মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৪৭ পি.এম
সরকার সারের বিতরণ ব্যবস্থায় ডিলারদের জন্য প্রণোদনা বৃদ্ধি করেছে। ইউরিয়া, ডিএপি, টিএসপি ও এমওপি সারের ক্ষেত্রে ডিলার পর্যায়ে কমিশন কেজিপ্রতি ৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে কৃষক পর্যায়ে বিক্রয়মূল্য অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। নতুন কমিশন হার আগামী ১ জুলাই ২০২৭ থেকে কার্যকর হবে।
সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, কৃষি উৎপাদনে সারের সরবরাহ ও বাজার ব্যবস্থাপনা স্বাভাবিক রাখতে এবং ডিলার পর্যায়ে বিতরণ কার্যক্রমে উৎসাহ বৃদ্ধি করার উদ্দেশ্যে সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ইউরিয়া সারের ডিলার পর্যায়ের দাম প্রতি কেজি ২৫ টাকা থেকে কমিয়ে ২৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে কৃষক পর্যায়ে এর বিক্রয়মূল্য আগের মতোই ২৭ টাকা থাকবে। ডিএপি সারের ডিলার পর্যায়ের দাম ১৯ টাকা থেকে কমিয়ে ১৮ টাকা করা হলেও কৃষক পর্যায়ের দাম ২১ টাকা অপরিবর্তিত থাকবে। একইভাবে, টিএসপি সারের ডিলার পর্যায়ের দাম প্রতি কেজি ২৫ টাকা থেকে কমিয়ে ২৪ টাকা করা হয়েছে, যেখানে কৃষক পর্যায়ের বিক্রয়মূল্য ২৭ টাকা অপরিবর্তিত রয়েছে। এমওপি সারের ডিলার পর্যায়ের দাম ১৮ টাকা থেকে কমিয়ে ১৭ টাকা করা হয়েছে এবং কৃষক পর্যায়ে এর বিক্রয়মূল্য আগের মতো ২০ টাকা রাখা হয়েছে।
চার ধরনের সারের ক্ষেত্রেই ডিলার পর্যায়ে প্রতি কেজিতে সরকারের নির্ধারিত মূল্য ১ টাকা করে কমেছে। কিন্তু কৃষক পর্যায়ের বিক্রয়মূল্য অপরিবর্তিত থাকায় ডিলার পর্যায়ে প্রতি কেজি সারে কমিশনের পরিমাণ ৩ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে এ আদেশ জারি করা হয়েছে।
সরকারের নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে কৃষকদের সারের জন্য অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হবে না। তারা বিদ্যমান মূল্যেই ইউরিয়া, ডিএপি, টিএসপি ও এমওপি সার কিনতে পারবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘নবায়নযোগ্য জ্বালানি, এখনই’ প্রচারাভিযানের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশের উপকূল বরাবর পদযাত্রা শুরু করেছেন বেঙ্গল পিস ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মাসফিকুল হাসান টনি।
জ্বালানি নিরাপত্তা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, নিরাপদ পানি এবং জলবায়ু ন্যায়ের দাবিকে সামনে রেখে এই ‘বাংলাদেশ কোস্টাল ট্রাভার্স’ পদযাত্রাটি সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগরের পাঁচ নদীর মুখ থেকে শুরু হয়ে প্রায় ১৯ দিনে উপকূল ধরে শাহপরীর দ্বীপে গিয়ে শেষ হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক নাগরিক সংগঠন ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা) এবং ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশের নেতৃত্বে ৩৭টি নাগরিক ও সামাজিক সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে মাসব্যাপী প্রচারাভিযান চলমান রয়েছে। গত ১২ সেপ্টেম্বর রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ মাসফিকুল হাসান টনির হাতে প্রচারাভিযানের ব্যানার তুলে দেন।
পদযাত্রার প্রথম দিনে পাঁচ নদীর মুখ থেকে কয়রার বেদকাশি ঘাট পর্যন্ত প্রায় ৩৫ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করেন টনি। তিনি কালিঞ্চি, টেংরাখালী, মরাগাং, সুন্দরবন বাজার, হরিনগর, কুলতলী, মুন্সীগঞ্জ, কলবাড়ি ও নীলডুমুরিয়া হয়ে বেদকাশি ঘাটে পৌঁছান। পদযাত্রাটি মোংলা হয়ে পিরোজপুর, পাথরঘাটা, কুয়াকাটা, চরফ্যাশন, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, বাঁশখালী, কক্সবাজার, টেকনাফ অতিক্রম করে শাহপরীর দ্বীপে শেষ হবে। তবে নৌপথ, নৌযান চলাচল এবং আবহাওয়ার পরিস্থিতি অনুযায়ী যাত্রাপথ ও সময়সূচিতে পরিবর্তন আসতে পারে।
পদযাত্রায় উপকূলের মানুষের জীবন-জীবিকা, নিরাপদ পানির সংকট, মাছের ঘের, বন ও জীববৈচিত্র্যের পরিবর্তন এবং জলবায়ু ঝুঁকির বাস্তবতা কাছ থেকে দেখেন মাসফিকুল হাসান টনি। তিনি স্থানীয় মানুষের সঙ্গে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং নিরাপদ পানির প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করেন। কিছু স্থানে সৌর প্যানেল এবং বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের ব্যবস্থা দেখা গেছে, অন্যদিকে কোথাও পানির তীব্র সংকটের চিত্রও উঠে এসেছে।
‘নবায়নযোগ্য জ্বালানি, এখনই’ প্রচারাভিযানের আয়োজক সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলনের সমন্বয়ক নিখিল চন্দ্র ভদ্র জানান, পদযাত্রার লক্ষ্য হলো উপকূলের মানুষের বাস্তব জীবন, পরিবেশগত সংকট এবং জ্বালানি চাহিদাকে সামনে এনে একটি পরিচ্ছন্ন, ন্যায়ভিত্তিক ও টেকসই জ্বালানি ভবিষ্যতের পক্ষে জনসম্পৃক্ততা তৈরি করা। এটি আগামীতে নীতি-নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নীলফামারীর ডোমারে সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (এটিও) রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় পর্যন্ত বিষয়টি পৌঁছালেও, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ার কারণে অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ এবং উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার উত্তর গোবনাতী ইউনিয়নের সরকারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মঞ্জুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে একই বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ রয়েছে। যখন বিষয়টি স্থানীয়দের মধ্যে জানাজানি হয়, তখন এলাকাবাসী ওই শিক্ষককে আটক করে নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে মুচলেকা নেন এবং বিদ্যালয়ে না আসার শর্ত দেন।
এরপর গোমনাতী ক্লাস্টারের সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (এটিও) রুহুল আমিন বিদ্যালয়টি পরিদর্শনে গিয়ে শিক্ষক মঞ্জুরুল ইসলামকে অনুপস্থিত পান। যৌন হয়রানির অভিযোগের কারণে তিনি অনুপস্থিত—এমন বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে তাকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
অভিযোগ রয়েছে যে, পরবর্তীতে এটিও রুহুল আমিন ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওঠা যৌন হয়রানির ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন এবং চাকরির ভয়ভীতি দেখিয়ে তিন ধাপে মোট ৫০ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণ করেন। এ সংক্রান্ত কথোপকথনের একটি অডিও রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। যেখানে রুহুল আমিনকে ঘুষ দেওয়ার বিষয়ে কথা বলতে শোনা যায়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন অভিভাবক প্রতিনিধি বলেন, "যৌন হয়রানির মতো স্পর্শকাতর ঘটনায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে একজন সরকারি কর্মকর্তার নীরব থাকা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।" এতে সন্তানদের বিদ্যালয়ে পাঠাতে অভিভাবকদের মধ্যে ভয় তৈরি হয়েছে। তারা অভিযুক্ত শিক্ষকের অপসারণ ও শাস্তির দাবি জানান।
বিষয়টি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার নজরে আনা হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রুহুল আমিন। ঘুষ গ্রহণের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, "আমি যদি ঘুষ গ্রহণ করে থাকি, তাহলে তদন্ত করে আমার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হোক।"
তিনি আরো দাবি করেন, অভিযুক্ত শিক্ষক নিজের অপকর্ম ঢাকতে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছেন।
এদিকে অভিযুক্ত শিক্ষক মঞ্জুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রথম দফায় দেওয়া কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় দ্বিতীয় দফায় নোটিশ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। দ্বিতীয় নোটিশের জবাব পাওয়ার পর বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা এটিও আব্দুল মান্নান বলেন, "আমি এক দিনের জন্য দায়িত্বে আছি। তাই এ বিষয়ে মন্তব্য করতে পারছি না। আপনারা পরবর্তীতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে ঘটনার বিস্তারিত জানতে পারেন।"
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক মঞ্জুরুল ইসলাম জানান, "ওটা একটু ভুল-বোঝাবুঝি হয়েছিল, সব মীমাংসা হয়ে গেছে। ঘটনাটি সঠিক নয়।"
ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছে। তারা অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে শিক্ষক ও কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ওমানের উপকূলের নিকটে একটি তেলবাহী ট্যাংকারে ভয়াবহ হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলার ফলে পানামার পতাকাবাহী ‘এল গাইয়া’ নামের ট্যাংকারের ২৩ জন ক্রুকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও, দুজন এখনও নিখোঁজ রয়েছে।
মঙ্গলবার ওমানের মেরিটাইম সিকিউরিটি সেন্টারের তথ্যের ভিত্তিতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, হামলার পর ইঞ্জিনকক্ষে আগুন লেগে ট্যাংকারটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
মেরিটাইম সিকিউরিটি সেন্টার জানায়, মুসান্দাম থেকে প্রায় ১০৩ নটিক্যাল মাইল উত্তর-পূর্বে অবস্থানকালে ট্যাংকারটিতে হামলা চালানো হয়। পরে একটি ওমানি নৌযান ২৩ জন ক্রুকে উদ্ধার করে। তবে, দুজন এখনও নিখোঁজ রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মন্তব্য করেছেন যে, গণতন্ত্রকে রক্ষা করাটা বর্তমানে আমাদের প্রধান কাজ ও দায়িত্ব। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সিলেট সিটি কর্পোরেশন প্রাঙ্গণে নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, "আজকে বহু ত্যাগ-তিতিক্ষার বিনিময়ে, রক্তপাতের বিনিময়ে, আমাদের সন্তানদের প্রাণের বিনিময়ে আমরা একটা ফ্যাসিস্ট সরকারকে সরিয়ে দীর্ঘকাল লড়াই করে একটা গণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টি করেছি।" তিনি আরও উল্লেখ করেন, "আমরা একটা গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার একটা সুযোগ পেয়েছি। আজকে একটা নির্বাচন হয়েছে। অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হয়েছে আন্তর্জাতিকভাবে।"
নির্বাচনের মাধ্যমে সরকারের গঠন প্রসঙ্গে তিনি জানান, "আমাদের নেতা জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে এখানে সরকার গঠন হয়েছে। এই সরকার চেষ্টা করছে অতিদ্রুততার সঙ্গে দেশকে কী করে একটা ভগ্নস্তূপ থেকে আবার জাগিয়ে তোলা যায়।"
রাষ্ট্রপতি বলেন, "আমি প্রায়ই আপনাদের বলতাম— আমরা যারা বাংলাদেশে গণতন্ত্রের পক্ষে কাজ করি, তারা অনেকটা আপনার ফিনিক্স পাখির মতো। ধ্বংস হয়ে যায়, সেই ধ্বংসস্তূপ থেকে আবার সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়।"
গণতন্ত্রের রক্ষায় গুরুত্ব দিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, "গণতন্ত্র পেয়েছি। গণতন্ত্রকে রক্ষা করাটাই এখন আমাদের সবচেয়ে বড় কাজ, সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।" তিনি মনে করেন, "আজকে যে বিরোধী দল আছে, সরকারি দল আছে, আমি মনে করি যে সরকারি দল, বিরোধী দলের প্রধান দায়িত্ব হবে গণতান্ত্রিক অবস্থাকে টিকিয়ে রাখা। প্রধান দায়িত্ব হবে যে সংসদ আছে, সেই সংসদকে ফাংশনাল করা। তাকে যেন কাজ করে ঠিকমতো, সেইভাবে কাজ করার চেষ্টা করা।"
তিনি আরও বলেন, "অন্যান্য বিষয়গুলোতে দ্বিমত থাকতে পারে। সেই দ্বিমতগুলো আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে কিন্তু সমাধান করা সম্ভব।"
রাষ্ট্রপতি বলেন, "আমি মনে করি যে আগামী দিনগুলোতে আমাদের যেমন আমরা অতীতে লড়াই করেছি গণতন্ত্রের জন্য, সামনের লড়াই হচ্ছে আমাদের দেশকে পুনর্গঠন করবার জন্য, গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করবার জন্য এবং আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য তাদের জন্য একটা সত্যিকার অর্থেই একটা বাসযোগ্য আবাস যেন আমরা নির্মাণ করতে পারি।" তিনি এই বিষয়গুলো সবসময় মনে রাখার জন্য আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, "আমরা বারবার হোঁচট খেয়েছি। এই দেশের মানুষ বারবার গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছে, কিন্তু বারবার বাধা পেয়েছে। আজকে সেই সুযোগ এসেছে। সেই সুযোগ আমরা কখনো অবহেলায় একে না হারাই। এ কথাটা সবসময় আমাদেরকে মনে রাখতে হবে।"
সিলেটের বিভিন্ন সমস্যার উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, "সিলেটের কিছু সমস্যার কথা আপনারা বলেছেন। আমার মনে হয় আপনাদের মন্ত্রীবর্গ যারা আছেন, আপনাদের সদস্য যারা আছেন, তারা যথেষ্ট যোগ্য। এই বিষয়গুলো নিয়ে তারা কথা বলছেন, কাজ শুরু হয়েছে।" তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, "মন্ত্রী মহোদয়ের কাছে শুনলেন যে অনেকগুলো বড় বড় কাজ ইতিমধ্যে সামনে চলে এসেছে। ইনশাআল্লাহ এই কাজগুলো এগিয়ে যাবে এবং এর মধ্যে দিয়ে আপনাদের জনগণের যে অনেক দিনের আকাঙ্ক্ষা, সে আকাঙ্ক্ষা পূরণ হবে নিশ্চয়ই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ