ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রোহিঙ্ঘাদের জন্য ইইউর ১৪ মিলিয়ন ইউরোর অতিরিক্ত সহায়তা


রোহিঙ্ঘাদের জন্য ইইউর ১৪ মিলিয়ন ইউরোর অতিরিক্ত সহায়তা

কক্সবাজারে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং স্থানীয় জনগণের সহায়তায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) আরও ১ কোটি ৪০ লাখ (১৪ মিলিয়ন) ইউরো অনুদান দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এই অতিরিক্ত অর্থায়ন জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর)-এর সঙ্গে অংশীদারিত্ব নবায়নের মাধ্যমে জরুরি মানবিক সহায়তা ও সুরক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে করছে সংস্থাটি।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ইইউ এবং ইউএনএইচসিআরের যৌথ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত হয়েছে, এই অর্থায়নের ফলে কক্সবাজারের ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং প্রায় ৭০ হাজার বাংলাদেশি আশ্রয়দাতা জনগণের সদস্য উপকৃত হবেন। এর আওতায় মূলত দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রম এবং পরিচ্ছন্ন রান্নার জ্বালানি হিসেবে লিকুইফাইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) ব্যবহারের সুযোগ বৃদ্ধি করা হবে।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নকল ব্যান্ডরোলযুক্ত সিগারেট জব্দ, মূল্য ২৭ লাখ টাকা

বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত ও প্রতিনিধি দলের প্রধান মাইকেল মিলার মন্তব্য করেন, ‘রোহিঙ্গা শরণার্থী ও স্থানীয় জনগণের পাশে থাকতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই সংকট দীর্ঘায়িত হচ্ছে। তাই এখন শুধু জরুরি সহায়তা নয়; বরং শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন ও আয়ের সুযোগ তৈরির দিকেও নজর দিতে হবে।’ এই উদ্যোগ রোহিঙ্গাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে এবং ভবিষ্যতে মিয়ানমারে স্বেচ্ছায়, নিরাপদে ও সম্মানের সঙ্গে প্রত্যাবাসনের জন্য প্রস্তুত করতে সাহায্য করবে বলে তিনি আশাবাদ প্রকাশ করেন।

বাংলাদেশে ইউএনএইচসিআরের প্রতিনিধি ইভো ফ্রেইসেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, ‘গত নয় বছর ধরে চরম দুর্ভোগের মধ্যে থাকা রোহিঙ্গা পরিবারগুলোর জন্য নিরবচ্ছিন্ন সহায়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সহায়তা তাদের প্রয়োজনীয় সুরক্ষা সেবা, মৌলিক চাহিদা পূরণ ও একটি নিরাপদ ভবিষ্যতের আশা ধরে রাখতে সাহায্য করবে।’

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সতর্কতা প্রদান করা হয়, ২০ জুন বিশ্ব শরণার্থী দিবসের ঠিক আগে এই সহায়তার ঘোষণা দান করা হলো। ঘনবসতিপূর্ণ ক্যাম্পের নিরাপত্তা ঝুঁকি, বিশেষ করে নারী ও শিশুদের জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা এবং মানব পাচার থেকে রক্ষা করতে কমিউনিটিভিত্তিক সুরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করা জরুরি। এছাড়াও এলপিজি ব্যবহারের ফলে নারীদের জ্বালানি কাঠ সংগ্রহের নিরাপত্তা ঝুঁকি কমবে, এবং পরিবেশ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি হ্রাস পাবে।

রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় যৌথ সাড়াদান পরিকল্পনা (জেআরপি)-এর আওতায় চলতি বছরে ৭১ কোটি মার্কিন ডলারের প্রয়োজন উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদার সহায়তা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: জামায়াতের মহিলা বিভাগের প্রতিবাদ: নারী উদ্যোক্তা সাথী আক্তার গ্রেপ্তার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

“বালু উত্তোলনে ‘বৈধতার আড়াল’? তিস্তা প্রকল্পে তোলপাড়”

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৪১ পি.এম


“বালু উত্তোলনে ‘বৈধতার আড়াল’? তিস্তা প্রকল্পে তোলপাড়”

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার কালিগঞ্জ এলাকায় তিস্তা নদী তীর সংরক্ষণ প্রকল্প বর্তমানে নদীভাঙন রোধের চেয়ে অনিয়ম, অবৈধ বালু উত্তোলন এবং বালু বিক্রির অভিযোগে বেশি সমালোচিত হচ্ছে। নদী রক্ষার উদ্দেশ্যে পরিচালিত সরকারি এই প্রকল্পকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ এবং প্রশ্ন ক্রমবর্ধমান হয়ে উঠেছে।

অভিযোগ উঠেছে যে, প্রকল্পের আড়ালে তিস্তা নদীর তলদেশ থেকে শক্তিশালী ড্রেজার (বোমা মেশিন) ব্যবহার করে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে তা বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করা হচ্ছে। স্থানীয় সূত্রের তথ্য বলছে, জিও ব্যাগ ভরাটের প্রয়োজনীয়তার দাবি তুলে বিপুল পরিমাণ বালু তোলা হলেও প্রকল্পের চাহিদার অতিরিক্ত বালু বিক্রির মাধ্যমে একটি চক্র বিশাল অংকের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। স্থানীয়রা প্রশ্ন তুলছে—নদীতীর সংরক্ষণ প্রকল্প কি এখন বালু ব্যবসার বৈধ আড়ালে পরিণত হয়েছে?

এছাড়া অভিযোগ রয়েছে যে, রাজনৈতিক প্রভাব ও প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মুম ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মো. সাহিন হোসেনের নেতৃত্বে এসব কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে চলছে। স্থানীয় লোকজনের দাবি, প্রকাশ্যে বালুবাহী মাহিন্দ্র চলাচল করলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না।

প্রকল্পের তথাকথিত ‘ইমার্জেন্সি পয়েন্ট’ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ডালিয়া পানি উন্নয়ন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী এটিকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে উল্লেখ করলেও স্থানীয়রা দাবি করছেন, সেখানে কোনো জরুরি পরিস্থিতির বাস্তব চিত্র নেই। তাদের অভিযোগ, ‘ইমার্জেন্সি’ শব্দটিকে একটি ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে নিয়মছাড়া বালু উত্তোলন এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। নিয়ম অনুযায়ী ঠিকাদার নিয়োগের পর প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্ব ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কিন্তু মাঠ পর্যায়ে পাউবো কর্মকর্তাদের সরাসরি সম্পৃক্ততা নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা চলছে। স্থানীয়রা প্রশ্ন তুলছেন, যদি সবকিছু নিয়মমাফিক হয়, তাহলে নদী থেকে সরাসরি বালু উত্তোলনের অনুমতি কোন কর্তৃপক্ষ দিয়েছে? ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইমরানুজ্জামান জানাচ্ছেন, “উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো অনুমোদন কিংবা সম্মতি দেওয়া হয়নি।”

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি আল আমিন বলেন, “সাংবাদিকের কাজ ভুল ধরা, ভুল ধরাই সাংবাদিকের কাজ।” তবে বালু উত্তোলন এবং বিক্রির অভিযোগের বিষয়ে তার পরিষ্কার কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের আরেক প্রতিনিধি মো. হাসানুল হক বলেন, “এ ধরনের কাজের অভিজ্ঞতা আমার অনেক। আগেও বহু প্রকল্পে কাজ করেছি। আপনারা আমাকে নিয়ম শেখাবেন না, অনিয়মই নিয়ম হয়।” জিও ব্যাগ স্থাপন করার আগে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন না করেই কাজ পরিচালনার অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি কোনো সুনির্দিষ্ট উত্তর দেননি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্ধারিত কারিগরি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই তাড়াহুড়া করে জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। এতে প্রক project's স্থায়িত্ব এবং কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি ব্যবহৃত জিও ব্যাগের মান নিয়েও তাদের পক্ষ থেকে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে। তাদের বক্তব্য হল, নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করে এত টাকার প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিণতি নদীতীর রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে না।

ডিমলা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রওশন কবির জানিয়েছেন, “অভিযোগের বিষয়টি আমরা গুরুত্ব সহকারে দেখছি। বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। তদন্তে কোনো অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

স্থানীয় সচেতন মহলের মত, অভিযোগগুলো সত্য হয়ে গেলে এটি শুধুমাত্র প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম নয়, বরং রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটের একটি বড় উদাহরণ হিসেবে গণ্য হবে। তারা অবিলম্বে উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন, অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করেছেন। তাদের ভাষ্য, জনগণের করের টাকায় পরিচালিত উন্নয়ন প্রকল্পে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হলে তিস্তা নদী রক্ষার এই উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত দুর্নীতি ও অনিয়মের আরেকটি নজির হিসাবেই ইতিহাসে স্থান পাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী: ববি হাজ্জাজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৪২ পি.এম


প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী: ববি হাজ্জাজ

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ জানিয়েছেন, আগামী ২০ জুন প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। খেলা অনুষ্ঠিত হবে ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি এসব তথ্য জানান।

দেশের শিক্ষার্থীরা আনন্দময় শিক্ষার মধ্য দিয়ে বড় হবে এবং শিক্ষাঙ্গনকে এগিয়ে নিতে সরকার অনেক কার্যক্রম হাতে নিয়েছে বলেও তিনি জানান।

প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে শনিবার (২০ জুন), যার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। খেলা হবে ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে।

এদিকে, শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, এখন থেকে দেশের পাবলিক পরীক্ষাগুলোতে সব বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

শিক্ষার্থীদের সংস্কৃতিক উন্নতির পাশাপাশি তাদের নৈতিক শিক্ষাব্যবস্থা তৈরি করা হয়েছে-এ কথা জানিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গানের শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে না, মন্ত্রিসভার বৈঠকে এমন কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

এদিকে, এর আগে সকালে সাতারকুলে (বাড্ডা) গ্লেনরিচ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল পরিদর্শন করেন এবং শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের সাথে একটি মতবিনিময় সভা করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের গণিতভিত্তিক দক্ষতা, যৌক্তিক চিন্তাশক্তি এবং সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা বৃদ্ধি করে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমুখী প্রজন্ম গড়ে তুলতে সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে, তাই দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে পর্যায়ক্রমে 'ম্যাথ ল্যাব' প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ববি হাজ্জাজ আরও বলেন, বর্তমান বিশ্ব দ্রুত প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতি ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হলে শিশুদের মধ্যে ছোটবেলা থেকেই গণিত, বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনী চিন্তার ভিত্তি শক্তিশালী করতে হবে। এ লক্ষ্যেই প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে আধুনিক, যুগোপযোগী ও আনন্দময় শিক্ষার পরিবেশ তৈরির অংশ হিসেবে ম্যাথ ল্যাব প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের বিষয়ে জানানো হয়, দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত 'প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা)-২০২৬' এর জাতীয় পর্যায়ের খেলার উদ্বোধন হয়েছে ৪ জুন সকাল ১০টায় রাজধানীর মিরপুরে ন্যাশনাল বাংলা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে।

ওইদিন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন টুর্নামেন্টের জাতীয় পর্যায়ের খেলার উদ্বোধন করেন। এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এবং প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।

মন্ত্রণালয় জানায়, এ year's ৬ এপ্রিল ইউনিয়ন ও পৌরসভা পর্যায়ে 'প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা)-২০২৬' শুরু হয়। দেশের ৬৫ হাজার ৫৬৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এই টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করে। বালক বিভাগে ৬৫ হাজার ৩৪২টি এবং বালিকা বিভাগে ৬৫ হাজার ৩২১টি দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। ইউনিয়ন ও পৌরসভা পর্যায় থেকে শুরু হয়ে পর্যায়ক্রমে উপজেলা বা থানা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা ২৩ মে শেষ হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জামালপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে জাতীয় ফল মেলা–২০২৬ অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মুবাশশির আলম রাহুল, জামালপুর প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৪৩ পি.এম


জামালপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে জাতীয় ফল মেলা–২০২৬ অনুষ্ঠিত

জামালপুরে একটি বর্ণাঢ্য আয়োজনের মাধ্যমে জাতীয় ফল মেলা–২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। "কৃষিই সম্রীদ্ধি" এবং "করব মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করব বারো মাস" এই মূল প্রতিপাদ্য সামনে রেখে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন ২০২৬) জামালপুর খামারবাড়ি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে এই মেলার আয়োজন করা হয়।

মেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ ইউসুপ আলী, জেলা প্রশাসক, জামালপুর। বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডাঃ মোঃ ছানোয়ার হোসেন, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা; আ.ন.ম আশরাফুল কবীর, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এবং নাজনীন আখতার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, জামালপুর সদর।

উপস্থিতদের সভাপতিত্ব করেন মোহাম্মদ আলম শরীফ খান, উপপরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, জামালপুর।

এ মেলায় বিভিন্ন দেশীয় ও মৌসুমি ফলের প্রদর্শনী, ফল চাষ ও সংরক্ষণ বিষয়ে তথ্য উপস্থাপন এবং কৃষি উন্নয়নমূলক কার্যক্রম কার্যকরীভাবে তুলে ধরা হয়। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের ফলের পুষ্টিগুণ, স্বাস্থ্য উপকারিতা এবং নিয়মিত ফল খাওয়ার গুরুত্ব সম্পর্কে অবহিত করা হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশবান্ধব উদ্যোগের অংশ হিসেবে প্রত্যেককে একটি করে কাঁঠাল গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

বক্তারা উল্লেখ করেন, ফল শুধু পুষ্টির চাহিদা পূরণ করে না, বরং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই ফল চাষ সম্প্রসারণ, সংরক্ষণ এবং ফলভিত্তিক কৃষি উদ্যোক্তা তৈরিতে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খামারবাড়ি এবং উপজেলা কৃষি অফিস, সদর, জামালপুরের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ মেলায় জেলা প্রশাসন, জামালপুর সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে। মেলায় কৃষক, শিক্ষার্থী, শিক্ষক, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সাধারণ জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ অনুষ্ঠানটিকে প্রাণবন্ত করে তোলে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

“চুক্তি না মানলে পুনরায় হামলার হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের”

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৪৭ পি.এম


“চুক্তি না মানলে পুনরায় হামলার হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের”

রয়টার্সের ছবি অনুযায়ী, ইরান যদি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তির শর্ত পূরণে ব্যর্থ হয়, তাহলে ওয়াশিংটন আবারও সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছে। একইসঙ্গে, মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ সতর্ক করেছেন যে, তারা কঠোর অবরোধ পুনর্বহাল করতে পারে।

সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানাচ্ছে, ব্রাসেলসে অনুষ্ঠিত ন্যাটো সদস্য দেশগুলোর প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতাকালে তিনি এই মন্তব্য করেছেন। হেগসেথ বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, আলোচনার সময়সীমার মধ্যে ইরান যদি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে আমরা প্রয়োজন হলে আবারও ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত থাকব।’

তিনি আরো বলেন, ‘ইরান যদি চুক্তি মেনে না চলে, তাহলে আমরা পুনরায় কঠোর ও কার্যকর অবরোধ আরোপ করতে পুরোপুরি সক্ষম।’

মার্কিন প্রশাসনের বক্তব্য অনুযায়ী, নতুন চুক্তির মূল লক্ষ্য হলো ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণ করা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা। তবে, চুক্তির শর্ত বাস্তবায়নে তেহরানের ভূমিকার ওপর নিবিড় নজর রাখা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%