প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
‘নবায়নযোগ্য জ্বালানি, এখনই’ প্রচারাভিযানের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশের উপকূল বরাবর পদযাত্রা শুরু করেছেন বেঙ্গল পিস ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মাসফিকুল হাসান টনি।
জ্বালানি নিরাপত্তা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, নিরাপদ পানি এবং জলবায়ু ন্যায়ের দাবিকে সামনে রেখে এই ‘বাংলাদেশ কোস্টাল ট্রাভার্স’ পদযাত্রাটি সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগরের পাঁচ নদীর মুখ থেকে শুরু হয়ে প্রায় ১৯ দিনে উপকূল ধরে শাহপরীর দ্বীপে গিয়ে শেষ হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক নাগরিক সংগঠন ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা) এবং ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশের নেতৃত্বে ৩৭টি নাগরিক ও সামাজিক সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে মাসব্যাপী প্রচারাভিযান চলমান রয়েছে। গত ১২ সেপ্টেম্বর রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ মাসফিকুল হাসান টনির হাতে প্রচারাভিযানের ব্যানার তুলে দেন।
পদযাত্রার প্রথম দিনে পাঁচ নদীর মুখ থেকে কয়রার বেদকাশি ঘাট পর্যন্ত প্রায় ৩৫ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করেন টনি। তিনি কালিঞ্চি, টেংরাখালী, মরাগাং, সুন্দরবন বাজার, হরিনগর, কুলতলী, মুন্সীগঞ্জ, কলবাড়ি ও নীলডুমুরিয়া হয়ে বেদকাশি ঘাটে পৌঁছান। পদযাত্রাটি মোংলা হয়ে পিরোজপুর, পাথরঘাটা, কুয়াকাটা, চরফ্যাশন, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, বাঁশখালী, কক্সবাজার, টেকনাফ অতিক্রম করে শাহপরীর দ্বীপে শেষ হবে। তবে নৌপথ, নৌযান চলাচল এবং আবহাওয়ার পরিস্থিতি অনুযায়ী যাত্রাপথ ও সময়সূচিতে পরিবর্তন আসতে পারে।
পদযাত্রায় উপকূলের মানুষের জীবন-জীবিকা, নিরাপদ পানির সংকট, মাছের ঘের, বন ও জীববৈচিত্র্যের পরিবর্তন এবং জলবায়ু ঝুঁকির বাস্তবতা কাছ থেকে দেখেন মাসফিকুল হাসান টনি। তিনি স্থানীয় মানুষের সঙ্গে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং নিরাপদ পানির প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করেন। কিছু স্থানে সৌর প্যানেল এবং বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের ব্যবস্থা দেখা গেছে, অন্যদিকে কোথাও পানির তীব্র সংকটের চিত্রও উঠে এসেছে।
‘নবায়নযোগ্য জ্বালানি, এখনই’ প্রচারাভিযানের আয়োজক সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলনের সমন্বয়ক নিখিল চন্দ্র ভদ্র জানান, পদযাত্রার লক্ষ্য হলো উপকূলের মানুষের বাস্তব জীবন, পরিবেশগত সংকট এবং জ্বালানি চাহিদাকে সামনে এনে একটি পরিচ্ছন্ন, ন্যায়ভিত্তিক ও টেকসই জ্বালানি ভবিষ্যতের পক্ষে জনসম্পৃক্ততা তৈরি করা। এটি আগামীতে নীতি-নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন