ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল পুনঃখনন হবে : পানিসম্পদমন্ত্রী


আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল পুনঃখনন হবে : পানিসম্পদমন্ত্রী

পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি জানিয়েছেন, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখনন করা হবে। তিনি উল্লেখ করেছেন, স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙা করার জন্য খাল পুনঃখননসহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে লক্ষ্মীপুর শহরের মাদাম এলাকার রহমতখালী খালে মাছের পোনা অবমুক্তকরণের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এ্যানি বলেন, "দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করতে নতুন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।" তিনি আরও জানান, এসব কর্মসূচির মাধ্যমে একটি জাগরণ সৃষ্টি হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দলমত নির্বিশেষে সবাই এসব কাজকে অগ্রাধিকার দিলে অর্থনৈতিক রূপান্তরের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙা করা সম্ভব হবে।

আরও পড়ুন: ডিএনসিসি প্রশাসক: ফুটপাতে ব্যবসার পক্ষে কেউ নেই, সড়ক দখল উচ্ছেদে জনগণের সহযোগিতা জরুরি

উপকূলে নবায়নযোগ্য জ্বালানির সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনার দাবি তুলে ধরে তিনি বলেন, "মাছে-ভাতে বাংলাদেশের মানুষ, নদীমাতৃক দেশ। সবকিছু মিলিয়ে আমরা নিজেদের অবস্থান আরো সুদৃঢ় করতে সক্ষম হব।" স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজগুলো অব্যাহত রয়েছে বলেও তিনি জানান।

পানিসম্পদমন্ত্রী আরও বলেন, নির্বাচনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন। এর মধ্যে বৃক্ষরোপণ অভিযান এবং পাঁচ বছরে সারা দেশে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর কর্মসূচি রয়েছে। পাশাপাশি ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। মৎস্য অবমুক্তকরণও এসব কর্মসূচির আওতায় রয়েছে।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে এ্যানি বলেন, স্বনির্ভর বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে তিনি দূরদর্শী চিন্তা থেকে খাল পুনঃখননসহ বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছিলেন। সেটি ছিল একটি আন্দোলন ও বিপ্লব।

তিনি আরও বলেন, গ্রামীণ অবকাঠামোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। সামাজিকভাবে নৈতিক দায়িত্ববোধ থেকে এসব কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর সঙ্গে পরিবেশেরও সম্পর্ক রয়েছে।

আরও পড়ুন: সরকার অবাধ ও সুষ্ঠু স্থানীয় নির্বাচন উপহার দেবে: মীর শাহে আলম

যেভাবে কাজ করবে ভূমি মন্ত্রণালয়ের নতুন অ্যাপ ‘ভূমিদৃষ্টি’ তুলে ধরে পানিসম্পদমন্ত্রী রহমতখালী খালকে লক্ষ্মীপুরের প্রাণ উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, খালটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। খালে প্রচুর কচুরিপানা ছিল, সেগুলো পরিষ্কার করা হয়েছে। এখন পানির প্রবাহও যথেষ্ট রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে আজ খালে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে।

পরে জেলা মৎস্য বিভাগের উদ্যোগে পুকুরে অবমুক্ত করার জন্য সরকারি-বেসরকারি ৩৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মাছের পোনা বিতরণ করা হয়। রহমতখালী খালে বিভিন্ন প্রজাতির ৩৫ কেজি মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক এসএম মেহেদী হাসান, জেলা পুলিশ সুপার মো. আবু তারেক, জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিদ উজ-জামান খান, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন, জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক হাছিবুর রহমান, বাফুফে সহসভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপী প্রমুখ।

আরও পড়ুন: নাহিদ ইসলাম: আইজিপির দায়িত্ব থেকে দ্রুত সরে যাওয়া উচিত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্যাটেলাইট চিত্রে তোলপাড়: বিশ্বের প্রথম ড্রোন 'মাদারশিপ' বানাচ্ছে চীন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:২৯ পি.এম


স্যাটেলাইট চিত্রে তোলপাড়: বিশ্বের প্রথম ড্রোন

চীন সমুদ্র তলদেশের যুদ্ধকৌশলে বিপ্লব ঘটাতে চলেছে। দেশটি বিশ্বের প্রথম বিশেষায়িত ‘মাদারশিপ’ বা ড্রোনবাহী জাহাজ নির্মাণ করছে, যা পানির নিচে চালকবিহীন বিশাল ড্রোন বা মাইনাস সাবমেরিন পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হবে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থা ‘ভ্যান্টর’ (Vantor)-এর স্যাটেলাইট চিত্রে চীনের এই গোপন সামরিক প্রস্তুতির চিত্র উঠে এসেছে।

সংবাদমাধ্যম 'দ্য টেলিগ্রাফ'-এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, চীনের সাংহাইস্থ ‘হুডং-ঝুংহুয়া’ শিপইয়ার্ডে অত্যন্ত গোপনে জাহাজটির নির্মাণকাজ চলছে। বিশ্লেষকদের মতে, এটি বিশ্বের সামরিক ইতিহাসের প্রথম বিশেষায়িত জাহাজ, যা পানির নিচে একাধিক বিশাল আকৃতির চালকবিহীন সাবমেরিন (ড্রোন) বহন ও পরিচালনা করতে সক্ষম।

স্যাটেলাইট চিত্রে যা দেখা গেছে

মার্কিন প্রতিরক্ষা গোয়েন্দাদের স্যাটেলাইট ছবিতে একটি লাল রঙের সুবিশাল জাহাজের অবকাঠামো দেখা যাচ্ছে। স্বাধীন আন্ডারওয়াটার ওয়ারফেয়ার বিশেষজ্ঞ এইচ আই সাটন (H I Sutton) সামরিক বিষয়ক সংবাদমাধ্যম ‘নেভাল নিউজ’-কে জানান, জাহাজটির আকার ও গঠন বিশ্লেষণ করে ধারণা করা হচ্ছে—এটি অন্তত ৪টি বিশাল আকারের স্বায়ত্তশাসিত সশস্ত্র সাবমেরিন বা ‘XXLUUV’ (Extra-Extra-Large Uncrewed Undersea Vehicle) বহন করতে সক্ষম।

জাহাজটির অভ্যন্তরে একটি বিশেষ হ্যাঙ্গার ও হ্যাচওয়ে রয়েছে, যা সাধারণ বাণিজ্যিক বা গবেষণামূলক জাহাজে দেখা যায় না। এ কারণে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এটি সামরিক কাজে ব্যবহৃত হবে। এর আগে এই শিপইয়ার্ডে চীন তাদের বড় উভচর হামলাকারী যুদ্ধজাহাজগুলো নির্মাণ করেছে।

আমেরিকাকেও ছাড়িয়ে যাচ্ছে চীন

প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের তথ্য অনুযায়ী, চীনে নির্মিত এই ড্রোন সাবমেরিনগুলো সাধারণ ড্রোনের তুলনায় অনেক বড় ও শক্তিশালী। সাগরে এগুলো প্রায় ১০,০০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকায় নজরদারি ও ভারী টর্পেডো দিয়ে হামলা চালাতে সক্ষম।

আকারে এগুলো আমেরিকার দূরপাল্লার 'অরকা' (Orca) এক্স-লার্জ ড্রোন সাবমেরিনের তুলনায় প্রায় ৬ থেকে ৮ গুণ বড়। যেখানে আমেরিকার অরকা প্রায় ৫১ ফুট দীর্ঘ, সেখানে চীনের এই চালকবিহীন সাবমেরিনগুলোর দৈর্ঘ্য ১১৫ থেকে ১৪৮ ফুট পর্যন্ত হতে পারে।

ইন্দো-প্যাসিফিকের ভারসাম্যে প্রভাব

নতুন এই 'মাদারশিপ' ও ড্রোন বহর চীনের মূল লক্ষ্য—দক্ষিণ চীন সাগর ও তাইওয়ান প্রণালীতে তাদের সামরিক আধিপত্য বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে। বর্তমানে চীনের জাহাজ নির্মাণ ক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে প্রায় ২০০ গুণ বেশি। বর্তমানে চীনের বহরে ৪-শরও বেশি যুদ্ধজাহাজ রয়েছে।

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বহুবার তাইওয়ানকে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগের ইঙ্গিতও দেওয়া হয়েছে। সমুদ্রের তলদেশে চালকবিহীন এমন মারাত্মক মাদারশিপের উপস্থিতি যেকোনো সামুদ্রিক সংঘাতের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে বলে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন পশ্চিমা সামরিক বিশ্লেষকরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাবিতে ৬৪ শিক্ষার্থীকে পরীক্ষায় অসদুপায় ও অন্যান্য অপরাধে শাস্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৩০ পি.এম


ঢাবিতে ৬৪ শিক্ষার্থীকে পরীক্ষায় অসদুপায় ও অন্যান্য অপরাধে শাস্তি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন ও অন্যান্য অপরাধের কারণে ৬৪ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি প্রদান করা হয়েছে। শাস্তির আওতায় সংশ্লিষ্ট পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে এবং পরবর্তী এক থেকে তিনটি পরীক্ষায় অংশগ্রহণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

শাস্তির চূড়ান্ত সিদ্ধান্তটি গত ৩১ আগস্ট উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় গৃহীত হয়। এর আগে ২০ আগস্ট শৃঙ্খলা পরিষদের সভায় শাস্তির সুপারিশ করা হয়েছিল। ৭ সেপ্টেম্বর ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. হিমাদ্রি শেখর চক্রবর্তী স্বাক্ষরিত আদেশে শাস্তির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

আদেশ অনুযায়ী, অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী ‘পরীক্ষা +১’, ‘পরীক্ষা +২’ ও ‘পরীক্ষা +৩’ এই তিন মেয়াদে শাস্তি প্রদান করা হয়েছে। তালিকায় থাকা ৬৪ শিক্ষার্থীর মধ্যে ২০ জনকে +১ মেয়াদে, ৩১ জনকে +২ মেয়াদে এবং ১৩ জনকে +৩ মেয়াদে শাস্তি দেওয়া হয়েছে।

 

শাস্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল শাখা ছাত্রদলের সদস্য ফাতহুন কারিব চৌধুরীকে ‘পরীক্ষা + ২’ এবং হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল সংসদের নির্বাচিত কার্যনির্বাহী সদস্য মো. ফেরদাউসকে ‘পরীক্ষা + ১’ মেয়াদে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। উভয় শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ছাত্র।

শাস্তিপ্রাপ্ত অন্যান্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে আরবি বিভাগের সর্বাধিক ৭ জন রয়েছেন। নার্সিং, এমবিবিএস, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ, আইন ও গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা সহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা এই শাস্তির আওতায় পড়েছেন।

এদিকে, শিক্ষার্থীদের জন্য অনুতপ্ত হয়ে প্রক্টর অফিসের মাধ্যমে উপাচার্যের কাছে ক্ষমা চেয়ে শাস্তি কমানোর আবেদন করার সুযোগ রাখা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পাওয়া আবেদনের ভিত্তিতে উপাচার্য ইতিমধ্যে ১৪ জন শিক্ষার্থীর এক বছরের শাস্তি মওকুফ করেছেন।

এছাড়া এবারের সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের সময় জব্দ করা মোবাইল ফোন শাস্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ফেরত পাওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। শাস্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখ থেকে পরবর্তী ছয় মাসের মধ্যে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কাছে যথাযথ প্রক্রিয়ায় লিখিত আবেদন করে শিক্ষার্থীরা তাদের মোবাইল ফোন ফেরত নিতে পারবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জামায়াত মেনে নিয়েছে একাত্তরে তাদের ভূমিকা সঠিক ছিল না : আইনমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৩০ পি.এম


জামায়াত মেনে নিয়েছে একাত্তরে তাদের ভূমিকা সঠিক ছিল না : আইনমন্ত্রী

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান মন্তব্য করেছেন যে, সংসদীয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে একাত্তরে জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা ও অবস্থান সঠিক ছিল না, এবং জামায়াত এই অবস্থান মেনে নিয়েছে।

আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাকের বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

 

এসময় আইনমন্ত্রী বলেন, "ব্যারিস্টার রাজ্জাক একাত্তরের বিষয়ে ক্ষমা চাওয়ার যে প্রস্তাব দিয়েছিলেন তা জামায়াত মেনে নিলে অনেক প্রশ্নেরই সমাধান হয়ে যেত।" আইন অঙ্গনে এখনও প্রাসঙ্গিক আব্দুর রাজ্জাক।

তার বইয়ের মোড়ক উন্মোচনে জামায়াতের আইনজীবীদের উপস্থিত না থাকার বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা করেন আইনমন্ত্রী। অন্যদিকে, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী দিলারা চৌধুরী মন্তব্য করেন যে, জামায়াতের ভিতরে অনেক রিফর্মেশন করার বিষয় রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষক দিবসে ১৪০ গুণী শিক্ষককে ১ লাখ টাকা ও সম্মাননা প্রদান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৩১ পি.এম


শিক্ষক দিবসে ১৪০ গুণী শিক্ষককে ১ লাখ টাকা ও সম্মাননা প্রদান

বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) স্কুল ও কলেজ পর্যায় থেকে ১৪০ জন গুণী শিক্ষকের একটি তালিকা চেয়েছে। নির্বাচিত শিক্ষকদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা, ক্রেস্ট এবং সম্মাননা সনদ প্রদান করা হবে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ তালিকা জমা দেওয়ার জন্য আগামী ২১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

১৭ সেপ্টেম্বরের একটি বিজ্ঞপ্তিতে মাউশি এ তথ্য জানায়। বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে দেশের প্রাথমিক, মাধ্যমিক, কলেজ, মাদরাসা, কারিগরি এবং বিভিন্ন বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে দিবসটি পালনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পুরো আয়োজনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ের দায়িত্ব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে রয়েছে।

আরো পড়ুন

ফকিরহাটে বাসের ধাক্কায় প্রাণ গেল ভ্যানযাত্রীর।

মাউশির চাওয়া তালিকায় ঢাকা জেলা থেকে সাতজন করে স্কুল ও কলেজ পর্যায়ের শিক্ষক এবং দেশের অন্যান্য প্রতিটি জেলা থেকে একজন করে শিক্ষক অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। এভাবে ৭০ জন গুণী কলেজ শিক্ষক এবং ৭০ জন গুণী স্কুল শিক্ষক বাছাই করা হবে।

নীতিমালায় জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন শিক্ষা স্তর থেকে মোট ১০০ জন শিক্ষককে গুণী শিক্ষক সম্মাননা দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। প্রাথমিক, মাধ্যমিক, কলেজ, সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল এবং প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন পর্যায় থেকে নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় তাদের নির্বাচন করা হবে।

শিক্ষক নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় উপজেলা, জেলা এবং জাতীয় পর্যায়ে কমিটি ও সার্চ কমিটি কাজ করবে। শিক্ষকদের তথ্য সংগ্রহের পর তা যাচাই-বাছাই করা হবে নির্ধারিত তথ্য ফর্মের মাধ্যমে। সংশ্লিষ্টদের হার্ডকপির সঙ্গে প্রয়োজনীয় সহায়ক নথি সাধারণ প্রশাসন শাখায় জমা দিতে হবে। একই সঙ্গে পূরণ করা তথ্য ফর্মের সফটকপি ই-মেইলে পাঠানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আরো পড়ুন

হানিফ ফ্লাইওভারে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় সোনালী ব্যাংকের নিরাপত্তাকর্মী নিহত।

বাছাইয়ের সময় শিক্ষকের শিক্ষাগত যোগ্যতা, শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা, নৈতিকতা এবং শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের মান বিবেচনা করা হবে। এর পাশাপাশি সময় ব্যবস্থাপনা, শিক্ষার্থীদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা, পাঠ্যবই বা গবেষণাপত্র প্রণয়ন, শিক্ষাক্ষেত্রে অবদান এবং সমাজ সংস্কারে ভূমিকার বিষয়ও মূল্যায়নের আওতায় থাকবে।

প্রাথমিক পর্যায়ে উপজেলা ও জেলা কমিটি শিক্ষকদের বাছাই করবে। পরে জাতীয় পর্যায়ের স্টিয়ারিং কমিটি পুরো প্রক্রিয়া সমন্বয় করবে। নির্ধারিত মানদণ্ডে চূড়ান্ত যাচাই শেষে নির্বাচিত শিক্ষকদের ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবসের অনুষ্ঠানে সম্মাননা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%