ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং
শেফিল্ডে জয় দিয়ে হামজার নতুন অধ্যায়ের সূচনা

শেফিল্ডে জয় দিয়ে হামজার নতুন অধ্যায়ের সূচনা


শেফিল্ডে জয় দিয়ে হামজার নতুন অধ্যায়ের সূচনা

স্থায়ীভাবে শেফিল্ড ইউনাইটেডে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার পর প্রথমবার মাঠে নেমে জয় অর্জন করলেন বাংলাদেশি ফুটবলার হামজা চৌধুরী। মঙ্গলবার রাতে অনুষ্ঠিত চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচে বোল্টন ওয়ান্ডারার্সকে ৩-২ গোলে পরাজিত করে চলতি মৌসুমে প্রথম জয় তুলে নিল শেফিল্ড।

ব্রামাল লেনে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে হামজা শুরু থেকেই একাদশে ছিলেন। তবে ঘরের মাঠে খেলার শুরুতেই ধাক্কা খায় শেফিল্ড। ম্যাচের প্রথম মিনিটে জাভিয়ার সিমন্সের গোলে বোল্টন এগিয়ে যায়।

তবে পিছিয়ে পড়ার পর স্বাগতিকদের জন্য অপেক্ষা করতে হয়নি বেশি সময়। তিন মিনিটের মধ্যে শেফিল্ড সমতায় ফেরে। এরপর প্রথমার্ধে আর কোনো গোল না হলে দুই দল ১-১ সমতায় বিরতিতে যায়।

আরও পড়ুন: বিদ্যুৎখাতে লুটপাটের জন্য ইনডেমনিটি দিয়েছিল আওয়ামী সরকার: রিজভী

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আবারও এগিয়ে যায় বোল্টন। সফরকারীদের হয়ে স্যাম ডাল্বি দ্বিতীয় গোলটি করেন। কিন্তু এক মিনিট পরই শেফিল্ড আবারও সমতা ফিরিয়ে আনে। প্যাট্রিক ব্যামফোর্ডের গোলে স্কোরলাইন ২-২ হয়ে যায়।

শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি ড্রয়ের দিকে এগোচ্ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে শেফিল্ডকে কাঙ্ক্ষিত জয় এনে দেন রোমেলে ডোনোভান। তার জয়সূচক গোলে ৩-২ ব্যবধানে ম্যাচ জিতে মাঠ ছাড়ে স্বাগতিকরা।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দুই দলের মধ্যে ছিল হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। শেফিল্ড ৫৩ শতাংশ সময় বল নিজেদের দখলে রাখলেও বোল্টনের দখলে ছিল ৪৭ শতাংশ। স্বাগতিকরা মোট ২০টি শট নেয়, যার মধ্যে তিনটি থেকে গোল হয়। অন্যদিকে, বোল্টন ২১টি শট নিলেও লক্ষ্যে রাখতে পারে মাত্র পাঁচটি, গোল হয়েছে দুটি।

মৌসুমের প্রথম তিন ম্যাচে শেফিল্ড অপরাজিত থাকলেও কোনো জয় পায়নি, তিনটি ম্যাচই শেষ হয়েছিল ড্রয়ে। চতুর্থ ম্যাচে এসে অবশেষে জয়খরা কাটল দলটির। আর শেফিল্ডে স্থায়ী চুক্তির পর প্রথম ম্যাচেই সেই জয়ের সাক্ষী হলেন হামজা চৌধুরী।

আরও পড়ুন: সাদমানের ফিফটির পর এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরলেন শান্ত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোলাপগঞ্জে ভূয়া প্রেসক্লাব কমিটি, বিভ্রান্তি না হওয়ার আহ্বান মূলধারার সাংবাদিকদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

গোলাপগঞ্জ (সিলেট) প্রতিনিধি

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:১৮ পি.এম


গোলাপগঞ্জে ভূয়া প্রেসক্লাব কমিটি, বিভ্রান্তি না হওয়ার আহ্বান মূলধারার সাংবাদিকদের

সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাব নামের একটি ভূইভোড় সাংবাদিক সংগঠনের নামের সিলেট জুড়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে কিছু অসাধু হলুদ সাংবাদিক ধারি কথিত ফেসবুক লাইভাররা। সম্প্রতি ০১লা সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং (মঙ্গলবার) গোলাপগঞ্জস্থ সানরাইজ হল রুমে গোলাপগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাব নামের একটি সংগঠনের বিভিন্ন ফেসবুক লাইভারের মাধ্যমে কমিটি প্রকাশ করে থাকে যা গোলাপগঞ্জে বিভিন্ন অনলাইন ও স্থানীয় প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকরা অবগগত বা জড়িত নয়। ইতিপূর্বের গোলাপগঞ্জের দুটি প্রেসক্লাব গ্রুপের বিরোধ নিস্পত্তি হয়ে দুটি ক্লাব ঐক্য হয়ে নির্বাচনের প্রস্তুতি চলছে, হালনাদ ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এরই মধ্যে একটি লাইভার চক্র হাতের হলুদ সাংবাদিকতা গোলাপগঞ্জে বলবত রাখতে এরা গোলাপগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাব কমিটি ঘোষণা দিয়ে গোলাপগঞ্জ সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্তি ছাড়াচ্ছে।  
গোলাপগঞ্জের মূলধারার সাংবাদিকদের দাবি, প্রকৃত সাংবাদিকদের নিয়ে গোলাপগঞ্জের একমাত্র মূল প্রেসক্লাবের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের লক্ষ্যে শিগগিরই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
তাদের অভিযোগ, মূল প্রেসক্লাবে স্থান না পেয়ে একটি পক্ষ নিজেদের মতো করে কমিটি ঘোষণা করে সাংবাদিক সমাজ ও সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে।
মূলধারার সাংবাদিকরা স্পষ্ট জানিয়েছেন,ব্যক্তিগত স্বার্থে নয়, পেশাদার ও কর্মরত সাংবাদিকদের সমন্বয়ে একটি গ্রহণযোগ্য, গণতান্ত্রিক ও নির্বাচিত কমিটি গঠনই তাদের লক্ষ্য। এ বিষয়ে বিভ্রান্তিকর কোনো কমিটি বা প্রচারণায় কান না দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
শিগগিরই নির্বাচনের মাধ্যমে প্রকৃত সাংবাদিকদের প্রতিনিধিত্বশীল কমিটি গঠন করা হবে, এমনটাই জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

 
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৈশ্বিক উষ্ণায়নের সীমা ছাড়িয়ে যাবে পৃথিবী: জাতিসংঘ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:২০ পি.এম


১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৈশ্বিক উষ্ণায়নের সীমা ছাড়িয়ে যাবে পৃথিবী: জাতিসংঘ

পৃথিবী আগামী কয়েক বছরের মধ্যে প্যারিস চুক্তিতে নির্ধারিত বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বিপজ্জনক সীমা অতিক্রম করবে। জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি (ইউএনইপি) দ্বারা প্রকাশিত একটি নতুন প্রতিবেদনে এই উদ্বেগজনক পরিস্থিতির চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, যদিও দেশগুলো তাদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কার্বন নিঃসরণ শূন্যের স্তরে নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়, তথাপি প্রাক-শিল্প স্তরের তুলনায় তাপমাত্রা ১.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। এই পরিস্থিতির ফলে হিমবাহ, বরফস্তর এবং তুষারপাতের ব্যাপক পরিবর্তনসহ মারাত্মক জলবায়ু বিপর্যয়ের সম্মুখীন হবে বিশ্ব। ২১০০ সালের মধ্যে হিমবাহগুলো তাদের এক-চতুর্থাংশ ভর হারাতে পারে, যা সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ৯ থেকে ১২.৫ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বাড়াতে পারে এবং বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট সৃষ্টি করবে। গত ২৬ আগস্ট হিমবাহ ধসে নেপাল ও তিব্বতে ভয়াবহ বন্যায় এক হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু এই পরিস্থিতির একটি নির্মম উদাহরণ।

ইউএনইপি-র নির্বাহী পরিচালক ইনগার অ্যান্ডারসন সতর্ক করে বলেছেন, ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে গেলে কোনো ইতিবাচক পরিণতি আশা করা যায় না। চরম তাপপ্রবাহ বর্তমানে জলবায়ুর প্রভাব কতটা মারাত্মক হতে পারে তা স্পষ্ট করে দিচ্ছে।

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসও সাম্প্রতিক দাবদাহ ও বন্যাকে ভবিষ্যতের অশনিসংকেত হিসেবে উল্লেখ করে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে প্রবাল প্রাচীরের ধ্বংস, দাবানল এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির মতো অপরিবর্তনীয় ক্ষতি ঘটবে। অ্যান্টার্কটিকা, গ্রিনল্যান্ডের বরফ এবং আমাজনের মতো প্রাকৃতিক ব্যবস্থাগুলো চিরতরে পরিবর্তিত হতে পারে।

‘লিমিটিং ওভারশুট’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই বিপর্যয় থেকে রক্ষা পেতে অবিলম্বে গ্রিনহাউস গ্যাস কমানোর পাশাপাশি বাতাস থেকে কার্বন সরিয়ে ফেলার (সিডিআর) কোনো বিকল্প নেই।

তবে ইউএনইপি হতাশা প্রকাশ করে জানিয়েছে, দেশগুলোর বর্তমান জলবায়ু প্রতিশ্রুতি মোটেও যথেষ্ট নয়। ২০৩০ সালের মধ্যে কার্বন নির্গমন কমার পরিবর্তে স্থির থাকার আশঙ্কা রয়েছে, যা প্যারিস চুক্তির লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় অনেক দূরে।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেপালের বন্যার পর ভেসে আসা মাছ না খাওয়ার পরামর্শ ভারতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:২১ পি.এম


নেপালের বন্যার পর ভেসে আসা মাছ না খাওয়ার পরামর্শ ভারতে

ভারতের বিহার রাজ্য সরকার নেপালের ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার ফলে বন্যার পানিতে ভেসে আসা এবং ধরা পড়া অপরিচিত মাছ খাওয়ার ব্যাপারে সতর্কতা জারি করেছে। একইসঙ্গে, এসব মাছ কেনাবেচা থেকেও বিরত থাকার জন্য বাসিন্দাদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিহারের দুগ্ধ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে জনসাধারণের জন্য একটি সতর্কবার্তা প্রকাশ করা হয়। এই সতর্কবার্তায় উল্লেখ করা হয়, নেপাল থেকে আসা বন্যার পানি গণ্ডক ও কোশী নদী দিয়ে বিহারের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রবাহিত হচ্ছে, যার ফলে সেখানে অস্বাভাবিক চেহারার মাছ ভেসে আসছে।

 

বিভাগটি জানিয়েছে, বন্যার পানিতে পয়োনিষ্কাশনের ময়লা, ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস এবং অন্যান্য জীবাণু থাকতে পারে। ফলে, ওই পানি থেকে ধরা মাছও দূষিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বন্যার পানি থেকে ধরা মাছ কেনা, বিক্রি এবং খাওয়ার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

সরকারি সতর্কবার্তায় বাসিন্দাদের বিশেষভাবে অচেনা বা অস্বাভাবিক চেহারার মাছ এড়িয়ে চলার জন্য বলা হয়েছে। যদি কোথাও এমন মাছ পাওয়া যায়, তাহলে স্থানীয় মৎস্য কর্মকর্তা বা প্রশাসনকে অবহিত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এসব মাছ খাওয়ার পর যদি বমি, ডায়রিয়া, পেটব্যথা, মাথা ঘোরা অথবা শ্বাসকষ্টের মতো উপসর্গ দেখা দেয়, তাহলে দ্রুত স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নেপালের আকস্মিক বন্যার পানি ইতোমধ্যে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতের বিহারের বিভিন্ন নদীতে প্রবাহিত হয়েছে। এর সঙ্গে বিপুল পরিমাণ কাদা, পলি, গাছের গুঁড়ি, ধ্বংসাবশেষ এবং মৃত প্রাণী ভেসে আসায় পানিদূষণের আশঙ্কাও বৃদ্ধি পেয়েছে।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত নদী এবং বন্যাকবলিত এলাকার বাসিন্দাদের সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি, হিন্দুস্তান টাইমস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেপালে বন্যায় নিহত বেড়ে ১১২৭, নিখোঁজ ৪৮৫৮

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:২২ পি.এম


নেপালে বন্যায় নিহত বেড়ে ১১২৭, নিখোঁজ ৪৮৫৮

নেপালের ভোটেকোশি নদীতে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার ফলে মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ১২৭ জনে পৌঁছেছে। ৪ হাজার ৮৫৮ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ভোর ৫টা পর্যন্ত নেপাল পুলিশের সর্বশেষ তথ্যে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। উদ্ধার অভিযানে হাজারো মানুষকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও নিখোঁজদের পরিবারের মধ্যে উৎকণ্ঠা বাড়ছে।

নেপাল পুলিশের তথ্যমতে, বন্যার উৎপত্তিস্থল রাসুয়ায় ৪৫টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নুয়াকোটে ১৫৫, ধাদিংয়ে ৫৯, চিতওয়ানে ৩৪৮, গোর্খায় ৬৬, তানাহুনে ৩৮, নাওয়ালপারাসি পূর্বে ২১৭, নাওয়ালপারাসি পশ্চিমে ১৯০ এবং প্রতিবেশী ভারতে ৯টি মরদেহ পাওয়া গেছে। চিতওয়ান ও নাওয়ালপারাসির বিভিন্ন এলাকা থেকে সবচেয়ে বেশি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলোর মধ্যে ১ হাজার ১১৩টির ময়নাতদন্ত ও আইনগত শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ৯৫টি মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি এমন ৯১১টি মরদেহের বিস্তারিত তথ্য নেপাল পুলিশের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে, যাতে নিখোঁজ ব্যক্তিদের স্বজনরা ছবি ও তথ্য মিলিয়ে তাদের প্রিয়জনকে শনাক্ত করতে পারেন।

 

বন্যাকবলিত এলাকায় উদ্ধার, অনুসন্ধান, ত্রাণ বিতরণ ও মরদেহ ব্যবস্থাপনায় ৭ হাজার ৯১২ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ৬ হাজার ৫৪১ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। দুর্গম ও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় অনুসন্ধানের পাশাপাশি আটকে পড়া পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া এবং বন্যার পানিতে ও ধ্বংসাবশেষে বন্ধ হয়ে যাওয়া সড়ক সচল করার কাজও চলছে।

এদিকে বিপর্যয়ের মাত্রা বাড়ায় নিখোঁজদের উদ্ধারে সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে অভিযান চালাচ্ছে উদ্ধারকারী দল। বন্যায় সড়ক, সেতু, বসতবাড়ি, সীমান্ত বাণিজ্যকেন্দ্র ও জলবিদ্যুৎ অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে নদীর তীরবর্তী ও জলবিদ্যুৎ প্রকল্পসংলগ্ন এলাকাগুলোতে ধ্বংসাবশেষের নিচে আটকে থাকা ব্যক্তিদের সন্ধানে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

নেপালের সরকারি ও আন্তর্জাতিক সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, গত ২৬ আগস্ট নেপাল-তিব্বত সীমান্তবর্তী পার্বত্য এলাকায় বরফ ও পাথরের বিশাল ধসের পর ভীষণ গতিতে পানির স্রোত নেমে আসে। ওই স্রোত ভোটেকোশি ও ত্রিশূলী নদী অববাহিকায় প্রবেশ করে নিম্নাঞ্চলে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। প্রাথমিকভাবে ভূমিকম্পের আশঙ্কা করা হলেও পরবর্তী পর্যবেক্ষণে বরফ-পাথরের ধস ও তা থেকে সৃষ্ট প্রবল জলপ্রবাহকেই দুর্যোগের প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

বন্যার পর নিখোঁজ ব্যক্তিদের শনাক্তকরণ এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক মরদেহ দীর্ঘ সময় পানিতে ও কাদামাটির নিচে থাকায় পরিচয় শনাক্ত করা কঠিন হচ্ছে। এ কারণে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ মরদেহের তথ্য সংরক্ষণ, ছবি সংগ্রহ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী বংশগত নমুনার মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিয়েছে।

এদিকে নতুন করে বন্যা ও ভূমিধসের আশঙ্কায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে বিচ্ছিন্ন এলাকাগুলোতে ত্রাণ পৌঁছানো, যোগাযোগব্যবস্থা পুনরুদ্ধার এবং ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো মেরামতের কাজ চলছে। এক সপ্তাহ পরও হাজারো মানুষের সন্ধান না মেলায় উদ্ধার অভিযানকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে নেপাল সরকার।

ভারতও উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমে সহায়তা বাড়িয়েছে। বুধবার নেপালে পঞ্চম দফায় একটি ত্রাণবাহী বিমান পাঠিয়েছে দেশটি; এতে উদ্ধার সরঞ্জাম, ওষুধ এবং ১১ সদস্যের একটি উদ্ধারকারী দল রয়েছে। ফলে ভয়াবহ এ দুর্যোগ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহায়তাও ক্রমে জোরদার হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%