ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মালচিং পদ্ধতিতে নিরাপদ করলা চাষে সাফল্য কুষ্টিয়ার মাহমুদ আল-ইমরানের


মালচিং পদ্ধতিতে নিরাপদ করলা চাষে সাফল্য কুষ্টিয়ার মাহমুদ আল-ইমরানের

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলায় পরিবেশবান্ধব মালচিং পদ্ধতি ও ফেরোমন ফাঁদ ব্যবহার করে নিরাপদ করলা চাষের ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করেছেন মাহমুদ আল-ইমরান (৪৫) নামের এক তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা। তিনি উপজেলার ধরমপুর ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামের গোরস্তানপাড়া এলাকার সফর উদ্দিনের ছেলে। আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর এই পদ্ধতি ব্যবহার করে রোগবালাই দমন ও পরিচর্যার খরচ উল্লেখযোগ্য হারে কমে যাওয়ায় এলাকার অন্যান্য চাষিদের মধ্যে করলা চাষে নতুন আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে।

উদ্যোক্তা মাহমুদ আল-ইমরান জানান, জমিতে প্লাস্টিক শিট ব্যবহার করে মালচিং করার ফলে অনাকাঙ্ক্ষিত আগাছা জন্মানোর সুযোগ থাকে না এবং মাটির প্রয়োজনীয় আর্দ্রতা দীর্ঘ সময় ধরে বজায় থাকে। এর ফলে জমি চাষ, ক্ষতিকর কীটনাশক ও সেচের খরচ অর্ধেকের নিচে নেমে আসে।

তিনি বলেন, “আমি এক বিঘা জমিতে ‘এগ্রো ওয়ান লিডার’ জাতের চারা রোপণের মাত্র ৪০ থেকে ৫০ দিনের মধ্যে ক্ষেত থেকে সতেজ করলা তুলতে শুরু করেছি। এই পদ্ধতিতে উৎপাদিত করলার মান ভালো হওয়ায় বাজারে এর বাড়তি দাম ও চাহিদা রয়েছে।”

আরও পড়ুন: তিস্তার ভাঙনে কৃষকের স্বপ্ন ভঙ্গ, গরুকে খাওয়ানো হচ্ছে আমন ধান

তিনি আরও জানান, এক বিঘা জমিতে তার খরচ হয়েছে ৪৮ থেকে ৫০ হাজার টাকা। ইতোমধ্যে তিনি পাঁচ দফায় ১ হাজার ৯৪ কেজি করলা তুলেছেন। স্থানীয় বাজারে কেজিপ্রতি ৬০ টাকা দরে প্রায় ৬৫ হাজার টাকার করলা বিক্রি করেছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এই ক্ষেত থেকে তিনি প্রায় ৩ লাখ টাকার করলা বিক্রি করতে পারবেন বলে আশা করছেন।

ভেড়ামারার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি, রোগবালাই ও বাড়তি শ্রমিক খরচের কারণে কৃষকদের কাঙ্ক্ষিত ফলন পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। এমন বাস্তবতায় আধুনিক কৃষিপ্রযুক্তি মালচিং পদ্ধতি নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে। রামচন্দ্রপুর এলাকায় মাহমুদ আল-ইমরানই প্রথম মালচিং ও ফেরোমন ফাঁদ ব্যবহার করে করলা আবাদে সফল হয়েছেন।’

ভেড়ামারা উপজেলার কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম জানান, মাঠপর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তারা নিয়মিত ক্ষেত পরিদর্শন করে কৃষকদের রোগবালাই প্রতিরোধ ও সুষম সার প্রয়োগ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছেন। কম খরচে নিরাপদ সবজি উৎপাদনের সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় বাজারে এই করলার বিশেষ বাণিজ্যিক চাহিদা তৈরি হয়েছে।

আরও পড়ুন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কৃষকের লাউবাগানের গাছ কেটে রাতের আঁধারে স্বপ্ন শেষ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শীতকালীন সময়ে ইউরোপ এক ঘণ্টা পিছিয়ে যাচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৩৮ এম


শীতকালীন সময়ে ইউরোপ এক ঘণ্টা পিছিয়ে যাচ্ছে

শীতকালীন সময়ে আবারও ফিরছে ইউরোপ, অন্যান্য সময়ের মতো। সময় পরিবর্তনের এই নিয়ম নিয়ে বিতর্ক এবং বাতিলের নানা উদ্যোগ দীর্ঘদিন ধরে চললেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে চলতি সপ্তাহের রোববার (২৫ অক্টোবর) ভোরে ইউরোপের অধিকাংশ দেশে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পিছিয়ে দেওয়া হবে।

ইউরোপীয় সময়সূচি অনুযায়ী, রোববার রাত ৩টার সময় সময়কে পিছিয়ে রাত ২টা করা হবে। এর ফলে বাসিন্দারা রাতে অতিরিক্ত এক ঘণ্টা ঘুমানোর সুযোগ পাবেন। তবে, এর ফলে সকালে আলো দ্রুত ফুটলেও বিকেলে বা সন্ধ্যায় অন্ধকার নেমে আসবে অনেক আগেই।

বছরে দুবার ঘড়ির কাঁটা ঘোরানোর এই প্রথা ইউরোপজুড়ে বহু বছর ধরে সমালোচিত হয়ে আসছে। ২০১৮ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) এক অনলাইন জরিপে অংশগ্রহণকারী ৪৬ লাখ মানুষের মধ্যে প্রায় ৮৪ শতাংশই এই নিয়ম চিরতরে বন্ধ করার পক্ষে মত দিয়েছিলেন।

জনমতের ভিত্তিতে ২০১৯ সালে ইউরোপীয় পার্লামেন্টে সময় পরিবর্তন প্রথা বাতিলের প্রস্তাবটি বিপুল ভোটে পাশ হয়। সিদ্ধান্ত হয়, ২০২১ সাল থেকে দেশগুলো আর ঘড়ির কাঁটা পরিবর্তন করবে না।

কিন্তু সদস্যদেশগুলোর মধ্যে স্থায়ীভাবে ‘গ্রীষ্মকালীন সময়’ বা ‘শীতকালীন সময়’ রাখার বিষয়ে কোনো ঐক্যমত্য হয়নি। একেক দেশ একেক সময় বেছে নিলে অভ্যন্তরীণ ট্রেন-বিমান চলাচল, বাণিজ্য ও প্রশাসনিক কাজে মারাত্মক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। করোনাভাইরাস মহামারি এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর বিষয়টি ইউরোপীয় নেতাদের অগ্রাধিকারের তালিকা থেকে বাদ পড়ে যায়।

১৯৭৬ সালে বিশ্বজুড়ে তেলসংকটের পর বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের উদ্দেশ্যে প্রথমে ফ্রান্সে এই পদ্ধতি চালু হয়। পরে ১৯৮০ সালে অন্যান্য ইউরোপীয় দেশও এটি অনুসরণ করতে শুরু করে। তবে গবেষকদের মতে, আধুনিক যুগে এসে এই নিয়মে জ্বালানি সাশ্রয় প্রায় হয়ই না; বরং বারবার সময় বদলানোর ফলে মানুষের শরীরের স্বাভাবিক ছন্দ (Biological Clock) বিঘ্নিত হয়ে ঘুমের সমস্যা সৃষ্টি হয়।

ইউরোপের বাইরের দেশ যুক্তরাজ্য ও পর্তুগালেও একই দিনে সময় পরিবর্তন হবে। তবে যুক্তরাষ্ট্র সময় পরিবর্তন করবে ১ নভেম্বর। অন্যদিকে মরক্কো, থাইল্যান্ড, জাপান, আর্জেন্টিনা, রাশিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার মতো দেশে বর্তমানে ঘড়ির কাঁটা পরিবর্তনের এই নিয়ম নেই।

স্থায়ী কোনো সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত ইউরোপের বাসিন্দাদের আপাতত আগের নিয়মেই বছরে দুবার ঘড়ির কাঁটা পরিবর্তন করে দিন চালাতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটিতে চলছে আধাবেলা সড়ক অবরোধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৩৮ এম


খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটিতে চলছে আধাবেলা সড়ক অবরোধ

ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদ খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি জেলায় অর্ধদিবস সড়ক ও নৌপথ অবরোধ কর্মসূচি পালন করছে। সংগঠনটি জানায়, সাজেকে অবরোধকারীদের ওপর হামলা, লাঠিপেটা ও ঘরবাড়ি-দোকানপাট ভাঙচুরের প্রতিবাদে এবং সাজেকবাসীর দাবির প্রতি সংহতি জানাতে তারা এই কর্মসূচি পালন করছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত দুই জেলায় এই অবরোধ চলবে। তবে অ্যাম্বুলেন্স, রোগীবাহী গাড়ি, শববাহী যান, ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি, জরুরি ওষুধ সরবরাহকারী যানবাহন এবং সাংবাদিকদের বহনকারী গাড়ি অবরোধের আওতামুক্ত থাকবে।

এদিকে, আজ ভোর থেকে বিভিন্ন স্থানে পিকেটারদের টায়ার জ্বালাতে দেখা গেছে। বিশৃঙ্খলা এড়াতে শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি উষাতন চাকমা জানিয়েছেন, কর্মসূচি সফল করার জন্য পার্বত্য চট্টগ্রামের গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল সংগঠন এবং খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটির যানবাহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনগুলোর সহযোগিতা প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পশ্চিম তীরে ইসরাইলের অবরোধ, ফিলিস্তিনিদের মধ্যে সমষ্টিগত শাস্তির আতঙ্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৩৮ এম


পশ্চিম তীরে ইসরাইলের অবরোধ, ফিলিস্তিনিদের মধ্যে সমষ্টিগত শাস্তির আতঙ্ক

আগামী ২৭ অক্টোবর ইসরাইলে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এর ঠিক কয়েক দিন আগে, অধিকৃত পশ্চিম তীরে পূর্ণাঙ্গ অবরোধের ঘোষণা দিয়েছে ইসরাইল। প্রায় এক হাজার সামরিক চেকপোস্ট বন্ধ করে রামাল্লায় যাতায়াতের সমস্ত পথ বিচ্ছিন্ন করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। হেবরনে একটি সামরিক চেকপোস্টে গুলির হামলার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। হামলার প্রতিক্রিয়ায় ফিলিস্তিনিদের ওপর ব্যাপক দমন-পীড়ন ও সমষ্টিগত শাস্তি নেমে আসতে পারে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

হেবরনে হামলার পর ইসরাইলের প্রথম পদক্ষেপ ছিল শহরের তিনতলা একটি ভবন গুঁড়িয়ে দেওয়া। ইসরাইলি বাহিনী ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে ভবনটি ভেঙে ফেলে। সেখানে বসবাসকারী ফিলিস্তিনি পরিবারগুলোকে নিজেদের জিনিসপত্র সরিয়ে নিতে মাত্র পাঁচ মিনিট সময় দেওয়া হয়।

এছাড়া, হামলায় জড়িত সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করেছে ইসরাইলি বাহিনী। এই অভিযানের সময় তাদের কয়েকজন স্বজনকে আটক করা হয়েছে।

ইসরাইলের শীর্ষ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হেবরনে ‘জেনিন মডেল’ প্রয়োগ করা হবে। ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে জেনিনে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ও ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করার ঘটনাকে বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হচ্ছে।

ইসরাইলি কর্মকর্তারা হেবরনের হামলার প্রতিক্রিয়ায় এসব পদক্ষেপকে ব্যাপক প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

শুক্রবার, হেবরনের কাছে হামলার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ইসরাইলের সামরিক বাহিনীর প্রধান ইয়াল জামির। তিনি বলেন, ‘হামলায় জড়িত সবাইকে খুঁজে বের করতে এবং তাদের কাছে পৌঁছাতে ইসরাইলি বাহিনী কঠোর পদক্ষেপ নেবে।’

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুও বলেছেন, পরিকল্পিত সামরিক অভিযান হবে নজিরবিহীন। ১৯৬৭ সালে পশ্চিম তীর, পূর্ব জেরুজালেম ও গাজার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর থেকে ইসরাইল এমন অভিযান আর চালায়নি বলে তিনি মন্তব্য করেছেন।

এদিকে, ইসরাইলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন গভির পশ্চিম তীরের সড়কগুলোতে ফিলিস্তিনিদের চলাচল সীমিত করার হুমকি দিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, ফিলিস্তিনিদের চলাচলের স্বাধীনতার চেয়ে ইসরাইলিদের জীবন ‘দশ লাখ গুণ বেশি গুরুত্বপূর্ণ’।

ফিলিস্তিনিদের ওপর সমষ্টিগত শাস্তি আরোপকে ইসরাইলের অবৈধ দখলদারিত্বের একটি নিয়মিত বৈশিষ্ট্য হিসেবে দেখা হয়। তবে হেবরনের হামলার পর এবার এর মাত্রা নজিরবিহীন পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন ফিলিস্তিনিরা।

এএম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়িতে ছাত্র-জনতা সংগ্রাম পরিষদের অর্ধদিবস সড়ক অবরোধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৩৯ এম


রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়িতে ছাত্র-জনতা সংগ্রাম পরিষদের অর্ধদিবস সড়ক অবরোধ

রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়িতে ছাত্র-জনতা সংগ্রাম পরিষদের ডাকে অর্ধদিবস সড়ক অবরোধ চলছে। এই অবরোধ সাজেকে চলমান আন্দোলনের সমর্থনে এবং সাজেকে হামলার প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) ভোর ৫টা থেকে শুরু হওয়া এই অবরোধ চলাকালীন রাঙ্গামাটি শহরের অভ্যন্তরে যানবাহন চলাচল ও নৌপথে নৌ চলাচল স্বাভাবিক থাকলেও, জেলা শহর থেকে খাগড়াছড়ি গণপরিবহন চলাচল বন্ধ রয়েছে।

শহরের মানিকছড়ি ও কুতুকছড়ি সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে আন্দোলনকারীদের পিকেটিং করতে দেখা গেছে। বিক্ষোভকারীরা অনেক স্থানে সড়কের ওপর গাছের গুঁড়ি ফেলে এবং টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে অবরোধের সমর্থনে অবস্থান নিয়েছেন।

যেকোনো ধরনের সহিংসতা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর টহল জোরদার করা হয়েছে। অবরোধ চলাকালীন এখনো পর্যন্ত কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

অবরোধের সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে রাঙ্গামাটির পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব জানান, "অবরোধকে কেন্দ্র করে যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে জন্য পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।" অবরোধ পালিত হলেও কোথাও কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতির খবর পাওয়া যায়নি।

এদিকে, জনভোগান্তি ও জরুরি সেবার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে অবরোধ চলাকালে জরুরি সেবাসমূহকে এই কর্মসূচির আওতামুক্ত রাখা হয়েছে। অ্যাম্বুলেন্স, রোগীবাহী যানবাহন, ফায়ার সার্ভিস, জরুরি ওষুধ সরবরাহকারী পরিবহন এবং সংবাদ সংগ্রহের কাজে নিয়োজিত সাংবাদিকদের গাড়ি অন্যান্য দিনের মতোই নিরবচ্ছিন্নভাবে চলাচল করেছে।

অবরোধ ছাড়াও, ‘সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি’ ও ‘সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন’ -এর যৌথ উদ্যোগে ঘোষিত তিন দফা দাবির অনির্দিষ্টকালের সাজেক অবরোধ কর্মসূচি তৃতীয় দিনের মতো শান্তিপূর্ণভাবে পালিত হচ্ছে।

বর্তমানে সাজেক ও আশপাশের এলাকার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সাজেকে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং এলাকার শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যৌথভাবে কাজ করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%