ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

অনলাইনে নারী ও শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান নিপুণ রায় চৌধুরীর


অনলাইনে নারী ও শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান নিপুণ রায় চৌধুরীর

 

ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী মন্তব্য করেছেন যে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বিত উদ্যোগ একান্ত প্রয়োজন।

তিনি মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত নারী ও শিশুদের ওপর নির্যাতন, যৌন হয়রানি, গুম ও হত্যার বিরুদ্ধে সচেতনতামূলক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

আরও পড়ুন: শেরপুরে বাস-সিএনজির সংঘর্ষে জুয়েল মিয়া নিহত, আহত ৪

নিপুণ রায় চৌধুরী আরও বলেন, বিভিন্ন জরিপে উঠে এসেছে যে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অন্যান্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনেক নারী কোনো না কোনো ধরনের ডিজিটাল সহিংসতার শিকার হচ্ছেন। একই সঙ্গে বিপুলসংখ্যক শিশু সাইবার বুলিং, অনলাইন যৌন হয়রানি ও বিভিন্ন ধরনের ডিজিটাল অপরাধের ঝুঁকিতে রয়েছে। প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এসব অপরাধের ধরন ও ভয়াবহতাও বাড়ছে।

তিনি উল্লেখ করেন, সাইবার বুলিং, অনলাইনে হুমকি, ব্যক্তিগত তথ্য ও ছবি অপব্যবহার এবং ব্ল্যাকমেইলিংয়ের মতো অপরাধ সমাজে নতুন চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করেছে। নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে একসাথে কাজ করতে হবে।

কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. উমর ফারুকের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আব্দুস সাত্তার বেগের সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার ভূমি জান্নাতুল মাওয়া, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মালা বড়াল, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা দিলারা খাতুন, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাকির হোসেন মোল্লা এবং উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, ইমাম, পুরোহিত এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।

সভায় বক্তারা নারী ও শিশুদের প্রতি সব ধরনের সহিংসতা প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা, পারিবারিক মূল্যবোধ জাগ্রত করা এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থাসহ সমাজের সকল শ্রেণি ও পেশার মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

আরও পড়ুন: কেন্দুয়ায় পাচারের সময় ৩২ বস্তা সার জব্দ, চালক পালিয়েছে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৮০ বিলিয়ন ডলারের মহাযজ্ঞ ফুটবল বিশ্বকাপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:১৪ এম


৮০ বিলিয়ন ডলারের মহাযজ্ঞ ফুটবল বিশ্বকাপ

 

টাকার অঙ্কে চোখ ধাঁধিয়ে দেওয়ার জোগাড়! উত্তর আমেরিকার তিনটি দেশ—যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকোর মাটিতে বসছে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ফুটবল বিশ্বকাপ। শুধুমাত্র মাঠের ফুটবল নয়, মাঠের বাইরের অর্থনৈতিক সমীকরণ নিয়েও শুরু হয়ে গেছে তুমুল আলোচনা। ফিফা ও বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) একটি যৌথ সমীক্ষা বলছে, এ বিশ্বকাপ থেকে তিন দেশের সম্মিলিত অর্থনৈতিক উৎপাদন (গ্রস ইকোনমিক আউটপুট) হতে পারে রেকর্ড আট হাজার ১০ কোটি ডলার!

তবে এই বিশাল অঙ্কের ভিড়েও রয়েছে বিতর্কের সুর। স্বাধীন অর্থনীতিবিদরা একটু মুচকি হেসে বলছেন, ‘কাগজে-কলমে সংখ্যাটা যত বড় দেখায়, বাস্তবে হয়তো ততটা ফলার সুযোগ নেই।’

টিকিট বিক্রি এবং স্টেডিয়ামে দর্শকদের জন্য হটডগ বিক্রির প্রথাগত আয়ের বাইরেও বিশ্বকাপের একটি বিশাল অর্থনৈতিক বৃত্ত রয়েছে। ফিফা-ডব্লিউটিওর যৌথ সমীক্ষা অনুযায়ী এই মহাযজ্ঞ বৈশ্বিক জিডিপিতে সরাসরি অবদান রাখবে চার হাজার ৯০ কোটি ডলার। এছাড়া, টুর্নামেন্ট আয়োজন বাবদ তিন দেশের সরকারের পকেটে কর হিসেবে জমা হবে প্রায় ৯৪০ কোটি ডলার।

উচ্ছ্বাসের মাঝেও মুদ্রার উল্টো পিঠ মনে করিয়ে দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। যুক্তরাষ্ট্রের কলেজ অব দ্য হলি ক্রসের স্পোর্টস ইকোনমিকসের অধ্যাপক ভিক্টর ম্যাথেসন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম নিউজউইককে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক লাভের অঙ্কটা প্রচারের চেয়ে অনেক কম হতে পারে। এর পেছনে আয়োজকদের আকাশচুম্বী খরচ এবং টুর্নামেন্ট শুরুর অল্প সময় আগেও হাজার হাজার অবিক্রীত টিকিট থাকাকে প্রধান কারণ হিসেবে দেখিয়েছেন তিনি।

হিসাব-নিকাশ যা-ই হোক, লাভের সিংহভাগ যে ওড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে—তা বলাই বাহুল্য। টুর্নামেন্টের মোট ম্যাচের মধ্যে সিংহভাগ (৭৮ ম্যাচ) আয়োজন করে মূল ফায়দা তুলবে যুক্তরাষ্ট্র। বাকি ২৬ ম্যাচের মধ্যে কানাডা ও মেক্সিকো পাবে ১৩টি করে।

শহরভিত্তিক আয়ের ক্ষেত্রে ক্যালিফোর্নিয়ার বিখ্যাত ‘সুপার বোল’ ইভেন্টের আয়কেও ছাড়িয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে লস অ্যাঞ্জেলেস। নিজেদের মাঠে হওয়া আট ম্যাচ থেকে শহরটি ৫৯ কোটি ৪০ লাখ ডলার কামানোর আশা করছে। অন্যদিকে ডালাসের এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামের ৯ ম্যাচ থেকে আয় হবে প্রায় ৪০ কোটি ডলার।

এই বিশাল আয়োজন বিশ্বজুড়ে তৈরি করেছে ব্যাপক কর্মসংস্থান। প্রস্তুতি ও পরিচালনা পর্যায়ে বিশ্বজুড়ে আট লাখ ২৪ হাজার পূর্ণকালীন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্রের ১১ আয়োজক শহরজুড়েই নতুন কাজ পেয়েছেন প্রায় এক লাখ ৮৫ হাজার মানুষ।

২০২৩-২৬ চক্রে ফিফার মোট আয় ছোঁবে এক হাজার ১০০ কোটি ডলার, যার বড় অংশই আসছে এ বিশ্বকাপ থেকে। আয় বাড়ায় স্বাভাবিকভাবেই দলগুলোর জন্য পারফরম্যান্সভিত্তিক প্রাইজমানি ৫০ শতাংশের বেশি বাড়িয়ে করা হয়েছে ৬৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার।

অংশগ্রহণকারী ৪৮ দেশের প্রত্যেকে প্রস্তুতি খরচ বাবদ নিশ্চিতভাবে পাবে ১৫ লাখ ডলার। এমনকি গ্রুপ পর্বে কোনো ম্যাচ না জিতে বিদায় নিলেও প্রতিটি দেশের জন্য এক কোটি ৫০ লাখ ডলার নিশ্চিত!

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুরভির ছোঁয়ায় ব্যক্তিত্ব ও আত্মবিশ্বাসের প্রকাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:২০ এম


সুরভির ছোঁয়ায় ব্যক্তিত্ব ও আত্মবিশ্বাসের প্রকাশ

 

সুগন্ধির বা পারফিউম কেবল শরীরকে সুবাসিত করার মাধ্যম নয়, বরং এটি ব্যক্তিত্বের একটি অদৃশ্য পরিধি বাড়ানোর ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। একটি চমৎকার পারফিউম একজন নারীর উপস্থিতি যেমন জানান দেয়, তেমনি তার চলে যাওয়ার পরও বাতাসে রেখে যায় এক মায়াবী রেশ। মন ভালো করা থেকে শুরু করে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেওয়া পর্যন্ত নারীর প্রাত্যহিক জীবনে পারফিউমের ভূমিকা অনস্বীকার্য।

পারফিউম কেন ব্যবহার করবেন?

মুড বা মেজাজ ভালো রাখতে: সুগন্ধির সাথে আমাদের মস্তিষ্কের এক দারুণ সংযোগ রয়েছে। ল্যাভেন্ডার, সাইট্রাস বা ভ্যানিলার মতো সুবাস নিমেষেই ক্লান্তি দূর করে মন চাঙ্গা করে তুলতে পারে।

আত্মবিশ্বাস বাড়াতে: সুন্দর পোশাকের সাথে মানানসই সুগন্ধি আপনার আত্মবিশ্বাসকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। যখন আপনি জানেন আপনার থেকে চমৎকার সুবাস আসছে, তখন যেকোনো জায়গায় আপনি নিজেকে আরও ইতিবাচকভাবে উপস্থাপন করতে পারবেন।

স্মৃতির ক্যানভাস: সুগন্ধি স্মৃতিকে জাগিয়ে তোলে। কোনো একটি নির্দিষ্ট পারফিউম আপনাকে বছরের পর বছর আগের কোনো প্রিয় মুহূর্ত বা প্রিয় মানুষের কথা মনে করিয়ে দিতে পারে।

সঠিক পারফিউম বেছে নেওয়ার উপায়

বাজারে হাজারো রকমের পারফিউমের মাঝে নিজের সিগনেচার সুবাসটি খুঁজে পাওয়া কিছুটা কঠিন হতে পারে। কিন্তু নিচের উপায়গুলো খেয়াল রাখলে কাজটা অনেক ক্ষেত্রে সহজ হবে:

ক. সুগন্ধির ধরন

পারফিউম কেনার আগে সুবাসের ধরন বোঝা জরুরি:

ফ্লোরাল : গোলাপ, জুঁই বা রজনীগন্ধার মতো ফুলের সুবাস। এটি নারীদের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং ক্লাসিক পছন্দ।

সাইট্রাস: লেবু, কমলা বা বার্গামটের সতেজ সুবাস। গরমের দিনের জন্য এটি দারুণ।

উডি বা মাস্কি: চন্দন কাঠ, অ্যাম্বার বা মাস্কের নোট। এটি সাধারণত একটু গম্ভীর, আভিজাত্যপূর্ণ এবং রাতের অনুষ্ঠানের জন্য পারফেক্ট।

ওরিয়েন্টাল বা স্পাইসি: ভ্যানিলা, দারুচিনি বা এলাচের মতো একটু কড়া ও আকর্ষণীয় সুবাস।

খ. আবহাওয়া ও সময় বিবেচনা

দিনের বেলা ও গরমে: হালকা, সতেজ এবং ফ্রুটি বা সাইট্রাস ঘরানার পারফিউম ব্যবহার করা ভালো। এতে গরমেও একটা ফ্রেশ অনুভূতি থাকে।

রাতের বেলা ও শীতে: একটু কড়া, উডি, স্পাইসি বা মাস্কি পারফিউম বেছে নিন। শীতের বাতাসে এই সুবাসগুলো দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং ভালো ছড়ায়।

পারফিউম দীর্ঘস্থায়ী করার কিছু দারুণ ট্রিকস

অনেকেরই অভিযোগ থাকে দামি পারফিউম ব্যবহারের পরও সুবাস বেশিক্ষণ থাকে না। পারফিউম দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য কিছু নিয়ম মেনে চলতে পারেন:

পালস পয়েন্টে স্প্রে করুন: কবজি, কনুইয়ের ভেতরের অংশ, ঘাড়ের দুপাশ, এবং কানের পেছনে পারফিউম স্প্রে করুন। এই স্থানগুলো শরীরের অন্যান্য অংশের চেয়ে উষ্ণ থাকে, যা সুবাস ছড়াতে সাহায্য করে।

ঘষবেন না: কবজিতে পারফিউম দিয়ে অনেকেই হাত দুটো ঘষে নেন। এটি একদমই ভুল পদ্ধতি। ঘষার ফলে পারফিউমের মলিকিউল বা কণাগুলো ভেঙে যায়, ফলে সুবাস দ্রুত উবে যায়।

ময়েশ্চারাইজড ত্বক: শুষ্ক ত্বকের চেয়ে ময়েশ্চারাইজড বা তৈলাক্ত ত্বকে সুগন্ধি বেশি সময় টিকে থাকে। পারফিউম ব্যবহারের আগে সামান্য পেট্রোলিয়াম জেলি বা গন্ধহীন লোশন লাগিয়ে নিতে পারেন

গোসলের পর: গোসল শেষ করে শরীর হালকা মুছেই পারফিউম ব্যবহার করুন। তখন ত্বকের লোমকূপগুলো খোলা থাকে, ফলে সুবাস ত্বকে ভালোভাবে বসে যায়।

পারফিউম হলো একজন নারীর অদৃশ্য অলঙ্কার। দামী বা সস্তা ব্র্যান্ডের চেয়ে বড় কথা হলো, যে সুবাসটি আপনার মনকে ভালো রাখে এবং আপনার ব্যক্তিত্বকে ফুটিয়ে তোলে, সেটিই আপনার জন্য সেরা। তাই নিজের পছন্দকে প্রাধান্য দিন এবং প্রতিদিনের পথচলায় যোগ করুন সুরভির এক অনন্য ছোঁয়া।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘অভিনয়ে ফিরতে চাই’ বড়পর্দায় ফেরার ইচ্ছার কথা জানালেন এনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:২৫ এম


‘অভিনয়ে ফিরতে চাই’ বড়পর্দায় ফেরার ইচ্ছার কথা জানালেন এনা

অভিনেত্রী এনা সাহা জানান, তিনি চিত্রনাট্যে ফিরে আসতে চান। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বড়পর্দায় নেই। এনা, যিনি এখন প্রযোজকও, নিজেকে সময় দিতে চান। তিনি বারবার এই বিষয়টি প্রকাশ করেছেন। টলিপাড়ায় हालফিলাল পালাবদল ঘটে চলেছে। সম্প্রতি 'ইমপা'তে পিয়া সেনগুপ্তকে নিয়ে কিছু ঝামেলাও প্রকাশ পেয়েছে। সেই সময়েই এনাকে ইমপা-য় দেখা গিয়েছিল।

তিনি ছোট থেকে অভিনয় জগতের সঙ্গে যুক্ত। তবে অভিনেত্রী এনার মুখ থেকে জানা যায়, তাঁকে কখনও কোনও সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়নি। এনা বলেন, “আমি সে দিন ইমপা-র অফিসে গিয়েছিলাম 'পাশে আছি'— এমন বার্তা দিতে। সত্যি বলছি, আমাকে সবাই আগলে রেখেছে। কখনও কোনও অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়নি।”

এখন প্রশ্ন, এত সময় ধরে তিনি বড়পর্দা থেকে দূরে কেন? এনা বলেন, “অন্দরের রাজনৈতিক সমস্যার কারণে আমি পর্দা থেকে দূরে, একে বারেই নয়। আমি নিজের কাজের জন্য তৈরি হচ্ছি। এখন প্রোডাকশন করছি। অনেকগুলো দিক দেখতে হচ্ছে। সেখানেও ইন্ডাস্ট্রির গুরুজনেরা আমাকে সাহায্য করেছেন। যেমন, ছবির সেন্সর সার্টিফিকেট আগে থেকে বার করাতে হয়, সেটা আমি জানতাম না। সে ক্ষেত্রেও বড়দের পাশে পেয়েছি। সুতরাং, আমি ব্যক্তিগত ভাবে কোনও সমস্যায় পড়িনি।”

এখন, অভিনয়ের ক্ষেত্রেও মন দিতে চান এনা। এনা বলেন, “আমি সবাইকে ফোন করে বলেছি অভিনয় করতে চাই। দক্ষিণে তো আগে অনেক কাজ করেছি। সেখানেও গিয়ে কথা বলে এসেছি। আমার কাছে অনেক চিত্রনাট্য আসছে। তাই সেই দিকেও মন দিতে চাই।” অতীতে কি কোনও রাজনৈতিক দলের ঘনিষ্ট ছিলেন এনা? অভিনেত্রী জানান, “আমরা অনেক অঞ্চলে অনুষ্ঠান করতে যাই। কোন রাজনৈতিক দল আয়োজন করে সেই সব অনুষ্ঠান, তা আমার জানা নেই। তাই ও ভাবে কী করে উত্তর দিতে পারি।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাত্র ১৪ মিনিটের সহজ ব্যায়ামে শরীরে আসতে পারে ইতিবাচক পরিবর্তন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৩০ এম


মাত্র ১৪ মিনিটের সহজ ব্যায়ামে শরীরে আসতে পারে ইতিবাচক পরিবর্তন

শরীর ফিট রাখতে ঘাম ঝরানো ব্যায়ামই করতে হবে—এমন ধারণা বহুদিনের। তবে নতুন গবেষণা বলছে, এক জায়গায় স্থির হয়ে নির্দিষ্ট ভঙ্গি ধরে রাখলেই মিলতে পারে বড় উপকার। মাত্র ১৪ মিনিটের এক ধরনের ব্যায়ামই কমাতে পারে রক্তচাপ এবং বাড়াতে পারে পেশীর শক্তি।

এই ব্যায়ামের নাম হলো স্থির ভঙ্গির ব্যায়াম (আইসোমেট্রিক ব্যায়াম- Isometric exercise), যেখানে শরীর না নড়িয়ে নির্দিষ্ট অবস্থানে কিছু সময় ধরে থাকতে হয়। যেমন—দেয়ালে বসার মতো ভঙ্গি, পা সামনে তুলে চেয়ারে বসে থাকা বা হাত দিয়ে কোনো কিছু শক্ত করে চেপে ধরা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সপ্তাহে মাত্র তিন দিন এই ব্যায়াম করলে শরীরের জন্য উল্লেখযোগ্য উপকার পাওয়া যেতে পারে। প্রতি সেশনে ১৪ মিনিট সময়ই যথেষ্ট বলে গবেষণায় উঠে এসেছে।

বিভিন্ন গবেষণার তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এই স্থির ভঙ্গির ব্যায়াম রক্তচাপ কমাতে অন্যান্য অনেক ব্যায়ামের চেয়েও বেশি কার্যকর হতে পারে। এর মধ্যে আছে দৌড়, ওজন তোলা এবং উচ্চ মাত্রার ব্যায়ামও।

গবেষণায় দেখা যায়, নিয়মিত এই ব্যায়াম করলে রক্তচাপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসে। যা হৃদরোগ ও অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি এমন একটি ব্যায়াম যা ঘরে বসেই করা যায়, কোনো যন্ত্রপাতির প্রয়োজন হয় না এবং বেশি ঘামও হয় না। ফলে যারা নিয়মিত ব্যায়াম করতে পারেন না, তাদের জন্য এটি সহজ সমাধান হতে পারে।

শরীর যখন এক জায়গায় স্থির থেকে পেশি টানটান করে রাখে, তখন রক্তনালিতে চাপ পড়ে এবং রক্তপ্রবাহে পরিবর্তন আসে। পরে পেশি শিথিল হলে রক্তপ্রবাহ বাড়ে। এই প্রক্রিয়াটি নিয়মিত হলে দীর্ঘমেয়াদে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে।

এছাড়া এটি রক্তনালির স্থিতিস্থাপকতা বাড়াতে এবং হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতা হামৃত করতেও ভূমিকা রাখতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যাদের ব্যায়াম করার সময় বা সক্ষমতা কম, তাদের জন্য এটি বিশেষভাবে উপকারী। হাঁটাচলা বা ভারী ব্যায়াম করা যাদের জন্য কঠিন, তাদেরও এটি করতে পারেন।

বয়স্ক মানুষ বা যারা জয়েন্টের সমস্যায় ভোগেন, তাদের ক্ষেত্রে এই ব্যায়াম তুলনামূলকভাবে নিরাপদ হতে পারে।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু এই ব্যায়ামের ওপর নির্ভর না করে হাঁটা, দৌড়ানোসহ অন্যান্য শারীরিক কার্যক্রমও চালিয়ে যাওয়া উচিত। কারণ বিভিন্ন ধরনের ব্যায়ামের আলাদা আলাদা উপকার রয়েছে।

গবেষকরা আরও বলছেন, প্রতিটি ভঙ্গি অন্তত দুই মিনিট ধরে রাখলে ভালো ফল পাওয়া যায়। তবে শুরুতে সহজ ভঙ্গি থেকে শুরু করাই ভালো।

নতুন এই গবেষণা বলছে, ফিট থাকতে সবসময় কঠিন ব্যায়াম দরকার হয় না। মাত্র কয়েক মিনিটের স্থির ভঙ্গির ব্যায়ামও শরীরের জন্য বড় পরিবর্তন আনতে পারে।

নিয়মিত অনুশীলনই হতে পারে সুস্থ হৃদযন্ত্র ও নিয়ন্ত্রিত রক্তচাপের সহজ চাবিকাঠি।

সূত্র: বিবিসি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%