ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জয়পুরহাটে এসএসসি ফলাফলে সেরা গার্লস ক্যাডেট কলেজ


জয়পুরহাটে এসএসসি ফলাফলে সেরা গার্লস ক্যাডেট কলেজ

 

এ বছর অনুষ্ঠিত এসএসসি এবং সমমান পরীক্ষায় জয়পুরহাট গার্লস ক্যাডেট কলেজ জেলায় শীর্ষস্থান অর্জন করেছে। এই কলেজের অধীন ৫৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ৫৪ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় জয়পুরহাট জেলায় পাসের হার ৬৭.৫৩ শতাংশ। এবছর জেলায় মোট ৮৪৭ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। পাসের হার নিয়ে দেখা যায়, ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা অনেক এগিয়ে রয়েছে।

রাজশাহী বোর্ডের প্রকাশিত পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, জয়পুরহাট জেলা থেকে এবছর মোট ৮ হাজার ৪৯১ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে এবং পাস করেছে ৫ হাজার ৭৩৪ জন। এর মধ্যে ৪ হাজার ১৯৪ জন ছাত্রীর মধ্যে পাস করেছে ৩ হাজার ৮৭ জন। ছাত্রীর পাসের হার ৭৩.৬১%। অন্যদিকে, ৪ হাজার ২৯৭ জন ছাত্রের মধ্যে পাস করেছে ২ হাজার ৬৪৭ জন। ছাত্রের পাসের হার ৬১.৬০%।

আরও পড়ুন: উখিয়ায় ১৫ ঘণ্টা পরও জ্বলছে গ্যাসের আগুন, ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ

প্রাতিষ্ঠানিক ফলাফলে বরাবরের মতো ঈর্ষণীয় সাফল্য তুলে ধরেছে জয়পুরহাট গার্লস ক্যাডেট কলেজ। কলেজটির ৫৬ জন পরীক্ষার্থী থেকে ৫৪ জনই জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। এ সাফল্য এসেছে ক্যাডেট কলেজ পরিচালনা পরিষদের নির্দেশনা এবং অধ্যক্ষ ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ আরিফুল হকের (এস), এএফডব্লিউসি, পিএসসি, বিএন-এর তত্ত্বাবধানে, কৃতি শিক্ষার্থীদের ভাষ্যমতে।

অন্যদিকে, ১২১১ নম্বর পেয়ে জেলার মধ্যে সর্বোচ্চ মার্কস অর্জনের রেকর্ড গড়েছে জয়পুরহাট সদর থানা উচ্চ বিদ্যালয়। এছাড়া, জিপিএ-৫ প্রাপ্তির হারের ভিত্তিতে জেলার অন্যান্য বিদ্যালয়ের মধ্যে রামদেও বজলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ৩৯ শতাংশ, জয়পুরহাট সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ৩৮.৮ শতাংশ এবং জয়পুরহাট সদর থানা উচ্চ বিদ্যালয় ৩৫.৩ শতাংশ সাফল্য লাভ করেছে।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) জেসমিন নাহার জানিয়েছেন, এসএসসি পরীক্ষায় এবছর জেলায় পাসের হার ৬৭.৫৩ শতাংশ। তিনি সন্তোষজনক ফলাফল পেয়েছে বলে জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন: তাহিরপুরে প্রবাসীর স্ত্রী ও পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে উধাও নাজমুল, পরিবার উদ্বিগ্ন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পরিবেশমন্ত্রীর সঙ্গে এডিবির ভাইস প্রেসিডেন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৩১ পি.এম


পরিবেশমন্ত্রীর সঙ্গে এডিবির ভাইস প্রেসিডেন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ঢাকা, ১০ আগস্ট, ২০২৬ : পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সাথে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) ভাইস-প্রেসিডেন্ট (দক্ষিণ, মধ্য ও পশ্চিম এশিয়া) ইংমিং ইয়াং সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

আজ সোমবার, মন্ত্রীর অফিসকক্ষে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় বাংলাদেশ ও এডিবির মধ্যকার দীর্ঘদিনের উন্নয়ন সহযোগিতা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা, এবং পরিবেশবান্ধব ও টেকসই উন্নয়ন কার্যক্রম জোরদারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

আলোচনায় জলবায়ু অভিযোজন ও প্রশমন কার্যক্রম, জলবায়ু অর্থায়ন বৃদ্ধি, বন ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, বায়ু ও প্লাস্টিক দূষণ নিয়ন্ত্রণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণ, এবং পরিবেশসম্মত নগর ও অবকাঠামো উন্নয়নের বিষয় গুরুত্বপূর্ণ স্থান পায়।

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দুর্যোগসহিষ্ণু অবকাঠামো নির্মাণে এডিবির কারিগরি ও আর্থিক সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা করা হয়।

আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য বাংলাদেশ দায়ী নয়, তবে এটির বিরূপ প্রভাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। দেশের মানুষের জীবন, জীবিকা এবং প্রাকৃতিক সম্পদ সুরক্ষায় সরকার অভিযোজন ও প্রশমন উভয় ধরনের কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দিয়ে থাকে। তিনি বলেন, এসব কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়নে উন্নয়ন সহযোগীদের পর্যাপ্ত, সহজলভ্য ও দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন প্রয়োজন। সেজন্য প্রথমে নিজেদের অগ্রাধিকার নির্বাচন করতে হবে।

তিনি পরিবেশ সংরক্ষণ, দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও জলবায়ুসহিষ্ণু উন্নয়নে এডিবির সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের আহ্বান জানিয়েছেন।

এডিবির ভাইস প্রেসিডেন্ট ইংমিং ইয়াং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশের গৃহীত উদ্যোগের প্রশংসা করেন।

তিনি পরিবেশ সুরক্ষা, জলবায়ুসহিষ্ণু অবকাঠামো, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি ও টেকসই উন্নয়ন কার্যক্রমে বাংলাদেশের সঙ্গে এডিবির অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষ চলমান সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো পর্যালোচনা করার পাশাপাশি পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নতুন প্রকল্প ও কার্যক্রম গ্রহণের সম্ভাবনা নিয়ে একমত পোষণ করেন।

ভবিষ্যতে নিয়মিত যোগাযোগ ও সমন্বয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও এডিবির উন্নয়ন সহযোগিতা আরও এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে উভয় পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সাক্ষাৎকালে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ নাভিদ শফিউল্লাহ, এবং এডিবির সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভাণ্ডারিয়ায় ৫ মাদ্রাসায় দাখিলে শতভাগ ফেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৩১ পি.এম


ভাণ্ডারিয়ায় ৫ মাদ্রাসায় দাখিলে শতভাগ ফেল

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় ২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে একটি বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিয়েছে।

উপজেলার পাঁচটি মাদ্রাসার কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। পুরো উপজেলায় দাখিল পরীক্ষার পাসের হার মাত্র ৩৪ দশমিক ৪১ শতাংশে নেমে এসেছে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর ভাণ্ডারিয়ার ৩৬টি মাদ্রাসা থেকে দাখিল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৭৭০ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে কেবল ২৬৫ জন পাস করেছে, আর ৫০৫ জন ফেল করেছে। এছাড়া, জিপিএ-৫ পেয়ে এসেছে মাত্র ৫ জন পরীক্ষার্থী।

শতভাগ ফেল করা পাঁচটি প্রতিষ্ঠান হলো রাজপাশা বালিকা দাখিল মাদ্রাসা, পশারিবুনিয়া নূর মোহাম্মদ কারিগরি দাখিল মাদ্রাসা, জামেই উম্মুল কোরআন ঈদগাহ দাখিল মাদ্রাসা, দারুল মুহাম্মদ আদর্শ বালিকা দাখিল মাদ্রাসা এবং চরখালী দাখিল মাদ্রাসা। এই প্রতিষ্ঠানগুলোতে যথাক্রমে ৮, ১৭, ১১, ১০ ও ৭ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছিল, কিন্তু একজনও উত্তীর্ণ হতে পারেনি।

এ ছাড়া, উপজেলার কয়েকটি মাদ্রাসার ফলাফলও অত্যন্ত নিম্নমুখী। নয়াখালী মাটিভাংগা আলিম মাদ্রাসায় ১৭ জনের মধ্যে মাত্র একজন পাস করেছে, যার পাসের হার ৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ। আর আতরখালী ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসায় ১২ জনের মধ্যে একজন পাস করেছে, যার পাসের হার ৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ। আলগাজ্জালি ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসায় ৫৭ জনের মধ্যে ১০ জন পাস করেছে, যার পাসের হার ১৭ দশমিক ৫৪ শতাংশ। ভান্ডারিয়া শাহাবুদ্দিন কামিল মাদ্রাসায় ৫০ জনের মধ্যে ১৪ জন পাস করেছে, পাসের হার ২৮ শতাংশ। সিংহ খালি দাখিল মাদ্রাসায় ১৮ জনের মধ্যে দুই জন পাস করেছে, পাসের হার ১১ দশমিক ১১ শতাংশ। পূর্ব মাটি ভাঙ্গা মোন্তাজিয়া দাখিল মাদ্রাসায় ১৪ জনের মধ্যে দুই জন পাস করেছে, পাসের হার ১৮ দশমিক ২৮ শতাংশ।

একটি উপজেলায় দাখিল পরীক্ষায় সামগ্রিক পাসের হার ৩৪ শতাংশের বেশি এবং একাধিক প্রতিষ্ঠানে কোনো শিক্ষার্থীও পাস না করায় স্থানীয় সুশীল সমাজের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। তারা মাদ্রাসাগুলোর শিক্ষার মান, পাঠদান পদ্ধতি এবং ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে ভান্ডারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. হাসিবুল হাসান এই বলেন, ভান্ডারিয়া উপজেলায় এ বছরের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল তুলনামূলকভাবে ভালো হলেও দাখিল পরীক্ষার ফলাফল সন্তোষজনক ছিল না। বিশেষ করে যেসব প্রতিষ্ঠান থেকে একজনও পাস করেনি, সেসব প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষকে শোকজ করা হবে। একই সঙ্গে ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ জানতে চাওয়া হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাইয়ে ৯০ কোটি মানুষের বসবাসের অঞ্চলে রেকর্ড তাপমাত্রা, এএফপির বিশ্লেষণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৩৩ পি.এম


জুলাইয়ে ৯০ কোটি মানুষের বসবাসের অঞ্চলে রেকর্ড তাপমাত্রা, এএফপির বিশ্লেষণ

ঢাকা, ১০ আগস্ট, ২০২৬ : ২০২৬ সালে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রায় ৯০ কোটি মানুষ ইতিহাসের সবচেয়ে উষ্ণ জুলাই মাস অতিবাহিত করেছেন। এসব অঞ্চলের মধ্যে রয়েছে সাহেল, মধ্য আমেরিকা, ফ্রান্স ও স্পেন।

কোপার্নিকাসের তথ্য বিশ্লেষণ করে এএফপি এ তথ্য জানিয়েছে।

কোপার্নিকাসের ইআরএ৫ জলবায়ু মডেলের কোটি কোটি তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, রেকর্ড রাখা শুরু হওয়ার পর থেকে ৩৩টি দেশে জুলাই মাসে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল এ বছর।

ফ্রান্স ও স্পেনের মতো পর্যাপ্ত সম্পদ থাকা কয়েকটি দেশের জাতীয় আবহাওয়া সংস্থাও স্বাধীনভাবে রেকর্ড তাপমাত্রার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এ বিষয়ে মেতেও-ফ্রান্স এবং স্পেনের আবহাওয়া সংস্থা এইমেটের বিশ্লেষণ রয়েছে।

তবে অনেক নিম্নআয়ের দেশ বিস্তারিত জলবায়ু তথ্য প্রকাশ করে না।

এ কারণে এএফপি ইউরোপীয় কোপার্নিকাস কর্মসূচির তথ্য স্বাধীনভাবে বিশ্লেষণ করে বৈশ্বিক পরিস্থিতির একটি পূর্ণাঙ্গ চিত্র তুলে ধরেছে।

এ তথ্যভাণ্ডারে বিভিন্ন দেশের পরিচালিত উপগ্রহের পর্যবেক্ষণ, স্থল, সমুদ্র ও আকাশে থাকা আবহাওয়া কেন্দ্রের তথ্য এবং জলবায়ু মডেল একত্র করা হয়েছে। এতে ১৯৭০ সাল থেকে প্রতি ঘণ্টার বৈশ্বিক তথ্য পাওয়া যায়।

গড়ের চেয়ে বেশি উষ্ণ সাহেল।

প্রভাবিত এলাকাগুলোতে বসবাসকারী প্রায় ৯০ কোটি মানুষের মধ্যে প্রায় ৪০ কোটি আফ্রিকায় বসবাস করেন। তাদের বেশিরভাগই সাহেল অঞ্চলের বাসিন্দা।

এ অঞ্চলের ১০টি দেশে জুলাই মাসের তাপমাত্রার রেকর্ড ভেঙেছে। এর মধ্যে পশ্চিমের মৌরিতানিয়া, নাইজার ও বুরকিনা ফাসো এবং পূর্বের সুদান, কেনিয়া ও ইথিওপিয়া রয়েছে।

নিরক্ষরেখার কাছাকাছি দেশগুলোতে তাপমাত্রার ওঠানামা ও অস্বাভাবিকতা সাধারণত নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ুর দেশগুলোর তুলনায় কম হয়ে থাকে।

তারপরও চাদ ও সুদানের মতো দেশগুলোতে জুলাইয়ের তাপমাত্রা ১৯৮১-২০১০ সালের গড়ের চেয়ে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি ছিল।

ওয়ার্ল্ড ওয়েদার অ্যাট্রিবিউশন (ডব্লিউডব্লিউএ) নেটওয়ার্কের বিজ্ঞানীরা জানুয়ারিতে সতর্ক করে বলেছেন, ২০১৫ সালের পর থেকে চরম তাপপ্রবাহের ঘটনা প্রায় ১০ গুণ বেশি সম্ভাবনাময় হয়ে উঠেছে। মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনকে এর কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন তারা।

সাহেলভুক্ত দেশগুলো তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রভাবে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে। এরই মধ্যে এসব দেশের বহু রাষ্ট্র সশস্ত্র সংঘাত, খাদ্যসংকট ও ব্যাপক দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়ছে।

এল নিনো ও খাদ্যসংকট।

প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট এল নিনো জলবায়ু পরিস্থিতি জুনে শুরু হয়েছে। চলতি বছরের শেষ দিকে এটি সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাবে বলেও ধারণা করা হচ্ছে। এরই মধ্যে মধ্য আমেরিকা ও উত্তর দক্ষিণ আমেরিকাজুড়ে নজিরবিহীন তাপমাত্রা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে এই পরিস্থিতি।

মেক্সিকো থেকে উত্তর ব্রাজিল পর্যন্ত এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূল থেকে গুয়ানা উচ্চভূমি পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকায় প্রায় ১১ কোটি মানুষ জুলাইয়ে রেকর্ড সর্বোচ্চ তাপমাত্রার মুখোমুখি হয়েছেন।

‘ড্রাই করিডোর’ নামে পরিচিত অঞ্চলের এল সালভাদর, নিকারাগুয়া ও হন্ডুরাসে জুন ও জুলাই—উভয় মাসেই মাসিক তাপমাত্রার রেকর্ড হয়েছে। এতে দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা আরও বেড়েছে।

জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) গত সপ্তাহে জানিয়েছে, খাদ্যসংকটের তুলনামূলক বৃদ্ধির দিক থেকে মধ্য আমেরিকাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চল হতে পারে।

ক্যারিবীয় অঞ্চলসহ সংস্থাটি ধারণা করছে, ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ আরও ১ কোটি ৬০ লাখ মানুষ খাদ্যসংকটে পড়তে পারেন।

পুড়ছে ইউরোপ।

ইউরোপের প্রায় ১২ কোটি মানুষ এমন অঞ্চলে বসবাস করেন, যেখানে ২০২৬ সালের জুলাই ছিল রেকর্ড রাখা শুরুর পর থেকে সবচেয়ে উষ্ণ জুলাই।

এ রেকর্ড মূলত দক্ষিণ ব্রিটেনের, পশ্চিম ফ্রান্স এবং উত্তর ও পূর্ব স্পেনে হয়েছে।

ফ্রান্সে গড় তাপমাত্রা ১৯৯১-২০২০ সালের স্বাভাবিক তাপমাত্রার চেয়ে ৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল। আর ১৯৯১-২০২০ সালের এই সময়কালও ১৮৫০-১৯০০ সালের প্রাক-শিল্প যুগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে উষ্ণ।

ফ্রান্স ও স্পেনে খরার রেকর্ড মাত্রাও দেখা গেছে। এতে ভয়াবহ দাবানল আরও তীব্র হয়ে ওঠে।

জুলাইয়ের শেষ দিকে ফ্রান্সের জিরন্দ বিভাগে ভয়াবহ দাবানলে প্রায় ৪২ হাজার হেক্টর এলাকা পুড়ে যায়। এ সময় ২ লাখ ২০ হাজারের বেশি মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়।

একই সময়ে মাদ্রিদের কাছে আভিলা প্রদেশে স্পেনের সাম্প্রতিক ইতিহাসের সবচেয়ে বড় দাবানলে প্রায় ৪৪ হাজার হেক্টর এলাকা পুড়ে যায়।

এ ছাড়া অপেক্ষাকৃত ছোট ও বিচ্ছিন্ন আরও কিছু অঞ্চলে জুলাইয়ে নজিরবিহীন তাপমাত্রা দেখা গেছে। এসব অঞ্চলে সম্মিলিতভাবে ২৫ কোটির বেশি মানুষ বসবাস করেন। এর মধ্যে রয়েছে চীনের সিচুয়ান প্রদেশ, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াইওমিং ও কলোরাডো অঙ্গরাজ্য এবং ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা ও বোর্নিও দ্বীপ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বনাথে ৫০ প্রতিষ্ঠানের ৩৫টিতেই মেলেনি জিপিএ-৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৩৪ পি.এম


বিশ্বনাথে ৫০ প্রতিষ্ঠানের ৩৫টিতেই মেলেনি জিপিএ-৫

 

সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায় এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, এবারের পরীক্ষায় ৭০ শতাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে সর্বোচ্চ গ্রেডের কোনো ফলাফল আসেনি। এ উপজেলায় ৫০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৩৫টি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই জিপিএ-৫ (এ প্লাস) অর্জন করতে পারেনি। এর মধ্যে রয়েছে ২২টি স্কুল এবং ১৩টি মাদরাসা। মাত্র ১৫টি প্রতিষ্ঠানে জিপিএ-৫ এসেছে। শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের মধ্যে এই ফলাফলে হতাশা দেখা দিয়েছে।

সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, উপজেলার ৫০টি স্কুল ও মাদরাসা থেকে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে। এখন প্রশ্ন উঠছে, কেন ৩৫টি স্কুল-মাদরাসার কোনো শিক্ষার্থীই জিপিএ-৫ অর্জন করতে পারলো না। এই পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি এবং এই ফলাফলে প্রতিষ্ঠানগুলোর পাঠদান ও একাডেমিক কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা চলছে।

অভিভাবকদের অনেকেই বলেছেন, একটি উপজেলার ৩৫টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটিতেও জিপিএ-৫ না পাওয়া স্বাভাবিক কোনো বিষয় নয়। এর পেছনে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতির পাশাপাশি পাঠদানের মান, একাডেমিক তদারকি এবং বিষয়ভিত্তিক দুর্বলতা বিশ্লেষণ প্রয়োজন।

তবে কেউ কেউ আবার বলছেন, জিপিএ-৫ না পাওয়াই কোনো প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক শিক্ষার মানের একমাত্র মাপকাঠি নয়। কিন্তু এতো বেশি সংখ্যক প্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষার্থীও সর্বোচ্চ গ্রেড অর্জন না করার বিষয়টি ভাবার যোগ্য।

এ বিষয়ে কথা হলে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার আবদুল হামিদ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানিয়েছেন, বিশ্বনাথ উপজেলায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক সংকটের কারণে এই অবস্থা। তিনি উল্লেখ করেন যে, অনেক প্রতিষ্ঠান নিজ নিজ নির্বাচনী পরীক্ষায় একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদেরও বোর্ড পরীক্ষায় সুযোগ দেন। এই বিষয়টিও ফলাফলকে প্রভাবিত করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%