প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ডায়াবেটিস রোগীর জন্য কলা খাওয়া পরিমিত পরিমাণে বেশ উপকারী। কলার মাঝারি গ্লাইসেমিক ইনডেক্স এবং উচ্চ ফাইবার উপাদান রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বাড়তে দেয় না। এতে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম, ভিটামিন বি৬ ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে, যা সামগ্রিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। আরও পড়ুন: তীব্র গরমে সুস্থ থাকতে যা করবেন, পুরুষ বন্ধ্যত্ব চিকিৎসার ব্যয় নারীদের জটিল রোগের মতোই বেশি: গবেষণা, আম খাওয়ার সময় ডায়াবেটিস রোগীদের যেসব সতর্কতা মেনে চলা জরুরি, টাইপ-২ ডায়াবেটিস রোগীদের ওজন কমাতে কার্যকর যে নতুন ওষুধ, ঘন ঘন মাথাব্যথা কি ব্রেইন টিউমারের লক্ষণ? জানুন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ। কলা খাওয়ার সঠিক নিয়ম এবং সতর্কতা: পাকা কলা: মাঝারি আকৃতির একটি পাকা কলা খাওয়া নিরাপদ। তবে বেশি পাকা বা খয়েরি রঙের কলা এড়িয়ে চলাই ভালো। কারণ এগুলোর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স বেশি থাকে। কাঁচা কলা: ডায়াবেটিসের জন্য কাঁচা বা অর্ধপাকা কলা সবচেয়ে বেশি উপকারী। এতে শর্করার পরিমাণ কম থাকে। আর খালি পেটে বড় কলা না খেয়ে প্রোটিন বা ফ্যাটজাতীয় খাবারের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া ভালো। এতে শর্করা ধীরে ধীরে রক্তে মিশে যায়। উপকারিতা: ১. ফাইবার: কলার ফাইবার হজম প্রক্রিয়াকে ধীর করে। ফলে রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে থাকে। ২. ভিটামিন বি৬: এটি মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ ও স্নায়ু সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। ৩. পটাশিয়াম: হৃদযন্ত্র ও রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে। কলা পরিমিতভাবে খাওয়া গেলে তা আপনার রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে উল্লেখযোগ্য কোনো বিরূপ প্রভাব ফেলে না।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন