মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৮:২৮ পি.এম
বাংলাদেশে দীর্ঘ আট বছর পর সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ ফিরে আসছে। এবারের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে, যা নির্ধারিত রয়েছে ৫ থেকে ১৭ নভেম্বর। টুর্নামেন্টের টিকিট বিক্রি শুরু হবে বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাত ৮টা থেকে। টিকিটের বিক্রির দায়িত্ব পালন করবে ইভেন্ট টিকিটিং প্ল্যাটফর্ম টিকিফাই।
আজ (মঙ্গলবার) বাফুফে ভবনে সাফের কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত সমন্বয় সভায় টিকিটের মূল্য ও বিক্রির পদ্ধতি চূড়ান্ত করা হয়েছে। টিকিটের সর্বনিম্ন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার টাকা। সাধারণ গ্যালারির জন্য এই মূল্য প্রযোজ্য। ক্লাব হাউসের টিকিটের দাম ৪ হাজার, ভিআইপি গ্যালারির জন্য ৭ হাজার, রেড বক্সের টিকিট ৮ হাজার এবং করপোরেট বক্সের টিকিট ১০ হাজার টাকা। এক দিনের টিকিটে দর্শক দুটি ম্যাচ উপভোগ করতে পারবেন। ফাইনালের টিকিটের মূল্য পরিবর্তন হতে পারে।
পূর্ববর্তী ২০২৫ সালের মে মাসে বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর ম্যাচের টিকিট বিক্রির সময় টিকিফাইয়ের ওয়েবসাইটে কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছিল। দর্শকরা টাকা দিয়েও টিকিট না পাওয়ার অভিযোগ করেছিলেন। তাই এবার সেই অভিজ্ঞতা পুনরাবৃত্তি এড়ানো একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।
সাফে বাংলাদেশের গ্রুপে রয়েছে ভুটান ও শ্রীলঙ্কা। অপর গ্রুপে ভারত, পাকিস্তান ও মালদ্বীপ রয়েছে। দুই গ্রুপের শীর্ষ দুই দল সেমিফাইনালে উঠবে। সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ১৪ নভেম্বর এবং ফাইনাল হবে ১৭ নভেম্বর। বাংলাদেশ সর্বশেষ সাফ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ২০০৩ সালে, সেটিও ঘরের মাঠে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শাড়ি নিয়ে প্রতারণার অভিযোগের পর এবার বাদীকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে নতুন মামলায় জড়ালেন অভিনেত্রী তানজিন তিশা।
ফ্যাশন ডিজাইনার সানায়া আনাম ওয়াফিকাহ চৌধুরী সোমবার ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মু. মাহবুব-উল-আলমের আদালতে মামলাটি দাখিল করেন।
মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২০২৫ সালের ২৭ নভেম্বর তানজিন তিশার বিরুদ্ধে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন বাদী।
বাদীর দাবি, সেই মামলার প্রত্যাহারের জন্য তাকে হুমকি ও ক্ষতির ভয় দেখানো হয়েছে। ২০২৫ সালের ৭ নভেম্বর মুঠোফোনের মাধ্যমে হুমকি প্রদান করেন তানজিন তিশা। তবে এসব অভিযোগ আদালতে এখনও প্রমাণিত হয়নি।
এদিকে, সোমবার দিবাগত রাতে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাসে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তানজিন তিশা। তিনি অভিযোগ করেন যে, পরিকল্পিতভাবে তার বক্তব্যের কিছু অংশ কেটে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে তার সম্মান ও ক্যারিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা চলছে। তিনি জানান, তার কাছে তথ্যপ্রমাণ রয়েছে।
আইনি বিতর্কের পাশাপাশি তানজিন তিশার বড় পর্দায় অভিষেক নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। শাকিব খানের সঙ্গে ‘সোলজার’ সিনেমায় অভিনয়ের কথা থাকলেও ২০২৫ সালের অক্টোবরে শুটিং শুরু হওয়ার পর সিনেমাটির কাজ এখনও শেষ হয়নি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সিনেমাটির বাকি রয়েছে নয় দিনের শুটিং। শিল্পী ও কলাকুশলীদের সম্মানী এবং খাবার সরবরাহকারীর পাওনা নিয়েও অভিযোগ উঠেছে। তবে নির্বাহী প্রযোজক মৌমিতা হোসাইন এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
প্রথমে সিনেমাটি ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে মুক্তির পরিকল্পনা ছিল, পরে সম্ভাব্য মুক্তির সময় ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে নির্ধারণ করা হয়।
কিন্তু শুটিং শেষ হওয়ার নির্দিষ্ট সময় এখনও জানা যায়নি। ফলে আইনি জটিলতার পাশাপাশি তানজিন তিশার চলচ্চিত্রে অভিষেক নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জ, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬ : দেশের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত নারীরা বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হয়ে উঠছেন। এর ফলে দেশের অর্থনীতিও সচল হচ্ছে। বিশেষত তৈরি পোশাক ও শিল্পকারখানায় হাজার হাজার নারী শ্রমিকের দিনরাতের কঠোর পরিশ্রম দেশের অর্থনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
নারায়ণগঞ্জ শহরের কোলাহল ও শীতলক্ষ্যার ওপার ঘেঁষে বন্দর উপজেলার রাজবাড়ি এলাকা অবস্থিত। এই অঞ্চলের চারপাশে গড়ে উঠেছে শত শত তৈরি পোশাক ও শিল্পকারখানা। এসব কারখানার কর্মীরা সাধারণত স্যাঁতসেঁতে, ঘিঞ্জি এবং নিরাপত্তাহীন ভাড়া ঘরে বসবাস করেন। শ্রমজীবী নারীদের দিনশেষে ঘিঞ্জি এবং নিরাপত্তাহীন আবাসে ফিরতে হয়। তবে, এই চিত্র শীঘ্রই পরিবর্তিত হতে যাচ্ছে।
শ্রমজীবী নারীদের নিরাপত্তাহীনতা দূর করতে এবং উন্নত জীবনের সুযোগ দিতে নারায়ণগঞ্জে নির্মিত হয়েছে ৯তলা বিশিষ্ট আধুনিক শ্রমজীবী মহিলা হোস্টেল। শ্রম অধিদপ্তরের ৪৫.৬৮ শতাংশ জমিতে প্রায় ৫৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই ভবনটি অসহায় ও স্বল্প আয়ের নারী শ্রমিকদের জন্য একটি আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করবে।
শ্রম কল্যাণ কেন্দ্রের সূত্র জানাচ্ছে, ২০১৮ সালের ৭ জুলাই এ হোস্টেলের নির্মাণকাজ শুরু হয় এবং ২০২৩ সালের ২৪ ডিসেম্বর এটি সম্পন্ন হয়। প্রায় ৭৯,৬৪৮ বর্গফুটের বিশালাকার এই ভবনে আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা রয়েছে।
বাইরে থেকে দেখতে দৃষ্টিনন্দন ৯তলা এই ভবনের ভেতরে প্রবেশ করলে পরিচ্ছন্ন ও সুরক্ষিত পরিবেশ চোখে পড়ে। নারী শ্রমিকদের জন্য এখানে রয়েছে প্রশস্ত কক্ষ ও হলরুম। একক সিঙ্গেল রুম ২৪টি, ডাবল বেডের রুম ৮টি এবং চার বেডের রুম ১৪২টি। সব মিলিয়ে ১৭৪টি কক্ষে সর্বমোট ৬শ’৮ জন নারী শ্রমিক থাকতে পারবেন।
হোস্টেলে বিশেষ নিরাপত্তা ও চিকিৎসাসেবার ব্যবস্থা রয়েছে। সার্বক্ষণিক সিসি ক্যামেরাসহ নিরাপত্তা ব্যবস্থা, প্রতিটি ফ্লোরে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র, জরুরি চিকিৎসাসেবার জন্য পাঁচ শয্যার হাসপাতাল রয়েছে। এছাড়াও উন্নত মানের ক্যান্টিন সুবিধা, সুব্যবস্থাসম্পন্ন লন্ড্রি সার্ভিস, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ এবং বিনোদনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ বা আশেপাশের ঘনবসতি এলাকায় সাধারণ একটি ছোট ঘর ভাড়া নিতে হাজার হাজার টাকা গুনতে হয়, কিন্তু এ হোস্টেলে চার বেডের বা দুই বেডের রুমে প্রতি সিটের ভাড়া মাসিক মাত্র ১ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। একক সিঙ্গেল রুমের জন্য ভাড়া রাখা হয়েছে ২ হাজার টাকা।
শুধুমাত্র প্রাতিষ্ঠানিক কারখানার শ্রমিকরাই নয়, নির্দিষ্ট শর্তাবলি মেনে যেকোনো কর্মজীবী নারী শ্রমিক এ হোস্টেলে সিট বরাদ্দ নিতে পারবেন। আবেদনের জন্য শ্রম অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট বা হোস্টেল কার্যালয় থেকে সরাসরি ফর্ম সংগ্রহ করা যাবে।
সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, হোস্টেলটির চারপাশে ২১৪টি কারখানা রয়েছে, যেখানে কাজ করছেন ১৪ হাজার ৩৩৮ নারী শ্রমিক।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বিপুল সংখ্যক নারী শ্রমিককে টার্গেট করে প্রচারণা চালালে তাদের আবাসন সংকট অনেকাংশে কাটিয়ে উঠতে পারবেন। নারায়ণগঞ্জ শহরের নারী শ্রমিকরা নদী পার হয়ে সহজেই স্বল্প দূরত্ব ও খরচে এখানে এসে থাকতে পারবেন।
বন্দরের ইপিলিয়ন নিটওয়্যারস লিমিটেডে কর্মরত নারী শ্রমিক ফাতেমা তার অনুভূতি প্রকাশ করে বাসসকে জানান, ‘আমাদের মধ্যে অনেকেই গ্রাম থেকে এসে শহরে চাকরি করি। কিন্তু থাকার মতো ভালো ও নিরাপদ জায়গা পাই না। দু-একটি পাওয়া গেলেও খরচ অনেক বেশি। এত অল্প খরচে এতো ভালো সুযোগ-সুবিধায় থাকতে পারা আমাদের মতো শ্রমিকদের জন্য অনেক বড় বিষয়। সরকার আমাদের জন্য এমন একটা ভালো থাকার জায়গার ব্যবস্থা চালু করায় তাদের অনেক ধন্যবাদ।’
নারী শ্রমিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং তাদের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিই এ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য বলে জানিয়েছেন বিভাগীয় শ্রম দপ্তরের পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম।
তিনি বাসসকে জানান, বর্তমান সরকার শ্রমজীবী নারীদের আবাসন সংকট দূর করতে এ হোস্টেল চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে। এখানে নারী শ্রমিকরা নিরাপত্তার পাশাপাশি আধুনিক জীবনযাত্রার সুযোগ-সুবিধা পাবেন। থাকার ভালো পরিবেশ পেলে তাদের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের উন্নতি হবে, যা তাদের কর্মক্ষমতা ও উৎপাদনশীলতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে। ফলস্বরূপ, এই ইতিবাচক প্রভাব আমাদের শিল্পপ্রতিষ্ঠানের গতি বৃদ্ধি করবে এবং জাতীয় অর্থনীতির প্রবৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬ : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও স্থায়ী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার।
আজ বিকেল ৩ টায় বিএনপি চেয়ারম্যানের গুলশান কার্যালয়ে তাদের মধ্যে সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান, স্থানীয় সরকার নির্বাচন এবং স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
এ সময় ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাজনৈতিক কর্মকর্তা কামিলা পার্টিকা এবং রুহুল কবির রিজভীর একান্ত সচিব কাজী নজরুল ইসলাম ও সহকারী একান্ত সচিব জাহেদুল আলম উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজবাড়ী, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬ : রাজবাড়ীর ৬৬টি স্বেচ্ছাসেবী মহিলা সমিতির কার্যক্রমকে উন্নত ও সম্প্রসারিত করার উদ্দেশ্যে অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার বিকেলে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই চেক বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সাধারণ) মো. তারিফ-উল-হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তাপস কুমার পাল।
স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর, রাজবাড়ীর উপ পরিচালক মো. আজমীর হোসেন। এ সময় এনজিও বিষয়ক নেত্রী শেহনাজ ইসলাম (জুলিয়া) উপস্থিত ছিলেন।
রাজবাড়ী সদর উপজেলার ৬১টি স্বেচ্ছাসেবী মহিলা সমিতির জন্য সাধারণ অনুদান হিসেবে ১৪ লাখ ৬৬ হাজার ৯শ’ টাকা এবং বালিয়াকান্দি উপজেলার পাঁচটি সমিতির জন্য ১ লাখ ২১ হাজার ৪শ’ টাকার চেক বিতরণ করা হয়। ফলে মোট ৬৬টি সমিতির জন্য ১৫ লাখ ৮৮ হাজার ৩শ’ টাকার চেক হস্তান্তর করা হয়।
মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের সূত্রে জানা গেছে, রাজবাড়ী জেলায় বর্তমানে নিবন্ধিত স্বেচ্ছাসেবী মহিলা সমিতির সংখ্যা ২৪২টি। এর মধ্যে সক্রিয় সমিতির সংখ্যা ১৯০টি। গত বছর জেলায় অনুদানের জন্য ১১৮টি সমিতির প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। এর মধ্যে ১০৫টি সমিতির জন্য ক, খ ও গ শ্রেণিতে সাধারণ অনুদান হিসেবে ২৫ লাখ ৩৯ হাজার ৬শ’ টাকার চেক বিতরণ করা হয়েছে।
এছাড়া, দু’টি সমিতির জন্য ঘূর্ণায়মান অনুদান হিসেবে এক লাখ টাকা এবং ৬টি সমিতির জন্য স্বেচ্ছাধীন অনুদান হিসেবে ২ লাখ ৮ হাজার ২শ’ টাকার চেক মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে গ্রহণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ