শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৩৫ পি.এম
আজ ১১ সেপ্টেম্বর, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র চেয়ারপারসন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার কারামুক্তির দিন।
২০০৮ সালে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে ৩৭২ দিন আটক থাকার পর এই দিনে তিনি সংসদ ভবন এলাকার ভেতরে স্থাপিত বিশেষ কারাগার থেকে মুক্তি পান।
এই দিনটি বিএনপির নেতাকর্মীদের কাছে শুধুমাত্র একটি দিন নয়। এটি অপেক্ষা, উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার অবসান এবং স্বাধীনতার আনন্দ উদযাপনের একটি আবেগঘন মুহূর্ত।
বিএনপি নেতাকর্মীদের কাছে ১১ সেপ্টেম্বর একটি বিশেষ তারিখ হয়ে উঠেছে; এটি দীর্ঘ অপেক্ষা, উদ্বেগ এবং উৎকণ্ঠার অবসান ঘটিয়ে মুক্তির আনন্দ উদযাপনের সময়।
২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে, ঢাকা সেনানিবাসের মইনুল রোডের বাসভবন থেকে বেগম খালেদা জিয়াকে আটক করা হয়।
আদালতে হাজির করার পর তার জামিন নামঞ্জুর করে সংসদ ভবন এলাকার একটি ভবনে বন্দি রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। ঐ ভবনটি বিশেষ কারাগারে পরিণত হয়।
দিন, মাস, বছর গড়িয়ে যায়। এই সময়ের মধ্যে দলের নেতা, কর্মী-সমর্থক ও আত্মীয়স্বজন উৎকণ্ঠা নিয়ে প্রতিদিন কারাগারের বাইরে অপেক্ষা করতে থাকেন।
অবশেষে ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর বেগম খালেদা জিয়া বন্দিদশা থেকে মুক্তি পান।
মুক্তির খবর ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে রাজপথে মানুষের ঢল নামে। কারও হাতে ছিল ফুল, আবার কারও চোখে আনন্দাশ্রু। প্রিয় নেত্রীকে স্বাগত জানাতে সবার মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস ছিল।
বহু বছর পেরিয়ে গেছে, কিন্তু বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী মানুষের স্মৃতিতে আজও অমলিন ১১ সেপ্টেম্বর।
বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক পথচলা নানা উত্থান-পতন, সংগ্রাম, দুর্ভোগ ও প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে এগিয়েছে। শেষ পর্যন্ত গণতন্ত্রের প্রতীক হিসেবে খ্যাত আপসহীন এই নেত্রীর দুর্ভোগের অবসান ঘটে।
২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া মারা যান। তার মৃত্যুর পর তাকে ঘিরে মানুষের ভালোবাসার যে বহিঃপ্রকাশ ঘটে, তা ছিল নজিরবিহীন।
দেশের ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ জানাজা শেষে তাকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক ও ১৯৭৮ সালে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা তার স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা: পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় পূর্ণাঙ্গ হাসপাতাল স্থাপনের দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ আয়োজিত মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, রাঙ্গাবালী উপজেলার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি—এখানে একটি পূর্ণাঙ্গ হাসপাতাল স্থাপন করা। চিকিৎসাসেবা নিতে উপজেলার মানুষকে নানা ভোগান্তির শিকার হতে হয়। জরুরি প্রয়োজনে উন্নত চিকিৎসার জন্য দূরবর্তী এলাকায় যেতে হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা দ্রুত রাঙ্গাবালী উপজেলায় একটি পূর্ণাঙ্গ হাসপাতাল স্থাপনের দাবি জানান। একই সঙ্গে দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন তারা।
মানববন্ধনে বক্তব্য দিতে গিয়ে আম জনগণ পার্টির সদস্য সচিব ফাতেমা তাসনিম বলেন, “রাঙ্গাবালী উপজেলায় পূর্ণাঙ্গ হাসপাতাল চাই। হাসপাতাল স্থাপন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।”
বক্তারা বলেন, উপকূলীয় এই উপজেলার সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।
মানববন্ধন থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি রাঙ্গাবালীতে দ্রুত একটি পূর্ণাঙ্গ হাসপাতাল স্থাপনের দাবি জানানো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হাটে পণ্য কেনাবেচা হওয়া স্বাভাবিক ঘটনা। কিন্তু খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার বারোআড়িয়া হাটে মৌসুমি সময়ে ‘মানুষও বিক্রি’ হয়ে থাকে। তবে এই বিক্রির প্রক্রিয়া স্থায়ী নয়; কৃষিকাজের জন্য নির্দিষ্ট সময়ের জন্য শ্রম বিক্রি করেন মানুষ। আমন মৌসুমে এই দৃশ্য বারোআড়িয়া হাটের বিশেষ পরিচয় হয়ে উঠেছে।
ভাদ্র মাস চলছে, দক্ষিণাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকায় বর্তমানে আমন ধান রোপণ ও ক্ষেত পরিচর্যার কাজ চলছে। আষাঢ় থেকে ভাদ্র, জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আমন রোপণ ও পরিচর্যার সময়কাল। এই সময় কৃষকদের জমিতে বিপুল সংখ্যক শ্রমিকের প্রয়োজন হয়। সেই প্রয়োজন মেটাতে সাতক্ষীরা, শ্যামনগর, দাকোপ, আসাশুনি, তালাসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন উপজেলা থেকে শ্রমিকরা বারোআড়িয়া হাটে আসেন।
সকাল হলেই হাটের নির্দিষ্ট স্থানে শ্রমিকরা জড়ো হন। কেউ একা, আবার কেউ দল বেঁধে আসেন। গৃহস্থরা তাদের সঙ্গে কথা বলেন, কাজের অভিজ্ঞতা জানার চেষ্টা করেন। শারীরিক সক্ষমতা এবং কাজের দক্ষতাও বিবেচনা করা হয়। এরপর দরদাম শুরু হয়। কারও সঙ্গে এক সপ্তাহের, কারও ১৫ দিনের চুক্তি হয়। চুক্তি চূড়ান্ত হলে শ্রমিক গৃহস্থের সঙ্গে চলে যান।
বর্তমান আমন মৌসুমে বারোআড়িয়া হাটে সাপ্তাহিক চুক্তিতে একজন শ্রমিকের দাম প্রায় ৫ হাজার থেকে ৬ হাজার টাকা উঠছে। শ্রমিকের অভিজ্ঞতা, কাজের ধরন, শারীরিক সক্ষমতা এবং চাহিদার ওপর ভিত্তি করে পারিশ্রমিকের পরিমাণ কমবেশি হয়।
রায়পুর এলাকার গৃহস্থ ওয়ালিদ গাজী মন্তব্য করেন, “আমাদের জমি রোপণের জন্য আটজন শ্রমিক নিয়েছি। জমি রোপণের সময় এবং ধান কাটার সময়ও বারোআড়িয়া বাজার থেকে শ্রমিক নিতে হয়। কৃষিকাজের ব্যস্ত সময়ে এখান থেকেই প্রয়োজনীয় শ্রমিক পাওয়া যায়।”
শ্যামনগর উপজেলার ঘুমঘাট এলাকার শ্রমিক লক্ষ্মণ কুমার বৈরাগী বলেন, "আমরা প্রতিবছর দুইবার এই হাটে কাজের জন্য আসি। কখনো এক সপ্তাহের চুক্তিতে, আবার কখনো ১৫ দিনের চুক্তিতে কাজ করি। গত সপ্তাহে দেলুটি ইউনিয়নের গেউয়াবুনিয়া গ্রামে কাজ করেছি।"
সাতক্ষীরার তালা উপজেলা থেকে আসা শ্রমিক রুদ্র রায় জানান, "এ বছর মোটামুটি ভালো দাম পাচ্ছি। সাপ্তাহিক চুক্তিতে ৫ হাজার ৬০০ টাকায় কাজ নিয়েছি।"
শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বছরের নির্দিষ্ট কয়েকটি সময়ে তারা এই হাটে আসেন। নিজেদের এলাকায় কাজের সুযোগ কমে গেলে অথবা আমন ও বোরো মৌসুমে শ্রমের চাহিদা বাড়লে তারা দলবেঁধে বিভিন্ন এলাকায় যান। কাজের বিনিময়ে পাওয়া পারিশ্রমিক তাদের পরিবারের আয়-রোজগারের অন্যতম অবলম্বন।
অন্যদিকে কৃষকদের জন্য এই হাট হয়ে উঠেছে প্রয়োজনের সময়ে শ্রমিক পাওয়ার নির্ভরযোগ্য স্থান। ধান রোপণ কিংবা কাটার মতো মৌসুমি কৃষিকাজে অল্প সময়ে বেশি শ্রমিকের প্রয়োজন হয়। স্থানীয়ভাবে সেই চাহিদা পূরণে দীর্ঘদিন ধরে বারোআড়িয়া হাট ভূমিকা রেখে আসছে।
তবে ‘মানুষ বিক্রি’ শব্দবন্ধের আড়ালে দক্ষিণাঞ্চলের গ্রামীণ শ্রমজীবী মানুষের কঠিন বাস্তবতা রয়েছে। এখানে মানুষ নিজের শ্রম, সময় ও সামর্থ্য নির্দিষ্ট সময়ের জন্য চুক্তিতে দেন। তাদের শ্রমের বিনিময়ে কৃষকের জমি সচল থাকে, ধান রোপণ হয় এবং ঘরে ফসল ওঠে।
সুরখালি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস কে জাকির হোসেন লিটু বলেন, বারোআড়িয়া হাট তাই শুধু কেনাবেচার জায়গা নয়; এটি দক্ষিণাঞ্চলের কৃষি অর্থনীতির সঙ্গে জড়িয়ে থাকা একটি মৌসুমি শ্রমবাজার।
বটিয়াঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা থান্দার কামরুজ্জামান মন্তব্য করেন, কৃষিকাজের মৌসুমে শ্রমিক ও কৃষকের মধ্যে এ ধরনের চুক্তিভিত্তিক শ্রমবাজার স্থানীয় কৃষি অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এতে একদিকে কৃষকরা প্রয়োজনের সময়ে শ্রমিক পাচ্ছেন, অন্যদিকে শ্রমজীবী মানুষও নিজেদের শ্রমের বিনিময়ে আয় করার সুযোগ পাচ্ছেন। কৃষক ও শ্রমিক উভয়ের স্বার্থ যাতে সুরক্ষিত থাকে এবং কোনো পক্ষ যেন প্রতারণা বা হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে প্রশাসন সচেতন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের আনোয়ারায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাবেক যুগ্ম সমন্বয়কারী মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় ১৩ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৫ থেকে ৬ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে ৭টার মধ্যে উপজেলার চাতরী ইউনিয়নের চাতরী চৌমুহনী এলাকার হাজী আবুল হোসেন মার্কেটের মো. শাকিলের দোকানের সামনে হামলার ঘটনা ঘটে।
এজাহার থেকে জানা যায়, পূর্বপরিকল্পিতভাবে বেআইনি জনতাবদ্ধ হয়ে আসামিরা দেলোয়ার হোসেনের ওপর হামলা চালায়। হামলার সময় তাঁকে কুপিয়ে ও মারধর করে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করা হয় এবং হাড়ভাঙার মতো আঘাত করা হয়। একই সঙ্গে তাঁর সঙ্গে থাকা ব্যক্তিদের মারধর করা হয়, ৪ হাজার ৫০০ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয় এবং ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগও রয়েছে।
আদালতের আদেশ পাওয়ার পর ১১ সেপ্টেম্বর আনোয়ারা থানায় মামলা নম্বর ১৮ হিসেবে মামলাটি রুজু করা হয়।
মামলার আসামিদের মধ্যে মো. রুবেল, আজম খান, মো. জুয়েল, মো. আকিব, মো. মিজান, মো. আবির হেলাল, মো. ইকবাল, মো. দিদার, মো. সেকান্দর, মো. সাকিব, মো. মোরশেদ, মো. মুহিম ও দেলোয়ার হোসেন অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ৫ থেকে ৬ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার বাদী দেলোয়ার হোসেনের দাবি, আসামিদের মধ্যে আজম খান ও রুবেল বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। মামলার পঞ্চম আসামি মো. মিজান আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন যুবলীগের নেতা এবং তিনি আনোয়ারা উপজেলা যুবলীগের সভাপতি শওকত ওসমানের অনুসারী।
দেলোয়ার হোসেন বলেন, হামলায় তিনি ও তাঁর সঙ্গে থাকা ব্যক্তিরা গুরুতর আহত হয়েছেন। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
তিনি আরও জানান, আসামিরা প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করলেও পুলিশ তাঁদের আটক করতে পারেনি। এমন বর্বর ও সন্ত্রাসী হামলার পর প্রশাসন কেন নীরব, তা তাঁদের বোধগম্য নয়। ঘটনার পরও তাঁদের হামলার উদ্দেশ্যে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে, ফলে তাঁরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় চাতরী চৌমুহনী বাজারে আধিপত্য বিস্তার করে আসছেন। একই ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে চাতরী চৌমুহনী বাজারের হাজী এ. আলী শপিং কমপ্লেক্স দখলের চেষ্টার অভিযোগে ব্যবসায়ীদের ওপর হামলার অভিযোগও রয়েছে। ওই ঘটনায় কয়েকজন ব্যবসায়ী আহত হন এবং তাঁদের মধ্যে কয়েকজন গুরুতর আহত হন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় আনোয়ারা থানায় ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে একটি মামলা করা হয়েছে।
আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চালিতাবুনিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কূলের চর গ্রামে নতুন একটি জামে মসজিদের উদ্বোধন করা হয়েছে।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) জুমার নামাজের আগে উত্তর কূলের চর আব্দুস সালাম বয়াতি বাড়ি জামে মসজিদ-এর উদ্বোধন করেন রাঙ্গাবালী উপজেলা বিএনপির প্রবাসী কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক এইচ এম জাকারিয়া হোসাইন।
এ সময় মসজিদ কমিটির সভাপতি মো. কালাম বয়াতি ও সাধারণ সম্পাদক বশার চৌকিদারসহ স্থানীয় মুসল্লি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধন শেষে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করা হয়। নতুন মসজিদ প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় স্থানীয় মুসল্লিদের মধ্যে আনন্দ ও উৎসাহ দেখা গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ