প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কিশোরগঞ্জে জেলা পুলিশ কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে মোবাইল ফোন এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে জুয়ার বিস্তার রোধ করার জন্য। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে অনলাইন জুয়ার প্রবণতা কমানোর লক্ষ্যে শহর ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। এই অভিযানে কিশোরগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ ২১ জনকে আটক করেছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় কিশোরগঞ্জ মডেল থানার প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত সাংবাদিক ব্রিফিংয়ে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান অভিযানের বিস্তারিত তুলে ধরেন।
পুলিশের সূত্রে জানা যায়, পুলিশ সুপারের তত্ত্বাবধানে কিশোরগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের সমন্বয়ে এই অভিযান পরিচালিত হয়। শহরের বিভিন্ন স্থানে মোবাইল ফোন এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে জুয়া পরিচালনা এবং এতে অংশগ্রহণের অভিযোগে অভিযান চালানো হয়। অভিযানের বিভিন্ন পর্যায়ে ২১ জনকে আটক করা হয়েছে।
পুলিশ কর্মকর্তাদের মতে, প্রযুক্তির সহজলভ্যতার কারণে অনলাইন জুয়ার বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে তরুণদের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই ধরনের কর্মকাণ্ড ব্যক্তি, পরিবার ও সামাজিক জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে, যা অর্থনৈতিক ক্ষতির পাশাপাশি সমাজের জন্য ক্ষতিকর। তাই অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও চক্রের ওপর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
সাংবাদিক ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মন্তব্য করেন, "অনলাইন জুয়া ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজের জন্য ক্ষতিকর। বিশেষ করে তরুণ সমাজকে এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে জেলা পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে।"
অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও চক্র শনাক্ত করতে তথ্য সংগ্রহ এবং গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুলিশের সূত্র জানায়, অনলাইন জুয়া ও প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় গোয়েন্দা কার্যক্রম বৃদ্ধি করা হয়েছে। শহরের বাইরে জেলার বিভিন্ন এলাকায়ও এ ধরনের অভিযান চালানোর প্রস্তুতি রয়েছে।
অনলাইন জুয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও চক্রের কার্যক্রম শনাক্ত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আটক ২১ জনের প্রাথমিক যাচাই-বাছাই চলছে। যাচাই শেষে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রচলিত আইনে তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন