ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সীতার রূপে অসুরদের সঙ্গে লড়াই করছেন সাই পল্লবী


সীতার রূপে অসুরদের সঙ্গে লড়াই করছেন সাই পল্লবী

নিতেশ তিওয়ারির পরিচালনায় ‘রামায়ণ : রাইজ অব আ লেজেন্ড’ ছবির নতুন ঝলকে সীতার চরিত্রে অসুরদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে দেখা গেছে সাই পল্লবীকে। অপরদিকে, রাবণের চরিত্রে যশের তাণ্ডবের দৃশ্যও দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। নতুন ভিডিওতে ছবিটির বিশাল আয়োজনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেছেন নির্মাতারা। প্রযোজক নমিত মালহোত্রা জানিয়েছেন, বিশ্বজুড়ে ১০ হাজারের বেশি মানুষ এই সিনেমার কাজে নিয়োজিত রয়েছেন।

ভিডিওতে রণবীর কাপুরকে রামের চরিত্রে দেখা যাচ্ছে। একটি পাহাড়ের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা রামের পেছনে সূর্যোদয়ের দৃশ্য ফুটে উঠেছে। যশকে দেখা গেছে শিবের বিশাল মূর্তির সামনে তাণ্ডব করতে। এছাড়া, জটায়ুর পূর্ণ অবয়ব এবং ইন্দ্রের চরিত্রে কুনাল কাপুরকেও দেখা গেছে। ইন্দ্রের হাতে রয়েছে বজ্র অস্ত্র।

নির্মাতারা ভিডিওটি প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘এক জীবন্ত মহাকাব্য’। এতে প্রযোজক নমিত মালহোত্রা, পরিচালক নিতেশ তিওয়ারি ও রণবীর কাপুরকে ছবিটি বড় পর্দায় তুলে ধরার অভিজ্ঞতা নিয়ে আলোচনা করতে দেখা যায়।

আরও পড়ুন: এআই দিয়ে তৈরি বাংলা ওয়েব সিরিজ ‘শান্তি নিবাস’, নির্মাতার ভাবনায় যেমনটা ছিল

বিশ্বজুড়ে কাজ করছেন ১০ হাজারের বেশি মানুষ। ‘রামায়ণ’ নির্মাণের বিশালতা তুলে ধরে নামিত মালহোত্রা জানিয়েছেন, বিশ্বজুড়ে ১০ হাজারের বেশি মানুষ ছবিটির কাজে যুক্ত রয়েছেন। তিনি মন্তব্য করেন, ‘রামায়ণ’ একটি মহাকাব্য, যেখানে চরিত্রের গভীরতা, আবেগ ও দৃশ্যের বিশালতা—সবকিছুর সমন্বয় রয়েছে। দর্শকদের জন্য এতে নানা ধরনের আকর্ষণ থাকবে।

পরিচালক নিতেশ তিওয়ারিও মনে করেন, রামায়ণের গল্প বিশ্বের বিভিন্ন দেশের দর্শকদের সঙ্গে সংযোগ তৈরি করতে সক্ষম হবে। তার ভাষায়, এতে বাবা-ছেলের সম্পর্ক, প্রতিকূলতা পেরিয়ে এগিয়ে যাওয়ার গল্প এবং সাহসী ভালোবাসার দিক রয়েছে।

রণবীর কাপুরও ছবিটির প্রযোজক নামিত মালহোত্রার প্রশংসা করেছেন। এত বড় প্রকল্পে অভিনয়শিল্পী ও কলাকুশলীদের একসঙ্গে যুক্ত করা এবং তাদের কাজের সুযোগ করে দেওয়াকে তিনি বিরল ঘটনা বলে উল্লেখ করেন।

কবে মুক্তি পাবে ‘রামায়ণ’?

আরও পড়ুন: রাঘব ও রেমো ডিসুজার নতুন ছবি ‘এনি বডি ক্যান ড্রিম’ এর শুটিং শুরু

রণবীর কাপুর, সাই পল্লবী, যশ ও কুনাল কাপুর ছাড়াও ছবিটিতে আরো কয়েকজন অভিনয়শিল্পী রয়েছেন। ছবির সংগীত পরিচালনায় রয়েছেন হ্যান্স জিমার ও এ আর রহমান।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রায় চার হাজার কোটি রুপি বাজেটে নির্মিত হচ্ছে ‘রামায়ণ: রাইজ অব আ লেজেন্ড’। ছবিটির প্রথম পর্ব ২০২৬ সালের ৫ নভেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। দ্বিতীয় পর্ব মুক্তির পরিকল্পনা করা হয়েছে ২০২৭ সালের দীপাবলিতে।

এদিকে, ছবিটির দ্বিতীয় ট্রেলার ১৫ অক্টোবর প্রকাশ করা হয়েছে। মুক্তির আগের দিন, ৪ নভেম্বর, অর্থের বিনিময়ে বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হতে পারে বলেও একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। তবে এ বিষয়ে নির্মাতাদের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত নয়।

আরও পড়ুন: হানি সিংকে অশালীন মন্তব্যের অভিযোগে দুই ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েরা যবিপ্রবির খেলোয়াড়দের পেটালেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৪১ পি.এম


জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েরা যবিপ্রবির খেলোয়াড়দের পেটালেন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) খেলোয়াড়দের মধ্যে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল (ছাত্রী) প্রতিযোগিতার ফাইনালে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এই সংঘর্ষের ফলে যবিপ্রবির ৯ জন খেলোয়াড় আহত হয়েছেন। ঘটনার প্রতিবাদে নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ তুলে যবিপ্রবির নারী ফুটবল দল ম্যাচ বর্জন করে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও যবিপ্রবির মধ্যে ফাইনাল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে পরে সকাল ১০টায় খেলা শুরুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এর আগে, শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দলে বিভিন্ন ক্ষ্যাপের খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণ এবং তাদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকার অভিযোগ তোলা হয়।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অভিযোগের সমাধান না করেই তাদের খেলোয়াড়দের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সরবরাহ ছাড়া ফাইনাল ম্যাচে অংশগ্রহণ করে বলে জানা গেছে।

খেলা শুরু হওয়ার পর থেকেই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শক ও খেলোয়াড়রা যবিপ্রবির খেলোয়াড়দের গালিগালাজ করতে শুরু করেন। পরে দ্বিতীয়ার্ধে একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটে।

যবিপ্রবির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয় যে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলোয়াড় জ্যোৎস্না তাদের খেলোয়াড় ফারিয়ার গলা চেপে ধরেন। প্রতিবাদ করতে গেলে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে মারামারি শুরু হয়।

মারামারির এক পর্যায়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জ্যোৎস্না যবিপ্রবির আরেক খেলোয়াড় সামিয়ার গলা ও দুই হাত চেপে ধরেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলোয়াড় ইলা যবিপ্রবির এক খেলোয়াড়কে ঘুষি ও থাপ্পড় মারেন। এছাড়া যবিপ্রবির অধিনায়ক সাদিয়াকে, জ্যোৎস্না ও তাসলিমা মারধর করেন।

একই ঘটনায় যবিপ্রবির আঁখিকে মাটিতে ফেলে মারধর করা হয়, যার ফলে তার নখ ভেঙে যায়। সাগরিকাকে রাস্তায় ফেলে মারধর করা হয়, শশিকে পেটে লাথি মারা হয় এবং অন্তিকাকে ঘুষি মারার অভিযোগও উঠেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন খেলোয়াড়ের বিরুদ্ধে।

এছাড়া ছোয়াকে রাস্তায় ফেলে মারধর করা হয়, এতে তার হাত ও হাঁটুতে রক্ত জমাট বাঁধে বলে যবিপ্রবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। সংঘর্ষের একপর্যায়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলোয়াড় ইলা গাছের ডাল ভেঙে যবিপ্রবির খেলোয়াড়দের মারতে উদ্যত হন।

যবিপ্রবির শিক্ষার্থী মারুফ তাকে বাধা দিতে গেলে তাকেও মারধর করা হয়। একই সঙ্গে মারুফের গলায় থাকা রুপার চেইন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।

যবিপ্রবির শারীরিক শিক্ষা দপ্তরের সহকারী পরিচালক উজ্জ্বল চন্দ্র সূত্রধর বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে ফাইনাল ম্যাচ নিয়ে আগে থেকেই অভিযোগ ছিল। গতকাল রাতে অনুষ্ঠিত সভায় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ঠিক করে খেলা আয়োজনের সিদ্ধান্ত হলে আমরা ফাইনাল খেলতে সম্মতি জানাই। কিন্তু খেলা শুরুর পর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলোয়াড় ও শিক্ষার্থীরা আমাদের খেলোয়াড়দের গালিগালাজ করতে থাকেন। বিষয়টি রেফারিকে জানাতে গেলে আমাদের খেলোয়াড় ছোঁয়াকে হলুদ ও লাল কার্ড দেখানো হয়। পরে ম্যাচ কমিশনারের কাছে প্রতিবাদ জানালে লাল কার্ড প্রত্যাহার করা হয়।

তিনি আরও বলেন, দ্বিতীয়ার্ধে একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। আমাদের খেলোয়াড়কে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেওয়ার পর প্রতিবাদ জানাতে গেলে প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়েরা মারধর শুরু করেন। মাঠের বাইরেও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আক্রমণাত্মক আচরণ করেন।

তিনি আরও জানান, এক নারী শিক্ষার্থী গাছের ডাল নিয়ে আমাদের খেলোয়াড়দের মারতে উদ্যত হন। আমরা খেলা চালিয়ে যেতে চেয়েছিলাম। কিন্তু খেলোয়াড়দের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা এবং নিরাপত্তাহীনতার কারণে শেষ পর্যন্ত মাঠ ছাড়তে বাধ্য হই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌর বিদ্যুৎ উদ্যোক্তাদের ঋণ দেবে সোনালী ব্যাংক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৪২ পি.এম


সৌর বিদ্যুৎ উদ্যোক্তাদের ঋণ দেবে সোনালী ব্যাংক

সরকারি উদ্যোগের অংশ হিসেবে জ্বালানি সংকট মোকাবেলা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সৌর বিদ্যুৎ স্থাপনকারী ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের ঋণ প্রদান করবে সোনালী ব্যাংক পিএলসি। ১৭ অক্টোবর শনিবার রাজধানীর উত্তরায় সোনালী ব্যাংক স্টাফ কলেজের ছাদে স্থাপিত ১১৫ kWp ক্ষমতার অনগ্রিড সোলার সিস্টেমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান উল্লেখ করেন, ২০৩০ সালের মধ্যে ৩০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য সরকার যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, তার একটি অংশ হিসেবে সোনালী ব্যাংকের এই ১১৫ kWp ক্ষমতার সোলার প্যানেল উদ্বোধন করা হলো। সারাদেশে ব্যাংকের নিজস্ব স্থাপনাগুলোর মাধ্যমে অন্তত ২৩০০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে। তিনি বলেন, "এজন্য ২০২৩০ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা না করে আগামী জুনের মধ্যে কার্যক্রম শুরু করতে হবে।" তিনি আরও বলেন, সোনালী ব্যাংক দেশের সকল উন্নয়নের জন্য সর্বদা কাজ করে যাচ্ছে, শুধুমাত্র লাভের জন্য নয়।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. শওকত আলী খান জানান, এই সোলার প্যানেল স্টাফ কলেজের বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ করবে। ভবিষ্যতে প্রধান কার্যালয়সহ ব্যাংকের অন্যান্য বিভিন্ন কার্যালয়ে সোলার প্যানেল স্থাপন করা হবে। তিনি বলেন, "গ্রিন ব্যাংকিংয়ের আওতায় সোলার সিস্টেম উদ্যোক্তাদের আমরা সাপোর্ট দিয়ে থাকি।" সাধারণ গ্রাহকরা স্বল্প সুদে ঋণ নিয়ে সোলার সিস্টেম স্থাপন করে বিদ্যুতের ঘাটতি পূরণ করতে সক্ষম হবেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সোলার প্যানেল নিয়ে কাজ করতে ইচ্ছুক ছোট ব্যবসায়ীদের ঋণ প্রদান করা হবে। ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সোনালী ব্যাংক শুধুমাত্র মুনাফায় নয়, সকল ক্ষেত্রে শীর্ষ অবস্থানে থাকবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্টাফ কলেজের প্রিন্সিপাল ও জেনারেল ম্যানেজার (ইনচার্জ) মো. ফজলুল হক সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে স্টাফ কলেজের ফ্যাকাল্টি, ব্যাংকের বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাহী, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাসহ প্রশিক্ষণার্থী কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নাহরিন ইসলাম খান প্রধান তথ্য কমিশনার নিযুক্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৩ পি.এম


নাহরিন ইসলাম খান প্রধান তথ্য কমিশনার নিযুক্ত

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. নাহরিন ইসলাম খানকে প্রধান তথ্য কমিশনার হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে, সাংবাদিক এস এ এম মাহফুজুর রহমান এবং খান মোহাম্মদ আবুল হোসেনকে তথ্য কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে এই বিষয়ে দুটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনগুলোতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯-এর ১৫(১) ধারা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি তাদের নিয়োগ দিয়েছেন।

প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, প্রধান তথ্য কমিশনার ও তথ্য কমিশনারদের পদমর্যাদা, পারিশ্রমিক, ভাতা এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুবিধাদি সরকার নির্ধারণ করবে। জনস্বার্থে জারি করা এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুবিধাবাদীরা অস্থিরতা তৈরি করে বিভাজন সৃষ্টি করতে চায় : ঢাকেশ্বরী মন্দিরে রাষ্ট্রপতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৩ পি.এম


সুবিধাবাদীরা অস্থিরতা তৈরি করে বিভাজন সৃষ্টি করতে চায় : ঢাকেশ্বরী মন্দিরে রাষ্ট্রপতি

বাংলাদেশ একটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এখানে বিভিন্ন ধর্মের মানুষের মধ্যে সাহিত্য ও শিল্পে অভূতপূর্ব মেলবন্ধন বিদ্যমান। রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মন্তব্য করেছেন যে কিছু সুবিধাবাদী ব্যক্তি বিভাজন সৃষ্টি করতে চায় এবং তারাই অস্থিরতা তৈরি করে।

তিনি শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দির পরিদর্শন শেষে এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের মানুষ হিন্দু, মুসলমান, খ্রিষ্টান ও বৌদ্ধ—সব সম্প্রদায়ের মানুষ নিজেদের ধর্ম পালন করে আসছেন। দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট হচ্ছে বলে দেশ-বিদেশে নানা প্রচার চালানো হয়। তবে তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ নিজেদের ধর্ম সুন্দরভাবে পালন করে সেই প্রচারের জবাব দিয়েছেন।

সংবিধানপ্রদত্ত অধিকারসমূহের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আপনাদের যে স্লোগান—ধর্ম যার যার, উৎসব সবার; আমরা তার সঙ্গে যোগ করতে চাই—ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। সংবিধান আপনাকে যে নাগরিক অধিকার দিয়েছে, রাষ্ট্র তা রক্ষা করতে দায়বদ্ধ।’

১৯৭১ সালে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াইয়ের মধ্যদিয়ে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার যে প্রত্যয় তৈরি হয়েছিল, তা থেকে তারা সরে যাননি উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, সেই বাংলাদেশ রক্ষায় তারা যে কোনো মূল্য দিতে প্রস্তুত।

তিনি বলেন, ‘আমরা কখনোই কোনো বিষয়ে চরম অবস্থানে যেতে চাই না। আমরা চরমপন্থি নই। আমাদের এই ধারাটা সব সময় অব্যাহত রাখতে হবে।’

রাষ্ট্রপতি বলেন, পূজা যেন নির্বিঘ্নে অনুষ্ঠিত হয়, সে জন্য প্রধানমন্ত্রী শুধু সরকারকে নয়, নিজ দলের নেতা-কর্মীদেরও নির্দেশ দিয়েছেন।

দেশের বর্তমান রাজনৈতিক রূপান্তর প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশ এখন একটি ভয়াবহ অগণতান্ত্রিক পরিস্থিতি থেকে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার দিকে যাচ্ছে। নির্বাচন হয়েছে, সংসদ গঠিত হয়েছে এবং সংবিধান পরিবর্তনের বিষয়ে জুলাই সনদ স্বাক্ষরের মাধ্যমে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের দেয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ শুরু হয়েছে। এটি একটি বাস্তবতা।

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘দুঃসময়’ কবিতার পঙ্‌ক্তি—‘যদিও সন্ধ্যা আসিছে মন্দ মন্থরে / সব সংগীত গেছে ইঙ্গিতে থামিয়া, / যদিও সঙ্গী নাহি অনন্ত অম্বরে, / যদিও ক্লান্তি আসিছে অঙ্গে নামিয়া, / মহা-আশঙ্কা জপিছে মৌন মন্তরে, / দিক্-দিগন্ত অবগুণ্ঠনে ঢাকা, / তবু বিহঙ্গ, ওরে বিহঙ্গ মোর, / এখনি অন্ধ, বন্ধ কোরো না পাখা।’ উদ্ধৃত করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আমরাও পাখা বন্ধ করব না। আমরাও উড়ে যাব, অবশ্যই তীরে পৌঁছবো। অবশ্যই পৌঁছবো। আমরা আমাদের যে স্বপ্ন—একটা অসাম্প্রদায়িক, শান্তিময়, প্রেমময় বাংলাদেশ—সেই বাংলাদেশকে আমরা অবশ্যই প্রতিষ্ঠা করব।’

একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতি হিন্দু সম্প্রদায়ের ন্যায়সংগত দাবিগুলো পূরণে সরকার অত্যন্ত আন্তরিক উল্লেখ করে পূজা উপলক্ষে সবাইকে শারদীয় শুভেচ্ছা জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%