প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায় এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, এবারের পরীক্ষায় ৭০ শতাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে সর্বোচ্চ গ্রেডের কোনো ফলাফল আসেনি। এ উপজেলায় ৫০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৩৫টি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই জিপিএ-৫ (এ প্লাস) অর্জন করতে পারেনি। এর মধ্যে রয়েছে ২২টি স্কুল এবং ১৩টি মাদরাসা। মাত্র ১৫টি প্রতিষ্ঠানে জিপিএ-৫ এসেছে। শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের মধ্যে এই ফলাফলে হতাশা দেখা দিয়েছে।
সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, উপজেলার ৫০টি স্কুল ও মাদরাসা থেকে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে। এখন প্রশ্ন উঠছে, কেন ৩৫টি স্কুল-মাদরাসার কোনো শিক্ষার্থীই জিপিএ-৫ অর্জন করতে পারলো না। এই পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি এবং এই ফলাফলে প্রতিষ্ঠানগুলোর পাঠদান ও একাডেমিক কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা চলছে।
অভিভাবকদের অনেকেই বলেছেন, একটি উপজেলার ৩৫টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটিতেও জিপিএ-৫ না পাওয়া স্বাভাবিক কোনো বিষয় নয়। এর পেছনে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতির পাশাপাশি পাঠদানের মান, একাডেমিক তদারকি এবং বিষয়ভিত্তিক দুর্বলতা বিশ্লেষণ প্রয়োজন।
তবে কেউ কেউ আবার বলছেন, জিপিএ-৫ না পাওয়াই কোনো প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক শিক্ষার মানের একমাত্র মাপকাঠি নয়। কিন্তু এতো বেশি সংখ্যক প্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষার্থীও সর্বোচ্চ গ্রেড অর্জন না করার বিষয়টি ভাবার যোগ্য।
এ বিষয়ে কথা হলে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার আবদুল হামিদ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানিয়েছেন, বিশ্বনাথ উপজেলায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক সংকটের কারণে এই অবস্থা। তিনি উল্লেখ করেন যে, অনেক প্রতিষ্ঠান নিজ নিজ নির্বাচনী পরীক্ষায় একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদেরও বোর্ড পরীক্ষায় সুযোগ দেন। এই বিষয়টিও ফলাফলকে প্রভাবিত করে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন