০৩:১৭ এম
ভোলার লালমোহন উপজেলার তেঁতুলিয়া নদী থেকে শাহাদাত হোসেন (২৭) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
মৃত শাহাদাত চাঁদপুর জেলার মতলব উজেলার মাথাভাঙা নেছামদি গ্রামের মো. ডালিমের ছেলে এবং ঢাকা-চরমোন্তাজ রুটে চলাচলকারী এমভি রেডসন-৫ লঞ্চের ক্যান্টিন বয় ছিলেন।
মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে লালমোহনের নাজিরপুর ঘাট সংলগ্ন তেঁতুলিয়া নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
আরও পড়ুন: উখিয়ায় ১৫ ঘণ্টা পরও জ্বলছে গ্যাসের আগুন, ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরের দিকে স্থানীয় জেলেরা তেঁতুলিয়া নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে সেটিকে টেনে নাজিরপুর ঘাটে নিয়ে আসে। পরে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এরপর বিষয়টি নৌপুলিশকে জানানো হলে তাদের মাধ্যমে মরদেহের পরিচয় সনাক্ত করা হয়।
শাহাদাতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ জুন তেঁতুলিয়া নদীর নাজিরপুর এলাকা দিয়ে লঞ্চটি যাওয়ার সময় শাহাদাত লঞ্চ থেকে নদীতে পড়ে যায়। এ সময় নদীতে অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তাকে পাওয়া যায়নি।
এর পর দিন শাহাদাতের বাবা ডালিম নাজিরপুর এলাকায় এসে ছেলের সন্ধানে এলাকায় মাইকিং করে অনেক খোঁজাখুঁজি করেন। তিন দিন ধরে ওই এলাকায় অবস্থান করে তাকে না পেয়ে বাড়ি ফিরে যান। এরপর মঙ্গলবার দুপুরের পর জানা যায় স্থানীয় জেলেরা নদীতে একটি মরদেহ পেয়েছে। এ খবরে ছেলের পরনের জামাকাপড় দেখে মরদেহটি শাহাদাতের বলে সনাক্ত করেন। তবে শাহাদাত আগে থেকেই মৃগী রোগী ছিলেন বলে তার পিতা মো. ডালিম জানান।
লালামোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম জানান, মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় রাখা হয়েছে। যেহেতু বিষয়টি নদীর সাথে সম্পর্কিত তাই নৌপুলিশকে জানানো হয়েছে। নৌপুলিশ এবং নিহতের পরিবার আসছে। তারা আসার পর এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন: তাহিরপুরে প্রবাসীর স্ত্রী ও পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে উধাও নাজমুল, পরিবার উদ্বিগ্ন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন