১০:১৫ এম
ঢাকা, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬ : মানবপাচার চক্রের সন্দেহভাজন দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, কম্বোডিয়ার স্ক্যাম সেন্টারে দুই বাংলাদেশি তরুণকে ৫ হাজার মার্কিন ডলারে বিক্রি ও নির্যাতনে জড়িত থাকার।
আজ সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মো. ছুফি উল্লাহ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি জানান, দুই তরুণকে ভালো চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাচার করা হয় কম্বোডিয়ায়। পরে তাদের পাসপোর্ট কেড়ে নেওয়া হয় এবং ৫ হাজার মার্কিন ডলারের বিনিময়ে তাদের স্ক্যাম সেন্টারে বিক্রি করা হয়।
সেখানে তাদের জোরপূর্বক প্রতারণামূলক কাজে বাধ্য করা হতো। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের করা একটি মামলায় আজ সিআইডির একটি টিম রাজধানীর পল্টন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে।
আরও পড়ুন: জাতিসংঘে মানবাধিকারভিত্তিক অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের আহ্বান বাংলাদেশ
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, গ্রেফতারকৃতরা হলেন— গাজীপুরের পূবাইল থানার বড়দল গ্রামের মো. শাওন মোল্লা (২৩) এবং একই থানার নয়ানিপাড়া গ্রামের মো. সাকিব সরকার (২৬)।
এতে আরও বলা হয়, বিদেশে ভালো চাকরি ও সচ্ছল জীবনের আশায় ভুক্তভোগী দুই তরুণ মানবপাচার চক্রের প্রলোভনে পড়ে কম্বোডিয়ায় যান। বিদেশে পাঠানোর কথা বলে তাদের প্রত্যেকের পরিবারের কাছ থেকে প্রায় ৬ লাখ টাকা করে নেওয়া হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, পরিবারের সদস্যরা আশা করেছিলেন, বিদেশে কাজ করে দুই তরুণ আর্থিক সচ্ছলতা ফিরিয়ে আনবেন। কিন্তু কম্বোডিয়ায় পৌঁছানোর পর সেই স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়।
কম্বোডিয়ায় পৌঁছানোর পরপরই তাদের পাসপোর্ট কেড়ে নেওয়া হয়। এরপর মানবপাচারকারীরা ৫ হাজার মার্কিন ডলারের বিনিময়ে তাদের একটি স্ক্যাম সেন্টারে বিক্রি করে দেয়।
আরও পড়ুন: জামায়াত নেতাদের ভারতীয় গোয়েন্দাদের সঙ্গে বৈঠকের দাবি, রাশেদকে চ্যালেঞ্জ
সেখানে তাদের জোর করে অনলাইনে প্রতারণামূলক কাজে নামানো হয়। কাজ করতে অস্বীকৃতি জানালে কিংবা সামান্য ভুল হলে তাদের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হতো।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন