ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আইআইটি থেকে ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবায় ভারত-ইউএনডিপির সাত দশক


আইআইটি থেকে ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবায় ভারত-ইউএনডিপির সাত দশক

ভারত এবং জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)-এর মধ্যে চলমান অংশীদারিত্ব, যা সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে চলছে, দেশের প্রযুক্তিগত এবং স্বাস্থ্য খাতের বিবর্তনে একটি অনন্য মাইলফলক অর্জন করেছে। দেশের প্রথম আইআইটি প্রতিষ্ঠা থেকে শুরু করে বর্তমান যুগের ডিজিটাল স্বাস্থ্য বিপ্লব—এই যৌথ প্রচেষ্টা দেশের টেকসই উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

১৯৫০-এর দশকে, ভারত ছিল একটি তরুণ রাষ্ট্র, যা তার ভবিষ্যতের জন্য বিনিয়োগ করছিল। নতুন প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠছিল, বৈজ্ঞানিক গবেষণা প্রসারিত হচ্ছিল এবং দেশ উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও অবকাঠামো নির্মাণ করছিল। জাতিসংঘও সেই যাত্রার একটি অংশ ছিল।

১৯৬৫ সালে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার বছর চারেক আগে, জাতিসংঘের কারিগরি সহায়তা ভারতের বৈজ্ঞানিক ও প্রকৌশলগত সক্ষমতা জোরদার করার প্রচেষ্টাগুলোকে সমর্থন প্রদান করছিল।

আরও পড়ুন: নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে তেল আবিবে লাখো মানুষের বিক্ষোভ, নির্বাচনের আগে উত্তাল পরিস্থিতি

দেশের শুরুর দিকের ‘ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি’ (আইআইটি) প্রতিষ্ঠা থেকে শুরু করে স্যাটেলাইট যোগাযোগ, ডিজিটাল শাসন এবং জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার বিকাশ—ভারতের পরিবর্তনশীল অগ্রাধিকারের সঙ্গে সঙ্গে এই অংশীদারির পরিধিও ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়েছে।

গত শুক্রবার জাতিসংঘ দিবস উপলক্ষে, সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলকগুলোর দিকে ফিরে তাকানো হয়েছে, যা এই দীর্ঘ যাত্রাকে একটি রূপ দিয়েছে।

১৯৫০-এর দশক : বৈজ্ঞানিক ভারতের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

ভারতের শুরুর দিকের উন্নয়নমূলক অগ্রাধিকারের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিল এমন সব প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা, যেগুলো বিশ্বমানের বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী ও গবেষক তৈরি করতে সক্ষম।

আরও পড়ুন: ফ্রান্সজুড়ে বিক্ষোভে প্রায় ৮ লাখ মানুষ, সাধারণ ধর্মঘটের হুঁশিয়ারি

জাতিসংঘের কারিগরি সহায়তা ১৯৫০ সালে আইআইটি খড়গপুর এবং ১৯৫৮ সালে আইআইটি বোম্বে গঠনে ভূমিকা রাখে। এর মাধ্যমে এমন কিছু প্রতিষ্ঠানের বিকাশ ঘটে, যা ভারতের বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত ভবিষ্যৎ গঠনে সহায়তা করেছে।

শিক্ষা ও গবেষণায় এই শুরুর দিকের বিনিয়োগই কয়েক দশকের উদ্ভাবনের ভিত্তি স্থাপন করে দিয়েছিল।

১৯৬০-এর দশক : খনিজ তেল অনুসন্ধান থেকে স্যাটেলাইট যোগাযোগ

ভারত তার শিল্প ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি করার সঙ্গে সঙ্গে তাদের যৌথ সহযোগিতা শক্তি এবং যোগাযোগ খাতের দক্ষতা বৃদ্ধিতে মনোনিবেশ করে।

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্র আজই ইরানে হামলা চালাতে পারে: ট্রাম্পের সতর্কতা

১৯৬৬ সালে অয়েল অ্যান্ড ন্যাচারাল গ্যাস কর্পোরেশনের (ওএনজিসি) ইনস্টিটিউট অব পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন-এ প্রশিক্ষণ ও গবেষণায় সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ তেল অনুসন্ধান সক্ষমতা জোরদার করা হয়।

এর এক বছর পর, ভারতের প্রথম ‘এক্সপেরিমেন্টাল স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন আর্থ স্টেশন’ (আহমেদাবাদে অবস্থিত) গড়ে তোলার ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত দক্ষতা দিয়ে সহায়তা করা হয়।

উপগ্রহ-ভিত্তিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে ভারতের সক্ষমতা বিকাশে এটি ছিল একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ; যা পরবর্তীতে পরিবেশ পর্যবেক্ষণ থেকে শুরু করে দুর্যোগের পূর্বাভাস দেওয়ার মতো একাধিক ক্ষেত্রে সহায়তা করেছিল।

১৯৭০-এর দশক : দুগ্ধ খাত, সম্প্রচার এবং পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের রূপান্তর

আরও পড়ুন: ঢাকায় আসছেন জার্মান ভাইস মিনিস্টার ড. বারবেল কফলার

১৯৭০-এর দশক দৈনন্দিন জীবনকে স্পর্শ করে এমন সব আধুনিক ব্যবস্থার ওপর নতুন আলোকপাত করে। ন্যাশনাল ডেয়ারি ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের সাথে কারিগরি সহযোগিতার মাধ্যমে, ইউএনডিপি ‘অপারেশন ফ্লাড’ কর্মসূচিতে সহায়তা করে। এই কর্মসূচিটি ভারতের দুগ্ধ খাতকে আমূল বদলে দিতে এবং দেশজুড়ে দুধের সরবরাহ শৃঙ্খলকে জোরদার করতে সাহায্য করেছিল।

গণমাধ্যম ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে, পেশাদার সম্প্রচার দক্ষতা বাড়াতে ইউএনডিপি পুনের ‘ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া’র বিকাশ ঘটায় এবং একটি নির্দিষ্ট টেলিভিশন প্রশিক্ষণ বিভাগ গঠনে সহায়তা করে।

এদিকে, ন্যাশনাল ইনফরমেটিক্স সেন্টারকে সহায়তার মাধ্যমে জনপ্রশাসনে মেইনফ্রেম কম্পিউটিং ব্যবস্থার প্রবর্তন করা হয়, যা ডিজিটাল শাসনের দিকে ভারতের যাত্রায় একটি প্রাথমিক মাইলফলক ছিল।

১৯৮০-এর দশক: বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ এবং গবেষকদের মধ্যে সংযোগ স্থাপন

আরও পড়ুন: ইউরোপজুড়ে বিক্ষোভের নেতৃত্বে জেন-জি, কেন তারা ক্ষুব্ধ?

১৯৮০-এর দশকের মধ্যে পরিবেশ সংরক্ষণ এবং বৈজ্ঞানিক যোগাযোগ ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছিল।

ওয়াইল্ডলাইফ ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়ার সাথে ইউএনডিপির যৌথ কাজ বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের জন্য গবেষণা ও প্রশিক্ষণ সক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

১৯৮৬ সালে ইলেক্ট্রনিক্স বিভাগের সাথে সহযোগিতার মাধ্যমে ভারতের অগ্রগামী শিক্ষা ও গবেষণা নেটওয়ার্ক ‘আর্নেট’ গড়ে ওঠে, যা নতুন প্রযুক্তির মাধ্যমে বৈজ্ঞানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে একে অপরের সাথে যুক্ত করতে সাহায্য করে।

ভারত যখন আমদানিকৃত বীজের ব্যবহার বাড়াচ্ছিল, তখন কীটপতঙ্গ ও জীবাণুর হাত থেকে কৃষিকে রক্ষা করার জন্য উদ্ভিদ কোয়ারেন্টাইন স্টেশনগুলোকে শক্তিশালী করতেও ইউএনডিপি সহায়তা প্রদান করেছিল।

আরও পড়ুন: ফ্রান্সে জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধির প্রতিবাদে ৪ লাখের বেশি মানুষের বিক্ষোভ, গ্রেফতার ১ হাজার

১৯৯০-এর দশক: উন্নয়নের কেন্দ্রে সাধারণ মানুষকে প্রাধান্য দেওয়া

১৯৯০-এর দশকে কেবল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গণ্ডি পেরিয়ে সার্বিক মানব উন্নয়নের মূল ভাবনা বোঝার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটে।

ভারতের পরিকল্পনা কমিশনের সাথে কাজ করে ইউএনডিপি নীতি নির্ধারণে ‘মানব উন্নয়ন দৃষ্টিভঙ্গি’র ব্যবহার জোরদার করতে সাহায্য করে, যা মানুষের জীবনের অগ্রগতি পরিমাপের জন্য জাতীয় ও রাজ্য-পর্যায়ের ব্যবস্থাকে ত্বরান্বিত করে।

তৃণমূল পর্যায়ে, ‘দক্ষিণ এশিয়া দারিদ্র্য বিমোচন কর্মসূচি’ অন্ধ্রপ্রদেশের নারী স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলোকে সহায়তা প্রদান করেছিল, যা গ্রামীণ আর্থিক ও সামাজিক ব্যবস্থার জন্য পরবর্তীতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়।

এছাড়াও এই সহযোগিতা হিমালয় অঞ্চলের রাজ্যগুলোর জন্য ক্লিন এনার্জি কৌশল, পাট খাতে গবেষণা ও বহুমুখীকরণ, ওষধি গাছের সংরক্ষণ এবং ‘অলিভ রিডলি’ সামুদ্রিক কাচ্ছপের পরিযাণ পথ বোঝার মতো বিভিন্ন গবেষণামূলক প্রচেষ্টায় বিস্তৃত ছিল।

যার মূল লক্ষ্য ছিল—মানুষ, জীবিকা এবং পরিবেশগত স্থায়িত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান জোর দেওয়া।

২০০০-এর দশক: অধিকার রক্ষা, স্থানীয় শাসন ও দুর্যোগ মেকাবিলায় সক্ষমতা অর্জন

নতুন সহস্রাব্দে নাগরিক অধিকার, জবাবদিহিতামূলক প্রতিষ্ঠান এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণের ওপর অধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়।

২০০৫ সালে ‘তথ্য জানার অধিকার আইন’ চালুর পর, এই আইনটি কার্যকর করতে ইউএনডিপি সরকারি তথ্য কর্মকর্তা ও সরকারি কর্মচারীদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

২০০৬ সাল থেকে, ‘মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান গ্যারান্টি আইন’ (এমজিএনআরইজিএ) বাস্তবায়ন ব্যবস্থা শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে গ্রামীণ উন্নয়ন মন্ত্রককে কারিগরি সহায়তা প্রদান করা হয়।

ইউএনডিপি ‘পঞ্চায়েতি রাজ’ প্রতিষ্ঠানগুলোতে নির্বাচিত নারী প্রতিনিধিদের সক্ষমতা তৈরিতেও কাজ করে এবং জেন্ডারভিত্তিক বাজেট প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে ভারত সরকারের সাথে যৌথভাবে কাজ করে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে, এই অংশীদারি রাজ্য-পর্যায়ের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয়দের নেতৃত্বাধীন পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়াকে জোরদার করে, যা পুনর্গঠন কাজের মূল কেন্দ্রে ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীকে স্থান দেয়।

সহযোগিতার অন্যান্য ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে ছিল জীববৈচিত্র্য পরিকল্পনা, টেকসই গ্রামীণ পর্যটন, এইচআইভি-সংবেদনশীল সামাজিক সুরক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত ‘স্টেট অ্যাকশন প্ল্যান’।

২০১০-এর দশক: ডিজিটাল স্বাস্থ্য, সামাজিক অন্তর্ভুক্তি ও জলবায়ু অর্থায়ন

২০১০-এর দশকে এই অংশীদারি ক্রমবর্ধমানভাবে প্রযুক্তি, সামাজিক অন্তর্ভুক্তি এবং পরিবেশগত স্থায়িত্বকে একসূত্রে বেঁধেছিল।

একটি অন্যতম বড় মাইলফলক ছিল ‘ইলেকট্রনিক ভ্যাকসিন ইন্টেলিজেন্স নেটওয়ার্ক’ (ইভিন)। টিকার মজুদ এবং কোল্ড-চেইনের তাপমাত্রা ডিজিটাল পদ্ধতিতে নজরদারির জন্য ইউএনডিপি এটি ডিজাইন ও বাস্তবায়ন করেছিল।

টিকা সরবরাহ শৃঙ্খলে নজরদারি উন্নত করার মাধ্যমে ইভিন টিকাদান ব্যবস্থাপনা জোরদার করতে সাহায্য করে এবং পরবর্তীতে কোভিড-১৯ প্রতিষেধক ব্যবস্থাপনার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি প্রদান করে।

ইউএনডিপি রূপান্তরকামী (ট্রান্সজেন্ডার) ব্যক্তিদের অধিকার এগিয়ে নেওয়া, নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আইনি সহায়তা পাওয়ার পথ সহজ করা এবং ‘দিশা’ কর্মসূচির মাধ্যমে নারীদের সুযোগ সম্প্রসারণে সহায়তা করেছিল—যা দক্ষতা উন্নয়ন ও উদ্যোক্তা তৈরির ক্ষেত্রে নতুন দিক উন্মোচন করে।

পরিবেশগত দিক থেকে, ২০১৫ সালে ভারতে চালু হওয়া ‘বায়োডাইভারসিটি ফাইন্যান্স ইনিশিয়েটিভ’ (বায়োফিন) অর্থায়নের প্রয়োজনীয়তা মূল্যায়ন এবং জাতীয় জীববৈচিত্র্য অর্থায়ন পরিকল্পনা তৈরি করতে সাহায্য করেছিল।

শিল্পক্ষেত্র এবং ভারতীয় রেলওয়েতে জ্বালানি দক্ষতার ওপর কাজটি দর্শিয়েছিল যে কীভাবে পরিবেশগত স্থায়িত্বকে প্রধান প্রধান অর্থনৈতিক খাতগুলোর সাথে সমন্বিত করা যেতে পারে।

২০২০-এর দশক: সংকট মোকাবিলা এবং টেকসই উন্নয়ন ত্বরান্বিতকরণ

কোভিড-১৯ যখন স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করেছিল, তখন ইউএনডিপি ডিজিটাল ভ্যাকসিন লজিস্টিকস এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের হাসপাতালগুলোতে অক্সিজেন ব্যবস্থার সহায়তার মাধ্যমে ভারতের মহামারি মোকাবিলা প্রচেষ্টায় পাশে দাঁড়িয়েছিল।

এই অংশীদারি কোভিড-১৯ টিকাদানের জন্য ‘কোউইন’ এবং পরবর্তীতে গর্ভবতী নারী ও শিশুদের নিয়মিত টিকাদানের ডিজিটাল ব্যবস্থা জোরদার করতে দেশব্যাপী ‘ইউ-উইন’ চালুর কাজে সহায়তা করেছিল।

মহামারির সংকটের বাইরেও, রাজ্য ও জেলা পর্যায়ে ‘টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা’কে (এসডিজি) পরিমাপযোগ্য অগ্রগতিতে রূপান্তর করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

ইউএনডিপি-সমর্থিত এসডিজি পর্যবেক্ষণ ও সমন্বয় সংক্রান্ত মডেলগুলো উপাত্ত-ভিত্তিক (ডাটা-ড্রাইভেন) পরিকল্পনা এবং স্থানীয় পদক্ষেপগুলোকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করেছে।

জলবায়ু পরিবর্তন, জীববৈচিত্র্য, মরুকরণ এবং ওজন স্তর রক্ষাসহ ভারতের পরিবেশগত প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নেও এই অংশীদারি কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

তৃণমূল পর্যায়ে, সরকারি সহযোগীদের সাথে এই যৌথ কাজ আদিবাসী সম্প্রদায়ের অধিকার ও জীবিকা জোরদার করা, শস্য বিমার মাধ্যমে ক্ষুদ্র কৃষকদের সাহায্য করা এবং পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের সামাজিক সুরক্ষা উন্নত করার ওপর আলোকপাত করে।

জনস্বাস্থ্য থেকে শুরু করে জলবায়ু সহনশীলতা—এই দীর্ঘযাত্রার মূল লক্ষ্যই হলো এমন একটি ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যা ব্যাপক জনগোষ্ঠীর কাছে সহজেই পৌঁছাতে পারে।

সূত্র: ইউএনডিটি ইন্ডিয়া

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে কিশোর গ্যাং লিডার বগার ৪ সহযোগী গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৫৪ পি.এম


চট্টগ্রামে কিশোর গ্যাং লিডার বগার ৪ সহযোগী গ্রেপ্তার

চট্টগ্রাম পুলিশের তালিকাভুক্ত অন্যতম শীর্ষ সন্ত্রাসী ও কিশোর গ্যাং লিডার ওয়াকিল হোসেন, যিনি বিহারি বগা নামে পরিচিত, তার ৪ সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এই গ্রেপ্তার অভিযানটি পুলিশ কর্তৃক পরিচালিত হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন—জালালাবাদ হাউজিং সোসাইটির মৃত আলি আহম্মদের তিন ছেলে জসিম উদ্দিন (৩৭), আলম ও মো. কাশেম (৩৫) এবং আব্দুস ছালামের ছেলে মোস্তাক হোসেন রানা (২৫)। তারা সকলেই ওয়াকিল হোসেন বগার সহযোগী এবং বিভিন্ন মামলার আসামি হিসেবে পরিচিত। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে খুলশী থানার ওসি মো. কামরুজ্জামান কালের কণ্ঠকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শনিবার ভোররাত ৩টার দিকে খুলশী থানার জালালাবাদ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে অপরাধ করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে তাদের হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

বিহারি সন্ত্রাসী বগা ১৭ অক্টোবর একটি চাঁদাবাজি মামলার জামিন আবেদন করে আত্মসমর্পণ করলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠান। তার বিরুদ্ধে ৫ আগস্টের আগে ১৮টি মামলা ছিল। এরপর পাহাড়তলী কলেজের শিক্ষক নির্যাতন, ডিসি পরিবহন পুলের প্লটসহ ১২টি প্লট দখল, পুলিশের গাড়িতে হামলা, চাঁদাবাজির অপরাধে আরো ৫টি মামলা দায়ের হয়েছে। ১৭ অক্টোবর থেকে বগা চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি রয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রবীণ সাংবাদিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিকুর রহমান মারা গেছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৫৫ পি.এম


প্রবীণ সাংবাদিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিকুর রহমান মারা গেছেন

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি, প্রবীণ সাংবাদিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মুহাম্মদ শফিকুর রহমান মারা গেছেন।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর বনানীতে তার নিজ বাসভবনে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর সময় তার বয়স ছিল ৭৭ বছর।

দীর্ঘ কর্মজীবনে মুহাম্মদ শফিকুর রহমান সাংবাদিকতা, মুক্তিযুদ্ধ এবং রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করার সময় দৈনিক ইত্তেফাকের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি হিসেবে তার সাংবাদিকতা জীবনের শুরু হয়। পরে তিনি যুক্তরাজ্য ও জাপানে সাংবাদিকতার উপর উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণ করেন।

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি হিসেবে শফিকুর রহমান পরপর দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১৫ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত তিনি এই সংগঠনের নেতৃত্বে ছিলেন।

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন শফিকুর রহমান। মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ তার জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়। মুক্তিযুদ্ধের পর তিনি সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করেন এবং ধীরে ধীরে দেশের গণমাধ্যম অঙ্গনে তার পরিচিতি লাভ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদে বিএনপি নেতা শামছুল হকের সংবাদ সম্মেলন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মুরাদ মিয়া,তাহিরপুর,সুনামগঞ্জ

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৫৮ পি.এম


ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদে বিএনপি নেতা শামছুল হকের সংবাদ সম্মেলন
 
"একই জমি দু'জনের কাছে বিক্রি ও জালিয়াতির অভিযোগ মোজাম্মেল হকের বিরুদ্ধে; সালিসে কাগজপত্রে এগিয়ে শামছুল হক"
 
 
আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের মিথ্যা অপপ্রচার, ষড়যন্ত্র এবং এক প্রতারক জমিদাতার জালিয়াতির শিকার হয়েছেন তাহিরপুর উপজেলার শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সাবেক সদস্য ও সাবেক ইউপি সদস্য মো. শামছুল হক। ২৮ লাখ টাকা দিয়ে জমি ক্রয় করার পরও তাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে প্রতিপক্ষরা মানববন্ধনসহ নানা অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
 
তিনি অভিযোগ করেছেন, জমি জালিয়াতির মূল কারিগর মোজাম্মেল হকের প্রতারণা এবং আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তাঁর জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে প্রতিপক্ষরা নির্জলা মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে তাঁর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এর প্রতিকার চেয়ে তিনি ইতোমধ্যে তাহিরপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
 
শনিবার সকালে সুনামগঞ্জ শহরের এক রেস্টুরেন্টের হল রুমে আয়োজিত এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে এসব বিস্ফোরক অভিযোগ করেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ও বিএনপি নেতা সাবেক ইউপি সদস্য শামছুল হক।
 
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে শামছুল হক জানান, ভারত থেকে আমদানিকৃত কয়লা ও চুনাপাথর মজুত রাখার জন্য তিনি প্রথমে ঝিনাইদহের মোশারফ হোসেনের ছেলে মোজাম্মেল হকের কাছ থেকে বাগলী চুনাপাথর আমদানিকারক সমিতি সংলগ্ন মাঝেরকান্দা এলাকার কলাগাঁও মৌজায় অবস্থিত ৫৬ শতাংশ জমি ৭ বছরের জন্য ভাড়া নেন। তবে সেখানে পাথর রাখতে গেলে হায়দার সর্দার নামে এক ব্যক্তি বাধা দেন এবং জানান যে মোজাম্মেল হকের কাছে হায়দার সর্দার কয়লা বাবদ ৬ লক্ষ টাকা পান। পরবর্তীতে জমির মালিক মোজাম্মেল হকের পরামর্শেই হায়দার সর্দারের পাওনা টাকা পরিশোধ করে ঝামেলা মেটান শামছুল হক। পরবর্তীতে নাসির উদ্দিন নামে এক ব্যক্তির কাছে ২৬ লক্ষ টাকা মুল্যে জায়গায়টা বিক্রি করেন মোজাম্মেল হক। এর কয়েকমাস পর জমিটি নাসির উদ্দিনের কাছ থেকে ২৮ লাখ টাকা দিয়ে স্ট্যাম্পমূলে কিনে নেন শামছুল হক। কিন্তু পরবর্তীতে জমিদাতা মোজাম্মেল হক অসাধু উদ্দেশ্যে ও প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে একই জমির ওপর অসৎ উপায়ে কাগজ তৈরি করে নাজমুল হক নামের আরেক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে জটিলতার সৃষ্টি করেন।
 
শামছুল হক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "সম্পূর্ণ নিয়ম মেনে ও নিজের রক্তঘামে অর্জিত ২৮ লাখ টাকা দিয়ে জমিটি স্ট্যাম্পমূলে লিখে নিয়েছি। কিন্তু মোজাম্মেল হক প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে নাজমুল হকের কাছে আরেকটি কাগজ তৈরি করে দিয়ে আমার সাথে অযথা ঝামেলা তৈরি করছে। ২৮ লাখ টাকা দিয়ে জমিটি ক্রয় করার পরও গত ২০ অক্টোবর নাজমুল হক ও তার স্বজনরা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মানববন্ধন করেছে। মূলত আমি আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হব—এই জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে রাজনৈতিকভাবে আমাকে হেয়প্রতিপন্ন ও সামাজিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতেই একটি মহল নাজমুলকে ঢাল বানিয়ে আমার বিরুদ্ধে মনগড়া ও ভিত্তিহীন অপপ্রচার চালাচ্ছে।"
 
এদিকে বিষয়টি নিয়ে বাগলী চুনাপাথর আমদানিকারক সমিতির উদ্যোগে একাধিকবার সালিস বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। নিরপেক্ষ বিচারে শামছুল হক মেম্বারের সত্যতা ও প্রাপ্ত কাগজপত্রের বৈধতা প্রমাণিত হয়েছে।
 
এ বিষয়ে বাগলী চুনাপাথর আমদানিকারক সমিতির সভাপতি মো. কামাল হোসেন জানান, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীদের উপস্থিতিতে উভয় পক্ষের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। সার্বিক কাগজপত্রের পর্যালোচনায় দেখা গেছে শামছুল হক মেম্বারের দাবি আইনি ও দাপ্তরিকভাবে অনেক বেশি শক্তিশালী ও এগিয়ে রয়েছে। তিনি আরও জানান, একই জমি প্রতারণামূলকভাবে দুইজনের কাছে বিক্রি করায় নাজমুল হকও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ভেবে আমরা মানবিক দিক বিবেচনা করে তাকে ১১ লাখ টাকা ফিরিয়ে দেওয়ার একটি রায় দিয়েছিলাম। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয় হলো, নাজমুল হক সেই সালিসি রায় মানছেন না।"
 
প্রতারণা ও জমি সংক্রান্ত এই অনিয়মের বিচার চেয়ে শামছুল হক বাদী হয়ে মোজাম্মেল হক ও নাজমুল হককে আসামি করে তাহিরপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। স্থানীয় আমদানিকারক ও সচেতন মহল এই ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন।
 
এই বিষয়ে মোজাম্মেল হক ও নাজমুল হকের বক্তব্য জানতে বার বার কল দিলে রিসিভ না করায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
 
সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় প্রবীণ ব্যক্তিরা জানান, ২৮ লাখ টাকা দিয়ে সততার সাথে জমি ক্রয় করা সত্ত্বেও শামছুল হককে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে এই অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তারা অবিলম্বে এ জাতীয় ভিত্তিহীন মানববন্ধন ও ষড়যন্ত্রমূলক কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানান। ##
 
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিএসএফকে ক্ষমা চাইতে বিজিবির কড়া বার্তা, ভ্যানচালককে মারধরের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:০৯ পি.এম


বিএসএফকে ক্ষমা চাইতে বিজিবির কড়া বার্তা, ভ্যানচালককে মারধরের অভিযোগ

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার তিনবিঘা করিডোর এলাকায় এক ভ্যানচালককে মারধরের অভিযোগে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের বিরুদ্ধে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) এক সদস্য কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

প্রতিবাদের এক পর্যায়ে বিএসএফ সদস্যকে ভুল স্বীকার করে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা না ঘটানোর নির্দেশনা দেন তিনি। বিজিবির দৃঢ় অবস্থানের প্রেক্ষাপটে বিএসএফ সদস্যকে শান্তিপূর্ণ থাকার আশ্বাস দিতে দেখা যায়।

গত ২০ অক্টোবর তিনবিঘা করিডোর পারাপারের সময় ভ্যানচালককে মারধরের এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। পরদিন ২১ অক্টোবর পতাকা বৈঠকে বিষয়টি উত্থাপন করে বিজিবি প্রতিবাদ জানায়।

সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ভ্যানচালককে মারধরের ঘটনায় বিএসএফের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করছেন বিজিবির এক সদস্য। তিনি বিএসএফ সদস্যকে উদ্দেশ্য করে বলেন, তিনবিঘা করিডোর এলাকার মানুষ সাহসী। এর আগে দহগ্রামের লোকজন বিএসএফের এক সদস্যকে অস্ত্রসহ ধরে বিজিবির কাছে নিয়ে এসেছিলেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বিজিবির ওই সদস্য আরও বলেন, ‘আপনারা অশান্তির কাজ করছেন। আপনারা ভুল স্বীকার করেন, যে এরপর আর এরকম হবে না।’

বিজিবি সদস্যের এমন কড়া বার্তার পর ভিডিওতে বিএসএফের এক সদস্যকে শান্তিতে থাকার কথা বলতে শোনা যায়। এবং মারধরকৃত বিএসএফ সদস্য ছুটিতে গেছেন বলেও শোনা যায়। যার জবাবে কড়া প্রতিবাদ জানিয়ে ক্ষমা চাইতে বলেন বিজিবি জওয়ান।

ভিডিওতে বিজিবি সদস্যের দৃঢ় প্রতিবাদ ও বিএসএফকে জবাবদিহির মুখে ফেলার বিষয়টি উঠে এসেছে। তবে ভিডিওতে থাকা দুই বাহিনীর সদস্যদের পরিচয় জানা যায়নি।

ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর প্রশংসায় ভাসছেন বিজিবি জওয়ানরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%