প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির ফার্মেসি বিভাগের পক্ষ থেকে ‘জেনেটিক ও ক্লিনিক্যাল ডেটা ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক একটি ওয়ার্কশপের আয়োজন করা হয়েছে। এই ওয়ার্কশপটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘হিট (HEAT)’ প্রকল্পের উইন্ডো-১ এর আওতায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রকল্পটি ‘করোনাভাইরাসজনিত রোগের সংবেদনশীলতা, তীব্রতা এবং ফলাফলের সঙ্গে সম্পর্কিত হোস্ট জেনেটিক মার্কার শনাক্তকরণ: ভবিষ্যৎ মহামারি ব্যবস্থাপনায় এর প্রভাব’ বিষয়ক গবেষণা প্রকল্প (প্রকল্প পিন: ১১০৪৪) বাস্তবায়ন করছে। এই প্রকল্পের চতুর্থ ত্রৈমাসিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ওয়ার্কশপটি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ওয়ার্কশপের মূল উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষাবিদ, গবেষক এবং শিক্ষার্থীদের একত্রিত করে আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা ও বায়োমেডিকেল গবেষণায় জেনেটিক ও ক্লিনিক্যাল ডেটা ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব তুলে ধরা। এছাড়া, এ বিষয়ে জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি করাও ছিল এর লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানটির সমন্বয় করেছেন সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির ফার্মেসি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এবং হিট (HEAT) প্রকল্পের উপ-প্রকল্প ব্যবস্থাপক ড. নুসরাতুন নাহার। আয়োজক দলের অন্যান্য সদস্য হিসেবে ছিলেন ফার্মেসি বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহযোগী অধ্যাপক ড. ইসরাত জাহান বুলবুল, সহকারী অধ্যাপক ইয়াসমিন বেগম, সহকারী অধ্যাপক ও প্রকল্পের আর্থিক ব্যবস্থাপক আব্দুল্লাহ আল হাসান এবং প্রকল্পের প্রশাসনিক কর্মকর্তা সাদিয়া উজমা সিদ্দিকা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইউসুফ মাহবুবুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মোফাজ্জল হোসেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন হিট (HEAT) প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. আসাদুজ্জামান, উপ-প্রকল্প পরিচালক মো. আসাদুজ্জামান এবং এটিএফ (ATF) সচিবালয়ের ড. হাসনাত এম. আলমগীর।
ওয়ার্কশপে প্রায় ৪০ জন গবেষণায় আগ্রহী শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছেন।
অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা ছিলেন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ নাজির হোসেন। তিনি জিনগত তথ্য ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নৈতিক ও প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জসমূহ তুলে ধরেন এবং গবেষণার তথ্য নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও কার্যকরভাবে সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ বিষয়ে অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে একটি প্রাণবন্ত প্রশ্নোত্তর পর্বও অনুষ্ঠিত হয়।
জিনতত্ত্ব ও চিকিৎসাবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে গবেষণা সক্ষমতা বৃদ্ধি, তথ্য ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ গবেষণাকে আরও সমৃদ্ধ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করার মাধ্যমে ওয়ার্কশপের সমাপ্তি ঘটে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন