মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১০:৪৭ পি.এম
মাঠজুড়ে দুই দলের মধ্যে আক্রমণ ও প্রতি-আক্রমণের খেলা চলছিল। কিন্তু গোলের দেখা মিলছিল না কিছুতেই। নির্ধারিত ৫০ মিনিট শেষে যখন ম্যাচটি গোলশূন্য ড্রয়ের দিকে এগোচ্ছিল, ঠিক তখনই সুলেইমান আব্দুল্লাহী দৃশ্যপটে হাজির হন। ম্যাচের শেষ মিনিটে নাটকীয়ভাবে গোল করে ফারইস্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বিপক্ষে টানা দ্বিতীয় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) এবিজি স্পোর্টস সিটির বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় অনুষ্ঠিত গ্রুপ ‘এ’-এর ম্যাচের শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তারে মরিয়া ছিল দুই দল। তবে প্রথমার্ধে দুই দলের স্ট্রাইকাররা বেশ কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও কোনো দলেরই জমাট রক্ষণভাগ ভাঙতে পারেনি। ফলে গোল শূন্য অবস্থায় বিরতিতে যায় দুই দল।
দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পায়। গোলের খোঁজে মরিয়া হয়ে একের পর এক আক্রমণ ও প্রতি-আক্রমণ চালাতে থাকে ড্যাফোডিল ও ফারইস্ট। কিন্তু ফরোয়ার্ডদের ব্যর্থতা এবং গোলরক্ষকদের অসাধারণ দক্ষতায় কোনো দলের পক্ষেই জালের মুখ খোলা সম্ভব হচ্ছিল না।
ম্যাচের শেষ মুহূর্তে এসে আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। ফারইস্টের রক্ষণভাগের অসতর্কতার সুযোগ নিয়ে ম্যাচের শেষ মিনিটে ড্যাফোডিলের স্ট্রাইকার সুলেইমান আব্দুল্লাহী বল জালে জড়ান। এই এক গোলের নাটকীয় জয়ে পূর্ণ পয়েন্ট নিয়ে উল্লাসে মাতে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি।
ম্যাচটি সরাসরি সম্প্রচার করেছে দেশের একমাত্র ক্রীড়াভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল টি স্পোর্টস।
দেশের বৃহত্তম শিল্পগোষ্ঠী আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপের (এবিজি) উদ্যোগ ও পৃষ্ঠপোষকতায় গত ২৫ অক্টোবর শুরু হয়েছে ‘এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ-২০২৬’।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আলহাজ্ব এ কে এম ফজলুল হক মিলন মন্তব্য করেন, “খেলাধুলা যুবসমাজকে মাদক ও বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ থেকে দূরে রাখতে সহায়তা করে। সুস্থ ও সুন্দর সমাজ গঠনে খেলাধুলার বিকল্প নেই।”
তিনি নতুন খেলোয়াড় তৈরিতে এবং স্থানীয় পর্যায়ে ক্রীড়া চর্চা বাড়ানোর জন্য এ ধরনের টুর্নামেন্ট আয়োজনের গুরুত্ব তুলে ধরেন। গাজীপুরের কালীগঞ্জে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টে গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এ কে এম ফজলুল হক মিলন এ কথা বলেন।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিকেলে গাজীপুরের কালীগঞ্জে দোলানবাজার কে.বি.সি ক্লাবের আয়োজনে চুপাইর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উৎসবমুখর পরিবেশে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামালপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, যিনি উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব মো. খালেকুজ্জামান বাবলুর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব এ কে এম ফজলুল হক মিলন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ টি এম কামরুল ইসলাম এবং উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. হুমায়ুন কবির মাস্টার উপস্থিত ছিলেন। টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন গাজীপুর বোর্ড বাজারের বিশিষ্ট শিল্পপতি মো. হারুন রশিদ খান। পৃষ্ঠপোষকতা করেন গাজীপুর জেলা বিএনপির প্রবাসী কল্যাণবিষয়ক সম্পাদক মো. গোলজার হোসেন মোল্লা।
উপজেলা ওলামা দলের আহ্বায়ক মাওলানা মো. আলী হোসেনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাকির হোসেন, উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মো. আবুল হোসেন আকাশ, জামালপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মো. হারুন অর রশিদ দেওয়ান, মোক্তারপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. আইউব বাগমার প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল বলেন, “ফুটবল শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, এটি যুবসমাজকে শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ রাখার পাশাপাশি শৃঙ্খলা, ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।” তিনি তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী হওয়ার আহ্বান জানান এবং এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
টুর্নামেন্টে দুই দলের খেলোয়াড়েরা প্রতিযোগিতাপূর্ণ খেলা উপহার দেন। খেলা শেষে বিজয়ী দল ময়মনসিংহের ভালুকাবাজার স্পোর্টিং ক্লাবকে প্রথম পুরস্কার হিসেবে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং রানার্সআপ কেরানীগঞ্জের ঘাটারচর ক্রীড়া চক্র দলকে দ্বিতীয় পুরস্কার হিসেবে ১ লাখ টাকা প্রদান করা হয়। আয়োজকদের মতে, এ ধরনের ক্রীড়া আয়োজন স্থানীয় পর্যায়ে ফুটবলের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি এবং তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬ : বাংলা লোকসংগীতের কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী আব্বাসউদ্দীন আহমদের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার কালজয়ী গান নিয়ে কয়েক দিনের উৎসব আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।
এ উৎসবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের শিল্পীদের অংশগ্রহণের বিষয়টি তিনি উল্লেখ করেন।
আজ রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে আয়োজিত আব্বাসউদ্দীন আহমদের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, ‘শুধু জন্মদিন পালন নয়, আমরা আব্বাসউদ্দীন আহমদের ভাওয়াইয়া গান নিয়ে কয়েক দিনের উৎসব করব। সেখানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের শিল্পীরা গাইবেন।’
তিনি জানান, বাউল উৎসব, লালন উৎসব ও হাসন উৎসবের পাশাপাশি যাত্রা ও সার্কাসকে নতুন আঙ্গিকে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যাতে পরিবার নিয়ে দর্শকরা এসব সাংস্কৃতিক আয়োজন উপভোগ করতে পারেন।
দেশের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড আরও বিস্তৃত করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ চলছে বলেও জানান তিনি।
বাংলা লোকসংগীতকে বিশ্বদরবারে পরিচিত করে তোলার পথিকৃৎ আব্বাসউদ্দীন আহমদের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহা. হারুন-অর-রশীদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমিন বেগম, মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট গবেষক ও সংগীতশিল্পী অধ্যাপক ড. নাশিদ কামাল।
মহাপরিচালক মোহা. হারুন-অর-রশীদ বলেন, ‘গ্রামীণ জনপদের চিরচেনা আবেগকে তিনি সংগীতের মাধ্যমে বৃহত্তর সমাজের কাছে তুলে ধরেছেন।’
তিনি আরও বলেন, উত্তরবঙ্গের মানুষের জীবনধারাকে ভাওয়াইয়া সুরের মাধ্যমে আব্বাসউদ্দীন এমন উচ্চতায় প্রতিষ্ঠিত করেছেন, যা ভৌগোলিক সীমারেখা পেরিয়ে বাংলা ভাষাভাষী মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী আসন করে নিয়েছে। এছাড়া নজরুলের ইসলামি গান জনপ্রিয় করে তোলার ক্ষেত্রেও তাঁর ভূমিকা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
আব্বাসউদ্দীন আহমদের সৃষ্টি ও সংগীত-ঐতিহ্যকে স্মরণ করে অনুষ্ঠানে পরিবেশিত হয় তাঁর জনপ্রিয় গান।
শিল্পী রেজাউল করিম লিমন ‘প্রাণ সখীরে, ওই শোন কদম্বতলে বংশী বাজায় কে’ এবং ‘পরের অধীনে কইরাছে আমায়’ পরিবেশন করেন।
এরপর নজরুলসংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী রাহাত আরা গীতি। শিল্পী নোশীন লায়লা গেয়ে শোনান ‘সে যেন কী করলোরে আমায়’ ও ‘আমায় এত রাত কেন ডাক দিলি প্রাণ কোকিলারে’। শিল্পী সালাউদ্দিন আহমদ পরিবেশন করেন ‘ভুলে যেও ভুলে যেও’ এবং ‘কুঁচবরণ কন্যারে তোর মেঘবরণ কেশ’।
অনুষ্ঠানের মুখ্য আলোচক অধ্যাপক ড. নাশিদ কামাল পরিবেশন করেন আব্বাসউদ্দীনের কালজয়ী গান ‘ওকি গাড়িয়াল ভাই’। সবশেষে আব্বাসউদ্দীন সংগীত একাডেমির শিল্পীরা সমবেতভাবে পরিবেশন করেন ‘ও মন রমজানের ওই রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ’ এবং ‘বাওকুমটা বাতাস যেমন ঘুরিয়া ঘুরিয়া মরে’।
বাংলা লোকসংগীতের ঐতিহ্য সংরক্ষণ, নতুন প্রজন্মের কাছে কিংবদন্তি শিল্পীদের সৃষ্টিকর্ম তুলে ধরা এবং দেশের সাংস্কৃতিক চর্চাকে আরও বিস্তৃত করার প্রত্যয় নিয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠান সবার জন্য ছিল উন্মুক্ত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিনের শুরুতে দক্ষিণ আফ্রিকা তাদের দাপট প্রদর্শন করেছিল। স্কোরবোর্ডে তাদের রান ছিল ৩২৫, হাতে চারটি উইকেট। নতুন বল তখনও প্রায় অব্যবহৃত ছিল। কিন্তু এরপরই ম্যাচের পরিস্থিতি পাল্টে দেন মিচেল স্টার্ক। মাত্র পাঁচ রানের মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকা শেষ চার উইকেট হারিয়ে অলআউট হয়ে যায়।
দিনের শেষ ভাগে অসাধারণ বোলিং করে অস্ট্রেলিয়ার এই বাঁহাতি পেসার ছয় উইকেট দখল করেন। দিনের মধ্যে তৃতীয়বারের মতো এক ওভারে দুটি উইকেট নেন তিনি। স্টার্কের বিধ্বংসী বোলিংয়ের ফলে দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস দ্রুত শেষ হয়ে যায়।
রায়ান রিকেলটন এবং মার্কো ইয়ানসেনের জুটিতে দক্ষিণ আফ্রিকা একসময় ভালো অবস্থানে ছিল। এই দুইজন মিলে ৯৫ রান যোগ করেন। ৪২ রান করা রিকেলটনকে এলবিডব্লিউ করে স্টার্ক এই জুটি ভাঙেন। তার বলটি ছিল প্রায় ইয়র্কার। এরপর ৫২ রান করা ইয়ানসেনকে ইনসুইংয়ে বোল্ড করেন তিনি। স্টার্কের সেই ডেলিভারি ২০১৫ বিশ্বকাপ ফাইনালে ব্রেন্ডন ম্যাককালামকে বোল্ড করার মুহূর্তের কথা মনে করিয়ে দেয়।
এরপর দক্ষিণ আফ্রিকা আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। প্রথম বলেই বোল্ড হন জেরাল্ড কোয়েটজি। দুই বল পর এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন কাগিসো রাবাদা। সাইমন হার্মার শূন্য রানে অপরাজিত থাকেন।
দিনের শুরুতে অস্ট্রেলিয়া দুই ওপেনারের ১৫৮ রানের জুটি দেখেছিল। অথচ দিন শেষে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে চলে এসেছে। স্টার্কের আগুনে বোলিংয়ে অস্ট্রেলিয়া দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ধলপুরে দুর্বৃত্তের গুলিতে এক কিশোর নিহত হয়েছে, যার নাম মারুফ ওরফে দুখু মিয়া (১৭)।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ধলপুর ওয়াসার গেট সিটি করপোরেশনের ময়লার গাড়ি রাখার গ্যারেজের ভেতর এই গুলির ঘটনা ঘটে।
নিহত মারুফের খালাতো বোন বিথী আক্তার জানিয়েছেন, সে তার মা সেলিনা বেগম ও স্ত্রী মিমের সঙ্গে ধলপুর সিটি পল্লীতে বসবাস করত। তার বাবা মৃত আব্দুর রশীদ। এক বছর আগে মারুফের বিয়ে হয়েছে। দয়াগঞ্জে অ্যালুমুনিয়াম পাতিল কারখানায় কর্মরত ছিল মারুফ।
বিথী আরও জানান, সন্ধ্যায় কাজ শেষ করে বাসায় ফিরে আসে মারুফ। কিছুক্ষণ পর স্ত্রীকে জানিয়ে বাসার বাইরে চলে যায় সে। এরপর তারা জানতে পারেন, ওয়াসা গেটে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। মারুফের গলার নিচে গুলিবিদ্ধ হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মারুফকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্বজনদের দাবি, এলাকার কারও সঙ্গে মারুফের কোনো দ্বন্দ্ব ছিল না। কে বা কারা গুলি করেছে, সে বিষয়ে পরিবার কিছু জানাতে পারেনি।
ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. হাবিবুর রহমান জানিয়েছেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। ওই কিশোরের গলার নিচে একটি গুলিবিদ্ধ হয়েছে। ঘটনাটি যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ