ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পটিয়ায় ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল যুবকের


পটিয়ায় ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল যুবকের

চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার কচুয়াই ইউনিয়নের চক্রশালা এলাকায় সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে পংকজ শীল (২৬) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। একই ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন তিলক চক্রবর্তী (৩০)।

মঙ্গলবার (৯ জুন) রাত ৯টার দিকে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত পংকজ শীল ওই এলাকার মিলন শীলের ছেলে। আহত তিলক চক্রবর্তী মৃত দুর্গাপদ চক্রবর্তীর ছেলে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে ৫-৭ জনের একটি সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারীদল চক্রশালা এলাকায় প্রবেশ করে। এসময় পংকজ শীল ও তিলক চক্রবর্তী ছিনতাইকারীদলের মুখোমুখি হয়ে পড়েন।

আরও পড়ুন: (ছবি আছে) জিয়ানগরে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচার দাবিতে মানববন্ধন

একপর্যায়ে ছিনতাইকারীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে ধারাল অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। এসময় তাদের চিৎকারে স্থানীয়রা দৌড়ে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় তাদেরকে উদ্ধার করে প্রথমে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পথে পংকজ শীল মারা যান।

আহত তিলক চক্রবর্তী বর্তমানে চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

কচুয়াই ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য পাভেল বিশ্বাস বলেন, রাতে সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারীদল আমাদের এলাকায় প্রবেশ করে। তাদের সামনে পড়ে যাওয়ায় দুজনের ওপর হামলা চালানো হয়। ছুরিকাঘাতে একজনের মৃত্যু হয়েছে এবং আরেকজন গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনার পর পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল হক বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন ছিনতাইকারী ছিল। তাদের মধ্যে একজনকে বোরকা পরিহিত অবস্থায় আটক করা হয়েছে। হামলাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।

আরও পড়ুন: ‎রাঙামাটিতে স্কুলছাত্র নিখোঁজ, থানায় জিডি করলেন বাবা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অনলাইনে নারী ও শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান নিপুণ রায় চৌধুরীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:০৬ এম


অনলাইনে নারী ও শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান নিপুণ রায় চৌধুরীর

 

ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী মন্তব্য করেছেন যে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বিত উদ্যোগ একান্ত প্রয়োজন।

তিনি মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত নারী ও শিশুদের ওপর নির্যাতন, যৌন হয়রানি, গুম ও হত্যার বিরুদ্ধে সচেতনতামূলক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

নিপুণ রায় চৌধুরী আরও বলেন, বিভিন্ন জরিপে উঠে এসেছে যে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অন্যান্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনেক নারী কোনো না কোনো ধরনের ডিজিটাল সহিংসতার শিকার হচ্ছেন। একই সঙ্গে বিপুলসংখ্যক শিশু সাইবার বুলিং, অনলাইন যৌন হয়রানি ও বিভিন্ন ধরনের ডিজিটাল অপরাধের ঝুঁকিতে রয়েছে। প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এসব অপরাধের ধরন ও ভয়াবহতাও বাড়ছে।

তিনি উল্লেখ করেন, সাইবার বুলিং, অনলাইনে হুমকি, ব্যক্তিগত তথ্য ও ছবি অপব্যবহার এবং ব্ল্যাকমেইলিংয়ের মতো অপরাধ সমাজে নতুন চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করেছে। নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে একসাথে কাজ করতে হবে।

কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. উমর ফারুকের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আব্দুস সাত্তার বেগের সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার ভূমি জান্নাতুল মাওয়া, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মালা বড়াল, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা দিলারা খাতুন, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাকির হোসেন মোল্লা এবং উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, ইমাম, পুরোহিত এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।

সভায় বক্তারা নারী ও শিশুদের প্রতি সব ধরনের সহিংসতা প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা, পারিবারিক মূল্যবোধ জাগ্রত করা এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থাসহ সমাজের সকল শ্রেণি ও পেশার মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৮০ বিলিয়ন ডলারের মহাযজ্ঞ ফুটবল বিশ্বকাপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:১৪ এম


৮০ বিলিয়ন ডলারের মহাযজ্ঞ ফুটবল বিশ্বকাপ

 

টাকার অঙ্কে চোখ ধাঁধিয়ে দেওয়ার জোগাড়! উত্তর আমেরিকার তিনটি দেশ—যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকোর মাটিতে বসছে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ফুটবল বিশ্বকাপ। শুধুমাত্র মাঠের ফুটবল নয়, মাঠের বাইরের অর্থনৈতিক সমীকরণ নিয়েও শুরু হয়ে গেছে তুমুল আলোচনা। ফিফা ও বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) একটি যৌথ সমীক্ষা বলছে, এ বিশ্বকাপ থেকে তিন দেশের সম্মিলিত অর্থনৈতিক উৎপাদন (গ্রস ইকোনমিক আউটপুট) হতে পারে রেকর্ড আট হাজার ১০ কোটি ডলার!

তবে এই বিশাল অঙ্কের ভিড়েও রয়েছে বিতর্কের সুর। স্বাধীন অর্থনীতিবিদরা একটু মুচকি হেসে বলছেন, ‘কাগজে-কলমে সংখ্যাটা যত বড় দেখায়, বাস্তবে হয়তো ততটা ফলার সুযোগ নেই।’

টিকিট বিক্রি এবং স্টেডিয়ামে দর্শকদের জন্য হটডগ বিক্রির প্রথাগত আয়ের বাইরেও বিশ্বকাপের একটি বিশাল অর্থনৈতিক বৃত্ত রয়েছে। ফিফা-ডব্লিউটিওর যৌথ সমীক্ষা অনুযায়ী এই মহাযজ্ঞ বৈশ্বিক জিডিপিতে সরাসরি অবদান রাখবে চার হাজার ৯০ কোটি ডলার। এছাড়া, টুর্নামেন্ট আয়োজন বাবদ তিন দেশের সরকারের পকেটে কর হিসেবে জমা হবে প্রায় ৯৪০ কোটি ডলার।

উচ্ছ্বাসের মাঝেও মুদ্রার উল্টো পিঠ মনে করিয়ে দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। যুক্তরাষ্ট্রের কলেজ অব দ্য হলি ক্রসের স্পোর্টস ইকোনমিকসের অধ্যাপক ভিক্টর ম্যাথেসন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম নিউজউইককে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক লাভের অঙ্কটা প্রচারের চেয়ে অনেক কম হতে পারে। এর পেছনে আয়োজকদের আকাশচুম্বী খরচ এবং টুর্নামেন্ট শুরুর অল্প সময় আগেও হাজার হাজার অবিক্রীত টিকিট থাকাকে প্রধান কারণ হিসেবে দেখিয়েছেন তিনি।

হিসাব-নিকাশ যা-ই হোক, লাভের সিংহভাগ যে ওড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে—তা বলাই বাহুল্য। টুর্নামেন্টের মোট ম্যাচের মধ্যে সিংহভাগ (৭৮ ম্যাচ) আয়োজন করে মূল ফায়দা তুলবে যুক্তরাষ্ট্র। বাকি ২৬ ম্যাচের মধ্যে কানাডা ও মেক্সিকো পাবে ১৩টি করে।

শহরভিত্তিক আয়ের ক্ষেত্রে ক্যালিফোর্নিয়ার বিখ্যাত ‘সুপার বোল’ ইভেন্টের আয়কেও ছাড়িয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে লস অ্যাঞ্জেলেস। নিজেদের মাঠে হওয়া আট ম্যাচ থেকে শহরটি ৫৯ কোটি ৪০ লাখ ডলার কামানোর আশা করছে। অন্যদিকে ডালাসের এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামের ৯ ম্যাচ থেকে আয় হবে প্রায় ৪০ কোটি ডলার।

এই বিশাল আয়োজন বিশ্বজুড়ে তৈরি করেছে ব্যাপক কর্মসংস্থান। প্রস্তুতি ও পরিচালনা পর্যায়ে বিশ্বজুড়ে আট লাখ ২৪ হাজার পূর্ণকালীন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্রের ১১ আয়োজক শহরজুড়েই নতুন কাজ পেয়েছেন প্রায় এক লাখ ৮৫ হাজার মানুষ।

২০২৩-২৬ চক্রে ফিফার মোট আয় ছোঁবে এক হাজার ১০০ কোটি ডলার, যার বড় অংশই আসছে এ বিশ্বকাপ থেকে। আয় বাড়ায় স্বাভাবিকভাবেই দলগুলোর জন্য পারফরম্যান্সভিত্তিক প্রাইজমানি ৫০ শতাংশের বেশি বাড়িয়ে করা হয়েছে ৬৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার।

অংশগ্রহণকারী ৪৮ দেশের প্রত্যেকে প্রস্তুতি খরচ বাবদ নিশ্চিতভাবে পাবে ১৫ লাখ ডলার। এমনকি গ্রুপ পর্বে কোনো ম্যাচ না জিতে বিদায় নিলেও প্রতিটি দেশের জন্য এক কোটি ৫০ লাখ ডলার নিশ্চিত!

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুরভির ছোঁয়ায় ব্যক্তিত্ব ও আত্মবিশ্বাসের প্রকাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:২০ এম


সুরভির ছোঁয়ায় ব্যক্তিত্ব ও আত্মবিশ্বাসের প্রকাশ

 

সুগন্ধির বা পারফিউম কেবল শরীরকে সুবাসিত করার মাধ্যম নয়, বরং এটি ব্যক্তিত্বের একটি অদৃশ্য পরিধি বাড়ানোর ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। একটি চমৎকার পারফিউম একজন নারীর উপস্থিতি যেমন জানান দেয়, তেমনি তার চলে যাওয়ার পরও বাতাসে রেখে যায় এক মায়াবী রেশ। মন ভালো করা থেকে শুরু করে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেওয়া পর্যন্ত নারীর প্রাত্যহিক জীবনে পারফিউমের ভূমিকা অনস্বীকার্য।

পারফিউম কেন ব্যবহার করবেন?

মুড বা মেজাজ ভালো রাখতে: সুগন্ধির সাথে আমাদের মস্তিষ্কের এক দারুণ সংযোগ রয়েছে। ল্যাভেন্ডার, সাইট্রাস বা ভ্যানিলার মতো সুবাস নিমেষেই ক্লান্তি দূর করে মন চাঙ্গা করে তুলতে পারে।

আত্মবিশ্বাস বাড়াতে: সুন্দর পোশাকের সাথে মানানসই সুগন্ধি আপনার আত্মবিশ্বাসকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। যখন আপনি জানেন আপনার থেকে চমৎকার সুবাস আসছে, তখন যেকোনো জায়গায় আপনি নিজেকে আরও ইতিবাচকভাবে উপস্থাপন করতে পারবেন।

স্মৃতির ক্যানভাস: সুগন্ধি স্মৃতিকে জাগিয়ে তোলে। কোনো একটি নির্দিষ্ট পারফিউম আপনাকে বছরের পর বছর আগের কোনো প্রিয় মুহূর্ত বা প্রিয় মানুষের কথা মনে করিয়ে দিতে পারে।

সঠিক পারফিউম বেছে নেওয়ার উপায়

বাজারে হাজারো রকমের পারফিউমের মাঝে নিজের সিগনেচার সুবাসটি খুঁজে পাওয়া কিছুটা কঠিন হতে পারে। কিন্তু নিচের উপায়গুলো খেয়াল রাখলে কাজটা অনেক ক্ষেত্রে সহজ হবে:

ক. সুগন্ধির ধরন

পারফিউম কেনার আগে সুবাসের ধরন বোঝা জরুরি:

ফ্লোরাল : গোলাপ, জুঁই বা রজনীগন্ধার মতো ফুলের সুবাস। এটি নারীদের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং ক্লাসিক পছন্দ।

সাইট্রাস: লেবু, কমলা বা বার্গামটের সতেজ সুবাস। গরমের দিনের জন্য এটি দারুণ।

উডি বা মাস্কি: চন্দন কাঠ, অ্যাম্বার বা মাস্কের নোট। এটি সাধারণত একটু গম্ভীর, আভিজাত্যপূর্ণ এবং রাতের অনুষ্ঠানের জন্য পারফেক্ট।

ওরিয়েন্টাল বা স্পাইসি: ভ্যানিলা, দারুচিনি বা এলাচের মতো একটু কড়া ও আকর্ষণীয় সুবাস।

খ. আবহাওয়া ও সময় বিবেচনা

দিনের বেলা ও গরমে: হালকা, সতেজ এবং ফ্রুটি বা সাইট্রাস ঘরানার পারফিউম ব্যবহার করা ভালো। এতে গরমেও একটা ফ্রেশ অনুভূতি থাকে।

রাতের বেলা ও শীতে: একটু কড়া, উডি, স্পাইসি বা মাস্কি পারফিউম বেছে নিন। শীতের বাতাসে এই সুবাসগুলো দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং ভালো ছড়ায়।

পারফিউম দীর্ঘস্থায়ী করার কিছু দারুণ ট্রিকস

অনেকেরই অভিযোগ থাকে দামি পারফিউম ব্যবহারের পরও সুবাস বেশিক্ষণ থাকে না। পারফিউম দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য কিছু নিয়ম মেনে চলতে পারেন:

পালস পয়েন্টে স্প্রে করুন: কবজি, কনুইয়ের ভেতরের অংশ, ঘাড়ের দুপাশ, এবং কানের পেছনে পারফিউম স্প্রে করুন। এই স্থানগুলো শরীরের অন্যান্য অংশের চেয়ে উষ্ণ থাকে, যা সুবাস ছড়াতে সাহায্য করে।

ঘষবেন না: কবজিতে পারফিউম দিয়ে অনেকেই হাত দুটো ঘষে নেন। এটি একদমই ভুল পদ্ধতি। ঘষার ফলে পারফিউমের মলিকিউল বা কণাগুলো ভেঙে যায়, ফলে সুবাস দ্রুত উবে যায়।

ময়েশ্চারাইজড ত্বক: শুষ্ক ত্বকের চেয়ে ময়েশ্চারাইজড বা তৈলাক্ত ত্বকে সুগন্ধি বেশি সময় টিকে থাকে। পারফিউম ব্যবহারের আগে সামান্য পেট্রোলিয়াম জেলি বা গন্ধহীন লোশন লাগিয়ে নিতে পারেন

গোসলের পর: গোসল শেষ করে শরীর হালকা মুছেই পারফিউম ব্যবহার করুন। তখন ত্বকের লোমকূপগুলো খোলা থাকে, ফলে সুবাস ত্বকে ভালোভাবে বসে যায়।

পারফিউম হলো একজন নারীর অদৃশ্য অলঙ্কার। দামী বা সস্তা ব্র্যান্ডের চেয়ে বড় কথা হলো, যে সুবাসটি আপনার মনকে ভালো রাখে এবং আপনার ব্যক্তিত্বকে ফুটিয়ে তোলে, সেটিই আপনার জন্য সেরা। তাই নিজের পছন্দকে প্রাধান্য দিন এবং প্রতিদিনের পথচলায় যোগ করুন সুরভির এক অনন্য ছোঁয়া।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘অভিনয়ে ফিরতে চাই’ বড়পর্দায় ফেরার ইচ্ছার কথা জানালেন এনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:২৫ এম


‘অভিনয়ে ফিরতে চাই’ বড়পর্দায় ফেরার ইচ্ছার কথা জানালেন এনা

অভিনেত্রী এনা সাহা জানান, তিনি চিত্রনাট্যে ফিরে আসতে চান। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বড়পর্দায় নেই। এনা, যিনি এখন প্রযোজকও, নিজেকে সময় দিতে চান। তিনি বারবার এই বিষয়টি প্রকাশ করেছেন। টলিপাড়ায় हालফিলাল পালাবদল ঘটে চলেছে। সম্প্রতি 'ইমপা'তে পিয়া সেনগুপ্তকে নিয়ে কিছু ঝামেলাও প্রকাশ পেয়েছে। সেই সময়েই এনাকে ইমপা-য় দেখা গিয়েছিল।

তিনি ছোট থেকে অভিনয় জগতের সঙ্গে যুক্ত। তবে অভিনেত্রী এনার মুখ থেকে জানা যায়, তাঁকে কখনও কোনও সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়নি। এনা বলেন, “আমি সে দিন ইমপা-র অফিসে গিয়েছিলাম 'পাশে আছি'— এমন বার্তা দিতে। সত্যি বলছি, আমাকে সবাই আগলে রেখেছে। কখনও কোনও অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়নি।”

এখন প্রশ্ন, এত সময় ধরে তিনি বড়পর্দা থেকে দূরে কেন? এনা বলেন, “অন্দরের রাজনৈতিক সমস্যার কারণে আমি পর্দা থেকে দূরে, একে বারেই নয়। আমি নিজের কাজের জন্য তৈরি হচ্ছি। এখন প্রোডাকশন করছি। অনেকগুলো দিক দেখতে হচ্ছে। সেখানেও ইন্ডাস্ট্রির গুরুজনেরা আমাকে সাহায্য করেছেন। যেমন, ছবির সেন্সর সার্টিফিকেট আগে থেকে বার করাতে হয়, সেটা আমি জানতাম না। সে ক্ষেত্রেও বড়দের পাশে পেয়েছি। সুতরাং, আমি ব্যক্তিগত ভাবে কোনও সমস্যায় পড়িনি।”

এখন, অভিনয়ের ক্ষেত্রেও মন দিতে চান এনা। এনা বলেন, “আমি সবাইকে ফোন করে বলেছি অভিনয় করতে চাই। দক্ষিণে তো আগে অনেক কাজ করেছি। সেখানেও গিয়ে কথা বলে এসেছি। আমার কাছে অনেক চিত্রনাট্য আসছে। তাই সেই দিকেও মন দিতে চাই।” অতীতে কি কোনও রাজনৈতিক দলের ঘনিষ্ট ছিলেন এনা? অভিনেত্রী জানান, “আমরা অনেক অঞ্চলে অনুষ্ঠান করতে যাই। কোন রাজনৈতিক দল আয়োজন করে সেই সব অনুষ্ঠান, তা আমার জানা নেই। তাই ও ভাবে কী করে উত্তর দিতে পারি।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%