রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৩৩ পি.এম
ম্যাক্সিমিলিয়ান বেয়ার মাঠে জার্মানি জাতীয় দলে ডাক না পাওয়ার জবাব দিয়েছেন। শনিবার স্টুটগার্টকে ১-০ গোলে পরাজিত করে বরুশিয়া ডর্টমুন্ড বুন্দেসলিগায় টানা চতুর্থ জয় অর্জন করেছে, যা তাঁর একমাত্র গোলের মাধ্যমে সম্ভব হয়েছে।
এই জয়ের ফলে মৌসুমের শুরুতে শতভাগ জয়ের রেকর্ড বজায় রেখেছে ডর্টমুন্ড। তারা আন্তর্জাতিক বিরতির আগে লিগের শীর্ষস্থানও নিশ্চিত করেছে।
বর্তমান বুন্দেসলিগায় বেয়ারের এটি তৃতীয় গোল-অবদান, যেখানে রয়েছে এক গোল এবং দুটি অ্যাসিস্ট। ডর্টমুন্ডের হয়ে তাঁর চেয়ে বেশি গোল-অবদান রয়েছে সেরহু গিরাসির, যিনি চারটি গোল করেছেন।
যদিও জার্মানির নতুন কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপের প্রথম দলে বেয়ার জায়গা পাননি। ৪৪ জন খেলোয়াড় ডাক পেলেও তিনি সেই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ছিলেন না। স্টুটগার্টের বিপক্ষে গোল করে সেই সিদ্ধান্তের জবাব দেওয়ায় বেয়ারকে নিয়ে উচ্ছ্বসিত ডর্টমুন্ড কোচ নিকো কোভাচ।
কোভাচ মন্তব্য করেন, ‘জীবন কখনো কখনো সবচেয়ে সুন্দর গল্প লেখে। ম্যাক্সি বেয়ার জাতীয় দলে নেই, কিন্তু গোলটা সেই করেছে। আমি তার জন্য খুব খুশি। এটা দেখায়, আমাদের দলে দারুণ খেলোয়াড় আছে এবং বেয়ার নিজের গোল দিয়ে নিজেকেই পুরস্কৃত করেছে।’
এই জয়ের মাধ্যমে ১১ বছর পর প্রথমবার বুন্দেসলিগা মৌসুমের প্রথম চার ম্যাচই জিতল ডর্টমুন্ড। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে তারা টানা ছয় ম্যাচ জিতেছে, যা কোভাচের অধীনে যৌথভাবে সর্বোচ্চ জয়ধারা।
স্টুটগার্টের মাঠে পাওয়া জয়টিকে তাই ‘স্টেটমেন্ট জয়’ হিসেবে দেখছেন কোভাচ। তাঁর মতে, ‘দুই দলই তীব্র লড়াই করেছে। আগের মুখোমুখি ম্যাচগুলোর মতো এতটা নাটকীয় না হলেও এখানে জয় পাওয়াটা আমাদের জন্য বড় বার্তা।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের মেঘনা নদীতে গোসলে নেমে দুই যমজ ভাইসহ তিনজনের মৃত্যু ঘটেছে।
গতকাল রবিবার দুপুরে সোনারগাঁওয়ের পিরোজপুর ইউনিয়নের মেঘনা নদীর ভাটি বন্দর এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহতদের মধ্যে দুই যমজ ভাই এবং অপরজন সবাই মোগরাপাড়া এইচ জি জি এস স্মৃতি সরকারি বিদ্যায়তনের শিক্ষার্থী। নিহতদের মধ্যে নবম শ্রেণীর ছাত্র আরিফিন(১৫) এবং আশিকিন(১৫) যমজ দুই ভাই, আর বাকি একজন আবির অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। তারা সকলেই মোগরাপাড়া চৌরাস্তার বাড়ি মজলিস এলাকার বাসিন্দা।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মোগরাপাড়া এইচ.জি.জি.এস. স্মৃতি সরকারি বিদ্যায়তনের শিক্ষার্থীরা, নবম শ্রেণীর ছাত্র আরিফিন ও আশিকিন, অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র আবির এবং ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্র ফারিস রবিবার স্কুলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হয়। কিন্তু তারা স্কুলে না গিয়ে চারজন মিলে মেঘনা নদীর ভাটি বন্দর কাঁশবনে বেড়াতে যায়। পরে নদীতে গোসল করতে নামলে ফারিস বাদে তিনজন নদীতে তলিয়ে যায়।
ফারিস এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে জানা যায়, যখন তারা চারজন মিলে নদীতে গোসল করছিল, তখন তাদের পাশে মদিনা-৪ নামে একটি ব্লাকহেড ভিড়ানো ছিল। হঠাৎ সেই ব্লাকহেডটি চালু হলে পানিতে তীব্র স্রোত সৃষ্টি হয়। ফলে স্রোতের টানে তিনজন নদীর অনেক মাঝখানে চলে যায় এবং মুহূর্তেই পানিতে তলিয়ে যায়।
ফারিস কিছুটা কাছাকাছি থাকায় স্থানীয় এক নারী নদীতে নেমে তাকে উদ্ধার করে। স্থানীয় কয়েকজন ব্লাকহেডটি থামানোর চেষ্টা করে এবং তলিয়ে যাওয়াদের উদ্ধারের জন্য ডাক চিৎকার করে, কিন্তু ব্লাকহেডটি ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। পরে স্থানীয়রা নৌকা ও ট্রলার নিয়ে উদ্ধারের চেষ্টা চালালেও ব্যর্থ হন।
খবর পেয়ে সোনারগাঁও ও নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের একাধিক টিম ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে। তাদের সাথে ঢাকা থেকে একটি ডুবুরি দল এসে যোগ দেয়। বিকেল পৌনে চারটার দিকে ডুবুরি দল জমজ দুই ভাইকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে এবং পরে সাড়ে পাঁচটায় অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র আবিরকে উদ্ধার করা হয়।
তিন শিক্ষার্থীর মৃত্যুতে তাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহত দুই যমজ ভাই বেঁচে থাকা ফারিশের আপন চাচাতো ভাই। নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন জানান, "আমাদের তিনজন ডুবুরি ও ফায়ার সার্ভিসের অন্যান্য সদস্যরা দ্রুত সময়ের মধ্যে পানিতে ডুবে যাওয়া তিন শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করেছে। ইতিমধ্যে লাশ তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।"
সোনারগাঁও থানার ওসি মহাম্মদ আব্দুল বারিক বলেন, "নিখোঁজ শিক্ষার্থীদের উদ্ধারের জন্য নৌ পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি থানা পুলিশ সম্মিলিতভাবে কাজ করেছে। দ্রুততার সাথে তিনজনের লাশ আমরা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কম্বোডিয়ার রাজধানী নমপেনে অনলাইন স্ক্যাম পরিচালনার অভিযোগে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ৯ বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে। অভিযানের সময়, তাদের কাছ থেকে ৬টি অল-ইন-ওয়ান কম্পিউটার, ১৫টি মোবাইল ফোন এবং কিছু জাল মার্কিন ডলার নোট জব্দ করা হয়।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিদেশিদের বিরুদ্ধে পরিচালিত একটি অভিযানে, নমপেনের ডাংকর জেলার ডাংকর কমিউনের মউল ভিলেজের স্ট্রিট ০২বি এলাকায় একটি বাড়িতে অভিযান চালায় কম্বোডিয়ার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ওই বাড়িতে বিদেশিদের লক্ষ্য করে সন্দেহভাজন অনলাইন স্ক্যাম কার্যক্রম পরিচালনার তথ্য পেয়ে অভিযানটি পরিচালিত হয়। অভিযানের ফলস্বরূপ ৯ বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করা হয়।
এ সময় সাইবার স্ক্যাম কার্যক্রমে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম ও অন্যান্য আলামত জব্দ করে পুলিশ। আটক ৯ বাংলাদেশি নাগরিক এবং জব্দকৃত আলামত পরবর্তী তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নমপেন মিউনিসিপ্যাল পুলিশ কমিশারিয়েটে পাঠানো হয়েছে।
পরে, তাদের বিরুদ্ধে মামলা প্রস্তুত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নমপেন মিউনিসিপ্যাল কোর্টের প্রসিকিউটরের কাছে পাঠানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
তবে, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো জানা যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যদি চলন্ত পথে হঠাৎ আপনার পায়ের সামনে ভারতের জাতীয় পতাকা পড়ে থাকে, তবে আপনার প্রতিক্রিয়া কী হবে?
এই প্রশ্নটি পাকিস্তানে পরিচালিত একটি ‘সোশ্যাল এক্সপেরিমেন্ট’ বা সামাজিক পরীক্ষার মূল উদ্দেশ্য ছিল।
ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, পাকিস্তানের সাধারণ রাস্তার ওপর ভারতের পতাকা বিছিয়ে রাখা হয়েছে। ভিডিও নির্মাতারা আড়ালে দাঁড়িয়ে ছিলেন এবং দেখছিলেন—কেউ কি সত্যিই জাতীয় পতাকাটির ওপর পা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন?
প্রতিক্রিয়া ছিল স্পষ্ট ও চোখে পড়ার মতো। ভিডিওতে দেখা যায়, পথচারীরা পতাকার ওপর দিয়ে হেঁটে যাওয়ার পরিবর্তে সচেতনভাবে তা এড়িয়ে চলছেন। কেউ পাশ কাটিয়ে যাচ্ছেন, আবার কেউ খেয়াল রাখছেন যেন তাদের জুতো বা পা পতাকাকে স্পর্শ না করে।
প্রাথমিক দৃশ্যের পর ভিডিও নির্মাতারা পথচারীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং জানতে চান—কেন তারা পতাকায় পা দেওয়া থেকে বিরত থাকলেন?
কথা বলা ব্যক্তিদের বক্তব্য ছিল, "একটি দেশের সঙ্গে আপনার আদর্শগত বা রাজনৈতিক মতবিরোধ থাকতে পারে, কিন্তু এর মানে এই নয় যে সেই দেশের সাধারণ মানুষ কিংবা তাঁদের জাতীয় পতাকাকে অসম্মান করতে হবে।"
অবশ্যই...
সেখানে সাধারণ ‘আমাদের একে অপরকে শ্রদ্ধা করা উচিত’—এ ধরনের কথাও প্রচুর ছিল।
তবে পুরো বিষয়টি ভিডিওটিকে আকর্ষণীয় করে তুলেছে। কারণ, যাদের ওপর পরীক্ষা চালানো হয়েছিল, তাদের কাছে ক্রিকেট, কাশ্মীর সংকট, রাজনীতি কিংবা সামরিক উত্তেজনা নিয়ে কোনো জটিল প্রশ্ন করা হয়নি।
তাদের সামনে কেবল একটি সহজ পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছিল—প্রতিবেশী দেশের প্রতিনিধিত্বকারী কাপড়ের টুকরোর ওপর পা ফেলা।
এবং দেখা গেল, অধিকাংশ মানুষই তা করতে একেবারেই নারাজ।
অনলাইনে ভিডিওটি প্রকাশিত হওয়ার পর ব্যাপক সামাজিক আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন—এই প্রতিক্রিয়া কি দুই দেশের বৈরী সম্পর্কের প্রতিফলন, নাকি বছরের পর বছর ধরে চলা উত্তেজনার পরও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের একটি নজির?
অবশ্য, অল্প কিছু মানুষকে নিয়ে করা এই ধরনের সামাজিক পরীক্ষা দিয়ে একটি গোটা দেশের মানুষের চিন্তাভাবনাকে বিচার করা সম্ভব নয়।
তা হলো...
কারো সব কথার সঙ্গে আপনি একমত নাও হতে পারেন, তাও তাকে শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগ থেকে যায়।
এবং এই মানুষের কাছে সেই শ্রদ্ধাবোধের অর্থ ছিল অন্তত অন্য দেশের জাতীয় পতাকায় নিজের জুতো না ছোঁয়ানো!
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জে জেলা পুলিশ কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে মোবাইল ফোন এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে জুয়ার বিস্তার রোধ করার জন্য। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে অনলাইন জুয়ার প্রবণতা কমানোর লক্ষ্যে শহর ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। এই অভিযানে কিশোরগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ ২১ জনকে আটক করেছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় কিশোরগঞ্জ মডেল থানার প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত সাংবাদিক ব্রিফিংয়ে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান অভিযানের বিস্তারিত তুলে ধরেন।
পুলিশের সূত্রে জানা যায়, পুলিশ সুপারের তত্ত্বাবধানে কিশোরগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের সমন্বয়ে এই অভিযান পরিচালিত হয়। শহরের বিভিন্ন স্থানে মোবাইল ফোন এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে জুয়া পরিচালনা এবং এতে অংশগ্রহণের অভিযোগে অভিযান চালানো হয়। অভিযানের বিভিন্ন পর্যায়ে ২১ জনকে আটক করা হয়েছে।
পুলিশ কর্মকর্তাদের মতে, প্রযুক্তির সহজলভ্যতার কারণে অনলাইন জুয়ার বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে তরুণদের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই ধরনের কর্মকাণ্ড ব্যক্তি, পরিবার ও সামাজিক জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে, যা অর্থনৈতিক ক্ষতির পাশাপাশি সমাজের জন্য ক্ষতিকর। তাই অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও চক্রের ওপর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
সাংবাদিক ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মন্তব্য করেন, "অনলাইন জুয়া ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজের জন্য ক্ষতিকর। বিশেষ করে তরুণ সমাজকে এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে জেলা পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে।"
অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও চক্র শনাক্ত করতে তথ্য সংগ্রহ এবং গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুলিশের সূত্র জানায়, অনলাইন জুয়া ও প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় গোয়েন্দা কার্যক্রম বৃদ্ধি করা হয়েছে। শহরের বাইরে জেলার বিভিন্ন এলাকায়ও এ ধরনের অভিযান চালানোর প্রস্তুতি রয়েছে।
অনলাইন জুয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও চক্রের কার্যক্রম শনাক্ত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আটক ২১ জনের প্রাথমিক যাচাই-বাছাই চলছে। যাচাই শেষে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রচলিত আইনে তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ