বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১২:১৯ পি.এম
সউদী আরবের রাজধানী রিয়াদকে লক্ষ্য করে হামলা চালানোর জন্য ব্যবহৃত একটি ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র ধ্বংস করা হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) রাতে, ইয়েমেনে বৈধ সরকারকে সহায়তা প্রদানকারী যৌথ বাহিনীর সরকারি মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সউদী গেজেটের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, তুর্কি আল-মালিকি এক বিবৃতিতে জানান যে, ধ্বংসকৃত উৎক্ষেপণ কেন্দ্রটি ইয়েমেনের রাজধানী সানায় অবস্থিত ছিল। সেখান থেকে সউদী আরবের বিরুদ্ধে একটি নতুন হামলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল। যৌথ সামরিক বাহিনীর দ্রুত এবং সুনির্দিষ্ট অভিযানে এই কেন্দ্রটি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করা হয়।
এর আগে, ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা সউদী আরবের বেসামরিক বিমানবন্দরগুলোকে লক্ষ্য করে একাধিক ড্রোন এবং ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। এর মধ্যে রয়েছে রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং দক্ষিণাঞ্চলীয় আভা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলা, যেখানে কয়েকজন বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং বাংলাদেশীসহ অনেকেই আহত হন।
বুধবার (৭ অক্টোবর) সউদী আরবের জেনারেল অথরিটি অফ সিভিল এভিয়েশন (গাকা) এক বিবৃতিতে জানায়, আভা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুথিদের পৃথক হামলায় অন্তত ৩ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং ৩৬ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে বাংলাদেশী নাগরিকও রয়েছেন।
ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা এই হামলার দায় স্বীকার করেছে। গোষ্ঠীটির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারী দাবি করেন, ড্রোন বা চালকবিহীন বিমান ব্যবহার করে রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আক্রমণ চালানো হয়েছে। পাশাপাশি, ড্রোন এবং ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের যৌথ ব্যবহারের মাধ্যমে আভা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আঘাত হানা হয়।
এর আগে, বৈশ্বিক এয়ারলাইন্সগুলোকে পবিত্র মক্কা ও মদিনা ছাড়া সউদী আরবের পুরো আকাশসীমা ব্যবহারে ‘সর্বশেষ সতর্কতা’ জারি করে হুথি বিদ্রোহীরা। এর পরপরই পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে সউদী নেতৃত্বাধীন যৌথ বাহিনী সানায় হামলা চালিয়ে এই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রটি ধ্বংস করার কথা ঘোষণা করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বড়পর্দার ‘মিনিস্টার ফাটাকেষ্ট’ বাস্তবের মন্ত্রী হওয়ার পথে রয়েছেন। মিঠুন চক্রবর্তী পর্দায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে অভিনয় করেছেন। বাস্তবে, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পূর্ণমন্ত্রীর সমতুল্য পদ দেওয়া হয়েছে এই জনপ্রিয় ও বিতর্কিত অভিনেতাকে।
সম্প্রতি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ইঙ্গিত প্রদান করেছিলেন। বুধবার (৭ অক্টোবর) একটি সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, মিঠুন সরকারী তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করবেন।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ওই পদটি ‘ক্যাবিনেট মন্ত্রী’র সমতুল্য পদমর্যাদার। বলা হয়েছে, অবিলম্বে এই নিয়োগ কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশ না-দেওয়া পর্যন্ত এটি বহাল থাকবে।
রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজকুমার অগ্রবালের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রাজ্যপালের আদেশক্রমে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের ভিত্তিতে মিঠুনকে এই পদ প্রদান করা হয়েছে।
বর্তমানে রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর তত্ত্বাবধানে রয়েছে। মিঠুন ওই দফতরের পরামর্শদাতা হিসেবে কী ধরনের দায়িত্ব পালন করবেন, তা স্পষ্ট নয়। তবে নতুন সরকারের আমলে টলিপাড়ার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশগ্রহণ করেছেন মিঠুন।
আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব শুরু হতে যাচ্ছে। এই উৎসবের জন্য তৈরি হওয়া কমিটির মুখ্য উপদেষ্টার দায়িত্বও ইতিমধ্যেই পেয়েছেন মিঠুন।
প্রসঙ্গত, ২০২১ সালে বিধানসভার ভোটের আগে বিজেপিতে যোগদান করেন মিঠুন। এর আগে তিনি তৃণমূলের টিকিটে রাজ্যসভার সাংসদ ছিলেন। তবে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তিনি ইস্তফা দেন। গত পাঁচ বছরে বিজেপির হয়ে নানা ভোটপ্রচারে তারকাপ্রচারক হিসেবে কাজ করেছেন এই অভিনেতা-রাজনীতিক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের গোয়ায় নিজ বাসভবনে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরণ করেছেন বলিউডের খ্যাতিমান অভিনেতা ও চলচ্চিত্র নির্মাতা নানা পাটেকর। তার বয়স ছিল ৭৫ বছর।
হাসপাতাল সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, তাকে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে জ্ঞান ফেরানোর চেষ্টা করেন, কিন্তু কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। ভোর ৫টা ২০ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
নানা পাটেকরের মৃত্যুর পর তার মানবিকতা ও উদারতার বিভিন্ন গল্প সামনে আসছে। চলতি মাসের শুরুতে বিশিষ্ট চিত্রনাট্যকার, ঔপন্যাসিক ও অভিনেতা রণবীর পুষ্প নানা পাটেকরের মহানুভবতার একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনার কথা শেয়ার করেছেন।
নানা পাটেকরের রাগী স্বভাব নিয়ে কিছু মানুষের সমালোচনার প্রেক্ষিতে রণবীর পুষ্প জানান, প্রযোজকদের জন্য তিনি সমস্যার কারণ হতে পারতেন—এমন গুঞ্জন সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বরং কৃষকদের আত্মহত্যার ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রতি নানা পাটেকরের যে গভীর সহমর্মিতা ছিল, তা সত্যিই অনুকরণীয়।
কৃষক পরিবারগুলোর সাহায্যার্থে তিনি দেড় কোটি টাকার বিলাসবহুল গাড়ি কেনা বাতিল করেছিলেন এবং সেই অর্থ ১৫ হাজার টাকার চেকের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে বিতরণ করেছিলেন।
নানা পাটেকরের মেজাজ নিয়ে রণবীর পুষ্প স্পষ্টভাবে জানান, তিনি কেবল অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে মেজাজ হারাতেন। একবার রাস্তায় ময়লা ফেলার কারণে এক নাগরিককে ধমক দেওয়ার একটি ঘটনার কথা তিনি স্মরণ করেন।
‘অগ্নিসাক্ষী’ সিনেমায় চিত্রনাট্যকার হিসেবে নানা পাটেকরের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন রণবীর পুষ্প। ওই সিনেমায় নানা পাটেকর মূল চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্পেনের বিশ্বকাপজয়ী সাবেক ফরোয়ার্ড পেদ্রো রদ্রিগেজ তাঁর ২০ বছরের সাফল্যমণ্ডিত ক্যারিয়ারের সমাপ্তি ঘোষণা করেছেন। দুই দশকের উজ্জ্বল ক্যারিয়ারে তিনি ২৫টি বড় শিরোপা অর্জন করেছেন।
৩৯ বছর বয়সে বুধবার তিনি অবসরের সিদ্ধান্ত নেন।
গত জুলাইয়ে লাৎসিওর সঙ্গে চুক্তি শেষ হওয়ার পর তিনি ফ্রি এজেন্ট হিসেবে ছিলেন। ২০১০ সালের বিশ্বকাপজয়ী স্পেন দলের একটি গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে পেদ্রো নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ফাইনালে প্রথম একাদশে খেলেছিলেন। ইউরো ২০১২ জয়ে তাঁর অবদানও ছিল উল্লেখযোগ্য।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন, “আমি মনে করি সময় এসেছে। নতুন অধ্যায় শুরু করার সময়। আমি গর্বিত যে স্বপ্ন পূরণ করতে পেরেছি এবং যারা পাশে ছিল তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। ধন্যবাদ ফুটবল, আমাকে এত সুখী করার জন্য।”
২০০৮ সালে বার্সেলোনার প্রথম দলে সুযোগ পান পেদ্রো এবং পেপ গুয়ার্দিওলার অধীনে তিনি সাফল্যের শীর্ষে পৌঁছান। কাতালান ক্লাবের হয়ে তিনি ২০টি বড় শিরোপা জিতেছেন। ২০১১ সালের চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে ৩-১ গোলে পরাজিত করার ম্যাচে তিনি গোল করেছিলেন।
২০১৫ সালে চেলসিতে যোগ দেওয়ার পর দ্বিতীয় মৌসুমেই প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা অর্জন করেন। এরপর এক মৌসুম এএস রোমায় কাটিয়ে তিনি লাৎসিওতে যোগ দেন এবং ক্যারিয়ারের শেষ পাঁচ বছর সেখানে কাটান।
ক্লাব পর্যায়ে মোট ৭৯৪ ম্যাচে অংশ নিয়ে পেদ্রো ১৯৭ গোল করেছেন। জাতীয় দলের হয়ে তিনি ৬৫ ম্যাচে ১৭ গোল করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইংরেজি বিভাগের শ্রেণিকক্ষে নেকাব পরা এক ছাত্রীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ (মৌলবাদী) ও ‘সন্ত্রাসী’ বলে কটাক্ষ করার অভিযোগ উঠেছে বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে। এছাড়াও ওই ছাত্রীকে বোমা হামলা করতে পারেন- এমন মন্তব্যও করা হয়েছে।
এই ঘটনার প্রতিবাদে ওই ছাত্রীসহ কয়েকজন শিক্ষার্থী ক্লাস থেকে বেরিয়ে যান। পরবর্তীতে অধিকাংশ শিক্ষার্থী ক্লাস বর্জন করেন। শিক্ষার্থীদের তীব্র ক্ষোভের পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট ক্লাসে ওই শিক্ষককে আর না দেওয়ার বিষয়ে বিভাগ থেকে শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করা হয়েছে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) ইংরেজি বিভাগের ১৫তম ব্যাচের (২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষ) একটি ক্লাসে এ ঘটনা ঘটে। পরে শিক্ষার্থীরা বিষয়টি বিভাগীয় চেয়ারম্যানকে জানান। বৃহস্পতিবার লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পাশাপাশি তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে প্রক্টর কার্যালয়ে স্মারকলিপি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর ভাষ্য অনুযায়ী, ক্লাসে তিনি শিক্ষকের ডেস্কের পাশে বসেছিলেন। কয়েকবার চোখাচোখির পর শিক্ষক তাঁকে নেকাব ও পর্দা নিয়ে প্রশ্ন করেন এবং এভাবে পোশাক পরায় তিনি ‘আনকমফোর্টেবল’ ও ‘আনসেফ’ বোধ করছেন বলে জানান। পরে তাঁকে সামনে থেকে উঠে অন্য শিক্ষার্থীদের ভিড়ের মধ্যে গিয়ে বসতে বলা হয়। পরিচয় নিশ্চিত করার প্রয়োজনে অফিস সময়ে মুখ দেখানো বা পরিচয়পত্র দেখানোর প্রস্তাব দিলেও শিক্ষক তা গ্রহণ করেননি। আগের একটি ক্লাসেও তাঁর নেকাব নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী।
ক্লাসে উপস্থিত আরেক শিক্ষার্থী জানান, নেকাব ও পর্দা নিয়ে আলোচনার একপর্যায়ে তিনি ওই ছাত্রীকে সমর্থন করলে শিক্ষক ক্ষুব্ধ হন। একপর্যায়ে নেকাব পরা শিক্ষার্থী ‘জঙ্গি’ হলে বা ‘বোমা মারলে’ কীভাবে তাকে সমর্থন করা যায়- এমন প্রশ্ন তোলেন ওই শিক্ষক। প্রতিবাদ করায় শিক্ষক নিজের প্রভাবের কথা উল্লেখ করে হুমকি দেন বলেও অভিযোগ উঠে।
শিক্ষার্থীদের আরও দাবি, পর্দা ও ধর্মীয় বিধান নিয়ে ওই শিক্ষক এর আগেও ক্লাসে বিরূপ মন্তব্য করেছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি হাসপাতালে আছেন জানিয়ে ফোনে কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি।
কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আবুল কালাম সরকার বলেন, বিভাগীয় চেয়ারম্যানের পক্ষ থেকে বিষয়টি মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে, তবে লিখিত অভিযোগ এখনো পাইনি। অভিযোগ পেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রত্যেকের পছন্দ অনুযায়ী পর্দা করার অধিকার রয়েছে। কোনো শিক্ষক সত্যিই এ ধরনের কথা বলে থাকলে তা উচিত হয়নি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী বলেন, বিভাগ থেকে ঘটনাটি মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে। শিক্ষার্থীরা লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জরুরি একাডেমিক কমিটির সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হওয়ার কথা রয়েছে।
ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. তাজিন আজিজ চৌধুরী জানান, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মৌখিকভাবে কথা হয়েছে। তারা ওই শিক্ষকের সঙ্গে আর ক্লাস করতে চাচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে একাডেমিক কমিটির সভায় আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ