ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং
সিএনএনের বিশ্লেষণ

ইউরোপজুড়ে বিক্ষোভের নেতৃত্বে জেন-জি, কেন তারা ক্ষুব্ধ?


ইউরোপজুড়ে বিক্ষোভের নেতৃত্বে জেন-জি, কেন তারা ক্ষুব্ধ?

ইউরোপের বিভিন্ন দেশে শিক্ষা খাতে বরাদ্দের ঘাটতি, আবাসনের বাড়তি খরচ এবং চাকরির সমস্যার কারণে তরুণদের মধ্যে বিক্ষোভের ঢেউ উঠছে। এই পরিস্থিতি সরকারের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করেছে। পাশাপাশি, জেনারেশন জেডের (জেন-জি) মধ্যে জমে থাকা অসন্তোষও প্রকাশ পাচ্ছে।

প্রতিটি দেশে বিক্ষোভের কারণ কিছুটা ভিন্ন। স্পেনে ৮৭ বছর বয়সী মারিকারমেনকে আবাসকালের বাড়ি থেকে উচ্ছেদের ঘটনা আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটায়। ফ্রান্সে ধর্মঘট পালনকারী শিক্ষকদের সমর্থনে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভে অংশ নেয়। আলবেনিয়ায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ কয়েক মাস ধরে চলমান, যা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের সমর্থনে একটি বিলাসবহুল আবাসন প্রকল্পের পরিকল্পনার বিরুদ্ধে শুরু হয়েছিল।

এমনকি, যদিও আন্দোলনের সূচনা ভিন্ন, তবে সব আন্দোলন একত্রে তরুণদের অসন্তোষ প্রকাশের একটি মঞ্চে পরিণত হয়েছে। তাদের উদ্বেগ, মা-বাবার প্রজন্ম যে সুযোগ-সুবিধা পেয়েছে, তারা তা পাবেন না।

আরও পড়ুন: যুদ্ধের শঙ্কার মধ্যে দিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন না ইরানের শীর্ষ নেতা

এক দেশের আন্দোলন অন্য দেশের তরুণদের অনুপ্রাণিত করছে। ইতালি ও গ্রিসের বিক্ষোভকারীরা ফরাসি আন্দোলনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেছেন। স্পেনে আবাসন সংকট নিয়ে শুরু হওয়া বিক্ষোভ পর্তুগালেও ছড়িয়ে পড়েছে। ইউরোপের বিভিন্ন দেশের ছাত্র সংগঠনগুলো নিজেদের অভিজ্ঞতা এবং আন্দোলনের কৌশল ভাগাভাগি করছে।

ইউএনইএফের ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যালিস ডি ব্রিটিটো সিএনএনকে বলেন, “পার্থক্যের চেয়ে মিলই বেশি দেখতে পাচ্ছি। আমরা শিক্ষা, বিশ্ববিদ্যালয় ও তরুণদের জন্য বিনিয়োগ বাড়ানোর কথা বলছি। একই সঙ্গে জীবনযাত্রার ব্যয় ও আবাসন সংকট নিয়েও কথা বলছি।”

ইতালির ছাত্র সংগঠনের নেতা সাবরিনা ব্রিজোলাও একই ধরনের দাবি করেছেন। গত সপ্তাহান্তে এক সমাবেশে তিনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যেন শিক্ষার্থীদের মাথার ওপর ভেঙে না পড়ে, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ কর্মসংস্থান নিশ্চিত হয়, সরকারি স্বাস্থ্যসেবা বজায় থাকে এবং সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়—এসব দাবিতে তাদের সোচ্চার হতে হবে।

ডেইলি নিউজলেটারের ইউরোপিয়ান করেসপন্ডেন্টের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান সম্পাদক জুলিয়াস ফিন্টেলম্যানের মতে, এই বিক্ষোভের পেছনে রয়েছে এমন এক হতাশা, যার মূল কথা হলো—ইউরোপের রাজনীতি পরবর্তী প্রজন্মের জন্য প্রত্যাশিত সুযোগ তৈরি করতে পারছে না।

আরও পড়ুন: মাথাপিছু আয়ে ভারতকে পেছনে ফেলছে বাংলাদেশ: আইএমএফের প্রতিবেদন

শিক্ষা ও আবাসন সংকটের পাশাপাশি অনিশ্চিত চাকরির বাজার এবং জলবায়ু সংকটও তরুণদের ক্ষোভ বাড়াচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) বিস্তার বিশেষ করে নতুনদের জন্য প্রবেশপর্যায়ের চাকরিতে বাড়তি অনিশ্চয়তা তৈরি করছে।

ফিন্টেলম্যান বলেন, উদার গণতন্ত্রের একটি মৌলিক প্রতিশ্রুতি ছিল—পরবর্তী প্রজন্ম আগের প্রজন্মের চেয়ে ভালো জীবন পাবে। কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি এখন আর বাস্তব হচ্ছে না বলে মনে করছেন অনেক তরুণ।

বিক্ষোভে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে গ্রিস, ইতালি, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, স্পেন ও পর্তুগাল। এসব দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং উচ্চ সরকারি ঋণ নতুন করে সরকারি ব্যয় বাড়ানো কঠিন করে তুলছে। ফ্রান্সে বুধবার সরকারি বন্ডের সুদহার ২০০২ সালের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়, যা দেশটির বাজেটের ওপর আরও চাপ সৃষ্টি করেছে।

ফ্রান্সে প্রতি বছর সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে শিক্ষাবর্ষ শুরুর সময় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ নতুন কিছু নয়। ইউএনইএফের ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যালিস ডি ব্রিটিটোর মতে, শিক্ষার্থীরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরে এসে যখন দেখেন পর্যাপ্ত শিক্ষক নেই, প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের ঘাটতি রয়েছে, তখন তারা প্রতিবাদে নামেন। গত নয় বছর ধরে এমন বিক্ষোভ হয়ে আসছে।

আরও পড়ুন: নেতানিয়াহুসহ ৩৫ ইসরাইলির বিরুদ্ধে তুরস্কে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার শুরু

তবে এবার আন্দোলন আরও বড় আকার ধারণ করেছে। শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমানো, শিক্ষকদের জন্য বরাদ্দ বাড়ানো, জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন এবং তরুণদের বিরুদ্ধে পুলিশি সহিংসতা বন্ধের দাবি তুলেছেন।

ডি ব্রিটিটো বলেন, “মানুষ এখন উত্তরের অপেক্ষায় থাকতে থাকতে ক্লান্ত।”

শিক্ষা নিয়ে অসন্তোষ ইউরোপের একাধিক দেশের আন্দোলনে উঠে এসেছে। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গ্রিসজুড়ে হাজার হাজার শিক্ষার্থী ও শিক্ষক মিছিল করেছেন। এথেন্সে পার্লামেন্ট ভবনের সামনে জড়ো হওয়া একদল বিক্ষোভকারী স্লোগান দেন, “গ্রিস থেকে ফ্রান্স—আমরা সরকারি ও বিনা মূল্যের শিক্ষা চাই।”

ইতালির রোমে ৭ অক্টোবর একটি উচ্চবিদ্যালয় দখলে নেওয়ার পর শিক্ষার্থীরা তাদের কর্মসূচির পক্ষে দেওয়া বিবৃতির প্রথম লাইনেই লিখেছিলেন, “ফ্রান্সের মতো।”

আরও পড়ুন: প্রতিরক্ষা উৎপাদনে নতুন উচ্চতায় ভারত, আমদানি নির্ভরতা কমাচ্ছে

তবে ইতালির সরকার ফ্রান্সের আন্দোলনের সঙ্গে নিজেদের দেশের পরিস্থিতির মিল থাকার বিষয়টি নাকচ করেছে। দেশটির শিক্ষামন্ত্রী জুসেপ্পে ভালদিতারা চলতি মাসের শুরুতে বলেন, ইতালি ও ফ্রান্সের পরিস্থিতি এক নয়। ফরাসি আন্দোলনের পেছনে দ্বিতীয় প্রজন্মের অভিবাসীদের শিক্ষাব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্তির জটিলতাকে দায়ী করে তিনি ইতালির সঙ্গে পার্থক্যের কথা তুলে ধরেন।

আবাসন সংকটেও ক্ষুব্ধ তরুণেরা

শিক্ষার পাশাপাশি আবাসন সংকটও ইউরোপজুড়ে বিক্ষোভের অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে উঠেছে। ইতালির আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, তারা স্পেনের আবাসনবিষয়ক বিক্ষোভ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন। সেপ্টেম্বরে স্পেনে এই আন্দোলন জোরালো হয়ে ওঠে। পরে এর পরিপ্রেক্ষিতে দেশটির সরকার আগাম নির্বাচনের ঘোষণা দেয়।

রোমে বিক্ষোভের অংশ হিসেবে গড়ে তোলা একটি শিবিরে থাকা শিক্ষার্থীরা সিএনএনকে বলেন, সাশ্রয়ী আবাসন ছাড়া ভালো শিক্ষা নিশ্চিত করা কঠিন।

আরও পড়ুন: দুই সেনা হত্যায় হেবরনকে ভূতুড়ে শহর বানাল ইসরায়েল

শিক্ষার্থী এলিসা পাস্তোরে জানান, ইতালির রাজধানীতে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার পাশাপাশি ভাইয়ের সঙ্গে একটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে থাকতে হয় তাকে। সেই ভাড়া দিতেই তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। ভাই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার আগে ডিগ্রির প্রথমার্ধে অর্থ সাশ্রয়ের জন্য তাকে রোমের বাইরের একটি এলাকা থেকে ১২০ কিলোমিটার যাতায়াত করতে হতো।

শুধু তরুণেরাই নন, আবাসন সংকট ও জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে ক্ষোভে অন্য বয়সের মানুষও আন্দোলনে যুক্ত হচ্ছেন।

ইতালিতে জ্বালানির দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে ট্রাকচালকদের অবরোধের কারণে মহিষের দুধের তৈরি মোজারেলা পনির এবং কিছু ধরনের পাস্তা উৎপাদনও বন্ধ হয়ে গেছে। ইরান যুদ্ধের পর জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে এই অবরোধ শুরু হয়।

পর্তুগালের রাজধানী লিসবনের ব্যস্ত রোসিও স্কয়ারে চলতি সপ্তাহের প্রতিদিন সন্ধ্যায় হাজার হাজার মানুষ জড়ো হয়েছেন। কেউ কেউ সেখানে তাঁবুও খাটিয়েছেন। মঙ্গলবার ভোরে ৫৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়, যার পর নতুন করে বিক্ষোভ শুরু হয়।

আরও পড়ুন: পাকিস্তানে বাবা নিজের সন্তানদের আপত্তিকর ভিডিও তৈরি করে বিক্রি করতেন

বিক্ষোভকারীরা ‘বসবাসের জন্য বাড়ি চাই’—এমন স্লোগানসংবলিত পতাকা নিয়ে মিছিল করেছেন। তাদের দাবি, বাড়িভাড়া বৃদ্ধির ওপর সীমা আরোপ করতে হবে এবং উচ্ছেদ সহজ করার নতুন আইন বাতিল করতে হবে।

সরকার পরিবর্তনের দাবিও উঠছে

আলবেনিয়া ও সার্বিয়ায় দীর্ঘদিন ধরে চলা বিক্ষোভের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে দুর্নীতিবিরোধী দাবি। এসব আন্দোলন ক্রমে সরকার পরিবর্তনের দাবিতে রূপ নিয়েছে।

গত সপ্তাহে আলবেনিয়ায় বিক্ষোভ সহিংস হয়ে ওঠার পরও প্রধানমন্ত্রী এদি রামা পদত্যাগের দাবি প্রত্যাখ্যান করেন। বরং তিনি অভিযোগ করেন, বিক্ষোভকারীরা দেশকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য করার পরিকল্পনাকে হুমকির মুখে ফেলছেন। এ জন্য তিনি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের দায়ী করেন।

আলবেনিয়ার এক বিক্ষোভকারী রয়টার্সকে বলেন, “আমরা পরিবর্তন চাই, তাই এখানে এসেছি। আমরা বিপ্লব চাই, নতুন সরকার চাই। আমরা কোনো আলোচনা বা সমঝোতা চাইছি না। যত দ্রুত সম্ভব নতুন সরকার প্রয়োজন।”

অন্যদিকে, সার্বিয়ায় গত দুই বছর ধরে দেশটির রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তার করা শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বাধীন আন্দোলন এখন দীর্ঘদিনের নেতা আলেকসান্দার ভুচিচের বিরুদ্ধে অন্যতম শক্তিশালী বিরোধী শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। রোববারের সংসদীয় নির্বাচনে এই আন্দোলনের প্রভাব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

ফ্রান্সেও শনিবার নতুন করে বিক্ষোভ হয়েছে। প্যারিস, মার্সেই, লিওঁ, লিল, অর্লেয়াঁ ও বোর্দোসহ বিভিন্ন শহরে কয়েক হাজার মানুষ মিছিল করেন। প্যারিসের কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি দেশটির বড় শ্রমিক সংগঠন সিজিটি, কৃষক, জলবায়ুকর্মী এবং ২০১৮ সালে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে গড়ে ওঠা ‘ইয়েলো ভেস্ট’ আন্দোলনের সদস্যরাও অংশ নেন। গত সপ্তাহান্তের মতো সহিংস পরিস্থিতি যেন আবার তৈরি না হয়, সে জন্য কর্তৃপক্ষ পুরো সপ্তাহজুড়ে প্রস্তুতি নিয়েছে।

ফ্রান্স ও স্পেনের প্রধান শ্রমিক সংগঠনগুলো যথাক্রমে ৫ ও ১১ নভেম্বর সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে। জার্মানিতে ‘জেন জেড রেগেল্ট’ নামে একটি সংগঠন ৩১ অক্টোবর দেশজুড়ে বিক্ষোভের আহ্বান জানিয়েছে। অন্যদিকে, ব্রিটেন ও ইতালির ছাত্র সংগঠনগুলো শিক্ষার ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের প্রতিবাদে আগামী ২০ নভেম্বর যৌথ কর্মসূচি আয়োজনের পরিকল্পনা করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খেলোয়াড়দের ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় অবসর ভাতা চালুর পরিকল্পনা: হুইপ দুলু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:০৯ এম


খেলোয়াড়দের ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় অবসর ভাতা চালুর পরিকল্পনা: হুইপ দুলু

সরকার খেলোয়াড়দের ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় অবসরকালীন ভাতা চালুর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। একই সঙ্গে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে খেলার মাঠ নির্মাণ এবং স্টেডিয়াম তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের হুইপ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু এমপি।

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার বাগাট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ‘ক্রীড়াই শক্তি, ক্রীড়াই বল—মাদক ছেড়ে মাঠে চল’ স্লোগানে আয়োজিত কাজল আহমেদ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন।

হুইপ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, খেলোয়াড়দের অবসরকালীন ভাতার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। বিএনপি সরকার খেলাধুলাকে উৎসাহিত করছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী সারা দেশে খেলাধুলার আয়োজন করা হচ্ছে। বিভিন্ন ইভেন্টের খেলোয়াড়দের জীবনসায়াহ্নে অবসরকালীন ভাতা দেওয়ার পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে গ্রামগঞ্জে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করা সম্ভব হবে। যুবসমাজকে ক্রীড়াঙ্গনের সঙ্গে যুক্ত রাখতে পারলে মাদক ও মোবাইল আসক্তি থেকে তাদের দূরে রাখা সম্ভব হবে।

দেশের ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরে হুইপ আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব মাঠে স্টেডিয়াম নির্মাণ করে নিয়মিত খেলাধুলার চর্চা নিশ্চিত করার সুব্যবস্থা করা হবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ, ফরিদপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আফজাল হোসেন খান পলাশ, ফরিদপুর-১ আসনের সাবেক দলীয় সংসদ সদস্য খন্দকার নাসিরুল ইসলাম, ফরিদপুর জেলা বিএনপির সদস্যসচিব এ কে এম কিবরিয়া স্বপন, পর্তুগাল বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাজল আহমেদসহ মধুখালী উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। তবে খেলার সময় মাঠের চারপাশ দর্শকরা কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে উঠে।

টুর্নামেন্টে দেশের আটটি জেলা থেকে আটটি দল অংশগ্রহণ করে। ফাইনালে গোপালগঞ্জ একাদশ ৩-১ গোলে নড়াইল একাদশকে পরাজিত করে শিরোপা অর্জন করে। খেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মধুখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাসুদুর রহমান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকায় আসছেন জার্মান ভাইস মিনিস্টার ড. বারবেল কফলার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:১০ এম


ঢাকায় আসছেন জার্মান ভাইস মিনিস্টার ড. বারবেল কফলার

বাংলাদেশের সঙ্গে উন্নয়ন সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করার উদ্দেশ্যে তিন দিনের সফরে ঢাকায় আসছেন জার্মানির ভাইস মিনিস্টার ড. বারবেল কফলার।

রোববার (২৫ অক্টোবর) তার ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। গতকাল শনিবার (২৪ অক্টোবর) ঢাকার জার্মান দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।

জানা গেছে, জার্মানির অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়নবিষয়ক ফেডারেল মন্ত্রণালয়ের (বিএমজেড) একটি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন বারবেল কফলার।

বাংলাদেশ বর্তমানে অর্থনৈতিক পরিবর্তনের এক গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে এবং এলডিসি থেকে উত্তরণের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, পরিবর্তিত পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেয়ার সক্ষমতা বৃদ্ধি করা এবং টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করার বিষয়গুলো আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পাবে।

জার্মানি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের উন্নয়ন কার্যক্রমে অংশীদার হিসেবে কাজ করে আসছে। এবারের সফরে দুই দেশের বিদ্যমান সম্পর্ককে আরও বিস্তৃত করার পাশাপাশি বাংলাদেশের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নতুন সহযোগিতার সুযোগ খোঁজার বিষয়েও গুরুত্ব দেয়া হবে, এমনটি জানানো হয়েছে জার্মান দূতাবাসের বিজ্ঞপ্তিতে।

সফরের অংশ হিসেবে বারবেল কফলারের বাংলাদেশের সঙ্গে রাজনৈতিক সংলাপে বসার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া, চট্টগ্রামে চলমান কয়েকটি উন্নয়ন কার্যক্রমের অগ্রগতিও সরেজমিনে দেখার সুযোগ পাবেন তিনি।

ঢাকায় অবস্থানকালে জার্মান দূতাবাসের আয়োজনে ‘জার্মান রিইউনিফিকেশন ডে’ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন কফলার। এতে বাংলাদেশের ও জার্মানির জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা, কূটনৈতিক প্রতিনিধি, নাগরিক সমাজের সদস্য এবং সংস্কৃতি ও সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

১৯৯০ সালে দীর্ঘদিন বিভক্ত থাকার পর পূর্ব ও পশ্চিম জার্মানি আবার এক রাষ্ট্রে পরিণত হয়। প্রতিবছর ‘জার্মান রিইউনিফিকেশন ডে’ পালন করে দেশটি ঐতিহাসিক পুনর্মিলনের স্মৃতি ধরে রাখতে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গুলিকাণ্ডের পর আসিফ আকবরের বক্তব্য, পুলিশ তদন্ত করছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:১০ এম


গুলিকাণ্ডের পর আসিফ আকবরের বক্তব্য, পুলিশ তদন্ত করছে

জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আসিফ আকবরের ব্যক্তিগত গাড়ির দিকে শনিবার (২৪ অক্টোবর) ভোরে দুর্বৃত্তরা গুলি ছুড়েছে, এ বিষয়ে এবার তিনি মুখ খুললেন। রাজধানীর মগবাজারে বিশাল সেন্টারের সামনে এই ঘটনা ঘটেছে।

আসিফ জানান, তিনি তখন মগবাজারে নিজের অফিসে অবস্থান করছিলেন। তার গাড়িটি নিচে পার্ক করা ছিল এবং সেই গাড়ির দিকে আচমকা গুলি চালানো হয়। তবে তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন বলে নিশ্চিত করেছেন।

গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে আসিফ বলেন, “বিকালে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আমার বাসায় এসেছিলেন। তারা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন এবং তদন্ত করছেন।”

এই সংগীতশিল্পী জানান, ঘটনার সময় তিনি অফিসে বসে ছিলেন এবং বের হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তবে ছেলের সঙ্গে কথা বলার কারণে কিছুটা দেরি হয়ে যায়। ঠিক সেই সময়ে গুলির ঘটনা ঘটে।

আসিফ বলেন, কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, সে সম্পর্কে তার কোনো ধারণা নেই। তিনি বলেন, “আমি তো কাউকে সন্দেহ করতে পারছি না। বলতে পারছি না কারা এই কাজটা করেছে। যে বা যারা ঘটনাটা ঘটিয়েছে, তারা খুব ভালো করেই জানে আমি অফিসে কখন যাই এবং কখন অফিস থেকে বের হই।”

নিজের দৈনন্দিন রুটিন সম্পর্কে আসিফ জানান, “রাত ৮টা কিংবা সাড়ে ৮টায় আমি অফিসে ঢুকি এবং ফজরের নামাজের আগে কিংবা পরে অফিস থেকে বের হয়ে বাসায় যাই। তারা ওই সময়টাই টার্গেট করেছে, কিন্তু তাদের টার্গেটটা মিস হয়ে গেছে। আমি আর কিছুক্ষণ আগেই নিচে নামতাম। ছেলের সঙ্গে কথা বলছিলাম বলে অফিসে আরও কিছুক্ষণ ছিলাম।”

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, হাতিরঝিল থানাধীন মগবাজার থেকে ওয়্যারলেসগামী সড়কের পাশে বিশাল সেন্টার মার্কেটের সামনে ফুটপাতের পার্কিংয়ে ছিল আসিফের গাড়ি। ভোরের দিকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় এসে গাড়িটির দিকে একটি গুলি ছোড়ে এক ব্যক্তি। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে গাড়ির ভেতর থেকে গুলির কার্তুজ উদ্ধার করেছে।

এদিকে, এ ঘটনায় শোবিজের শিল্পী-কলাকুশলীরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাঈদীর মামলার বাদী মানিক পশারীর দাফন পুলিশ প্রহরায় সম্পন্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:১১ এম


সাঈদীর মামলার বাদী মানিক পশারীর দাফন পুলিশ প্রহরায় সম্পন্ন

পিরোজপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জামায়াত নেতা মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন সাঈদীর মামলার বাদী মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর দাফন শনিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে পুলিশ প্রহরায় সম্পন্ন হয়েছে। প্রশাসনের সহযোগিতায় এই দাফন সম্পন্ন হয়, যা দিনভর নানা উত্তেজনার পর হয়। এর আগে শনিবার গার্ড অব অনার দিতে এবং দাফনে বাধা দেন জামায়াতের নেতা-কর্মীরা। একপর্যায়ে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা তাঁর জন্য খোঁড়া কবর মাটি দিয়ে ভরাট করে ফেলে। পরে কবর খুঁড়তে কোনো পুরুষ লোক না পাওয়ায় তাঁর বোন ও দুই মেয়ে কবর খনন করেন। দাফন সম্পন্ন হলেও তাঁর নিজ এলাকায় কোনো জানাজা হয়নি বলে জানা গেছে।

গার্ড অব অনার দেওয়া এবং লাশ দাফন করতে বাধার বিষয়ে জামায়াত নেতাদের অভিযোগ, মানিক পশারী একজন ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা; তাই তাঁকে গার্ড অব অনার দেওয়া হবে না। শনিবার দুপুরে গার্ড অব অনার দেওয়ার কথা থাকলেও জামায়াতের বাধায় তা সম্ভব হয়নি। পাঁচ ঘণ্টা পর গোপনে পিরোজপুর পুলিশ লাইনে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

এদিকে মানিক পশারীর লাশ নিজ এলাকা পিরোজপুর সদর উপজেলার চিথলিয়া গ্রামে দাফন করতে দেওয়া হবে না বলে স্থানীয় জনগণ বিক্ষোভ করে। বিক্ষুব্ধ জনতা তাঁর জন্য খোঁড়া কবরও ভরাট করে ফেলে। শনিবার রাত সাড়ে ৯টায় পাড়েরহাট বন্দরে দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছেলে নাসিম সাঈদীর নেতৃত্বে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।

মানিক পশারী শনিবার সকালে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় মেয়ের জামাইয়ের বাড়িতে মারা যান। শনিবার দুপুরে তাঁর লাশ গার্ড অব অনারের জন্য পিরোজপুর সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে নেওয়া হলে জামায়াতের নেতা-কর্মীরা তাতে বাধা দেন। পরে লাশ পুলিশ প্রহরায় পিরোজপুর পুলিশ লাইনে নিয়ে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। ওই সময় পুলিশ লাইনের সামনে ও আশপাশে বিপুল সংখ্যক জামায়াত নেতা-কর্মী জড়ো হন।

মানিক পশারীর পরিবার জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর তিনি পলাতক ছিলেন। তিনি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় মেয়ের জামাইয়ের কাছে আশ্রয় নিয়েছিলেন। গত দুই মাস ধরে অসুস্থতায় ভুগে শনিবার সকালে তিনি মারা যান।

পিরোজপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইফতেখারুল ইসলাম শামীম জানান, মুক্তিযোদ্ধা মরহুম মানিক পশারীকে পুলিশ লাইনে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। পরে শনিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে তাঁর উপস্থিতিতে পুলিশ প্রহরায় মানিক পশারীকে তাঁর বাড়িতে কবরস্থ করা হয়।

মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম বাতেন ও মির্জা জহুরুল হক বলেন, মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী রাজাকার ছিলেন না, মানিক পশারীও মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না। তাঁদের দাবি, মাওলানা সাঈদীর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা করার পর মানিক পশারীকে মুক্তিযোদ্ধা বানানো হয়েছে।

পিরোজপুর জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আব্দুর রাজ্জাক জানান, মানিক পশারী একজন ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা, তাঁকে কোনোভাবেই গার্ড অব অনার দিতে দেওয়া হবে না। পিরোজপুরের মাটিতে মানিক পশারীর লাশ দাফন করতে দেওয়া হবে না।

দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছেলে ও পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ সাঈদী বলেন, মানিক পশারী একজন মিথ্যাবাদী, তিনি তাঁর বাবার বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে মিথ্যাচার করেছেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তিনি সাক্ষ্যে স্পষ্ট বলেছেন, তিনি মুক্তিযুদ্ধ করেননি। তাঁর দাবি, আত্মগোপনে থাকা পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি তৎকালীন এমপি থাকাবস্থায় সাঈদীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়েরের পর মানিক পশারীকে ডিউ লেটার দিয়ে গেজেটে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে নাম লিখিয়েছেন।

মাসুদ সাঈদী আরও বলেন, গেজেটে যেহেতু মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে মানিক পশারীর নাম আছে, সেহেতু সরকার তাঁকে গার্ড অব অনার দিয়েছে। এতে তাঁর কোনো আপত্তি নেই, কারণ সরকার তার দায়িত্ব পালন করেছে। তবে তিনি শুনেছেন, চিথলিয়া গ্রামের বিক্ষুব্ধ জনতা মানিক পশারীকে ওই এলাকায় দাফন করতে দেবে না। জনতা তাঁর জন্য খোঁড়া কবর ভরাট করে দিয়েছে।

মানিক পশারীর মেয়ের জামাই ফারুক হোসেন জানান, সকাল ১০টায় তিনি মারা যান। দুপুর ১২টায় তাঁরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে গেলে তিনি গার্ড অব অনারের কথা বলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত তাঁদের দাঁড় করিয়ে রাখেন। একটি সাধারণ অ্যাম্বুলেন্সে কোনো বরফ বা চা-পাতা ছাড়াই পাঁচ ঘণ্টা পর গোপনে কোনোমতে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়েছে।

এমএইচ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%