ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের সঙ্গে ‘দাদা ভাই বাহিনী’র বন্দুকযুদ্ধে ৫ জেলে উদ্ধার


সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের সঙ্গে ‘দাদা ভাই বাহিনী’র বন্দুকযুদ্ধে ৫ জেলে উদ্ধার

সুন্দরবনের notorious বনদস্যু ‘দাদা ভাই বাহিনী’র সঙ্গে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। এই সংঘর্ষের সময় দস্যুদের দ্বারা জিম্মি করে রাখা পাঁচ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

ঘটনাস্থল থেকে একটি একনলা বন্দুক, ছয় রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ এবং তিনটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে। তবে কোস্ট গার্ডের অভিযানের মুখে দস্যুরা জিম্মিদের ফেলে সুন্দরবনের গভীরে পালিয়ে যাওয়ায় তাদের কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

মঙ্গলবার বিকেলে কোস্ট গার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানান।

আরও পড়ুন: উখিয়ায় ১৫ ঘণ্টা পরও জ্বলছে গ্যাসের আগুন, ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ

কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা গেছে, সুন্দরবনের সক্রিয় বনদস্যু বাহিনীগুলো নির্মূল এবং উপকূলীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের নেতৃত্বে ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ ও ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে দুটি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।

মঙ্গলবার মধ্যরাতে কোস্ট গার্ড স্টেশন কয়রা ও দোবেকী যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে দস্যুরা অতর্কিতভাবে সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি চালাতে শুরু করে। এ সময় আত্মরক্ষার্থে কোস্ট গার্ড সদস্যরাও পাল্টা গুলি চালান। উভয় পক্ষের গোলাগুলির এক পর্যায়ে দস্যুরা জিম্মি জেলেদের ফেলে সুন্দরবনের গহীনে পালিয়ে যায়।

পরে ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে একটি একনলা বন্দুক, ছয় রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ এবং তিনটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র জব্দ করা হয়।

উদ্ধার হওয়া জেলেরা হলেন—সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার রবিউল ইসলাম (৩৫) ও বিল্লাল হোসেন (২৬) এবং খুলনার কয়রা উপজেলার আলাউল ইসলাম (৩২), নওশেন মোড়ল (৪১) ও শাহিনুর রহমান (২৮)।

আরও পড়ুন: তাহিরপুরে প্রবাসীর স্ত্রী ও পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে উধাও নাজমুল, পরিবার উদ্বিগ্ন

কোস্ট গার্ড জানায়, জব্দ করা অস্ত্র ও কার্তুজের বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। উদ্ধার হওয়া জেলেদের তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রমও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

অভিযান সম্পর্কে ব্রিফিং করেন বিসিজিএস সোনার বাংলার নির্বাহী কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট ওয়াসিফ কবীর শামিত।

এমই

আরও পড়ুন: কুমিল্লার আদালতে মহিলা আ.লীগ নেত্রীর বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ, আটক

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাঈদীর মামলার বাদীকে দাফনে বাধা দেয়ার ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন জামায়াতের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৪১ এম


সাঈদীর মামলার বাদীকে দাফনে বাধা দেয়ার ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন জামায়াতের

পিরোজপুরে জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মামলার বাদী বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর মরদেহ দাফনে বাধা দেয়ার ঘটনার তদন্তের জন্য জামায়াতে ইসলামী একটি দুই সদস্যের কমিটি গঠন করেছে। এই তদন্ত কমিটি আগামী তিন দিনের মধ্যে তাদের প্রতিবেদন জমা দেবে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় মগবাজারের জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের বিশেষ বৈঠকে এই কমিটি গঠন করা হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের আমির ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

কমিটির সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন এবং সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম বুলবুল। জামায়াতের সূত্র থেকে জানা যায়, বৈঠকে পিরোজপুরে ঘটে যাওয়া সাম্প্রতিক ঘটনাবলী নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। গঠিত কমিটি ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করবে এবং সংগঠনের কেউ এতে জড়িত কিনা তা খতিয়ে দেখবে। তদন্ত কমিটিকে সার্বিক সহায়তা প্রদানের জন্য স্থানীয় নেতাদের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

মানিক পশারী (৮৭) পিরোজপুর সদরের শংকরপাশা ইউনিয়নের চিতলিয়া গ্রামের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি গেজেটভুক্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা। মানিক পশারী জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালের মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দায়ের করা মামলার বাদী এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষের অন্যতম সাক্ষী। ২০০৯ সালের ১২ আগস্ট মানিক পশারী পিরোজপুর থানায় দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন অপরাধের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে এই অভিযোগটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মূল মামলার সঙ্গে যুক্ত করা হয়।

এছাড়া আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাঈদীর বিরুদ্ধে বিচার চলাকালীন মানিক পশারী রাষ্ট্রপক্ষের ৬ নম্বর সাক্ষী হিসেবে ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হয়ে সাঈদীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেন। তিনি নিজেকে ওই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে দাবি করেছিলেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে মানিক পশারী পলাতক ছিলেন। পরে তিনি টুঙ্গিপাড়ায় মেয়ের জামাতার কাছে চলে যান। দুই মাস ধরে তিনি শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন। গত ২৪ অক্টোবর সকাল ১০টার দিকে মেয়ের বাড়িতেই মানিক পশারীর মৃত্যু ঘটে। দুপুর ১২টার দিকে তার পরিবারের সদস্যরা মরদেহ পিরোজপুরে নিয়ে যান। তবে তার মরদেহ দাফনে বাধা দেয়ার অভিযোগ স্থানীয় জামায়াতের বিরুদ্ধে উঠেছে।

তার স্বজনদের অভিযোগ, জামায়াত নেতাদের বাধার কারণে তাকে প্রকাশ্যে গার্ড অব অনার দেয়া সম্ভব হয়নি। পরে শনিবার বিকেল ৫টার দিকে পুলিশ লাইনসের ভেতরে গোপনে গার্ড অব অনার দিয়ে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে প্রশাসন। মরদেহ দাফনের জন্য প্রথমে খোঁড়া কবর একদল ব্যক্তি ভরাট করে ফেলে। পরে মানিক পশারীর মেয়ে তার ফুফুদের নিয়ে নতুন করে বাড়িতেই কবর খুঁড়ে মরদেহ দাফন করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আদাবরে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে মারাত্মকভাবে জখম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৪১ এম


আদাবরে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে মারাত্মকভাবে জখম

রাজধানীর আদাবরে যুবদলের এক নেতা আব্দুল আহাদ মুন্না (৩৫) কে মারাত্মকভাবে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে আদাবর ১৩ নম্বর রোডের ইয়ার উদ্দিন খলিফা ফ্যাশনের সামনে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

মুন্নার স্বজনদের বক্তব্য অনুযায়ী, যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের পর সন্ধ্যার সময় মুন্না ওই সড়কের একটি চায়ের দোকানে বসেছিলেন। হঠাৎ করে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে একাধিক ব্যক্তি তার ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা মুন্নার হাত এবং মাথায় কুপিয়ে মারাত্মকভাবে জখম করে।

হামলার পূর্বাভাস হিসেবে মুন্না গত সোমবার ফেসবুকে লাইভে এসে কিছু কথা বলেছিলেন। হামলার সময় হামলাকারীরা সেই কথাগুলি উল্লেখ করে অভিযোগ তোলে।

মুন্নার বোন ইয়াসমিন আক্তার জানান, এর আগে সেপ্টেম্বর মাসের শেষ দিকে মুন্নার ওপর হামলা হয়েছিল। সেই ঘটনার পর আদাবর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছিল। আসামি গ্রেফতার হলেও জামিনে বের হয়ে আজ আবারও হামলা চালানো হয়েছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ৩০ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সদস্য আব্দুল আহাদ মুন্নাকে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে একই ওয়ার্ডের আরেক সদস্য রিপন ওরফে বাচ্চা রিপন এবং তার সহযোগীরা চাপাতি দিয়ে আঘাত করে। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে প্রথমে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি রয়েছেন।

আহত মুন্না এবং অভিযুক্ত রিপন ওরফে বাচ্চা রিপন উভয়ই আদাবর থানার ওয়ার্ড যুবদলের সদস্য এবং দুজনেই যুবদল নেতা সজীব আহম্মেদ রানার সঙ্গে বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত।

আদাবর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুর রহমান সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, এলাকায় সিকিউরিটি গার্ডের টাকা উত্তোলন এবং একটি খালি কক্ষে যুবদলের অফিস বানানোর বিষয়টি নিয়ে বিরোধ ছিল। এই ঘটনার জেরে হামলা হয়েছে। অভিযুক্তকে আটক করার প্রক্রিয়া চলছে এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আব্বাসউদ্দীনের ভাওয়াইয়া গান নিয়ে উৎসবের আয়োজন করবে সরকার: সংস্কৃতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৪২ এম


আব্বাসউদ্দীনের ভাওয়াইয়া গান নিয়ে উৎসবের আয়োজন করবে সরকার: সংস্কৃতিমন্ত্রী

কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী আব্বাসউদ্দীন আহমদের ভাওয়াইয়া গান নিয়ে সরকার কয়েক দিনের উৎসব আয়োজনের পরিকল্পনা করছে। সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জানিয়েছেন, এই উৎসবটি শুধুমাত্র জন্মবার্ষিকী উদযাপন নয়, বরং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের শিল্পীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হবে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে আব্বাসউদ্দীন আহমদের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই তথ্য জানান।

সংস্কৃতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, "শুধু জন্মদিন পালন নয়, আমরা আব্বাসউদ্দীন আহমদের ভাওয়াইয়া গান নিয়ে কয়েক দিনের উৎসব করব। সেখানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের শিল্পীরা গাইবেন। আমরা বাউল উৎসব করব, কুষ্টিয়ায় আমরা লালন উৎসব করেছি। আমরা হাসন উৎসব করব। যাত্রা-সার্কাসকে আমরা নতুন ধরনের আনতে চাই, যাতে সবাই পরিবারসহ দেখতে পারে। আমরা সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বাড়াচ্ছি। সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বিতভাবে সাংস্কৃতিক কার্যক্রমগুলো এগিয়ে নেওয়ার কাজ চালিয়ে যাচ্ছি।"

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব ও একাডেমির মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহা. হারুন-অর-রশীদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমিন বেগম। মুখ্য আলোচক ছিলেন বিশিষ্ট গবেষক ও সংগীতশিল্পী অধ্যাপক ড. নাশিদ কামাল।

সভাপতির বক্তব্যে মোহা. হারুন-অর-রশীদ বলেন, "গ্রামীণ জনপদের চিরচেনা আবেগকে তিনি সংগীতের মাধ্যমে বৃহত্তর সমাজের কাছে তুলে ধরেছেন।"

তিনি আরও বলেন, "উত্তরবঙ্গের মানুষের জীবনধারাকে ভাওয়াইয়া সুরের মাধ্যমে আব্বাসউদ্দীন এমন উচ্চতায় প্রতিষ্ঠিত করেছেন, যা ভৌগোলিক সীমারেখা অতিক্রম করে বাংলা ভাষাভাষী মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী আসন করে নিয়েছে। নজরুলের ইসলামি গান জনপ্রিয় করে তোলার ক্ষেত্রেও আব্বাসউদ্দীনের ভূমিকা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।"

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় মঙ্গলবার জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। বাংলা লোকসংগীতকে বিশ্বদরবারে পরিচিত করে তোলার পথিকৃৎ আব্বাসউদ্দীন আহমদের কালজয়ী গান পরিবেশনার মধ্য দিয়ে শিল্পীরা তাকে স্মরণ করেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে শিল্পী রেজাউল করিম লিমন পরিবেশন করেন ‘প্রাণ সখীরে, ঐ শোন কদম্বতলে বংশী বাজায় কে’ ও ‘পরের অধীনে কইরাছে আমায়’। এরপর শিল্পী রাহাত আরা গীতি নজরুলসংগীত পরিবেশন করেন। শিল্পী নোশীন লায়লার কণ্ঠে শোনা যায় ‘সে যেন কি করলোরে আমায়’ ও ‘আমায় এত রাত কেন ডাক দিলি প্রাণ কোকিলারে’।

শিল্পী সালাউদ্দিন আহমদ পরিবেশন করেন ‘ভুলে যেও ভুলে যেও’ ও ‘কুঁচবরণ কন্যারে তোর মেঘবরণ কেশ’। এরপর অধ্যাপক ড. নাশিদ কামাল গেয়ে শোনান ‘ওকি গাড়িয়াল ভাই’। সবশেষে আব্বাসউদ্দীন সংগীত একাডেমির শিল্পীরা সমবেতভাবে পরিবেশন করেন ‘ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ’ ও ‘বাওকুমটা বাতাস যেমন ঘুরিয়া ঘুরিয়া মরে’।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২৯ অক্টোবর মধ্য রাতে উঠে যাচ্ছে ইলিশ রক্ষার নিষেধাজ্ঞা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৪২ এম


২৯ অক্টোবর মধ্য রাতে উঠে যাচ্ছে ইলিশ রক্ষার নিষেধাজ্ঞা

লক্ষ্মীপুরের মেঘনায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা উঠে যাচ্ছে ২৯ অক্টোবর মধ্য রাত থেকে, যা জাটকা সংরক্ষণ, মা ইলিশ রক্ষা ও মাছের উৎপাদন বাড়ানোর উদ্দেশ্যে ছিল।

এখন জেলার ৫৪ হাজার জেলে মাছ শিকারের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। মাছঘাটগুলোতে জাল ও নৌকাসহ অন্যান্য কাজ সেরে নিতে তারা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিন দাবি করেছেন, "গত বছরের চেয়ে এবার মাছের উৎপাদন বাড়বে।"

মৎস্য বিভাগ ও জেলেরা জানাচ্ছেন, লক্ষ্মীপুরে ৫৪ হাজার নিবন্ধিত জেলে রয়েছেন, যারা মেঘনা নদীতে মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করেন। ৮ অক্টোবর মধ্য রাত থেকে ২৯ অক্টোবর মধ্য রাত পর্যন্ত নদীতে সকল ধরনের জাল ফেলা ও মাছ ধরা নিষিদ্ধ ছিল।

এই নিষেধাজ্ঞার ২০ দিনে ২শ’ ২৯টি অভিযান পরিচালনা করা হয় এবং মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ১৫০ জেলেকে আটক করা হয়। এর মধ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৭৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে। ৭৭ জেলেকে ১ লাখ ৯৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

নিয়মিত ১শ’টি মামলা করা হয়েছে এবং এ সময় সাড়ে ৪ টন ইলিশ ও ২০টি নৌকা জব্দ করা হয়। জব্দকৃত ইলিশগুলো বিভিন্ন এতিমখানায় বিতরণ করা হয়। এছাড়া ৩৭ লাখ মিটার কারেন্ট জালও জব্দ করা হয়েছে।

৮ অক্টোবর থেকে ২৭ অক্টোবর রামগতির আলেকজান্ডার থেকে রায়পুরের হাজীমারা পর্যন্ত মেঘনা নদীতে অভিযান পরিচালনা করেছে মৎস্য বিভাগের নেতৃত্বে টাস্কফোর্স কমিটি।

২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে ২৯ অক্টোবর মধ্য রাতে। এরপর থেকে মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা উঠে যাবে। তাই মাছ শিকারের জন্য জেলেরা প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তারা মাছঘাটগুলোতে জাল ও নৌকাসহ সব ধরনের কাজ সেরে নিচ্ছেন।

এবার লক্ষ্মীপুরের রামগতির আলেকজান্ডার থেকে চাঁদপুরের ষাটনল এলাকার ১শ’ কিলোমিটার পর্যন্ত মেঘনা নদীতে সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ ছিল। এই সময় সব রকমের ইলিশ সংরক্ষণ, আহরণ, পরিবহন, বাজারজাতকরণ ও মজুদকরণ নিষিদ্ধ ছিল।

নিষেধাজ্ঞাকালীন সময়ে প্রত্যেক জেলেকে ২৫ কেজি করে ১ হাজার ১শ’ ৫৩ মে.টন ভিজিএফের চাল বরাদ্ধ দেওয়া হয়। তবে অনেক জেলে বরাদ্ধকৃত চাল না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন।

মতিরহাট হাট ঘাটের জেলে সফিক উল্যা ও মানা মাঝি জানিয়েছেন, "সরকারের ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা মেনে নদীতে মাছ শিকারে যাইনি। তবে গত বারের চেয়ে এবার অভিযান খুবই কড়াকড়ি ছিল।" প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের কারণে নদীতে নামতে সাহস করেনি জেলেরা। যারা আইন না মেনে নদীতে মাছ শিকারে গেছেন, তাদের প্রশাসনের হাতে আটক হতে হয়েছে।

এবার ভিজিএফের চালও পেয়েছি ঠিকমত। মজুচৌধুরীরহাট ঘাটের আবুল কালাম ও তোফায়েল আহমদ জানিয়েছেন, "প্রতিবছর নদীতে অভিযান চলে।"

জাটকা সংরক্ষণ ও ইলিশের উৎপাদনের লক্ষ্য এবারের অভিযান সফল হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা উঠে যাবে ২৯ অক্টোবর মধ্য রাতে। এরপর থেকে আবারও পুরোদমে নদীতে মাছ ধরা শুরু হবে। তারা মাছ শিকার করে পরিবার পরিজন নিয়ে সুখে থাকবেন।

মজুচৌধুরীরহাট ঘাটের আড়ৎদার মিন্টু জানিয়েছেন, "২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা উঠে যাচ্ছে। তাই ঘাটে আড়তের সব ঠিকটাক করে নিচ্ছি।" তিনি আশা করছেন, বন্ধের পর ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরা পড়বে।

মজুচৌধুরীরহাট নৌ-পুলিশের উপ-পরিদর্শক মো. আবদুর রহমান জানিয়েছেন, "দিনরাত নদীতে অভিযান চালিয়েছি। অনেক সময় বিভিন্ন বাধা সম্মুখীন হলেও অভিযান থেকে সরে যায়নি।"

এবারের অভিযান সফল দাবি করে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিন বলেছেন, "গত দুই বছর মাছের উৎপাদন কম ছিল। তবে এবার মাছের উৎপাদন আগের তুলনায় বৃদ্ধি পাবে।"

২২ দিনের অভিযানে দেড়শ জেলেকে জেল জরিমানা ও মামলা করা হয়েছে। ভবিষৎতেও তা অব্যাহত থাকবে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫ হাজার মে.টন, যা গত বছরের চেয়ে ২ হাজার মে.টন বেশি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%