শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:২৮ পি.এম
মাত্র ১৫ বছর বয়সে অসাধারণ প্রতিভার পরিচয় দিয়ে ভারত জাতীয় দলে ডাক পেয়েছিলেন উদীয়মান তারকা বৈভব সূর্যবংশী। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তার শুরুটা খুব সহজ ছিল না। ইংল্যান্ড সফরে প্রথম তিনটি ম্যাচে ১৩ থেকে ১৫ রানের মধ্যে আউট হয়ে সাজঘরে ফিরে যান তিনি। পরবর্তীতে জিম্বাবুয়ে সফরে ব্যাক-টু-ব্যাক হাফসেঞ্চুরি হাঁকিয়ে ফর্মে ফেরার ইঙ্গিত দিলেও আফগানিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে পুরো সময় তাকে সাইডলাইনে থাকতে হয়েছে।
যখন তাকে একাদশে না রাখা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল, ভারতীয় দলের প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীর স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, তাকে এখন ‘সুযোগের অপেক্ষায়’ থাকতে হবে। আফগানিস্তানকে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ক্লিন সুইপ করার পথে অভিষেক শর্মার সঙ্গে নিয়মিত ওপেনিং করেছেন সঞ্জু স্যামসন। দুই ম্যাচে দুর্দান্ত দুটি হাফসেঞ্চুরি করে স্যামসন নিজের জায়গা শক্ত করে নিয়েছেন। মূলত স্যামসনকে টপ অর্ডারে সুযোগ দিতে গিয়ে সূর্যবংশীকে একাদশের বাইরে থাকতে হয়েছে। ভিভিএস লক্ষ্মণের অধীনে শ্রেয়াস আইয়ারের নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দল যখন আসন্ন এশিয়ান গেমসে অংশ নেবে, তখনও একই পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে পারেন এই তরুণ ব্যাটার।
আফগানদের বিরুদ্ধে সিরিজ শেষের পর সংবাদ সম্মেলনে কোচ গম্ভীর পরিষ্কার করেন, অভিজ্ঞতার বিচারে সঞ্জু স্যামসন ও অভিষেক শর্মা আপাতত আগে প্রাধান্য পাবেন। তিনি বলেন, ‘বৈভবের সঙ্গে দলগত আলোচনাটা খুবই পরিষ্কার, তাকে আপাতত সুযোগের অপেক্ষায় থাকতে হবে। তার মধ্যে কী পরিমাণ প্রতিভা রয়েছে কিংবা সে কী করতে সক্ষম, সে বিষয়ে আমাদের বিন্দুমাত্র সংশয় নেই।’
তবে অতীত পারফরম্যান্স ও অভিজ্ঞতাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার দিকে ইঙ্গিত করে সাবেক এই ভারতীয় ওপেনার যোগ করেন, ‘যারা বিগত এক বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে অসাধারণ খেলে আসছে, যেকোনো নতুন খেলোয়াড়ের চেয়ে তারা স্বাভাবিকভাবেই দলে এগিয়ে থাকবে। তবে বৈভব যখনই সুযোগ পাবে, তার কাছেও দীর্ঘ সময় পারফর্ম করার সুযোগ থাকবে।’
দলে সুস্থ প্রতিযোগিতা বজায় রাখার পক্ষে মত দিয়ে গম্ভীর আরও বলেন, ‘ভারতীয় ক্রিকেটের মূল সৌন্দর্যই তো এটি। আমরা দলে সুস্থ প্রতিযোগিতা দেখতে চাই, ড্রেসিংরুমে এমন দারুণ সব প্রতিভার উপস্থিতি চাই। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বাস্তবতা এমনই। এখানে আপনার বয়স ১৫ বছর হোক কিংবা ৩০ বছর, একাদশে জায়গা পাওয়ার জন্য ধৈর্য ধরে সুযোগের অপেক্ষা করতেই হয়।’
উল্লেখ্য, জাতীয় দলের আকাশি-সাদা জার্সিতে এ পর্যন্ত ৬টি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন বৈভব সূর্যবংশী। সেখানে ১৮৯-এর বেশি বিধ্বংসী স্ট্রাইকরেট ও ৩২.১৬ গড়ে ইতিমধ্যে ১৯৩ রান সংগ্রহ করেছেন এই বাঁ-হাতি ব্যাটার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা জেলায় ৫৬টি মাদকবিরোধী অভিযানের মাধ্যমে ১৩ জন শীর্ষ মাদক কারবারিসহ মোট ৭৫ জন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন থানায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কুমিল্লা জেলা পুলিশ কার্যালয় থেকে প্রকাশিত একটি প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়েছে। অভিযানে ১০ হাজার ৮৮ পিস ইয়াবা এবং ৫৩ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ১৩ জন শীর্ষ মাদক কারবারি, ৯ জন মাদক সেবনকারী এবং অন্যান্য মাদক মামলায় ৫৩ জন রয়েছে।
জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানের (পিপিএম) নির্দেশনায় জেলার ১৮টি থানা ও ডিবি পুলিশের সমন্বয়ে মাদক কারবারি, সরবরাহকারী এবং মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে একযোগে অভিযান পরিচালিত হয়। এসব অভিযানে ১০ হাজার ৮৮ পিস ইয়াবা ও ৫৩ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয় এবং আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে নিয়মিত মামলা, মোবাইল কোর্ট এবং বিজ্ঞ বিচারিক আদালতের সংক্ষিপ্ত বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান (পিপিএম) গণমাধ্যমকে জানান, ‘মাদকের ভয়াবহ ছোবল থেকে যুবসমাজ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করা, সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং একটি নিরাপদ ও মাদকমুক্ত কুমিল্লা গড়ে তোলার লক্ষ্যে জেলা পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর প্রচেষ্টা যথেষ্ট নয়, এ ক্ষেত্রে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সচেতনতা ও সক্রিয় সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
তিনি আরো বলেন, ‘মাদকের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও চক্রের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে জেলা পুলিশের এই ধরনের বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও আরো জোরদারভাবে অব্যাহত থাকবে। মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টায় নিরাপদ, সুস্থ ও মাদকমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি জানিয়েছেন, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখনন করা হবে। তিনি উল্লেখ করেছেন, স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙা করার জন্য খাল পুনঃখননসহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে লক্ষ্মীপুর শহরের মাদাম এলাকার রহমতখালী খালে মাছের পোনা অবমুক্তকরণের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এ্যানি বলেন, "দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করতে নতুন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।" তিনি আরও জানান, এসব কর্মসূচির মাধ্যমে একটি জাগরণ সৃষ্টি হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দলমত নির্বিশেষে সবাই এসব কাজকে অগ্রাধিকার দিলে অর্থনৈতিক রূপান্তরের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙা করা সম্ভব হবে।
উপকূলে নবায়নযোগ্য জ্বালানির সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনার দাবি তুলে ধরে তিনি বলেন, "মাছে-ভাতে বাংলাদেশের মানুষ, নদীমাতৃক দেশ। সবকিছু মিলিয়ে আমরা নিজেদের অবস্থান আরো সুদৃঢ় করতে সক্ষম হব।" স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজগুলো অব্যাহত রয়েছে বলেও তিনি জানান।
পানিসম্পদমন্ত্রী আরও বলেন, নির্বাচনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন। এর মধ্যে বৃক্ষরোপণ অভিযান এবং পাঁচ বছরে সারা দেশে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর কর্মসূচি রয়েছে। পাশাপাশি ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। মৎস্য অবমুক্তকরণও এসব কর্মসূচির আওতায় রয়েছে।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে এ্যানি বলেন, স্বনির্ভর বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে তিনি দূরদর্শী চিন্তা থেকে খাল পুনঃখননসহ বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছিলেন। সেটি ছিল একটি আন্দোলন ও বিপ্লব।
তিনি আরও বলেন, গ্রামীণ অবকাঠামোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। সামাজিকভাবে নৈতিক দায়িত্ববোধ থেকে এসব কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর সঙ্গে পরিবেশেরও সম্পর্ক রয়েছে।
যেভাবে কাজ করবে ভূমি মন্ত্রণালয়ের নতুন অ্যাপ ‘ভূমিদৃষ্টি’ তুলে ধরে পানিসম্পদমন্ত্রী রহমতখালী খালকে লক্ষ্মীপুরের প্রাণ উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, খালটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। খালে প্রচুর কচুরিপানা ছিল, সেগুলো পরিষ্কার করা হয়েছে। এখন পানির প্রবাহও যথেষ্ট রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে আজ খালে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে।
পরে জেলা মৎস্য বিভাগের উদ্যোগে পুকুরে অবমুক্ত করার জন্য সরকারি-বেসরকারি ৩৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মাছের পোনা বিতরণ করা হয়। রহমতখালী খালে বিভিন্ন প্রজাতির ৩৫ কেজি মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক এসএম মেহেদী হাসান, জেলা পুলিশ সুপার মো. আবু তারেক, জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিদ উজ-জামান খান, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন, জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক হাছিবুর রহমান, বাফুফে সহসভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপী প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চীন সমুদ্র তলদেশের যুদ্ধকৌশলে বিপ্লব ঘটাতে চলেছে। দেশটি বিশ্বের প্রথম বিশেষায়িত ‘মাদারশিপ’ বা ড্রোনবাহী জাহাজ নির্মাণ করছে, যা পানির নিচে চালকবিহীন বিশাল ড্রোন বা মাইনাস সাবমেরিন পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হবে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থা ‘ভ্যান্টর’ (Vantor)-এর স্যাটেলাইট চিত্রে চীনের এই গোপন সামরিক প্রস্তুতির চিত্র উঠে এসেছে।
সংবাদমাধ্যম 'দ্য টেলিগ্রাফ'-এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, চীনের সাংহাইস্থ ‘হুডং-ঝুংহুয়া’ শিপইয়ার্ডে অত্যন্ত গোপনে জাহাজটির নির্মাণকাজ চলছে। বিশ্লেষকদের মতে, এটি বিশ্বের সামরিক ইতিহাসের প্রথম বিশেষায়িত জাহাজ, যা পানির নিচে একাধিক বিশাল আকৃতির চালকবিহীন সাবমেরিন (ড্রোন) বহন ও পরিচালনা করতে সক্ষম।
স্যাটেলাইট চিত্রে যা দেখা গেছে
মার্কিন প্রতিরক্ষা গোয়েন্দাদের স্যাটেলাইট ছবিতে একটি লাল রঙের সুবিশাল জাহাজের অবকাঠামো দেখা যাচ্ছে। স্বাধীন আন্ডারওয়াটার ওয়ারফেয়ার বিশেষজ্ঞ এইচ আই সাটন (H I Sutton) সামরিক বিষয়ক সংবাদমাধ্যম ‘নেভাল নিউজ’-কে জানান, জাহাজটির আকার ও গঠন বিশ্লেষণ করে ধারণা করা হচ্ছে—এটি অন্তত ৪টি বিশাল আকারের স্বায়ত্তশাসিত সশস্ত্র সাবমেরিন বা ‘XXLUUV’ (Extra-Extra-Large Uncrewed Undersea Vehicle) বহন করতে সক্ষম।
জাহাজটির অভ্যন্তরে একটি বিশেষ হ্যাঙ্গার ও হ্যাচওয়ে রয়েছে, যা সাধারণ বাণিজ্যিক বা গবেষণামূলক জাহাজে দেখা যায় না। এ কারণে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এটি সামরিক কাজে ব্যবহৃত হবে। এর আগে এই শিপইয়ার্ডে চীন তাদের বড় উভচর হামলাকারী যুদ্ধজাহাজগুলো নির্মাণ করেছে।
আমেরিকাকেও ছাড়িয়ে যাচ্ছে চীন
প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের তথ্য অনুযায়ী, চীনে নির্মিত এই ড্রোন সাবমেরিনগুলো সাধারণ ড্রোনের তুলনায় অনেক বড় ও শক্তিশালী। সাগরে এগুলো প্রায় ১০,০০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকায় নজরদারি ও ভারী টর্পেডো দিয়ে হামলা চালাতে সক্ষম।
আকারে এগুলো আমেরিকার দূরপাল্লার 'অরকা' (Orca) এক্স-লার্জ ড্রোন সাবমেরিনের তুলনায় প্রায় ৬ থেকে ৮ গুণ বড়। যেখানে আমেরিকার অরকা প্রায় ৫১ ফুট দীর্ঘ, সেখানে চীনের এই চালকবিহীন সাবমেরিনগুলোর দৈর্ঘ্য ১১৫ থেকে ১৪৮ ফুট পর্যন্ত হতে পারে।
ইন্দো-প্যাসিফিকের ভারসাম্যে প্রভাব
নতুন এই 'মাদারশিপ' ও ড্রোন বহর চীনের মূল লক্ষ্য—দক্ষিণ চীন সাগর ও তাইওয়ান প্রণালীতে তাদের সামরিক আধিপত্য বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে। বর্তমানে চীনের জাহাজ নির্মাণ ক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে প্রায় ২০০ গুণ বেশি। বর্তমানে চীনের বহরে ৪-শরও বেশি যুদ্ধজাহাজ রয়েছে।
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বহুবার তাইওয়ানকে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগের ইঙ্গিতও দেওয়া হয়েছে। সমুদ্রের তলদেশে চালকবিহীন এমন মারাত্মক মাদারশিপের উপস্থিতি যেকোনো সামুদ্রিক সংঘাতের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে বলে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন পশ্চিমা সামরিক বিশ্লেষকরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন ও অন্যান্য অপরাধের কারণে ৬৪ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি প্রদান করা হয়েছে। শাস্তির আওতায় সংশ্লিষ্ট পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে এবং পরবর্তী এক থেকে তিনটি পরীক্ষায় অংশগ্রহণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
শাস্তির চূড়ান্ত সিদ্ধান্তটি গত ৩১ আগস্ট উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় গৃহীত হয়। এর আগে ২০ আগস্ট শৃঙ্খলা পরিষদের সভায় শাস্তির সুপারিশ করা হয়েছিল। ৭ সেপ্টেম্বর ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. হিমাদ্রি শেখর চক্রবর্তী স্বাক্ষরিত আদেশে শাস্তির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
আদেশ অনুযায়ী, অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী ‘পরীক্ষা +১’, ‘পরীক্ষা +২’ ও ‘পরীক্ষা +৩’ এই তিন মেয়াদে শাস্তি প্রদান করা হয়েছে। তালিকায় থাকা ৬৪ শিক্ষার্থীর মধ্যে ২০ জনকে +১ মেয়াদে, ৩১ জনকে +২ মেয়াদে এবং ১৩ জনকে +৩ মেয়াদে শাস্তি দেওয়া হয়েছে।
শাস্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল শাখা ছাত্রদলের সদস্য ফাতহুন কারিব চৌধুরীকে ‘পরীক্ষা + ২’ এবং হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল সংসদের নির্বাচিত কার্যনির্বাহী সদস্য মো. ফেরদাউসকে ‘পরীক্ষা + ১’ মেয়াদে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। উভয় শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ছাত্র।
শাস্তিপ্রাপ্ত অন্যান্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে আরবি বিভাগের সর্বাধিক ৭ জন রয়েছেন। নার্সিং, এমবিবিএস, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ, আইন ও গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা সহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা এই শাস্তির আওতায় পড়েছেন।
এদিকে, শিক্ষার্থীদের জন্য অনুতপ্ত হয়ে প্রক্টর অফিসের মাধ্যমে উপাচার্যের কাছে ক্ষমা চেয়ে শাস্তি কমানোর আবেদন করার সুযোগ রাখা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পাওয়া আবেদনের ভিত্তিতে উপাচার্য ইতিমধ্যে ১৪ জন শিক্ষার্থীর এক বছরের শাস্তি মওকুফ করেছেন।
এছাড়া এবারের সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের সময় জব্দ করা মোবাইল ফোন শাস্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ফেরত পাওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। শাস্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখ থেকে পরবর্তী ছয় মাসের মধ্যে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কাছে যথাযথ প্রক্রিয়ায় লিখিত আবেদন করে শিক্ষার্থীরা তাদের মোবাইল ফোন ফেরত নিতে পারবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ