েবের সাবেক এক সহকর্মী বলেন, "আমরা টানা দুই থেকে তিন সপ্তাহ খনন করেও কখনো এক গ্রাম বা তার চেয়ে কম স্বর্ণ পেতাম। কোনো কুয়োয় স্বর্ণের পরিমাণ কম হলে অন্য জায়গায় চলে যেতাম। পাওয়া স্বর্ণ বিক্রি করে লাভ ভাগ করে নিতাম, যা কখনো কখনো প্রায় ১০০ ডলার হতো।"

পরিবারের ভরণপোষণের দায়িত্বে থাকা তরুণদের কাছে এমন ঝুঁকিপূর্ণ খনিতে অনিয়মিত আয়ও বেকার থাকার চেয়ে ভালো বিকল্প বলে মনে হতে পারে। আলতায়েবের বোন রোগাইয়া আলহাদি স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানান, মৃত্যুর মাত্র ১০ দিন আগে ভাইবোনদের বলেছিল, শিগগিরই বাড়ি ফিরবে।

আলতায়েবের চাচা জানান, বন্ধুদের কাছ থেকে পরিবার জানতে পেরেছে, হামলার দিন সকালে আলতায়েব খনির কাছের একটি রেস্তোরাঁয় তাদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিল। শেষবারের মতো খনির উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে তারা এক কাপ চা পান করে। কয়েক মিনিট পরই ওই এলাকায় বিমান হামলা চালানো হয়।

মিশরীয় কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, সুদানি খনি শ্রমিকেরা সীমান্ত অতিক্রম করে মিশরে প্রবেশ করেন। তাদের কয়েকজনের বিরুদ্ধে স্বর্ণ চোরাচালান, মাদক ও মানব পাচারের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগও রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সুদানের পক্ষ থেকে কোনো জবাব দেয়া হয়নি।

২০২৩ সালে সুদানের সামরিক বাহিনী ও আধাসামরিক গোষ্ঠী র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) মধ্যে গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর দেশটির অর্থনীতি বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। জীবিকার বিকল্প উৎস না থাকায় হাজার হাজার মানুষ উত্তর সুদানের ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্পভিত্তিক স্বর্ণের খনিতে কাজ খুঁজতে বাধ্য হন।

এসব খনিতে কাজের ধরনও ভিন্ন। কেউ নিজের উদ্যোগে স্বর্ণ খোঁজেন, আবার কেউ বিনিয়োগকারীদের মালিকানাধীন খনিতে কাজ করেন। এ ক্ষেত্রে আয় নির্ভর করে পাওয়া স্বর্ণের পরিমাণ, সরঞ্জাম ও জ্বালানির খরচ এবং অর্থায়নকারীদের সঙ্গে সম্মত লাভের ভাগের ওপর।

স্বর্ণ পাওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও খনি শ্রমিকদের প্রতিনিয়ত নানা বিপদের মুখে পড়তে হয়। ধসে পড়া খনি, অস্থিতিশীল মাটি ও বিমান হামলার ঝুঁকি রয়েছে। বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলে চিকিৎসার সুযোগ সীমিত হওয়ায় দুর্ঘটনায় আহত হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে।

খনি শ্রমিকদের জীবনযাপনও অত্যন্ত কঠিন। রিভার নাইল রাজ্যে ১০ বছর খনি শ্রমিক হিসেবে কাজ করা মোহাম্মদ আওয়াদালকারিম জানান, শ্রমিকেরা প্রায়ই চটের বস্তা ও প্লাস্টিকের শিট দিয়ে তৈরি অস্থায়ী কুঁড়েঘরে থাকেন। তাদের প্রধান খাবার মসুর ডাল ও জোয়ারের পায়েস।

তবে যেসব পরিবারের নির্ভরযোগ্য আয়ের উৎস নেই, তাদের কাছে এসব খনি তাৎক্ষণিক উপার্জনের একটি সম্ভাবনা তৈরি করে। যদিও ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্বর্ণ খুঁজেও অনেক শ্রমিক নিজেদের খরচ মেটানোর মতো স্বর্ণ পান না। আবার কেউ কেউ বিনিয়োগকারী বা যন্ত্রপাতির মালিকদের সঙ্গে আয় ভাগ করে নেন। ফলে দিনশেষে তাদের হাতে খুব সামান্য অর্থ থাকে।

চ্যাথাম হাউস থিঙ্ক ট্যাঙ্কের গবেষণা অনুযায়ী, ২০২৪ সালে সুদানের ঘোষিত স্বর্ণ উৎপাদনের ৫৩ দশমিক ৭১ টন বা প্রায় ৮৩ শতাংশ এসেছিল কুটিরশিল্প ও ক্ষুদ্র পরিসরের খনি থেকে। তবে এই হিসাব শুধু সরকার-নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোর উৎপাদনকে অন্তর্ভুক্ত করেছে। সুদানের ১৮টি রাজ্যজুড়ে প্রায় ১০ লাখ মানুষ এ ধরনের খনির কাজে যুক্ত ছিলেন। এসব খাত থেকে বছরে প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার আয় হতো।

ক্ষুদ্র খনিগুলোকে সাধারণত যুদ্ধের মূল অর্থায়ন নেটওয়ার্কের বাইরে বলে মনে করা হলেও, এসব এলাকাও সহিংসতা থেকে রেহাই পায়নি। স্থানীয় সূত্র ও খনি শ্রমিকদের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৬ জুন মিশরীয় সীমান্তের কাছে একটি খনি এলাকায় হামলায় বেশ কয়েকজন নিহত ও আহত হন। সীমান্তবর্তী সুদানি এলাকায় বারবার বিমান হামলার ঘটনায় বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তা, ভূখণ্ডগত সার্বভৌমত্ব ও জবাবদিহি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

মিশরীয় কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, সুদানি স্বর্ণ অনুসন্ধানকারীরা সীমান্ত পেরিয়ে একটি মিশরীয় কোম্পানি পরিচালিত খনি এলাকার কাছে খননকাজ চালাচ্ছিলেন। তবে এ দাবির পক্ষে স্বাধীন প্রমাণ খুবই সীমিত।

জানা গেছে, সুদানের সামরিক নেতা আবদেল ফাত্তাহ আল-বুরহান হামলার ঘটনা তদন্তে প্রসিকিউটর, বিচার বিভাগীয় প্রতিনিধি ও নিরাপত্তা সংস্থার সদস্যদের নিয়ে একটি তথ্য অনুসন্ধান কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন। তবে জুনে ঘোষিত একই ধরনের আরেকটি ঘটনার তদন্তের ফলাফল এখনো জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়নি।

আঞ্চলিক সংঘাত ও স্বর্ণের সন্ধানে প্রাণ দিতে হয়েছে আলতায়েবকে। যে স্বর্ণ কারও কারও জন্য বিপুল মুনাফার উৎস, সেটিই আবার অনেক শ্রমিকের কাছে সামান্য আয় করে বেঁচে থাকার অবলম্বন।

আলতায়েবের মৃত্যুর পর তার ভাইবোনেরা এখন চাচা, খালা ও চাচাতো ভাইবোনসহ বর্ধিত পরিবারের সঙ্গে বসবাস করছে। পরিচিতজনেরা তাদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন। একই সঙ্গে আলতায়েবের স্মৃতি ধরে রাখতে গাল্লি গ্রামে সামাজিক উদ্যোগও নেয়া হচ্ছে।

আলতায়েবের পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, তারা তার ইচ্ছা অনুযায়ী ছোট ভাইবোনদের লালন-পালন ও যত্ন নেবেন। আলতায়েব ছিল তরুণ, যত্নশীল ও সাহসী। তাকে সবসময় স্মরণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অ্যানথ্রোপিকের সতর্কবার্তা: এআই মানবজাতির জন্য ‘বিপর্যয়কর ঝুঁকি’ তৈরি করতে পারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৩৩ এম


অ্যানথ্রোপিকের সতর্কবার্তা: এআই মানবজাতির জন্য ‘বিপর্যয়কর ঝুঁকি’ তৈরি করতে পারে

যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে বড় পরিসরে তালিকাভুক্তির পরিকল্পনার বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রতিষ্ঠান অ্যানথ্রোপিক। প্রতিষ্ঠানটি সতর্ক করে জানিয়েছে, যদি যথাযথ সুরক্ষা নিশ্চিত না করা হয়, তাহলে এআই মানবজাতির জন্য ‘বিপর্যয়কর ঝুঁকি, এমনকি অস্তিত্বের জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে’ বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ক্লড চ্যাটবটের নির্মাতা অ্যানথ্রোপিক জানিয়েছে, তারা নাসডাকে ‘এএনটি’ প্রতীকে তালিকাভুক্ত হবে। এটি হবে সম্পূর্ণ এআইকেন্দ্রিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে প্রথম কোম্পানি। ফলে প্রযুক্তিটির ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হয়ে উঠবে।

অ্যানথ্রোপিকের মূল্যায়ন স্পেসএক্সকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গ্রীষ্মকালে প্রাথমিক মূল্যায়ন প্রায় ১.৮ ট্রিলিয়ন ডলার নিয়ে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে স্পেসএক্স এ ক্ষেত্রে রেকর্ড গড়েছিল। তবে অ্যানথ্রোপিক এখনো কতটি শেয়ার ছাড়বে, শেয়ারের সম্ভাব্য মূল্যসীমা কত হবে কিংবা কবে তালিকাভুক্ত হবে, সে বিষয়ে কোনো তথ্য জানায়নি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে অ্যানথ্রোপিকের আয় হয়েছে ১৬.৩ বিলিয়ন ডলার (প্রায় ১ হাজার ৬৩০ কোটি ডলার)। একই সময়ে প্রতিষ্ঠানটির লোকসান হয়েছে ৮০.৭ বিলিয়ন ডলারের বেশি।

তালিকাভুক্তির আগে জমা দেওয়া নথিতে অ্যানথ্রোপিক উল্লেখ করেছে, এআই ব্যবস্থা মানবজাতির জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলে নীতিনির্ধারক, নিয়ন্ত্রক সংস্থা, গবেষক এবং প্রতিষ্ঠানটির অভ্যন্তরীণ ব্যক্তিদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটি সতর্ক করে বলেছে, যদি যথাযথ সুরক্ষা, তদারকি ও নিরাপত্তাব্যবস্থা ছাড়া উন্নত এআই ব্যবস্থা তৈরি, ব্যবহার ও পরিচালনা করা হয়, তাহলে তা মানবজাতির জন্য বিপর্যয়কর কিংবা অস্তিত্বের জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে।

বিশেষ করে এসব ব্যবস্থা অপব্যবহার করা হলে, প্রতিলিপি তৈরি করা হলে, অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হলে কিংবা উচ্চমাত্রার স্বায়ত্তশাসনের সঙ্গে কাজ করতে দেওয়া হলে ঝুঁকি বাড়তে পারে।

পাঁচ বছর আগে প্রধান নির্বাহী দারিও আমোদেই, তার বোন ড্যানিয়েলা আমোদেই এবং আরও পাঁচজন মিলে অ্যানথ্রোপিক প্রতিষ্ঠা করেন। চলতি বছরের জুনে প্রতিষ্ঠানটি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার ইচ্ছার কথা জানায়।

এরপর অ্যানথ্রোপিকের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ওপেনএআইও একই ধরনের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পরিকল্পনা সম্পর্কে অবগত এক ব্যক্তির বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, ওপেনএআইয়ের তালিকাভুক্তি আগামী বছরের শুরুর দিকে হতে পারে।

দুই প্রতিষ্ঠানের এসব ঘোষণার পর কিছুটা স্বায়ত্তশাসনের সঙ্গে কাজ করতে সক্ষম এআই এজেন্টকে ঘিরে সাইবার নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন প্রযুক্তিগত নিরাপত্তা লঙ্ঘনের ঘটনা সামনে এসেছে। বর্তমান ও সাবেক কর্মীরাও সতর্ক করেছেন, এআই প্রযুক্তি এমনভাবে তৈরি করা হচ্ছে, যাতে ভবিষ্যতে এআই সরঞ্জামের কারণে মানবজাতির সম্ভাব্য ক্ষতি ঠেকানোর সক্ষমতা যথেষ্ট নয়।

সোমবার (২৬ অেক্টোবর) অ্যানথ্রোপিক শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির পরিকল্পনা প্রকাশ করার দিনেই এলভিস প্রিসলির সংগীতের স্বত্বাধিকারীরা প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে মামলা করেন। তাদের অভিযোগ, ক্লড চ্যাটবটকে প্রশিক্ষণ দিতে অ্যানথ্রোপিক রক অ্যান্ড রোল তারকা প্রিসলির শত শত গান ব্যবহার করেছে।

তথ্যসূত্র: বিবিসি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাঁদাবাজির মামলায় যুবদল নেতা জালাল মাতুব্বর গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৩৭ এম


চাঁদাবাজির মামলায় যুবদল নেতা জালাল মাতুব্বর গ্রেপ্তার

রাজধানীর চাঁদাবাজির মামলায় যুবদল নেতা জালাল মাতুব্বরকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এর আগে, একই অভিযোগে তার বড় ভাই ও আদাবর থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক নয়ন হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। বড় ভাইয়ের গ্রেপ্তারের পর ছোট ভাইয়ের গ্রেপ্তার নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

ডিবির তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. জিয়াউদ্দিন আহম্মেদ আজ মঙ্গলবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গতকাল সোমবার দিবাগত রাতে চাঁদাবাজির একটি মামলায় জালাল মাতুব্বরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উল্লেখ্য, জালাল মাতুব্বর রাজধানীর ৩০ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের আহ্বায়ক। সম্প্রতি আদাবরে ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগও তার বিরুদ্ধে উঠেছে।

আগে গ্রেপ্তার হন বড় ভাই নয়ন

জালাল মাতুব্বরের বড় ভাই নয়ন হোসেন আদাবর থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ছিলেন। গত ২২ অক্টোবর চাঁদাবাজির মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করে ডিবি। অভিযোগ রয়েছে, আদাবরে সিটি করপোরেশনের ড্রেনেজ ও নালা নির্মাণকাজে বাধা দিয়ে ভবনমালিকদের কাছে চাঁদা দাবি করছিলেন তিনি। গ্রেপ্তারের পর নয়ন হোসেনের সাংগঠনিক পদ স্থগিত করে ছাত্রদল।

গত ২৪ অক্টোবর ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলমের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তার পদ স্থগিত করা হয়েছে। ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন।

যুবদল থেকেও বহিষ্কার জালাল

বড় ভাইয়ের গ্রেপ্তারের পর এবার জালাল মাতুব্বরকেও দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। যুবদলের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে যুবদলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি। তবে দলীয় সূত্রে জানা গেছে, চাঁদাবাজির অভিযোগ ও দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রগুলো জানাচ্ছে, দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ নতুন নয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, তারা দীর্ঘদিন ধরে আদাবর এলাকায় বিভিন্ন নির্মাণকাজে বাধা দিয়ে চাঁদা আদায় করে আসছিলেন। ভয়ের কারণে ভবনমালিক ও ঠিকাদারেরা মুখ খুলতেন না। সম্প্রতি কয়েকজন ভুক্তভোগী ডিবির কাছে অভিযোগ দিলে তদন্ত শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় প্রথমে নয়ন এবং পরে জালালকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এআরবি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%