প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দিনের শুরুতে দক্ষিণ আফ্রিকা তাদের দাপট প্রদর্শন করেছিল। স্কোরবোর্ডে তাদের রান ছিল ৩২৫, হাতে চারটি উইকেট। নতুন বল তখনও প্রায় অব্যবহৃত ছিল। কিন্তু এরপরই ম্যাচের পরিস্থিতি পাল্টে দেন মিচেল স্টার্ক। মাত্র পাঁচ রানের মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকা শেষ চার উইকেট হারিয়ে অলআউট হয়ে যায়।
দিনের শেষ ভাগে অসাধারণ বোলিং করে অস্ট্রেলিয়ার এই বাঁহাতি পেসার ছয় উইকেট দখল করেন। দিনের মধ্যে তৃতীয়বারের মতো এক ওভারে দুটি উইকেট নেন তিনি। স্টার্কের বিধ্বংসী বোলিংয়ের ফলে দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস দ্রুত শেষ হয়ে যায়।
রায়ান রিকেলটন এবং মার্কো ইয়ানসেনের জুটিতে দক্ষিণ আফ্রিকা একসময় ভালো অবস্থানে ছিল। এই দুইজন মিলে ৯৫ রান যোগ করেন। ৪২ রান করা রিকেলটনকে এলবিডব্লিউ করে স্টার্ক এই জুটি ভাঙেন। তার বলটি ছিল প্রায় ইয়র্কার। এরপর ৫২ রান করা ইয়ানসেনকে ইনসুইংয়ে বোল্ড করেন তিনি। স্টার্কের সেই ডেলিভারি ২০১৫ বিশ্বকাপ ফাইনালে ব্রেন্ডন ম্যাককালামকে বোল্ড করার মুহূর্তের কথা মনে করিয়ে দেয়।
এরপর দক্ষিণ আফ্রিকা আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। প্রথম বলেই বোল্ড হন জেরাল্ড কোয়েটজি। দুই বল পর এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন কাগিসো রাবাদা। সাইমন হার্মার শূন্য রানে অপরাজিত থাকেন।
দিনের শুরুতে অস্ট্রেলিয়া দুই ওপেনারের ১৫৮ রানের জুটি দেখেছিল। অথচ দিন শেষে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে চলে এসেছে। স্টার্কের আগুনে বোলিংয়ে অস্ট্রেলিয়া দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন